a সিলেটে বিএনপির সমাবেশের একদিন আগে ছাত্রলীগ শোডাউন
ঢাকা শুক্রবার, ২ মাঘ ১৪৩২, ১৬ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

সিলেটে বিএনপির সমাবেশের একদিন আগে ছাত্রলীগ শোডাউন


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
বৃহস্পতিবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২২, ০৯:২৩
সিলেটে বিএনপির সমাবেশের একদিন আগে ছাত্রলীগ শোডাউন

ফাইল ছবি

সিলেটে বিএনপির গণসমাবেশের একদিন আগে আজ বৃহস্পতিবার বিকালে হঠাৎ মহানগরের চৌহাট্টা পয়েন্টে মিছিল সহকারে অবস্থান নেন জেলা ও মহানগর ছাত্রলীগের একদল নেতাকর্মী।

বৃহস্পতিবার বিকাল পৌনে ৪টার দিকে শতাধিক মোটরসাইকেলযোগে স্লোগান দিতে দিতে পূর্ব জিন্দাবাজার থেকে জিন্দাবাজার পয়েন্ট হয়ে চৌহাট্টা পয়েন্টে গিয়ে অবস্থান নেন তারা। এসময় বিএনপিবিরোধী স্লোগান দিতে থাকেন ছাত্রলীগের নেকাতর্মীরা।

এদিকে, বিএনপির সমাবেশস্থলের অদূরে ছাত্রলীগের এমন অবস্থান নেওয়া দেখে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পথচারীদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়। তবে পুলিশের হস্তক্ষেপে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। কিছু সময় চৌহাট্টা পয়েন্টে অবস্থানের পর ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের জিন্দাবাজারের দিকে চলে যেতে নির্দেশ দেয় পুলিশ। পরে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা মিছিল সহকারে জিন্দাবাজার হয়ে বন্দরবাজারের দিকে চলে যায়।
 
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) উপ-কমিশনার (উত্তর) আজবাহার আলী শেখ বলেন, ‘সব ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঠেকাতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে পুলিশ। ছাত্রলীগের মিছিল আমরা মাদরাসা মাঠের দিকে যেতে দেইনি। মাদরাসা মাঠে ও চৌহাট্টায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’ সূত্র: বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আজকের রাজনীতি, আগামী দিনের ইতিহাস ড. শেখ আকরাম আলী


কর্নেল(অব.) আকরাম, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ১১ মার্চ, ২০২৫, ১১:০৩
আজকের রাজনীতি, আগামী দিনের ইতিহাস ডক্টর শেখ আকরাম আলী

ছবি সংগৃহীত

 

রাজনীতি একটি জাতির ভবিষ্যৎ ইতিহাস নির্ধারণ করে এবং সঠিক পথে পরিচালিত করে। যে জাতি অতীতের অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান থেকে শিক্ষা নেয়, সেই জাতিই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নতুন সমাজ গড়ে তুলতে পারে। ইতিহাসের জ্ঞান ছাড়া কোনো জাতি সামনে এগোতে পারে না। সফলতা ও ব্যর্থতা—উভয়ই জাতীয় ইতিহাসের অংশ এবং সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।  

দুর্ভাগ্যজনকভাবে, আমরা এমন একটি জাতি যারা ইতিহাস অধ্যয়ন পছন্দ করি না; বরং সেটিকে উপেক্ষা করে বারবার ভুল পথে হাঁটি। প্রতিবার ভুল করার সামর্থ্য কোনো জাতির থাকে না, কিন্তু আমরা দীর্ঘদিন ধরে তা-ই করে আসছি, কারণ আমরা ইতিহাসের জ্ঞানকে গুরুত্ব দিইনি।  

ব্রিটিশ ভারতের মুসলমানরা আধুনিক শিক্ষার অভাবে পিছিয়ে ছিল। স্যার সায়্যিদ আহমদ এগিয়ে এসে মুসলমানদের মধ্যে আধুনিক শিক্ষার প্রসার ঘটানোর চেষ্টা করেন। একইভাবে স্যার সায়্যিদ আমীর আলী ও নবাব আবদুল লতিফ অবিভক্ত বাংলার মুসলমানদের জন্য কাজ করেন। কিন্তু পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি, যতক্ষণ না পাকিস্তানের জন্ম হয়।  

পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর পূর্ব পাকিস্তানের মধ্যবিত্ত শ্রেণি নতুন শিক্ষার সুযোগ পায় এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পূর্ব পাকিস্তানের ছাত্রদের জন্য উচ্চশিক্ষার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে ওঠে। এর ফলে এই অঞ্চলের ছাত্ররা পাকিস্তানের বিভিন্ন প্রশাসনিক ক্যাডারে ও কেন্দ্রীয় সরকারে প্রবেশের সুযোগ পায়। মূলত এই মধ্যবিত্ত শ্রেণি এবং শিক্ষার্থীরাই বাংলাদেশের জন্ম সম্ভব করেছিল।  

পূর্ব পাকিস্তানের অবহেলিত বাঙালি অভিজাত শ্রেণির দ্রুত উত্থান ঘটে, যা পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার ফলেই সম্ভব হয়েছিল। কিন্তু আমরা সেই ইতিহাস ভুলে গেছি এবং তাদের অবদানকে যথাযথভাবে স্বীকার করিনি। এমনকি আমরা তাদের ন্যূনতম সম্মান জানাতেও ব্যর্থ হয়েছি।  

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তনের তেমন প্রয়োজনীয়তা ছিল না। যদিও একসময় জগন্নাথ কলেজের নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব উঠেছিল, তা ব্যর্থ হয়। সম্ভবত রাজনীতিবিদরা তখন সুবুদ্ধির পরিচয় দিয়েছিলেন এবং অতীতের সমাজ সংস্কারকদের প্রতি সম্মান দেখিয়েছিলেন।  

কিন্তু বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তনের কাজটাই যেন সবচেয়ে আগে শুরু হয়। জিন্নাহ হলের নাম পরিবর্তন করে সূর্য সেন হল রাখা হয়, ইকবাল হলের পরিবর্তে সার্জেন্ট জহুরুল হক হল নামকরণ করা হয়। সারাদেশেই এমন নাম পরিবর্তনের অসংখ্য উদাহরণ রয়েছে।  

সম্প্রতি শোনা যাচ্ছে, কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় তাদের পাঁচটি হলের নাম পরিবর্তন করেছে এবং বেশিরভাগ হলের নতুন নামকরণ একটি নির্দিষ্ট পরিবারের সদস্যদের নামে করা হয়েছে। ইতিহাস বারবার ফিরে আসে, কিন্তু আমরা তা থেকে শিক্ষা নিতে পারি না।  

একই ধরনের প্রতিহিংসামূলক রাজনীতির নজির আমরা দেখেছি। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে তার বাড়ি থেকে জোরপূর্বক উচ্ছেদ করা হয় এবং বাড়িটি ভেঙে ফেলা হয় শুধুমাত্র প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য। কিন্তু কিছু বছর পরেই ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়ি ঘিরে একই ধরনের প্রতিশোধমূলক রাজনীতি প্রত্যক্ষ করছি।  

বাংলাদেশের সমাজে বিভাজনের বীজ বপন করা হয়েছিল স্বাধীনতার পরপরই। শেখ মুজিবুর রহমানের সময় থেকেই এই বিভাজন দৃষ্টিগোচর হয়, যা পরবর্তীতে আরো গভীর হয়েছে। বিশেষ করে সর্বশেষ ফ্যাসিবাদী শাসনামলে এটিকে প্রকাশ্যে পৃষ্ঠপোষকতা করা হয়েছে সমাজকে স্থায়ীভাবে বিভক্ত রাখার উদ্দেশ্যে।  

সংস্কৃতি ও শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড হিসেবে বিবেচিত হয়। কিন্তু ভারতীয় রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে এ দুটি ক্ষেত্র পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করা হয়েছে। এর জন্য ভারতীয় স্বার্থরক্ষাকারী স্থানীয় এজেন্টরা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করেছে এবং এখনো করছে।  

গত পাঁচ দশকে আমরা জ্ঞান ও বুদ্ধিবৃত্তিক ক্ষেত্রে চরমভাবে দেউলিয়া হয়ে পড়েছি। আমাদের পেশাদার শ্রেণি আজকের চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে পারছে না। ফলে আমরা ধীরে ধীরে মেধাহীন ও প্রতিভাহীন জাতিতে পরিণত হচ্ছি। এটি মূলত ভারতীয় আধিপত্যবাদী রাজনীতির ফলাফল।  

উচ্চশিক্ষা থেকে ইংরেজি ভাষার গুরুত্ব কমিয়ে দেওয়াটা আমাদের সমাজের জন্য বড় অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আন্তর্জাতিক চাকরির বাজারে আমাদের শিক্ষার্থীরা প্রতিযোগিতা করতে পারছে না, কারণ তাদের ইংরেজির দক্ষতা অত্যন্ত দুর্বল। এটি একমাত্র ফ্যাসিবাদী শাসকদের ভুল নীতির ফলাফল।  

২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতি আমাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী সাড়া দেয়নি, বরং কখনো কখনো আমাদের হতাশ করেছে। রাজনীতিবিদ ও রাজনৈতিক দলগুলো জনগণের কল্যাণে অবদান রাখার সুযোগ পেয়েছে, এবং তারা যদি এই সুযোগ নষ্ট করে, তাহলে তা জাতির জন্য ভয়াবহ পরিণতি বয়ে আনবে। তাদের কর্মকাণ্ডই ভবিষ্যৎ ইতিহাসের অংশ হয়ে থাকবে।  

আমরা আশাবাদী, ভবিষ্যতে তাদের কাছ থেকে পরিপক্ব ও বাস্তবমুখী রাজনীতি দেখতে পাবো। কারণ, আজকের রাজনীতি আগামী দিনের ইতিহাস হয়ে উঠবে, এবং আমরা আর কোনো ভুল করার সুযোগ নিতে পারি না।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

জয়া পশ্চিমবঙ্গে মনোনয়ন পেলেন 


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
মঙ্গলবার, ৩০ মার্চ, ২০২১, ১১:০১
জয়া পশ্চিমবঙ্গে মনোনয়ন পেলেন 

ফাইল ছবি: জয়া আহসান

বলিউডের পর এবার টালিউডে বসতে যাচ্ছে ফিল্মফেয়ার পুরস্কারের আসর। বুধবারের (৩১ মার্চ) এ আসরে দেওয়া হবে এবারের ফিল্মফেয়ার পুরস্কার। 

মূলত ২০১৯ সালের মুক্তিপ্রাপ্ত কলকাতার বাংলা সিনেমাগুলো থেকে বাছাই করে এ পুরস্কার দেওয়া হবে। এদিকে মনোনয়ন প্রাপ্তদের নাম প্রকাশ করা হয়েছে সোমবার (২৯ মার্চ)। 

প্রকাশিত এ মনোনয়নে দেখা যায়, এবারও ওপার বাংলায় (পশ্চিমবঙ্গে) মনোনয়ন পেয়েছেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। ‘রবিবার’ ও ‘বিজয়া’ সিনেমার জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী (সমালোচক) বিভাগে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে জয়া আহসানকে। 

একই বিভাগে জয়া ছাড়াও মনোনয়ন পেয়েছেন রাইমা সেন (তারিখ), সোহিনী সরকার (ভিঞ্চি দা), শুভশ্রী গাঙ্গুলি (পরিণীতা) ও ঈশা সাহা (সোয়েটার)।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - রাজনীতি