a বিএনপি নেতাদের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের বৈঠক
ঢাকা শুক্রবার, ২ মাঘ ১৪৩২, ১৬ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

বিএনপি নেতাদের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের বৈঠক


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
বুধবার, ০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ১০:১৭
বিএনপি নেতাদের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের বৈঠক

ফাইল ছবি

ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট সি ডিকসনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বিএনপির প্রতিনিধি দল। বুধবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকায় অবস্থিত ব্রিটিশ হাইকমিশনে এ বৈঠক হয়। বৈঠকের পর বিএনপির প্রতিনিধি দলের সঙ্গে তোলা ছবি যুক্ত করে একটি টুইট করেছেন রবার্ট ডিকসন।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে বৈঠকে অংশ নেন স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ও বিএনপি নির্বাহী কমিটি সদস্য তাবিথ আউয়াল প্রমুখ। সূত্র: ইত্তেফাক

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

আওয়ামী লীগ ধান্ধা লীগে বিব্রত!


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
রবিবার, ২৫ জুলাই, ২০২১, ১০:১৬
আওয়ামী লীগ ধান্ধা লীগে বিব্রত!

সংগৃহীত ছবি

দল ও বঙ্গবন্ধু পরিবারের নাম ব্যবহার করে নিত্যনতুন দোকান, চাঁদাবাজি টেন্ডারবাজি তদবির ও কমিটি বাণিজ্য করাই লক্ষ্য, চাকরিজীবী লীগ খুলে বহিষ্কার হেলেনা জাহাঙ্গীর নামের আগে আওয়ামী লীগ যোগ করলেই আওয়ামী লীগ হয় না: বাহাউদ্দিন নাছিম।

সংগঠনের নামের আগে ‘লীগ’ ও বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্য কিংবা ‘মুক্তিযোদ্ধা’ নাম ব্যবহার করে আওয়ামী লীগের ক্ষমতার একযুগে ভুঁইফোড় সংগঠন গড়ে উঠেছে আট শতাধিক। ‘অনুমোদন’ বিহীন এসব রাজনৈতিক দোকান গড়ে তোলার মূল উদ্দেশ্য চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, তদবির ও কমিটি বাণিজ্য করা। এসব সংগঠনের নেতারা নানা সময়ে বিতর্কিত কর্মকান্ডে আলোচনায় এলেও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। ‘ধান্ধাবাজির’ এসব দোকানের নেতাদের কর্মকান্ডে বিব্রত আওয়ামী লীগ। এসব সংগঠনকে খোদ আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরই ‘রাজনৈতিক দোকান’ নামে অভিহিত করেছেন। 

আর দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেছেন, নামের আগে লীগ যোগ করলেই আওয়ামী লীগ নয়। এদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। ‘বাংলাদেশ চাকরিজীবী লীগ’ নামে একটি ধান্ধাবাজির দোকান খুলে আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক উপকমিটি থেকে বহিষ্কার হয়েছেন ব্যবসায়ী হেলেনা জাহাঙ্গীর। একই সঙ্গে তাকে কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যপদ থেকেও বহিষ্কার করা হয়েছে। 

আওয়ামী লীগ নেতারা জানিয়েছেন, দলীয় নেতাদের অবশেষে ঘুম ভাঙতে শুরু করেছে। নামের আগে ‘লীগ’ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অথবা বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্যদের নাম ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। এমনকি প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়, কিংবা মুক্তিযোদ্ধা বা মুক্তিযুদ্ধ লাগিয়ে রাজনৈতিক দোকান খুলতে দেওয়া হবে না। যারাই এসব করবে এখন থেকে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে আওয়ামী লীগ। ইতিমধ্যে অ্যাকশন শুরু করেছেন ক্ষমতাসীন দলের নেতারা। 

‘বাংলাদেশ চাকরিজীবী লীগ’ নামের নতুন দোকান খুলে সারা দেশে জেলা-উপজেলা এমনকি বিদেশেও সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক মনোনয়ন দেওয়ার বিজ্ঞাপন দিয়ে আলোচনায় আসেন ব্যবসায়ী হেলেনা জাহাঙ্গীর। তিনি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় মহিলাবিষয়ক উপকমিটির সদস্য ছিলেন। একই সঙ্গে ছিলেন কুমিল্লা জেলা উত্তর আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য। ‘চাকরিজীবী লীগ’ খোলাসহ নানা কর্মকান্ডের কারণে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মেহের আফরোজ চুমকি গতকাল রাতে বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, হেলেনা জাহাঙ্গীরকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তিনি সংগঠনবিরোধী নানা কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ায় আমরা এ ব্যাপারে  নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি।

দলীয় সূত্র মতে, আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন হচ্ছে, যুবলীগ, মহিলা লীগ, কৃষক লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুব মহিলা লীগ, তাঁতী লীগ, আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ ও মৎস্যজীবী লীগ। এ ছাড়া ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন হচ্ছে, জাতীয় শ্রমিক লীগ ও ছাত্রলীগ। মহিলা শ্রমিক লীগ ও স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ আওয়ামী লীগের ‘নীতিগত’ অনুমোদিত সংগঠন। এর বাইরে আওয়ামী লীগের সহযোগী কিংবা ভ্রাতৃপ্রতিম কোনো সংগঠন নেই।  সূত্র মতে, দল ক্ষমতায় এলেই ওরা গড়ে তোলে নিত্যনতুন লীগ। নামসর্বস্ব এসব সংগঠনের পেছনে ‘লীগ’ শব্দ জুড়ে তো দিচ্ছেই, বঙ্গবন্ধু, বঙ্গমাতা, শেখ রাসেল ও বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্যের নামও জুড়ে দেওয়া হচ্ছে। এমনকি মুক্তিযোদ্ধাদের নাম ব্যবহার করেও জানান দিচ্ছে অনেক সংগঠন। এসব সংগঠনের বেশির ভাগ উপস্থিতি দেখা যায় রাজধানীতে। 

জাতীয় প্রেস ক্লাব, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি, পাবলিক লাইব্রেরি, জাতীয় জাদুঘর মিলনায়তনসহ রাজধানীর বেশ কিছু মিলনায়তনে ওইসব ‘ভুঁইফোঁড়’ সংগঠনের উপস্থিতি। আওয়ামী লীগের কর্মসূচির সঙ্গে মিল রেখেও তাদের কর্মসূচি পালন করতে দেখা যায়।

সূত্র মতে, ২০০৮ সালের আগে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট, বঙ্গবন্ধু পরিষদ, আওয়ামী শিল্পী গোষ্ঠী এবং আমরা সূর্যমুখীসহ হাতে গোনা ৪-৫টি সংগঠন ছাড়া তেমন কোনো সংগঠন বঙ্গবন্ধু ও আওয়ামী লীগের কথা বলতে দেখা যায়নি। আওয়ামী লীগের গত এক যুগে শিশু লীগ থেকে শুরু করে নাপিত লীগ, চাকরিজীবী লীগসহ বিভিন্ন নামে প্রায় আট শতাধিক ভুঁইফোঁড় সংগঠন গড়ে উঠেছে। লীগ শব্দ ব্যবহার করে এমন সংগঠনের মধ্যেই রয়েছে- ‘বাংলাদেশ ইলেকট্রিক লীগ’ ‘নাপিত লীগ’, ‘ফকির লীগ’ ‘জননেত্রী লীগ’, ‘প্রবীণ লীগ’, জনসেবা লীগ, ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ তরুণ জনতা লীগ’ ‘ডিজিটাল লীগ’ নাগরিক লীগ’ পর্যটন লীগ, তরিকত লীগ, আওয়ামী অভিভাবক লীগ, দর্জি লীগ, তরুণ লীগ, রিকশা মালিক-শ্রমিক ঐক্য লীগ, যুব হকার্স লীগ, নৌকার মাঝি শ্রমিক লীগ, ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী লীগ, আওয়ামী ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী লীগ, ছিন্নমূল হকার্স লীগ, ছিন্নমূল মৎস্যজীবী লীগ, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী লীগ, তৃণমূল লীগ, স্বাধীনতা লীগ, হোটেল শ্রমিক লীগ, সেলুন মালিক লীগ, হকার্স লীগ, চালক লীগ, প্রচার ও প্রকাশনা লীগ, বঙ্গবন্ধু গণতান্ত্রিক লীগ, জননেত্রী শেখ হাসিনা কেন্দ্রীয় লীগ, আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগ, আওয়ামী পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধা লীগ, আওয়ামী পরিবহন শ্রমিক লীগ, আওয়ামী নৌকার মাঝি শ্রমিক লীগ, সমবায় লীগ, হারবাল লীগ, দেশীয় চিকিৎসক লীগ, পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধা লীগ, পরিবহন শ্রমিক লীগ, বঙ্গবন্ধু হোমিওপ্যাথি লীগ, আওয়ামী সজীব ওয়াজেদ লীগ, অভিভাবক সচেতনতা লীগ, বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগ প্রভৃতি। এসব সংগঠনের সঙ্গে আওয়ামী লীগের ন্যূনতম সম্পর্ক না থাকলেও সংগঠনের নেতারা সচিবালয় থেকে শুরু করে বিভিন্ন অফিসে গিয়ে ভিজিটিং কার্ড ব্যবহার করে নিজেকে বড় ‘আওয়ামী লীগার’ দাবি করে অপকর্ম করে বেড়াচ্ছেন। কেউ কেউ জেলা-উপজেলায় কমিটি অনুমোদন দেওয়ার জন্য মোটা অংকের চাঁদাবাজিও করছেন।

২০১৯ সালের আগস্ট মাসে তাঁতী লীগের এক শোক সভায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এসব সংগঠনকে ‘রাজনৈতিক দোকান’ অভিহিত করে বলেছিলেন, এদেরকে প্রতিহত করতে হবে।

এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ময়ূরের পেখম লাগালেই কাক কখনো ময়ূর হয় না, তেমনি নামের আগে ‘লীগ’ শব্দ যোগ করলেই আওয়ামী লীগ হয়ে যায় না। আওয়ামী লীগ একটা আদর্শ। এটাকে ধারণ করতে হয়। দলের গঠনতন্ত্রের বাইরে কোনো সংগঠনের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সম্পর্ক নেই।

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, আওয়ামী লীগ বিরোধী দলে থাকার সময় হাতে গোনা কয়েকটি সংগঠনকে পেয়েছি আমাদের পক্ষে কথা বলার জন্য। এখন গণমাধ্যমের কল্যাণে জানতে পারছি লীগ, বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযোদ্ধার শব্দ ব্যবহার করে রাজনৈতিক ধান্ধাবাজির দোকান। এসব চলতে দেওয়া যায় না। অ্যাকশন শুরু হয়েছে, চলমান থাকবে।

লেখক: রফিকুল ইসলাম রনি/সূত্র: বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

গাণিতিক সমস্যা অন্বেষণ করুন আব্দুল কাদেরের সাথে


অমৃতরায়, জবি প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বুধবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০২৪, ০২:১১
গাণিতিক সমস্যা অন্বেষণ করুন আব্দুল কাদেরের সাথে

ছবি: আবদুল কাদের

ছোটবেলা থেকেই আমাদের মনের মধ্যে একটা জিনিস গেঁথে আছে, সেটা হলো গণিত মানেই বিচ্ছিরি সব সুত্র মুখস্থ করা আর হিবিজিবি সব অংক করা। গণিত মানেই মোটা চশমা পরা কাঠের বড় স্কেল হাতে রাগী স্যারের থমথমে ক্লাস। সুত্র মুখস্থ না পারলেই পিঠের উপর বেতের বারি বা ঠাস ঠাস শব্দে দুইগাল লাল হয়ে যাওয়া। কিন্তু এর বাইরেও যে গণিতের একটা সৌন্দর্য আছে, গণিতে একটা মুগ্ধতা আছে, গণিতের মাঝে জীবনের ভাষা আছে, গণিতে আছে সুন্দর চিন্তা করার উৎস এই জিনিসটা আমরা কখনো ভেবে দেখিনি।

জনপ্রিয় গণিত লেখক "চমক হাসান" ভাই যথার্থই বলেছেন "সুন্দর চিন্তা করা অনেক আনন্দের ব্যাপার। খাবারের সংস্থান থাকলে শুধু চিন্তার আনন্দেই একটা অর্থবহ জীবন পার করে দেয়া যায়। আর গণিত হলো গুছিয়ে চিন্তা করার ভাষা, বিজ্ঞানের ভাষা"

আবদুল কাদের, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের একজন ছাত্র, সম্প্রতি "সংখ্যা-সাহিত্য: গণিতের অভ্যন্তরীণ রহস্য" শিরোনামে একটি বই লিখেছেন। অনুজ প্রকাশনা দ্বারা ১৫ই জানুয়ারী প্রকাশিত, এই বইটির লক্ষ্য গণিতের আশে-পাশের রহস্য উন্মোচন করা, যা একটি অনন্য প্রস্তাব দেয়।

বিষয়ের উপর দৃষ্টিভঙ্গি আখ্যানে, আবদুল কাদের বইটি লেখার পিছনে তার প্রেরণা শেয়ার করেছেন, গণিত একটি চ্যালেঞ্জিং বিষয় যা সাধারণ ধারণাকে সম্বোধন করেছেন। তিনি গাণিতিক ধারণাগুলিকে রহস্যময় করার গুরুত্বের উপর জোর দিয়েছেন, মূল্যবোধের গঠন এবং পিছনের নির্ভুলতার উপর আলোকপাত করেছেন।

বইটি একটি গাইড হিসাবে কাজ করে, গণিতের জগতে অসংখ্য রহস্য সমাধান করে, এবং ছাত্রদের দ্বারা প্রায়ই সম্মুখীন হওয়া ভুল ধারণাগুলি দূর করা লক্ষ্য করে। লেখক গণিতের সৌন্দর্যের দিকেও খোঁড়াখুঁড়ি করেছেন, পাঠকদের মোহিত করার উদ্দেশ্যে।

আবদুল কাদের, তার বইয়ের উদ্দেশ্য বর্ণনা করে, এটি প্রকাশ করে যে এটি কেবল ভুল ধারণাকেই স্পষ্ট করে না বরং শিক্ষার্থীদের মধ্যে গণিতের প্রতি আগ্রহের অনুভূতি জাগিয়ে তোলে। তিনি বিশ্বাস করেন যে দৈনন্দিন জীবনে গণিতের ব্যবহারিক প্রয়োগগুলি বোঝা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং বইটি এই ব্যবধান পূরণ করার চেষ্টা করে।

তিনি বলেন, "এই বইটি একজন শিক্ষার্থীকে গণিতের প্রতি আগ্রহ তৈরি করতে সাহায্য করবে এবং সেই সাথে গণিত কীভাবে দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার করতে পারে তার যাত্রার প্রতিফলন করে।

আব্দুল কাদের শেয়ার করেছেন যে গণিতের প্রতি তার আকর্ষণ শৈশব থেকেই শুরু হয়েছিল, যা তাকে আজীবন অন্বেষণে প্ররোচিত করেছিল। তার লক্ষ্য হল ছাত্রদের সেই প্রশ্নগুলির উত্তর খুঁজে পেতে সহায়তা করা, যা তাকে যৌবন থেকে কৌতূহলী করেছে। সামনের দিকে তাকিয়ে তরুণ লেখক তার গাণিতিক ধারণাগুলির অন্বেষণ চালিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে বিজ্ঞান কল্পকাহিনী লেখার কল্পনা করেছেন। আব্দুল কাদেরের বর্ণনা গণিতের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধির তাৎপর্য এবং ছাত্র ও পাঠকদের উপর একইভাবে তার কাজের সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে অন্তর্দৃষ্টি প্রদান করে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - রাজনীতি