a
ফাইল ছবি
ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট সি ডিকসনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বিএনপির প্রতিনিধি দল। বুধবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকায় অবস্থিত ব্রিটিশ হাইকমিশনে এ বৈঠক হয়। বৈঠকের পর বিএনপির প্রতিনিধি দলের সঙ্গে তোলা ছবি যুক্ত করে একটি টুইট করেছেন রবার্ট ডিকসন।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে বৈঠকে অংশ নেন স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ও বিএনপি নির্বাহী কমিটি সদস্য তাবিথ আউয়াল প্রমুখ। সূত্র: ইত্তেফাক
ফাইল ছবি
বিএনপির সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেছে ঢাকায় সফররত যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল, ডিপার্টমেন্ট অব স্টেট এবং এজেন্সি ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টের (ইউএসএআইডি) প্রতিনিধি দল।
শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে গুলশানের একটি হোটেলে ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক শেষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ বলেছেন, ‘কিছু বলার নেই।’
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্ব বিএনপির প্রতিনিধি দলের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন সফররত যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক উপ-সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী আফরিন আখতার। সেখানে ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসও ছিলেন।
বৈঠকের পর আমীর খসরুর কাছে সাংবাদিকরা জানতে চান কী বিষয়ে কথা হলো। আমীর খসরু বলেন, উনারা আমাদের ইনভাইট করেছেন, আমরা এসেছি। কথা বলেছি। এতটুকু বলতে পারবো। এখানে কিছু বলার নেই।
আপনারা কী বলেছেন-এমন প্রশ্নের জবাবেও আমীর খসরু বলেন, ‘কিছু বলার নেই।’ সদ্য অনুষ্ঠিত দ্বাদশ নির্বাচন নিয়ে কথা হয়েছে কিনা- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘একটাই উত্তর হবে- কিছু বলার নেই।’
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কারাগারে ছিলেন, আপনিও কারাগারে ছিলেন এ বিষয়ে মার্কিন প্রতিনিধিদলের সঙ্গে কথা হয়েছে কিনা- জানতে চাইলে আমীর খসরু বলেন, ‘আপনারা যত প্রশ্ন করবেন, আমার উত্তর হচ্ছে- কিছু বলার নেই।’
এদিকে বৈঠক নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের উপ-সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পক্ষ থেকেও কেউ গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেননি। সূত্র: ইত্তেফাক
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশে নগরায়ণ ও নগর পরিকল্পনায় মাটির প্রকৃতি, ভূতলের উচ্চতা, ভূতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য প্রভৃতিকে যথাযথ গুরুত্ব না দেওয়ায় ভূমিকম্পের ঝুঁকি ক্রমান্বয়ে বাড়ছে।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) এর নগর অঞ্চল ও পরিকল্পনা বিভাগের সেমিনারে এসব মন্তব্য করেন বক্তারা।
তারা আরও বলেন, রাজধানী ঢাকার নগরায়ণ প্রক্রিয়ায় জলাশয়-জলাভূমিকে ভরাট করে আবাসন ও অবকাঠামো নির্মাণের কারণে ভূমিকম্পসহ অন্যান্য দুর্যোগের শঙ্কা বেড়েই চলেছে।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ আয়োজিত ‘ঢাকা শহরের ভূ-প্রকৃতি এবং অভ্যন্তরীণ ভূতাত্ত্বিক বিন্যাস এর নগর পরিকল্পনাগত প্রভাব’ শীর্ষক পরিকল্পনা সেমিনারে বিশেষজ্ঞরা এসব মতামত দেন।
নগরপরিকল্পনাবিদরা বলেন, বাংলাদেশের নগর পরিকল্পনা ও উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় ভূতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য বিবেচনায় নিয়ে ভূমির যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে টেকসই নগরায়ণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি দুর্যোগের ঝুঁকি কমানো সম্ভব।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতাত্ত্বিক বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মো. মাহফুজুল হক বলেন, গত দুই দশকে ঢাকার নগরায়ণ প্রক্রিয়ায় পূর্বাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চলের যেসব এলাকায় নগরায়ণ হয়েছে, সেসব এলাকার মাটির বৈশিষ্ট্য ও ভূতাত্ত্বিক গঠন নগরায়ণের উপযোগী নয়। ফলে ভূমিকম্প হলে বসিলার মত এলাকায় দুর্যোগ ও ক্ষয়ক্ষতির শঙ্কা বেশি থেকে যায়।
তিনি বলেন, ঢাকার ভূমিতলের উচ্চতা ৫-১৮ মিটার এর মধ্যে এবং এই অঞ্চলের অনেক স্থানে ভবন নির্মাণ ও নগরায়ণের জন্য উপযোগী লাল মাটি বিদ্যমান আছে। আবার অনেক এলাকায় প্রাকৃতিকভাবেই নিচুভূমি, জলাশয় ও ভূ-অভ্যন্তরে পানি ধারণ অঞ্চল বা একুইফার আছে। যথাযথভাবে ভূমি উপযোগিতা বিশ্লেষণ না করে বর্তমানে নগরায়ণ হওয়াতে সামনের দিনে নগর দুর্যোগের শঙ্কা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। সূত্র: যুগান্তর