a বয়স হয়েছে তাই জাফরুল্লাহ ভুলভাল বলেন: ফখরুল
ঢাকা শনিবার, ১১ মাঘ ১৪৩২, ২৪ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

বয়স হয়েছে তাই জাফরুল্লাহ ভুলভাল বলেন: ফখরুল


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
সোমবার, ০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৯:৩৩
বয়স হয়েছে তাই জাফরুল্লাহ ভুলভাল বলেন: ফখরুল

ফাইল ছবি: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ডা. জাফরুল্লাহ সাহেবের বয়স হয়েছে, তাই মাঝে মধ্যে ভুলভাল বলেন। 

সম্প্রতি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান পদে তারেক রহমানকে দায়িত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়ার সমালোচনা করে ডা. জাফরুল্লাহর দেওয়া একটি বক্তব্যের জবাবে মির্জা ফখরুল ইসলাম এমন মন্তব্য করেন।

সোমবার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঠাকুরগাঁওয়ের কালীবাড়ির নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বিএনপি মহাসচিব এসব কথা বলেন। তিনি মনে করেন, ‘বর্তমানে তারেক রহমান দলের সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছেন। পুরো দল তারেক রহমানের নির্দেশনায় কাজ করছে।’

বৃহস্পতিবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের আব্দুস সালাম হলে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ও ভাসানী অনুসারী পরিষদের চেয়ারম্যান ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, বিএনপির গঠনতন্ত্র মেনে তারেক রহমানকে ওই দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। গঠনতন্ত্রে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান বলে কোনো পদ নেই।
 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আইনের শাসন যে কোন সমাজে টেকসই শান্তি ও উন্নতির জন্য অপরিহার্য


কর্নেল আকরাম, কলাম লেখক, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ০৯ ফেরুয়ারী, ২০২৫, ০৯:৩৮
আইনের শাসন যে কোন সমাজে টেকসই শান্তি ও উন্নতির জন্য অপরিহার্য

ছবি সংগৃহীত


আইনের শাসন যে কোনো সমাজে টেকসই শান্তি ও উন্নতির জন্য অত্যন্ত অপরিহার্য ও গুরুত্বপূর্ণ। আইন সবকিছুর ঊর্ধ্বে এবং আইনের শাসনের মূল উদ্দেশ্য হলো দেশে আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিত করা ও ন্যায়বিচারের মাধ্যমে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা। সুশাসন ও সৎ বিচারব্যবস্থা ছাড়া আইনের শাসন বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এ ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি একটি পূর্বশর্ত। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে, ব্রিটিশ শাসনকাল ছাড়া উপমহাদেশের ইতিহাসে আমরা কখনো প্রকৃত অর্থে আইনের শাসনের অভিজ্ঞতা পাইনি।  

আজকের বিশ্বে আইনের শাসনকে সমাজ শাসনের একটি কাঙ্ক্ষিত বৈশিষ্ট্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বিখ্যাত ব্রিটিশ আইনজ্ঞ এ. ভি. ডাইসি ‘আইনের শাসন’-এর প্রবক্তা। তিনি সমাজে শৃঙ্খলা ও টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য আইনের গুরুত্বকে বিশেষভাবে তুলে ধরেছেন। আইনের শাসনের তিনটি মূলনীতি হলো—  
১. আইনকে স্বেচ্ছাচারীভাবে ব্যবহার করা যাবে না।  
২. প্রতিটি নাগরিক আইনের চোখে সমান।  
৩. নাগরিকদের অধিকার সংবিধানে নিশ্চিত থাকতে হবে।  

কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয়, তার সামাজিক অবস্থান বা ক্ষমতা যাই হোক না কেন। "আপনি যত উচ্চ পদেই থাকুন না কেন, আইন আপনার ঊর্ধ্বে"—এই নীতিই আইনের শাসনের মূল আদর্শ।  

স্বাধীন বিচারব্যবস্থা ও চ্যালেঞ্জসমূহ:
একটি স্বাধীন ও কার্যকর বিচারব্যবস্থা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য অত্যন্ত জরুরি। তবে এটি বাস্তবায়ন করা কঠিন এবং সময়সাপেক্ষ কাজ। যেহেতু পুরো বিষয়টি জটিল, তাই তড়িঘড়ি কোনো সিদ্ধান্ত নিলে সুফল আসবে না। এ কাজে যথাযথ জ্ঞান ও অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের যুক্ত করতে হবে। প্রয়োজনে বিদেশি বিশেষজ্ঞদের সহায়তা নিতেও কুণ্ঠাবোধ করা উচিত নয়, কারণ দক্ষ ও পেশাদার ব্যক্তিদের ছাড়া বিচারব্যবস্থার সংস্কার সম্ভব নয়।  

একটি কার্যকর বিচারব্যবস্থা গঠনে নতুন বিচারকদের নির্বাচন, নিয়োগ ও প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। এটি একদিনের মধ্যে সম্ভব নয়, তবে দেরি না করে অবিলম্বে কাজ শুরু করা উচিত।  

বর্তমান বিচারব্যবস্থার দুর্বলতা:
বর্তমান বিচারব্যবস্থা সমাজে প্রকৃত অর্থে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম নয়। এটি একটি ফ্যাসিবাদী সরকারকে সুবিধা দিতে গঠিত হয়েছে, জনগণের কল্যাণে নয়। তাই পুরো বিচারব্যবস্থা পুনর্গঠন করা প্রয়োজন। যদিও বিচারকগণ বিচারব্যবস্থার মূল চালিকাশক্তি, তবে আইনজীবীদের ভূমিকাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। বিচারব্যবস্থা শুধু বিচারকদের নিয়ে গঠিত নয়, আইনজীবীরাও এর অংশ। আইনজীবীদের মানুষের কল্যাণে কাজ করার মানসিকতা ও উৎসাহ সৃষ্টি করতে হবে।  

আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার পুরোপুরি নির্ভর করে বিচারক ও আইনজীবীদের সততা ও পেশাদারিত্বের ওপর। যদি এই দুই সম্প্রদায়ের কোনো একটি দুর্নীতিগ্রস্ত হয় বা পেশাগতভাবে অযোগ্য হয়, তাহলে সমাজে আইনের শাসন কার্যকর করা অসম্ভব হয়ে পড়বে।  

তদন্ত ও অপরাধ বিচার ব্যবস্থায় সংস্কার:
অপরাধ তদন্তের ক্ষেত্রে পুলিশ প্রশাসনেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। অপরাধ তদন্ত কর্মকর্তাদের অবশ্যই সৎ, দক্ষ ও দায়িত্বশীল হতে হবে। অপরাধ দমন ও অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে পুলিশের কার্যকর ভূমিকা অত্যন্ত জরুরি।  

এ ছাড়াও, সমাজের দায়িত্বও কম নয়। জনগণের সমর্থন ও সহযোগিতা ছাড়া আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়। কীভাবে সাধারণ মানুষ এই সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে সহযোগিতা করতে পারে, তা নিয়ে সচেতনতা তৈরি করা জরুরি। নৈতিক শিক্ষার উন্নয়ন জনগণের চারিত্রিক পরিবর্তন আনতে পারে, যা এই লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।  

অর্থনৈতিক সংস্কার ও সামাজিক উন্নয়ন:
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—গরিব জনগণের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করা। অন্যথায় কোনো সংস্কারই টেকসই ফল আনবে না। বেশিরভাগ অপরাধ দারিদ্র্যের কারণে সংঘটিত হয়, তাই মানুষের জীবনমান উন্নয়নে জরুরি অর্থনৈতিক সংস্কার প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক যাকাত ব্যবস্থা গরিব মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে কার্যকর উপায় হতে পারে।  

গণমাধ্যমের ভূমিকা:
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গণমাধ্যম যদি সঠিকভাবে কাজ করে, তাহলে বিচারব্যবস্থা সংস্কার সহজ হবে। তারা একদিকে সমাজকে সচেতন করতে পারে, অন্যদিকে বিচারব্যবস্থার পর্যবেক্ষক হিসেবেও কাজ করতে পারে।  

আইনের শাসনকে একটি সামাজিক আন্দোলন হিসেবে গড়ে তুলতে হবে এবং সাধারণ জনগণের মধ্যে এর গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করতে হবে। সুশাসন ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা অপরিহার্য, তবে শুধু বিচার বিভাগের স্বাধীনতা যথেষ্ট নয়। সমগ্র সমাজকে এই আন্দোলনে অংশ নিতে হবে, তবেই টেকসই শান্তি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

 

লেখক: অধ্যাপক কর্ণেল আকরাম
সম্পাদক, মিলিটারি হিস্টোরি জার্নাল

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ইসরায়েল যুদ্ধে পরাজয়ের প্রথম ধাক্কা মোসাদ প্রধানের চাকরিচ্যুতি


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
মঙ্গলবার, ২৫ মে, ২০২১, ০৯:৩৮
ইসরায়েল যুদ্ধে পরাজয়ের প্রথম ধাক্কা মোসাদ প্রধানের চাকরিচ্যুতি

ফাইল ছবি

 

ইহুদিবাদী প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের প্রধানকে বহিস্কার করে তার উপ-প্রধানকে এই পদে নিয়োগ দিয়েছেন। সোমবার রাতে এক ঘোষণায় এমনটাই জানায় নেতানিয়াহুয়। এতে বলা হয়, মোসাদ প্রধান ইয়োসি কোহেনকে সরিয়ে দিয়ে এই সংস্থার উপ প্রধান ডেভিড বার্নিয়াকে সেই পদে স্থলাভিষিক্ত করা হয়।

৫৬ বছর বয়সি বার্নিয়া গত ২৫ বছর যাবত ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা অর্থাৎ মোসাদের প্রধান হয়ে কাজ করে আসছেন। সোমবার রাতে মোসাদের কিছু কর্মকর্তাকে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে বলেন, ইয়োসি কোহেনকে বরখাস্ত করে তার স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে ডেভিড বার্নিয়াকে।

উল্লেখ্য, গাজা উপত্যকায় ১২ দিনব্যাপী যুদ্ধ শেষে অস্ত্রবিরতি ঘোষণা করা হলে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলনগুলো এ যুদ্ধে নিজেদের বিজয় ঘোষণা করে এবং হাজার হাজার ফিলিস্তিনি নাগরিক রাস্তায় নেমে বিজয়ের আনন্দ প্রকাশ করেন। 

অন্যদিকে ইহুদিবাদী ইসরায়েলও এ যুদ্ধে বিজয়ের দাবি করলেও সেখানকার কোন নাগরিকক বা সংগঠনকে উল্লাস করতে দেখা যায়নি। সূত্র: পার্সটুডে

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - রাজনীতি