a খালেদা জিয়াকে টুস করে ফেলে দেওয়ার কথাটি হিউমার: ওবায়দুল কাদের
ঢাকা বৃহস্পতিবার, ৯ মাঘ ১৪৩২, ২২ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

খালেদা জিয়াকে টুস করে ফেলে দেওয়ার কথাটি হিউমার: ওবায়দুল কাদের


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
সোমবার, ২৫ জুলাই, ২০২২, ০৮:৩০
খালেদা জিয়াকে টুস করে ফেলে দেওয়ার কথাটি হিউমার: ওবায়দুল কাদের

ফাইল ছবি

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে পদ্মা সেতু থেকে টুস করে ফেলে দেওয়ার কথাটি ছিল হিউমার। তিনি আরও বলেছেন, বিএনপি ঘেরাও করতে এলে চা খাওয়ানোর কথাটিও হিউমার ছিল। আজ সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।

মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে একজন সাংবাদিক ওবায়দুল কাদেরকে প্রশ্ন করেন, প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বিএনপিকে চা খাওয়ার দাওয়াতের কথা বলে আসলে সংলাপের দরজা খুলতে চাইছেন কি না। জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘দেখুন, এ তো পলিটিক্যাল হিউমার। যেমন বেগম খালেদা জিয়াকে টুপ করে ফেলে দেওয়ার কথাটি হিউমার। তারা (বিএনপি) ঘেরাও করবে, আন্দোলন করবে—এটারই জবাবে হিউমারের দিক থেকে বলেছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি নেতা মির্জা ফখরুলেরা ঘেরাও করতে এলে চা খাওয়ালে অসুবিধা কী?’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ১৮ মে দলীয় এক সভায় পদ্মা সেতু নিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অতীত মন্তব্যের সমালোচনা করেন। শেখ হাসিনা বলেন, ‘খালেদা জিয়া বলেছিল, জোড়াতালি দিয়ে পদ্মা সেতু বানাচ্ছে। সেতুতে যে স্প্যানগুলো বসাচ্ছে, এগুলো তার কাছে ছিল জোড়াতালি দেওয়া। বলেছিল, জোড়াতালি দিয়ে পদ্মা সেতু বানাচ্ছে, ওখানে চড়া যাবে না। চড়লে ভেঙে পড়বে। আবার তার সঙ্গে কিছু দোসরেরাও...তাদের এখন কী করা উচিত? পদ্মা সেতুতে নিয়ে গিয়ে ওখান থেকে টুস করে নদীতে ফেলে দেওয়া উচিত।’

গত শনিবার দলীয় আরেক সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানান, বিএনপি যদি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচি দেয়, তাতেও বাধা দেওয়া হবে না। শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলামোটরে যে বাধা দেওয়া, সেটা সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিয়েছি। আসুক না হেঁটে হেঁটে যত দূর আসতে পারে। কোনো আপত্তি নেই। আমি বসাব, চা খাওয়াব। কথা বলতে চাইলে শুনব।’ সূত্র: প্রথম আলো

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

'ভিপি নূর গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর সঠিক নয়'


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
বৃহস্পতিবার, ২৫ মার্চ, ২০২১, ০৬:৩৪
'ভিপি নূর গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর সঠিক নয়'

ফাইল ছবি: নুরুল হক নূর

রাজধানীর মতিঝিলে মোদিবিরোধী আন্দোলনে সংঘর্ষের ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সাবেক (ডাকসু) ভিপি নুরুল হক নূর আহত হয়েছেন বলে খবর প্রচার হয়। তার গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবরটি সঠিক নয়।

আজ দুপুরে ছাত্র অধিকার পরিষদের ঢাবি শাখার সাবেক সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ইয়ামিন মোল্লা বলেন, নূর পুলিশের ছোড়া টিয়ারশেলে আহত হয়েছেন, গুলিবিদ্ধ হননি। ফেসবুকে নুরুল হক নূর নামের একটি পেজ থেকে ভিপি নুর গুলিবিদ্ধ উল্লেখ করে পোস্ট দিলে গুজব ছড়িয়ে পড়ে।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল বের করে ছাত্র ও যুব অধিকার পরিষদ। মিছিলে পুলিশ বাধা দিলে এসব সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

গভীর রাতে ইডেনের ছাত্রলীগ সভাপতি-সেক্রেটারি বোরকা পরে পালিয়েছে


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
বুধবার, ১৭ জুলাই, ২০২৪, ১২:১৫
গভীর রাতে ইডেনের ছাত্রলীগ সভাপতি-সেক্রেটারি বোরকা পরে পালিয়েছে

ফাইল ছবি: ইডেন কলেজের সভাপতি-সেক্রেটারী


ইডেন কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভা এবং সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানা গভীর রাতে বোরকা পরে হল থেকে পালিয়েছেন। মঙ্গলবার রাত ৩টার দিকে কোটা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের আক্রমণের ভয়ে তারা হল ত্যাগ করতে বাধ্য হয়।

এর আগে, রাতেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হল থেকে ছাত্রলীগের সভাপতি আতিকা বিনতে হোসাইনসহ ৯ জন নেত্রীকে আন্দোলনকারীরা হল থেকে বের করে দেয়। একই সময়ে আরও কয়েকটি হল থেকেও ছাত্রলীগের নেত্রীদের বের করে দেওয়া হয়। এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ইডেন কলেজে ছাত্রলীগ নেত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। নিজেদের নিরাপত্তার জন্য হল থেকে পালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তারা এবং কোন অনভিপেত ঘটনা এড়াতে বোরকা পরিধান করেন।

ইডেন কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভাকে ফোন করলে তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ভাই, খুব ঝামেলায় আছি। এসব নিয়ে পরে কথা বলব।’

সকাল ৯টার দিকে জানা যায়, ইডেনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছাড়াও প্রায় সব নেতাকর্মী হল থেকে পালিয়েছেন। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা তাদের কক্ষ ভাঙচুর করেছেন।

এদিকে, রাতের ঘটনা থেকে উদ্ভূত চাপের মুখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫টি ছাত্রীসহ বেশ কয়েটি ছাত্র হলকেও ছাত্র রাজনীতিমুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক, রোকেয়া হল, শামসুন নাহার হল, কবি সুফিয়া কামাল হল, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল এবং বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হলের প্রাধ্যক্ষরা শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে হলগুলোকে ছাত্র রাজনীতি মুক্ত করার অঙ্গীকারনামা প্রদান করেন।

রাত ১১টার দিকে রোকেয়া হলে প্রথমে এই ঘোষণাটি দেয়া হয়। শিক্ষার্থীরা ছাত্রলীগ নেত্রীদের হল থেকে বের করে দিয়ে প্রাধ্যক্ষের কাছ থেকে লিখিত অঙ্গীকারনামা গ্রহণ করেন, যাতে হলের অভ্যন্তরে সব ধরনের ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হয়। সূত্র: বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - রাজনীতি