a বিএনপি নেতাদের বন্যার্তদের পাশে দাঁড়াতে বললেন খালেদা জিয়া
ঢাকা বুধবার, ২২ মাঘ ১৪৩২, ০৪ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

বিএনপি নেতাদের বন্যার্তদের পাশে দাঁড়াতে বললেন খালেদা জিয়া


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
সোমবার, ১১ জুলাই, ২০২২, ০১:১২
বিএনপি নেতাদের বন্যার্তদের পাশে দাঁড়াতে বললেন খালেদা জিয়া

ফাইল ছবি

অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোই বিএনপির রাজনীতি উল্লেখ করে বন্যার্তদের কষ্ট লাঘব না হওয়া পর্যন্ত নেতাকর্মীদের তাদের পাশে থাকতে বলেছেন দলটির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

রবিবার (১০ জুলাই) রাতে গুলশানের বাসায় চেয়ারপারসনের সঙ্গে সাক্ষাতের পর দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের একথা জানান।

তিনি বলেন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া সিলেট, সুনামগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনায় যেখানে মানুষ বন্যা প্লাবিত হয়েছে, সেসব দুর্গত মানুষের খবর আমাদের কাছ থেকে নিয়েছেন। তিনি আমাদের বলেছেন, তোমরা বন্যা দুর্গত মানুষের পাশে থাকবে তাদের কষ্ট লাঘব না হওয়া পর্যন্ত। তিনি মনে করেন বন্যার্তদের সেবা করা মানে হচ্ছে মানুষের সেবা করা এবং এটাই রাজনীতির প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত।

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা তুলে ধরে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, তিনি এখন যে অবস্থায় আছেন সেই অবস্থা তার ইমিডিয়েট কোনো বিপদ না থাকলেও তিনি কিন্তু এখনো অসুস্থ আছেন। আমরা বার বার বলে আসছি যে দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার বাইরে চিকিৎসা প্রয়োজন। এখনকার ডাক্তাররা যারা তার চিকিৎসা করছেন তারা সবাই বার বার করে বলেছেন যে, উন্নত চিকিৎসা তার (খালেদা জিয়া) দরকার, সেই উন্নত চিকিৎসা ও কেন্দ্র এখানে নেই। যে কারণে তারা (চিকিৎসকরা) মনে করেন যে, ম্যাডামকে সত্যিকার অর্থে সম্পূর্ণ রোগমুক্ত করার জন্য চিকিৎসা করা দরকার সেটা অবশ্যই দেশের বাইরে। আমরা সেই কথা আবারো আপনাদের কাছে তুলে ধরছি।

সাক্ষাতে দেশের রাজনীতি নিয়ে কোনো কথা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, উনি আমাদের দলের প্রধান, দলের চেয়ারপারসন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী, তিনি তিনবার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। এখনো তিনি দেশের চলমান যে গণতান্ত্রিক আন্দোলন তার খোঁজ-খবর রাখছেন। তিনি মনে করেন যে, বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী মানুষ নিশ্চয়ই গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠা করবে। খালেদা জিয়া দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বলেও এসময় জানান বিএনপি মহাসচিব।

রাত ৮টায় মহাসচিবের নেতৃত্বে স্থায়ী কমিটি সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সেলিমা রহমান গুলশানের ‘ফিরোজা’য় প্রবেশ করেন। প্রায় দুই ঘণ্টা সাক্ষাত শেষে রাত ১০টায় তারা সেখান থেকে বের হয়ে আসেন। সূত্র: বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

বিএনপি শর্তসাপেক্ষে গণমিছিলের অনুমতি পেল


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
বৃহস্পতিবার, ১৭ আগষ্ট, ২০২৩, ০৯:২৩
বিএনপি শর্তসাপেক্ষে গণমিছিলের অনুমতি পেল

ফাইল ছবি

ঢাকায় আগামীকাল শুক্রবার গণমিছিলের অনুমতি পেয়েছে বিএনপি। শর্তসাপেক্ষে এ অনুমতি দিয়েছে ঢাকা মহানগর (ডিএমপি) পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার রাতে বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন ডিএমপির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (অপারেশনস) বিপ্লব কুমার সরকার।

তিনি বলেন, বিএনপি গণমিছিলের জন্য ডিএমপি কমিশনার বরাবর আবেদন করেছিল। আবেদনটি যাচাই-বাছাই করে শর্তসাপেক্ষে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তিসহ সরকার পতনের এক দফা দাবিতে শুক্রবার রাজধানীতে এই গণমিছিল করবে বিএনপি।

শুক্রবার বিকাল ৩টায় ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণে পৃথক দুটি গণমিছিল অনুষ্ঠিত হবে।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণের উদ্যোগে গণমিছিল কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এতে আরও অংশ নেবেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ সিনিয়র নেতারা। গণমিছিলটি দয়াগঞ্জ মোড় থেকে শুরু হয়ে কমলাপুর স্টেডিয়ামে পাশ দিয়ে খিলগাঁও চৌরাস্তায় গিয়ে শেষ হবে।

ঢাকা মহানগর উত্তর আয়োজিত গণমিছিলটি গুলশান-২ নম্বর ডিসিসি মার্কেট সামনে থেকে শুরু হয়ে গুলশান-১ নম্বর গোলচক্বর হয়ে তিতুমীর কলেজের সামনে দিয়ে মহাখালী বাস টার্মিনালে গিয়ে শেষ হবে।  এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। গণমিছিলে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খানসহ সিনিয়র নেতারা উপস্থিত থাকবেন।  

অন্যদিকে গণতন্ত্র মঞ্চগণ- বিকাল ৪টা ২০ মিনিট জাতীয় প্রেস ক্লাব সামনে থেকে গণমিছিল শুরু হবে, ১২ দলীয় জোট বিকাল ৪টায় বিজয় নগর পানির ট্যাংক সামনে, জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট-বিকেল ৪টায় পুরানা পল্টন আলরাজী কমপ্লেক্স সামনে থেকে পদযাত্রা শুরু করবে।

এছাড়া এলডিপি বিকাল ৩টা কারওয়ানবাজার এফডিসি সংলগ্ন এলডিপি অফিস সামনে থেকে, গণফোরাম ও পিপলস পার্টি বিকাল ৪টায় মতিঝিল নটরডেম কলেজ উল্টো দিকে গণফোরাম চত্বর সামনে থেকে, গণঅধিকার পরিষদ, বিকাল ৪টা কেন্দ্রীয় কার্যালয় পুরানা পল্টন সামনে থেকে, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম) মালিবাগ মোড় বিকাল ৫টা ৩০মিনিট থেকে, লেবার পার্টি বিকাল ৩টায় নয়াপল্টন মসজিদ গলি অফিস সামনে, গণঅধিকার পরিষদ (ডক্টর রেজা কিবরিয়া-ফারুক হাসান) গণস্বাক্ষর কর্মসূচি সকাল ১০টায় রামপুরা ব্রিজ, বিকাল ৪টায় পুরানা পল্টন মোড় থেকে গণস্বাক্ষর ও পদযাত্রা, গণতান্ত্রিক বাম ঐক্য সকাল ১০টায় সেগুনবাগিচা স্কুল থেকে পল্টন মোড় হয়ে প্রেস ক্লাবে সামনে, বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ বিকাল ৪টা শাহবাগ মোড়, সমমনা গণতান্ত্রিক পেশাজীবী জোট সকাল ১০টায় জাতীয় প্রেস ক্লাব সামনে থেকে গণমিছিল শুরু করবে।

এছাড়া সরকার পতনের এক দফা দাবিতে সকাল ১১টায় বিজয়নগরস্থ বিজয়-৭১ চত্বরে (হোটেল ৭১ এর উল্টা পার্শ্বে) বিক্ষোভ সমাবেশ করবে আমার বাংলাদেশ (এবি পার্টি)।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে বিএনপির পক্ষ থেকে এসব তথ্য জানানো হয়। সূত্র: বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে ঘর পেল ২২ হাজার পরিবার


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
বুধবার, ০৯ আগষ্ট, ২০২৩, ১২:১৩
প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে ঘর পেল ২২ হাজার পরিবার

ফাইল ছবি

আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় আরও ২২ হাজার ১০১ পরিবারকে আধাপাকা ঘর বুঝিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এতে এক লাখ ১৫ হাজার মানুষের মুখে হাসি ফুটল। এ ছাড়া আজ পাবনাসহ দেশের ১২ জেলা ও ১২৩ উপজেলাকে ভূমিহীনমুক্তের ঘোষণা দেন তিনি।

বুধবার গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এসব ঘর হস্তান্তর করেন তিনি। 

প্রধানমন্ত্রী খুলনা জেলার তেরখাদা উপজেলার বারাসত সোনার বাংলা পল্লী আশ্রয়ণ প্রকল্প, পাবনার বেড়া উপজেলার চাকলা আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প এবং নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের আমানউল্লাহপুর আশ্রয়ণ প্রকল্পের সুবিধাগ্রহীতাদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করছেন।

গত সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের করবী হলে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মোহাম্মদ তোফাজ্জেল হোসেন মিয়া বলেন, আশ্রয়ণ প্রকল্প বিশ্বে একটি অনন্য প্রকল্প, কারণ পৃথিবীর আর কোনো দেশে এত বিপুলসংখ্যক ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মাঝে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বাড়ি বিতরণ করা হয়নি।

প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে খুলনার তেরখাদার বারাসাত সোনার বাংলা পল্লী আশ্রয়ণ প্রকল্প, পাবনার বেড়া উপজেলার চাকলা আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প, নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের আমানউল্যাহপুর আশ্রয়ণ প্রকল্পে ঘর হস্তান্তর করবেন। এর মধ্য দিয়ে ১২৩টি উপজেলা ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত ঘোষণা করা হবে। আগের ২১১টিসহ মোট ৩৪৩টি উপজেলা ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত হবে। সূত্র: যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - রাজনীতি