a সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে গণফোরামের মানববন্ধন
ঢাকা সোমবার, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২, ১৬ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে গণফোরামের মানববন্ধন


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
শনিবার, ২২ মে, ২০২১, ০৮:৪১
সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে গণফোরামের মানববন্ধন

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

আজ সাংবদিক রোজিনা ইসলামের নিঃশর্ত মুক্তি, হেনস্তাকারীদের গ্রেপ্তার ও কালো আইন বাতিলের দাবীতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক প্রতিবাদী মানববন্ধনে গণফোরামের মুখপাত্র সিনিয়র আইনজীবী সুব্রত চৌধুরীসহ অন্যান্য বক্তারা বক্তব্য রাখেন।

জননেতা সুব্রত চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সভায় অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন এডভোকেট মহসীন রশিদ, এডভোকেট জগলুল হায়দার আফ্রিক, মেজর (অবঃ) আসাদুজ্জামান বীর বিক্রম, বীর মুক্তিযোদ্ধা খান সিদ্দিকুর রহমান, এডভোকেট হেলাল উদ্দিন, লতিফুল বারী হামিম, রওশন ইয়াজদানি, মোকলেসুর রহমান বাবুল, এডভোকেট মাহবুবুর রহমান, যুব নেতা মুহাম্মদ উল্লাহ মধু, ছাত্রনেতা সানজীদ রহমান শুভ, কামাল উদ্দিন সুমন।

জননেতা সুব্রত চৌধুরী বলেন, রোজিনা ইসলাম একজন সনামধন্য পেশাদার সাংবাদিক। তাকে হেনস্তা ও কারাবন্ধী করার মধ্য দিয়ে সরকার সাংবাদিক ও প্রতিবাদী মুখ বন্ধ করার চক্রান্ত করছে। জবাবদীহিহীন আমলা নির্ভর এ সরকারের স্বাস্থ্য, আইসিটি, অর্থ, শিক্ষা ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়সহ সকল জায়গায় লাগামহীন দুর্নীতির চিত্র সংবাদপত্র ও গনমাধ্যমে ভেসে উঠছে। দুর্নীতির তদন্ত হয় না। দেশের সম্পদ লুন্ঠন ও ভাগাভাগি হচ্ছে। অনতিবিলম্বে দুর্নীতিবাজ আমলা ও তার সহযোগী রাজনিতীবিদ আশ্রয়দাতাদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনা হোক।

এডভোকেট মহসিন রশিদ বলেন, বিচার ব্যাবস্থাকে কন্ঠরোধ করা হচ্ছে। রোজিনার জামিন না দিয়ে তাকে জেলখানায় হেনস্তা ও নির্যাতন করা হচ্ছে। মন্ত্রিরা বলে বেড়াচ্ছেন রোজিনা সুষ্ঠু বিচার পাবে। কিন্তু আমরা শুনেছি আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন সাংবাদিক রোজিনাকে থানা ও জেল হাজতে চিহ্নিত দাগী কুখ্যাত আসামীদের সাথে রেখে তার সাথে অমাননিবক আচরণ করা হচ্ছে। বিচারককে প্রভাবিত করা হচ্ছে। এ বিষয়ে উচ্চ আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। 

নেতৃবৃন্দ আরো বলেন সংবাদপত্র, টেলিভিশন ও অনলাইন মিডিয়ার কন্ঠরোধ করার চক্রান্ত চলছে। রোজিনার মুক্তির দাবীতে সাংবাদিকদের সর্বাত্বক আন্দোলনের প্রতি আমরা সমর্থন জানাই। এ ঐক্য ভাঙ্গার নানারকম চক্রান্ত চলছে। সকলকে সতর্ক থাকার আহবান জানাচ্ছি। করোনাকালে লক্ষ কোটি টাকা প্রনোদনা দেওয়া হলেও সাংবাদিকদের নামমাত্র দশ কোটি টাকা প্রনোদনা দেওয়া হয়েছে। যা হাজার হাজার সাংবাদিকদের সাথে তামাশা করার সামিল।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

সরকারের কিছু খাতে অগ্রগতি অর্জন করলেও সংস্কারমূলক কাজগুলো ধীরগতির কারণে বিপ্লবী স্পৃহা দৃশ্যমান হচ্ছেনা


কর্নেল(অব.) আকরাম, অধ্যাপক ও কলাম লেখক
বুধবার, ০৭ মে, ২০২৫, ০২:৫৮
সরকারের কিছু খাতে অগ্রগতি অর্জন করলেও সংস্কারমূলক কাজগুলো ধীরগতির কারণে বিপ্লবী স্পৃহা দৃশ্যমান হচ্ছ

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক: একটি সমাজের জন্য সংস্কার গুরুত্বপূর্ণ এবং যখন সমাজ বিভিন্ন সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংকটে ভোগে, তখন তা অপরিহার্য হয়ে ওঠে। এই বহুমাত্রিক সমস্যাগুলো কাটিয়ে উঠতে সংস্কার অপরিহার্য। বাংলাদেশ সমাজ ১৯৭১ সালের ডিসেম্বর থেকে নানাবিধ সামাজিক-অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংকটে ভুগছে।

তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ উচ্চ আশা ও আকাঙ্ক্ষা নিয়ে স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করেছিল, কিন্তু অল্প কিছুদিনের মধ্যেই শেখ মুজিবের প্রথম সরকারের আচরণে তারা হতাশ হয়। সমাজে অস্থিরতা ও বিশৃঙ্খলা দেখা দেয় এবং সরকার শুরু থেকেই রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়। প্রথম বিরোধীতা আসে আওয়ামী লীগের ভিতর থেকেই। মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক সিরাজুল আলম খান ১৯৭২ সালের শুরুতেই শেখ মুজিবের নেতৃত্বকে প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ জানান। তার নির্দেশেই জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠিত হয়, এবং তাকেই এই র‍্যাডিকাল রাজনৈতিক দলের মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

মেজর জলিল এবং এ এস এম আব্দুর রবের নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক দল জাসদ অল্প সময়ের মধ্যেই দেশের তরুণ বিপ্লবীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়। তারা বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তার করে এবং শেখ মুজিব সরকারের প্রধান টার্গেটে পরিণত হয়। বলা হয়, শেখ মুজিব আমলে কয়েক হাজার জাসদ নেতা-কর্মী নিহত হয়, কিন্তু তবুও তারা রাজনীতি থেকে মুছে যায়নি, বরং ১৯৭৫ সালের আগস্টে শেখ মুজিব পতনের আগ পর্যন্ত সক্রিয় ছিল।

জাসদের ছাত্র সংগঠন দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। তারা সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যেও একটি গোপন সংগঠন গড়ে তুলতে সক্ষম হয় এবং ১৯৭৫ সালের ৭ই নভেম্বর ‘সিপাহী-জনতা বিপ্লবে’ তাদের ভূমিকা ছিল। কর্নেল তাহেরের নেতৃত্বে বিপ্লবী সেনা গোষ্ঠী জিয়াউর রহমানকে ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু তা সফল হয়নি।

৭ই নভেম্বর ১৯৭৫ সালের সিপাহী-জনতা বিপ্লবের ফলেই জিয়াউর রহমান নেতৃত্বে আসেন, এবং সে সময় জাতির ক্রান্তিকালে তিনি নেতৃত্বদানের উপযুক্ততা প্রমাণ করেন। জিয়াউর রহমানই ছিলেন সেই নেতা, যিনি জাতিকে সঠিক পথে আনতে বহু সামাজিক-অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংস্কার বাস্তবায়ন করেন। তাকে যথার্থই আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার এবং একজন প্রকৃত সংস্কারক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

জিয়াউর রহমানের পতনের পর দেশের রাজনীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন আসে এবং জেনারেল এরশাদ একজন সামরিক শাসক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হন। যদিও তিনি বহু উন্নয়নমূলক ও সংস্কারমূলক কাজ করেন, তবুও তিনি বাংলাদেশের অন্যতম বিতর্কিত শাসক হিসেবে বিবেচিত হন।

বেগম খালেদা জিয়ার সরকার গণতান্ত্রিক চেতনার জন্য প্রসিদ্ধ হলেও, সামাজিক-অর্থনৈতিক খাতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনতে পারেনি। তবে তার রাজনৈতিক ভূমিকা একটি প্রকৃত রাজনৈতিক সংস্কৃতির প্রতীক হিসেবে ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

গত পনেরো বছরের ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা শাসনামলে দেশ এক অন্ধকার যুগে প্রবেশ করে। দেশের সামাজিক-অর্থনৈতিক অবস্থা সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে যায় এবং সমাজ তার মেরুদণ্ড হারাতে বসে। বাংলাদেশ সমাজ তার স্বকীয়তা ও গৌরব হারিয়ে বিদেশি প্রভুদের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। সমাজ চরম দুর্নীতিতে নিমজ্জিত হয় এবং নৈতিক অবক্ষয়ের ধারালো প্রভাব স্পষ্টভাবে অনুভূত হয়। সংক্ষেপে, সমাজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যায়।

কিন্তু ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে সমাজ রক্ষা পায়। ড. ইউনূসের সরকার আমাদের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ বিবেচিত হয়েছে।

এখন পর্যন্ত বর্তমান সরকার বিভিন্ন সামাজিক-অর্থনৈতিক খাতে সন্তোষজনক অগ্রগতি অর্জন করেছে। সরকারের নেওয়া সংস্কারমূলক উদ্যোগগুলো জনগণের প্রশংসা পেয়েছে। তবে এগুলো খুব ধীর গতিতে হচ্ছে এবং এতে বিপ্লবী স্পৃহা ও চরিত্রের অভাব দেখা যাচ্ছে।

সরকার রাজনৈতিক দলগুলোকে জাতীয় ঐকমত্যের জন্য একত্র করতে অত্যন্ত বেশি সময় নিচ্ছে, যা অপ্রয়োজনীয় বিতর্কের জন্ম দিচ্ছে এবং বিষয়গুলোকে জটিল করে তুলছে।

নারী কমিশনের পক্ষ থেকে যেসব জনবিরোধী ও ইসলামবিরোধী প্রস্তাব এসেছে, তা সমাজে বড় প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। তারা কি কোনো গোপন এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে? সরকার এখনই এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে একটি নতুন কমিশন গঠনের ঘোষণা দিতে পারত। আমরা বিশ্বাস করার যথেষ্ট কারণ রাখি যে কোথাও না কোথাও কিছু একটা সমস্যা আছে।

আধুনিক পেশাদার সশস্ত্র বাহিনী গঠনের জন্য সামরিক খাতে প্রয়োজনীয় সংস্কার অপরিহার্য। বাছাই প্রক্রিয়া ও প্রশিক্ষণ পদ্ধতিগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, সঙ্গে আরও কিছু পরিবর্তন প্রয়োজন যা সেনাবাহিনীকে একটি প্রকৃত যুদ্ধক্ষম বাহিনীতে পরিণত করতে পারে।

অনির্দিষ্টকাল ধরে সামরিক বাহিনীর প্রশাসনিক ভূমিকা প্রশ্রয় দেওয়া উচিত নয়। এতে দীর্ঘমেয়াদে পেশাদারিত্বের ক্ষতি হয়। এখনো পর্যন্ত তরুণদের জন্য বাধ্যতামূলক সামরিক প্রশিক্ষণের কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি। সাম্প্রতিক সেনা সদর দফতরের একটি চিঠিকে অনেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে ভারতীয় প্রভাবের নিদর্শন বলে মনে করছেন।

রাখাইন বাহিনী ও আরাকানের সাধারণ জনগণের জন্য একটি নিরাপদ ও মানবিক করিডোর দেওয়ার প্রস্তাব একটি জাতীয় ইস্যুতে পরিণত হয়েছে এবং এই বিষয়ে সরকার এককভাবে কোনো হঠকারী সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। সংবেদনশীল জাতীয় নিরাপত্তা ইস্যুতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বসা উচিত। আমরা এমন এক বিদেশি নাগরিকের পরামর্শের ওপর পুরোপুরি নির্ভর করতে পারি না, যিনি বাংলাদেশের চেয়ে তার বর্তমান আবাসস্থল দেশকে বেশি প্রাধান্য দেন।

আমরা একটি দরিদ্র জাতি এবং এই অঞ্চলে নতুন ভূরাজনৈতিক সংকট তৈরির সামর্থ্য আমাদের নেই। ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক শক্তিগুলো এই এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের জন্য মুখোমুখি হবে এবং বাংলাদেশকে যেকোনো এক পক্ষ নিতে হবে। এতে দেশ আন্তর্জাতিক শক্তির দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়বে এবং তার ফলাফল হবে মারাত্মক।

সংবিধান সংস্কার কমিশন, যার নেতৃত্বে আরেক বিদেশি নাগরিক রয়েছেন, তিনি আমাদের সমাজে বহুত্ববাদ প্রতিষ্ঠার কথা বলছেন—এটা ভালোভাবে জেনেই যে বাংলাদেশের জনগণের আকাঙ্ক্ষা কী। জনগণ ভবিষ্যতের সংবিধানে কোনো ধর্মনিরপেক্ষ ভিত্তিক সংস্কার মেনে নেবে না। প্রয়োজনে জনগণ এমন জনবিরোধী পদক্ষেপের বিরুদ্ধে আবারো জেগে উঠবে। এ বিষয়ে সর্বশেষ কী হয়েছে তা জনগণের অজানা। এটি কি শুধু একটি বিলম্ব কৌশল? জাতির কাছে এটি স্পষ্ট নয়।

একটি ভালো সরকারের লক্ষণ হচ্ছে স্বচ্ছতা, কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই তা দৃশ্যমান নয়; বরং সরকারের কিছু সিদ্ধান্ত ও পদক্ষেপে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হচ্ছে। আমরা ভবিষ্যতে আরও বেশি গতিশীলতা ও স্বচ্ছতা দেখতে চাই।

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

অভিযুক্ত হলে ট্রাম্প মৃত্যু ও ধ্বংসযজ্ঞের হুমকি দিলেন


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শনিবার, ২৫ মার্চ, ২০২৩, ০৪:৩৯
অভিযুক্ত হলে ট্রাম্প মৃত্যু ও ধ্বংসযজ্ঞের হুমকি দিলেন

ফাইল ছবি

পর্নো তারকাকে অর্থ প্রদানের জন্য নিউইয়র্কের তদন্তে অভিযুক্ত হলে ‘সম্ভাব্য মৃত্যু এবং ধ্বংসযজ্ঞ’ সম্পর্কে হুশিয়ারি দিয়েছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

নিউইয়র্কের ম্যানহাটানের একটি আদালত ট্রাম্পের বিরুদ্ধে পর্নো তারকা স্টর্মি ড্যানিয়েলসকে দেওয়া অর্থের মামলায় ট্রাম্পকে অভিযুক্ত করার প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে এমন খবরের পরিপ্রেক্ষিতে ট্রাম্প শুক্রবার এ মন্তব্য করেন। খবর আল জাজিরার।

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, পর্নো তারকা স্টার্মি ড্যানিয়েলসের সঙ্গে অবৈধ অর্থ লেনদেনের মামলায় যদি তাকে অভিযুক্ত ও আটক করা হয় তাহলে তা মৃত্যু ও ধ্বংসযজ্ঞ ডেকে আনবে।

ট্রাম্প বলেন, যখন সবাই জানে যে, কোনো অপরাধ হয়নি, তখন আমেরিকার একজন সাবেক প্রেসিডেন্টকে অপরাধের দায়ে কোন ধরনের ব্যক্তি অভিযুক্ত করতে পারেন?

ডোনাল্ড ট্রাম্প তার নিজের প্রতিষ্ঠিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা বলেন।

ম্যানহাটনের ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি অ্যালভিন ব্র্যাগকে লক্ষ্য করে দৃশ্যত ডোনাল্ড ট্রাম্প এসব কথাবার্তা বলেছেন। যদিও ট্রাম্প তার পোস্টে সরাসরি কারো নাম উল্লেখ করেননি। তবে তিনি বলেছেন,  মিথ্যা অভিযোগ গঠন করলে তা আমাদের দেশে হত্যা এবং ধ্বংসযজ্ঞ ডেকে আনবে।

গত সপ্তাহে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি শিগগিরি গ্রেফতার হবেন বলে আশঙ্কা করছেন। নিউইয়র্ক শহরের ম্যানহাটনের ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি অফিস তাকে গ্রেফতার করতে পারে বলে আশঙ্কার কথা জানান তিনি।

২০১৬ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে সাবেক পর্নো তারকা স্টর্মি ড্যানিয়েলসকে এক লাখ ৩০ হাজার ডলার দিয়েছিলেন তার মুখ বন্ধ করার জন্য। এই বিষয়টি পরে প্রকাশ হয়ে পড়ে এবং নির্বাচনের আগে এভাবে ঘুস দিয়ে অপরাধী তার বিরুদ্ধে তদন্ত এবং সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে। সূত্র: যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - রাজনীতি