a
ফাইল ছবি
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) নির্বাচনে আজ সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে এবং এ ভোট চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। এই নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী। তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে লড়ছেন বিএনপি হতে অব্যাহতি পাওয়া স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার।
একটানা ১৭ দিন প্রচার-প্রচারণা শেষে আজ নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরের জন্য কে বন্দরনগরীর মেয়র হবেন, তা নির্ধারণ হবে আজ।
জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহ জানান, আমাদের ৯ জন ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের ৩০টি টিম মাঠ পর্যায়ে কাজ করছে। ইতিমধ্যে আমরা আরও ৩০ জন ম্যাজিস্ট্রেট পেয়েছি। পাশাপাশি আমাদের পুলিশের প্রায় ৭৬টি টিম রয়েছে। র্যাবের ৬৫টি টিম রয়েছে। বিজিবির ২০টি দল মাঠ পর্যায়ে কাজ করছে। এর বাইরে আমাদের আরও ছয় জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কাজ করছে।
জেলা প্রশাসক আরো বলেন, বহিরাগত কেউ নারায়ণগঞ্জে নেই। কিংবা সরকারি দলের কেউ প্রশাসনের সহায়তা পাচ্ছে না।
নাসিকের এবারের নির্বাচনে মেয়র পদে ৭জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১৪৮ জন ও সংরক্ষিত মহিলা আসনে ৩৪ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এই সিটিতে মোট ভোটার ৫ লাখ ১৭ হাজার ৩৬১ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৫৯ হাজার ৮৪৬ জন। মহিলা ভোটার ২ লাখ ৫৭ হাজার ৫১১ জন।
ফাইল ছবি
বিএনপি নেত্রী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা (এমপি) আজ শনিবার সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সমাবেশে যোগ দিতে আসার পথে ২ বার বাধার মুখে পড়েন। পরে বেলা ৩.১০ মিনিটে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার নাটাই এলাকার বটতলীতে সমাবেশস্থলে যোগদান করেন।
বাধা দেওয়ার বিষয়ে আইনিভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির এই নেত্রী। তিনি সমাবেশস্থলের কয়েক শ গজ দূরে নেমে মঞ্চে যান। ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে সরকার পতনের ডাক দিয়ে এ সময় তিনি বলেন, ‘একটা একটা রক্তবিন্দুর হিসাব আমরা নেব। এর বিচার নেব। আমি দেখতে পাচ্ছি আপনারা সবাই জেগে উঠেছেন। যত দূর দেখি তত দূরই বিএনপি নেতাকর্মী। তারা পুলিশকে ভয় পায় না, তারা প্রশাসনকে ভয় পায় না।
গতকালকেও পুলিশ আমাদের নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করেছে। বাড়িতে বাড়িতে তল্লাশি করেছে। কিন্তু তারা আমাদেরকে কোনোভাবেই দমাতে পারে নাই।
এ সময় রুমিন ফারহানা বলেন, ‘আজকের এ সমাবেশ প্রমাণ করে পুলিশ দিয়ে পারবেন না। রাস্তায় রাস্তায় বাধা দিয়েও নেতাকর্মীদের আটকে রাখতে পারেননি।’
তিনি বলেন, ‘সরকারের অনেক ভয়। দেশনেত্রী ও তারেক রহমানকে ভয়। যে কারণে দেশনেত্রীকে ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। বেগম জিয়া পায়ে হেঁটে কারাগারে গেছেন। এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারেন না। এর জবাব সরকারকে দিতে হবে।’
প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘জনগণের ম্যান্ডেট ছাড়া ক্ষমতায় আছেন। এসে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মাটি দেখে যান। আমার কোটি কোটি ভাইয়ের সমর্থন দেখে যান।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া তো সেই মাটি, যেখানে মোরগও লড়াই করে বেঁচে থাকে। এখানে ১৯৫২ সালে অলি আহাদ ভাষার জন্য ১৪৪ ধারা ভেঙিছিলেন। এই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মাটিতে ১৪৪ ধারা কাজ করে না। ১৪৪ ধারা দিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষকে আটকিয়ে রাখতে পারবেন না।’
ছবি: সংগৃহীত
নিউজ ডেস্ক: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের উত্তরাঞ্চলের ৯টি জেলা সফর করবেন। আগামী রোববার (১১ জানুয়ারি) এই সফর শুরু হবে এবং শেষ হবে ১৪ জানুয়ারি।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের একান্ত সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।
চূড়ান্ত সময়সূচি অনুযায়ী, তারেক রহমান ১১ জানুয়ারি টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ ও বগুড়া সফর করবেন। বগুড়ায় রাত্রিযাপন করে পরের দিন রংপুর, দিনাজপুর ও ঠাকুরগাঁওয়ে যাবেন।
১৩ জানুয়ারি ঠাকুরগাঁও থেকে তিনি পঞ্চগড়, নীলফামারী ও লালমনিরহাটে যাবেন এবং রাত্রিযাপনের জন্য রংপুরে ফিরে আসবেন। ১৪ জানুয়ারি তিনি রংপুর থেকে বগুড়া হয়ে ঢাকায় ফিরে তার সফর শেষ করবেন।
এই সফরের মধ্যে রয়েছে- মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, শহীদ আবু সাঈদ, তৈয়বা মজুমদারসহ নিহত জুলাই যোদ্ধা ও দীর্ঘ গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদদের কবর জিয়ারত ও দোয়া মাহফিল। আহত জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ।
সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোর জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসারদের উদ্দেশে দেওয়া এক চিঠিতে বলা হয়, সফরটি মূলত ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে আয়োজন করা হয়েছে।
এক্ষেত্রে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের জারি করা আচরণবিধি কোনোক্রমেই লঙ্ঘন করা হবে না। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাসহ সব পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে চিঠিতে। সূত্র: ইত্তেফাক