a করোনার ব্যর্থতা আড়াল করতে নাটক মঞ্চস্থ করছে সরকার: টুকু
ঢাকা শনিবার, ২৪ মাঘ ১৪৩২, ০৭ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

করোনার ব্যর্থতা আড়াল করতে নাটক মঞ্চস্থ করছে সরকার: টুকু


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
শুক্রবার, ০৬ আগষ্ট, ২০২১, ০৪:১০
করোনার ব্যর্থতা আড়াল করতে নাটক মঞ্চস্থ করছে সরকার: টুকু

ফাইল ছবি । ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, সরকার করোনার ব্যর্থতা আড়াল করতে এখন অনেক নাটক মঞ্চস্থ করছে। সেই নাটকগুলো নিয়ে গণমাধ্যমকে ব্যস্ত রাখা হচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়াগুলোও ব্যস্ত আছে। কার বাড়িতে কত মদের বোতল বেরোল, কার বাড়িতে কতগুলো ইয়াবা ট্যাবলেট বেরোল এটাই এখন নিউজ। 

কিন্তু করোনায় মৃত্যু ও সংক্রমণের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। প্রতিদিনই মানুষ মরছে। নতুন আতঙ্ক দেখা দিয়েছে ডেঙ্গু। এগুলোকে পাশ কাটানোর জন্যই সরকার এখন মদ, ইয়াবা, এলএসডি নিয়ে ব্যস্ত। যারা এসব অসামাজিক কাজ করে বেড়াচ্ছে, এতদিন কি সরকারের চোখে পড়েনি? 

চিত্রনায়িকা পরীমণিসহ একজন প্রযোজকের বাসা থেকে বিদেশি মদসহ বিভিন্ন অবৈধ জিনিসপত্র উদ্ধার ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে গতকাল দুপুরে এক ভার্চুয়াল আলোচনায় এই অভিযোগ করেন তিনি। ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির উদ্যোগে কভিড-১৯ হেল্প সেন্টারের উদ্বোধন উপলক্ষে এই ভার্চুয়াল অনুষ্ঠান হয়। অনুষ্ঠানে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে গণফোরামের মানববন্ধন


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
শনিবার, ২২ মে, ২০২১, ০৮:৪১
সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে গণফোরামের মানববন্ধন

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

আজ সাংবদিক রোজিনা ইসলামের নিঃশর্ত মুক্তি, হেনস্তাকারীদের গ্রেপ্তার ও কালো আইন বাতিলের দাবীতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক প্রতিবাদী মানববন্ধনে গণফোরামের মুখপাত্র সিনিয়র আইনজীবী সুব্রত চৌধুরীসহ অন্যান্য বক্তারা বক্তব্য রাখেন।

জননেতা সুব্রত চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সভায় অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন এডভোকেট মহসীন রশিদ, এডভোকেট জগলুল হায়দার আফ্রিক, মেজর (অবঃ) আসাদুজ্জামান বীর বিক্রম, বীর মুক্তিযোদ্ধা খান সিদ্দিকুর রহমান, এডভোকেট হেলাল উদ্দিন, লতিফুল বারী হামিম, রওশন ইয়াজদানি, মোকলেসুর রহমান বাবুল, এডভোকেট মাহবুবুর রহমান, যুব নেতা মুহাম্মদ উল্লাহ মধু, ছাত্রনেতা সানজীদ রহমান শুভ, কামাল উদ্দিন সুমন।

জননেতা সুব্রত চৌধুরী বলেন, রোজিনা ইসলাম একজন সনামধন্য পেশাদার সাংবাদিক। তাকে হেনস্তা ও কারাবন্ধী করার মধ্য দিয়ে সরকার সাংবাদিক ও প্রতিবাদী মুখ বন্ধ করার চক্রান্ত করছে। জবাবদীহিহীন আমলা নির্ভর এ সরকারের স্বাস্থ্য, আইসিটি, অর্থ, শিক্ষা ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়সহ সকল জায়গায় লাগামহীন দুর্নীতির চিত্র সংবাদপত্র ও গনমাধ্যমে ভেসে উঠছে। দুর্নীতির তদন্ত হয় না। দেশের সম্পদ লুন্ঠন ও ভাগাভাগি হচ্ছে। অনতিবিলম্বে দুর্নীতিবাজ আমলা ও তার সহযোগী রাজনিতীবিদ আশ্রয়দাতাদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনা হোক।

এডভোকেট মহসিন রশিদ বলেন, বিচার ব্যাবস্থাকে কন্ঠরোধ করা হচ্ছে। রোজিনার জামিন না দিয়ে তাকে জেলখানায় হেনস্তা ও নির্যাতন করা হচ্ছে। মন্ত্রিরা বলে বেড়াচ্ছেন রোজিনা সুষ্ঠু বিচার পাবে। কিন্তু আমরা শুনেছি আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন সাংবাদিক রোজিনাকে থানা ও জেল হাজতে চিহ্নিত দাগী কুখ্যাত আসামীদের সাথে রেখে তার সাথে অমাননিবক আচরণ করা হচ্ছে। বিচারককে প্রভাবিত করা হচ্ছে। এ বিষয়ে উচ্চ আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। 

নেতৃবৃন্দ আরো বলেন সংবাদপত্র, টেলিভিশন ও অনলাইন মিডিয়ার কন্ঠরোধ করার চক্রান্ত চলছে। রোজিনার মুক্তির দাবীতে সাংবাদিকদের সর্বাত্বক আন্দোলনের প্রতি আমরা সমর্থন জানাই। এ ঐক্য ভাঙ্গার নানারকম চক্রান্ত চলছে। সকলকে সতর্ক থাকার আহবান জানাচ্ছি। করোনাকালে লক্ষ কোটি টাকা প্রনোদনা দেওয়া হলেও সাংবাদিকদের নামমাত্র দশ কোটি টাকা প্রনোদনা দেওয়া হয়েছে। যা হাজার হাজার সাংবাদিকদের সাথে তামাশা করার সামিল।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

মোহাম্মদের সমাধি প্রিন্স মাহমুদ


আরাফাত, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৮:৪৪
মোহাম্মদের সমাধি প্রিন্স মাহমুদ

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

মোহাম্মদের সমাধি
প্রিন্স মাহমুদ

যে স্বপন দেখিয়া ঘুম ভাঙ্গিল রজনী দ্বি-প্রহরে
তা’র বর্ণন করিবার আগে তওবা করি হাত ওঠায়ে বসিয়াছি বিছানার ওপরে
এলাহি কবুল করুন।
জান্নাতুল বাকীতে নাই বা যদি হয় মসজিদের ধারে
চিতায় না দিয়ে ঘুমা'তে দিয়েন বাসন্তীকে পাশের গোরে।
‘আল্লাহু-আকবার’ ডাক শুনি তা’রে লয়ে ওঠে
পরিতে পারি গো যেন আপনার চরণে লুটে।
দুনিয়ার জমিনের তলে
মোমেন মোমেনা যত ঘুমায়েছে পৃথিবীর আড়ালে
এই তওবা পৌঁছে দিন তা'দের তরে
আমার জনক জননীকে বিচার দিনে
আপনার হাবিবে সাফা নসিবে জুটায়ে দিয়েন জৌলুস আয়োজনে।
লা-ইলাহা ইল্লাললাহু মোহাম্মাদুর রাসূরুল্লাহ্ (স.)।।

উরুতে শুয়ে জিজ্ঞেস করিল মোহাম্মদ- মরণের পর
বলতে পার আয়েশা কোথা হবে আমার কবর?
হা প্রাণের স্বামী
কবরস্ত হবে কোথা তা জানি আমি।
বলিল মোহাম্মদ আনন্দে নাচি
"বল শুনি তুমি আমার অন্তর যাচি।"
ইয়া রাসূরুল্লাহ, মাতৃভূমি মক্কা মোয়াজ্জেমার উত্তরে
ঘুমায়ে রয়েছে খাদিজা জান্নাতুল মহল্লার তরে।
আমরা ন-জন নারী, সেবা করি
তাঁ'র গল্পই তবু তোমার প্রাণে জরি।
এ জন্যে আমার ধারনা
প্রথমা বিবির পাশ ছাড়া কোথাও ঘুমাইবে না।
আয়েশা! খাদিজার পাশে ঘুমা'ব, ঠিক করি নাই।
যদি অনুমতি দাও, আরেকটি জায়গার নাম বলতে চাই।
সম্মতি দিয়ে বলিল মোহাম্মদ- "এটা কোন স্থান?"
মদিনা থেকে মক্কা আসিবার পথে বাবলা বাগান
লাল বালির মরুভূমি'র আবয়া প্রান্তর
ঘুমায়ে রয়েছে বাবা-মা, কাল হতে কালান্তর।
ওনাদের পাশে
ঘুমাবে বলে পণ করেছ নিশ্চয়ই আশে আশে।
বলিল মোহাম্মদ- আয়শা! মরণের পর
ঠিক করি নাই হোক, বাবা-মা'র পাশে কবর।
আবার বলিল আয়শা- "ইয়া রাসূরুল্লা-হে
জান্নাতুল বাকীতে ঘুমা'বে বলতে পারি নিঃসন্দেহে।
তোমার স্বীয় হাতে গড়া মদিনার এই কবর স্থান
বানায়ে রাখিয়াছে আল্লা বেহেস্তের বাগান।
এই কবরে যা'রা ঘুমা'বে
আজাব বলতে কেয়ামত পর্যন্ত কিছু না বুঝবে।
স্বীয় হাতে দেয়া যখন দশ হাজার সাহাবীর কবর
বলতে পারি এই খানেই ঘুমাবে তুমি মরণের পর।
বলিল মোহাম্মদ- ওগো পূজারী মোর
ঠিক করি নাই হোক, জান্নাতুল বাকীতে গোর।
বুঝেছি, নাই বলিবে তুমি তোমার প্রশ্নের জবাবে
হার মেনে জিজ্ঞাসী প্রশ্নকরীকেই- "কোথা ঘুমাইবে?"
বলিল মোহাম্মদ- রয়েছি আজ যেথা যেই ভাবে শোয়ে
পশ্চিমে মাথা পূর্বে পা দক্ষিণে কাবায় মুখ ফিরে ঘুমায়ে
থাকতে চাই কেয়ামত পর্যন্ত যদি
মরণের পর দিবে কি তোমার ঘরে আমাকে সমাধি?
জবাবে বলিল আয়শা- ইয়া রাসুরুল্লাহে
তোমার কথা শুনে ভরে গেল হৃদয়, অক্ষয় উৎসাহে।
এই ঘরে! এইখানে, মরণের পর দিব তোমাকে কবর
মানুষ এসে ঘরটাও দেখে আমার সম্মান বাড়ায়ে চলিবে জনম ভর।

আজিকে সোম, মঙ্গল বুধ গিয়া বেলা আসর
গভীর ঘুমে ঘুমায়ে রয়েছে শেষ পয়গম্বর।
তিন দিন ধরি ঊনানে বসায়নি হাড়ি
দেখেনি চেয়ে শিশুরাও মায়ের বুকেরপুরী।
প্রিয় নবী প্রিয় নেতা নিয়াছে বিদায়
আঁধার পৃথিবী শোকে কাঁদে পিঠ লাগায়নি কেউ বিছানায়।
তলে তলে একে একে আসি পড়ে যানাজার নামায
ওয়াক্তের বেলায় নামিয়া আসিয়াছে সাঁঝ।
যায়নি শোনা বেলালের আযান ধ্বনির সুর
ইসলাম রবির আলো যাচ্ছে চলি দূর হতে দূর।
আরো সময় যায় যদি চলে ক্রমে ক্রমে
স্বীয় ধর্মের কথা যা'বে ভুলে এ জনমে।
রহিবে না আর কভু ধরিবার মত হাল
এই বিদায়ী-ই উড়ায়েছে ইসলাম রবির কিরণ-পাল।
হইবে না ঠিক আর রাখা মাটির ওপর
বিধাতার নিয়মেই দিতে হইবে কবর।
এই ভাবি সাহাবিগণ বসি এক সাথে
খাদিজার পাশে কেহ বলে মা-বাবা বা জান্নাতুল বাকীতে
প্রিয় নবী প্রিয় নেতাকে সমাহিত করিতে।
যত সব পরামর্শ, সিদ্ধান্ত বাক্য যায় গর্মিল জলে ভাসি
সবে মিলে বলিল শেষে, আয়েশার কাছে আসি
"প্রিয় নবী মরিবার পর
পৃথিবী আঁধারে ঢাকা, ভাঙ্গিয়াছে মক্কা মদিনার অধর।
আরো সময় যদি রাখি তাহাকে মাটির ওপরে
ইসলাম রবি নিভিয়া গিয়া চলিবে আর মোড়ে।
এই ভাবি কবরস্ত করিতে যত জায়গাই ঠিক করি
বৃথাই চলে জিজ্ঞাসী তাই- ‘পছন্দ রয়েছে না কি কোনো পুরী?’
জবাবে বলিল আয়শা- এই-খানে এক দিন রাসূল শোয়ে
বলিল- থাকতে চাই তোমার ঘরে ইহ জীবনের ঘুম ঘুমায়ে
তুমি নিবা না-কি বল আমার এ কথা কবুল করি?
জবাবে বলিলাম- আমার পরম ভাগ্য জনম জনম ধরি
তোমার কবর দেখিতে আসিয়া ঘরটাও দিখি দিখি
খোদার তরে আমার দাম বাড়ায়ে নিবে মানুষ ঠিকই।
 ইয়া রাসূরুল্লাহে
আমার ঘরে তোমাকে ঘুমাতে দিব বলিলাম উৎসাহে।
আয়েশার কথা শুনি সাহাবিগণ এক সাথে মিলি
স্বীয় পরামর্শ দিয়া দিল বলী।
অতপর সব ব্যথা বুকে সয়ে
কবর খুঁড়িল সবে মোহাম্মদের লাশ একটু খানি সরায়ে।
পশ্চিমে মাথা পূর্বে পা দক্ষিণে কাবার দিকে মুখ ফিরে
শেষ পয়গম্বরকে রাখি চলিয়া গেল সবে যার যার নীড়ে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - রাজনীতি