a বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন জামিন পেলেন
ঢাকা বুধবার, ৮ মাঘ ১৪৩২, ২১ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন জামিন পেলেন


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক:
মঙ্গলবার, ১২ এপ্রিল, ২০২২, ০৫:২১
বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন জামিন পেলেন

ফাইল ছবি : ইশরাক হোসেন

বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনের জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (১২ এপ্রিল) রাজধানীর মতিঝিল থানায় নাশকতার মামলায় তার জামিন মঞ্জুর করেন আদালত। 

এর আগে, গত ৬ এপ্রিল নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে মতিঝিল এলাকায় লিফলেট বিতরণ করার সময় তাকে গ্রেফতার করা হয়। জাতীয় শ্রমিক দল এই কর্মসূচির আয়োজন করেছিল। ঘটনাস্থল থেকে নেতাকর্মীদের মাঝ থেকে পুলিশ তাকে গাড়ীতে তুলে নেয়।

মতিঝিল থানার ডিউটি অফিসার ও পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ফরহাদ মাতব্বর তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তবে কোন মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি কিছু জানাতে পারেননি। সূত্র: ইত্তেফাক

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

ভারতীয় হাইকমিশন ঘেরাও করার উদ্দেশ্যে বিএনপির ৩ অঙ্গ-সংগঠনের নেতা-কমীদের পদযাত্রা


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
রবিবার, ০৮ ডিসেম্বর, ২০২৪, ০৩:১৮
ভারতীয় হাইকমিশন ঘেরাও করার উদ্দেশ্যে বিএনপির ৩ অঙ্গ-সংগঠনের নেতা-কমীদের পদযাত্রা

ফাইল ছবি: বিএনপির ৩ অঙ্গ-সংগঠনের নেতা-কমীদের পদযাত্রা ও স্মারকলিপি পেশ

 

নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় হাইকমিশন অভিমুখে বিএনপির ৩ অঙ্গ-সহযোগীদের পদযাত্রা শুরুর লক্ষ্যে নয়াপল্টনে জড়ো হয়ে ভারতীয় দূতাবাস অভিমুখে যাত্রা শুরু করলেও রামপুরা টিভি সেন্টারের সামনে পুলিশের বিশাল বেরিকেড দিয়ে বাধা প্রদান করা হয়।

উল্লেখ্য, ভারতের আগরতলায় বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনে হামলা, ভাঙচুর, জাতীয় পতাকা নামিয়ে ছিঁড়ে ফেলা ও সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাঁধানোর ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বিএনপির তিন অঙ্গ-সহযোগী সংগঠন জাতীয়তাবাদী যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের পক্ষ থেকে ঢাকার ভারতীয় দূতাবাস অভিমুখে পদযাত্রা কর্মসূচি শুরু করে। বিশাল বহরটি রামপুরায় বাধার সম্মুখীন হলেও পুলিশের সহায়তায় স্মারকলিপি দেওয়ার জন্য ৬ জন প্রতিনিধিকে সেখানে যাওয়ার প্রস্তাব দেয়।

প্রস্তাবে রাজি হয়ে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের প্রতিনিধিরা ভারতীয় হাইকমিশনের উদ্দেশে রওনা দেন।

ছয় প্রতিনিধি হলেন— যুবদলের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন, স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি এস এম জিলানী ও সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসান, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন নাসির।

আজ রোববার দুপুর পৌনে ১টার দিকে পুলিশের গুলশান জোনের ডিসি তারেক আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, শান্তিপূর্ণ যে কোনো কর্মসূচিকে আমরা সাধুবাদ জানাই। কিন্তু আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে কিছু নিয়ম মানতে হয়। আমরা ভারতীয় হাইকমিশনে কথা বলেছি। কথা অনুযায়ী বিএনপির তিন সংগঠনের ৬ জন প্রতিনিধিকে সেখানে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

এ পদযাত্রা উপলক্ষে আজ সকাল থেকে রাজধানীর নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হন নেতাকর্মীরা। সকাল ৯টার আগে থেকেই নয়াপল্টনে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আসতে শুরু করেন তারা। এসময় ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে তারা বিভিন্ন স্লোগান দেন। সূত্র: যুগান্তর

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

ফরিদপুরে লকডাউনকে কেন্দ্র করে এলাকাবাসী-পুলিশ সংঘর্ষ, থানা ঘেরাও


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
মঙ্গলবার, ০৬ এপ্রিল, ২০২১, ১২:৩৩
ফরিদপুরে লকডাউনকে কেন্দ্র করে এলাকাবাসী-পুলিশ সংঘর্ষ, থানা ঘেরাও

ফাইল ছবি

ফরিদপুরের সালথায় লকডাউন কার্যকর করাকে কেন্দ্র করে থানা ও উপজেলা কমপ্লেক্স ঘেরাও করে রেখেছে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও জনতা। খবরে জানা যায়, সোমবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে সালথা উপজেলা সদর থেকে আনুমানিক সাড়ে তিন কিলোমিটার দূরে সোনাপুর ইউনিয়নের ফুকরা বাজার থেকে এই সংঘাতময় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী বরাত দিয়ে জানা যায়, ওই সময় অস্ত্রধারী আনসার সদস্য ও পিএকে নিয়ে এসিল্যান্ড মারুফা সুলতানা ফুকরা বাজারে যান। এসময় বাজারে লোক সমাগম ও দোকানপাট খোলা দেখতে পেয়ে এসিল্যান্ডের সহকারী একজনকে লাঠিপেটা করে। এনিয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠে স্থানীয় জনসাধারণ। স্থানীয়দের প্রতিরোধের মুখে এসিল্যান্ড তার টিম নিয়ে উপজেলায় ফিরে যায়।

পরে সালথা থানার পুলিশ ফুকরা বাজারে গিয়ে জনতার সাথে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এসময় এসআই মিজান ও দুই কনস্টেবল আহত হন। পরে অতিরিক্ত পুলিশ ফুকরা বাজারে এলে জনতা আবারও বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে এবং পুলিশের উপর হামলা চালায়। পরে পুলিশ থানায় ফিরে যায়।

সোনাপুর ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি চেয়ারম্যান মো. খায়রুজ্জামান বলেন, এসিল্যান্ড ফুকরা বাজারে লক ডাউন কড়াকড়ি করতে আসার পর আগে বাজার কমিটির সভাপতিসহ অন্যদের সাথে বসা উচিত ছিলো। তাদের মাধ্যমে ব্যবসায়ীদের বুঝিয়ে লক ডাউন কার্যকর করা হলে প্রতিকূল পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হতো না।

সেখানকার বাজার বণিক সমিতির সভাপতি কাওসার খান বলেন, তিনি ঘটনার সময় উপস্থিত ছিলেন না। তবে পরে শুনেছেন জাকির হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে মারপিট করার পর এসব ঘটনার সূত্রপাত হয়।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, ঘটনা সূত্রপাত হওয়ার পরে বিভিন্ন ইউনিয়নে মোবাইলে যোগাযোগ করে ‘পুলিশের গুলিতে দুইজন নিহত হয়েছে’ এ জাতীয় গুজব ছড়িয়ে পড়লে সালথায় লোক জড়ো করা হয়। পরে সন্ধ্যার পর হাজার হাজার জনতা থানা ও উপজেলা কমপ্লেক্স ঘেরাও করেন। এক পর্যায়ে জনতা উপজেলা কমপ্লেক্স এর প্রধান ফটক ও থানার ফটকের সামনে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে উপজেলা কমপ্লেক্সের ভিতরে এবং গাড়িতেও আগুন ধরিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটে।

নগরকান্দা ও সালথা সার্কেলের দায়িত্বে নিয়োজিত সহকারী পুলিশ সুপার সুমিউর রহমান রাত সাড়ে ১০টার দিকে গনমাধ্যমকে জানায়, সাধারণ মানুষের ছত্রছায়ায় মৌলবাদী গোষ্ঠী এ সুযোগ নিয়েছে। তিনি আরও বলেন, আমরা ধৈর্যের শেষ সীমায় পৌঁছে পরিস্থিতি মোকাবেলা করে যাচ্ছি।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - রাজনীতি