a
ফাইল ছবি
ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট সি ডিকসনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বিএনপির প্রতিনিধি দল। বুধবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকায় অবস্থিত ব্রিটিশ হাইকমিশনে এ বৈঠক হয়। বৈঠকের পর বিএনপির প্রতিনিধি দলের সঙ্গে তোলা ছবি যুক্ত করে একটি টুইট করেছেন রবার্ট ডিকসন।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে বৈঠকে অংশ নেন স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ও বিএনপি নির্বাহী কমিটি সদস্য তাবিথ আউয়াল প্রমুখ। সূত্র: ইত্তেফাক
ফাইল ছবি
নাগরিকদের গণতান্ত্রিক ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার পথে অন্তরায় যে কোনো পদক্ষেপের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়াতে বিশিষ্ট নাগরিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত হয়েছে ‘গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি’।
বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি ক্যাফেটেরিয়ায় এক সভা থেকে ইমেরিটাস অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীকে আহ্বায়ক করে এই কমিটি গঠন করা হয়।
আজ শুক্রবার কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক সামিনা লুৎফা নিত্রার স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কমিটির গঠনের কথা জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পাহাড় ও সমতলের সব নাগরিকের গণতান্ত্রিক অধিকার এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিতে নিবর্তনমূলক ও জনবিরোধী আইন বাতিল করতে, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে, শ্রমিক ও কৃষকের অধিকার রক্ষা করতে এবং দখলদারত্বমুক্ত গণতান্ত্রিক ক্যাম্পাস নিশ্চিত করাসহ সব ধরনের গণতান্ত্রিক দাবিতে এই প্ল্যাটফর্ম কাজ করে যাবে।
গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি বলেছে, প্রতিটি গণ–অভ্যুত্থানের পর পুনরায় ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠিত হতে দেখা যায়। মানুষের প্রাণের বিনিময়ে অর্জন ব্যর্থ হয়েছে। এবারের গণ–অভ্যুত্থান ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না। তাই গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী সব শক্তির একটি ঐক্যবদ্ধ প্ল্যাটফর্ম জরুরি। তাই এ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটিতে যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে রয়েছেন অধ্যাপক হারুন-অর-রশিদ, আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন, অধ্যাপক তানজিমউদ্দীন খান, সীমা দত্ত, মাহা মীর্জা ও কল্লোল মোস্তফা।
সদস্য হিসেবে থাকবেন অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ, অধ্যাপক সলিমুল্লাহ খান, অধ্যাপক আকমল হোসেন, অধ্যাপক মামুন আল রশিদ, অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম, মোশাহিদা সুলতানা রিতু, স্নিগ্ধা রেজওয়ানা, সাংবাদিক আবু সাঈদ খান, আশরাফ কায়সার, বিধান রিবেরু, আনিস রায়হান, চৌধুরী মুফাদ আহমেদ, এ এস এম কামাল উদ্দীন, আফজালুর বাসার, মযহারুল ইসলাম বাবলা, আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া, লেখক ও শিল্পী মোস্তফা জামান, শিল্পী অরুপ রাহী, মফিজুর রহমান লাল্টু, বিথী ঘোষ, সুষ্মিতা রায় সুপ্তি, আজিমুন নুজহাত মণিষা, ওমর তারেক চৌধুরী, জামশেদ আনোয়ার তপন, চলচ্চিত্র নির্মাতা অমিতাভ রেজা চৌধুরী, কামার আহমাদ সাইমন, অধ্যাপক কাজী রফিকুল ইসলাম, বাকী বিল্লাহ, জয়দীপ ভট্টাচার্য, নাসিমুল খবির ডিইক, তসলিমা আক্তার লিমা, জলি তালুকদার, আমেনা খাতুন, সুনয়ন চাকমা, হারুন-অর-রশিদ ভূঁইয়া, মানস নন্দী, শামীম ইমাম, সত্যজিৎ বিশ্বাস, ইকবাল কবীর, আফজাল হোসেন, রাশেদ শাহরিয়ার, আইনজীবী মানজুর আল মতিন, রাগিব নাঈম, সালমান সিদ্দিকী, দিলীপ রায়, সৈকত আরিফ, সায়েদুল হক নিশান, অঙ্কন চাকমা, তাওফিকা প্রিয়া প্রমুখ। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি
আজ সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে হারিয়ে এবারের আইপিএলে তৃতীয় জয় পেয়েছে রাজাস্থান। এ জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের পঞ্চম স্থানে উঠে এলো রাজাস্থান। বাংলাদেশি পেসার মুস্তাফিজুর রহমানের আগুনে বোলিং এ তারা হায়দারাবাদকে ৫৫ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে।
প্রথম ইনিংসে ব্যাট হাতে দুর্দান্ত সেঞ্চুরি করে জয়ের বড় স্কোর দাড় করান ইংলিশ তারকা জস বাটলার। এরপর বল হাতে আগুন ঝরান কাটার মাস্টার মুস্তাফিজুর রহমান। এই হারে টেবিলের একেবারে তলানিতে চলে গেল হায়দারাবাদ। ৭ ম্যাচে তাদের জয় মাত্র ১ টিতে।
টস জিতে রাজস্থানকে ফিল্ডিংয়ে পাঠায় সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বদলি অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। ব্যাটিংয়ে নেমে ১৭ রানে প্রথম উইকেট হারায় রাজস্থান। এরপর ব্যাট হাতে হায়দারাবাদের বোলারদের উপর ছড়ি ঘুড়িয়েছেন বাটলার।
অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসনের সাথে গড়েন ১৫০ রানের বিশাল জুটি। আইপিএল ক্যারিয়ারে এটা তার প্রথম সেঞ্চুরি। ১৯তম ওভারে সন্দ্বীপ শর্মার বলে বোল্ড হওয়ার আগে তিনি খেলেন ৬৪ বলে ১১ চার ৮ ছক্কায় ১২৪ রানের বিধ্বংসী ইনিংস। অধিনায়ক সঞ্জুও ৩৩ বলে ৪৮ রান করেন।
জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে বিশাল টার্গেটের ভারে শুরুতেই হোচট খায় হায়দরাবাদ। সর্বোচ্চ ৩১ রান করেন ওপেনার মণীষ পাণ্ডে। আরেক ওপেনার জনি বেয়ারস্টোর সংগ্রহ করেন ২১ বলে ৩০ রান।
এদিকে ডেভিড ওয়ার্নারের পরিবর্তে অধিনায়ক হিসেবে মাঠে নেমে উলিয়ামসন ২০ রানের বেশি করতে পারেনি। অন্য সব ব্যাটসম্যানরা আসা যাওয়ার ভিতরই ছিলেন। সৌজন্যে মুস্তাফিজ-ক্রিস মরিসের দুর্দান্ত বোলিং। মরিস মুস্তাফিজ সমান ৩ উইকেট নিলেও মরিস ৪ ওভারে দিয়েছেন ২৯ রান। আর মুস্তাফিজ দিয়েছেন মাত্র ২০ রান। ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৬৫ রানের বেশি করতে পারেনি হায়দরাবাদ।
স্কোরঃ
রাজাস্থান ২২০/৩, জস বাটলার ১২৪ রান, রশিদ ২৪/১
হায়দারাবাদ ১৬৫/৮, পান্ডে ৩১ রান, মুস্তাফিজ ৩/২০, মরিস ৩/২৯