a
ফাইল ছবি
জাতীয় পার্টির (জাপা) মহাসচিব ও কিশোরগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মুজিবুল হক চুন্নু বলেছেন, যতক্ষণ সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ থাকবে ততক্ষণ সংসদ সদস্যদের স্বাধীন কথা বলার সুযোগ নেই। বাজেটে সংসদ সদস্যদের কোনো অংশগ্রহণ নেই। স্বাধীনভাবে (কথা) বলার সুযোগ নেই।
মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ নিয়ে আলোচনা হয়। এসময় একটি বিল পাসের ওপর আলোচনাকালে বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরাও এসব মন্তব্য করেন।
মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, সংসদের কি খুব একটা ক্ষমতা আছে? যিনি সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা তার হাতেই সকল ক্ষমতা। দলের সিদ্ধান্তের বাইরে কারো কিছু বলার ক্ষমতা আছে? সদস্য পদ কি থাকবে? এ সময় বিএনপির সাংসদ রুমিন ফারহানাও একই প্রশ্ন তোলেন।
প্রসঙ্গত: সংবিধানের ৭০ অনুূচ্ছেদ অনুযায়ী কোনো সংসদ সদস্য দলের সিদ্ধান্তের বাইরে ভোট দিতে পারেন না। এতে বলা আছে, কোনো রাজনৈতিক দলের প্রার্থী রূপে মনোনীত হয়ে কোনো ব্যক্তি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে সংসদে ওই দলের বিপক্ষে ভোটদান করলে সংসদে তার আসন শূন্য হবে। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি
গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে বিএনপির ১০৭ জন নেতাকর্মীকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি। গ্রেফতারকৃত সকল নেতাকর্মীকে অবিলম্বে মুক্তির দাবি জানিয়েছে দলটি।
আজ বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের কেন্দ্রীয় দপ্তরের দায়িত্ব প্রাপ্ত ও সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স এ অভিযোগ করেন।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ এতটাই জনবিচ্ছিন্ন, দুর্বল এবং ভীত যে তৃণমূলে বিএনপি কর্মসূচি দেওয়া মাত্রই তাদের হৃদকম্পন বেড়ে যায়। চলমান গণআন্দোলনে তারা নার্ভাসনেস-এ ভূগছে।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতা আব্দুস সালাম আজাদ, মীর নেওয়াজ আলী নেওয়াজ, আব্দুস সাত্তার পাটোয়ারী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, ১০ দফা এবং জনগণের জীবিকার বিভিন্ন সমস্যা ও সরকারের দুর্নীতি, লুটপাট, জনদুর্ভোগের বিরুদ্ধে গড়ে উঠা গণআন্দোলন নসাৎ করতে সরকার দমন-নিপীড়ন অব্যাহত রেখেছে। নেতাকর্মীদের গ্রেফতার হয়রাণি করে আন্দোলন কর্মসূচি বানচালের ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে।
তুরস্ক ও সিরিয়ায় ভূমিকম্পে হতাহতের ঘটনায় রাজধানীতে বিএনপির পদযাত্রা কর্মসূচি স্থগিতের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে ইউনিয়ন পর্যায়ে পদযাত্রা এবং ১২ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মহানগর উত্তরের পদযাত্রা কর্মসূচি অপরিবর্তিত থাকবে। তুরস্ক ও সিরিয়ায় ভূমিকম্পে নিহত ও আহত হওয়ার ঘটনায় শোক প্রকাশ করে গতকাল বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি
জাতিসংঘের সন্ত্রাসী তালিকা থাকা তালেবান নেতা মোল্লা হাসান আকুন্দ যুদ্ধ বিধ্বস্ত আফগানিস্তানের পরবর্তী সরকারপ্রধান হতে যাচ্ছেন। তালেবানের কয়েকজন নেতার বরাত দিয়ে একটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এমনই তথ্য পাওয়া গেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়- তালেবানের সর্বোচ্চ নেতা হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদাই সরকার প্রধান হিসেবে হাসান আখুন্দের নাম প্রস্তাব করেছেন। সোমবার সরকার গঠনের প্রস্তুতি নিলেও অনিবার্য কারণে তা স্থগিত হয়ে যায়। বুধবার কাবুলে নতুন সরকার দায়িত্ব নিতে পারে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়।
২০০১ সালে কাবুলে তালেবান সরকারের পতনের পরে পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে গঠিত তালেবান ‘কোয়েটা সুরা’র নেতৃত্বে দিয়েছিলেন হাসান আকুন্দ। আখুন্দজাদার ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত হাসান আকুন্দ তালেবানের শান্তি আলোচনা বিষয়ক সিদ্ধান্ত গ্রহণের দায়িত্বপ্রাপ্ত ‘রেহবারি সুরা’র প্রধান ছিলেন।
গত ১৫ আগস্ট কাবুলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় তালেবান। এ সময় শুধু পাঞ্জশির ছাড়া ৩৪টি প্রদেশের ৩৩টির নিয়ন্ত্রণ ছিলো তাদের হাতে। নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর সরকার গঠন নিয়ে চলছে দীর্ঘ আলোচনা। ইতিমধ্যে আফগানিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তালেবানের সহ-প্রতিষ্ঠাতা মোল্লা আবদুল গনি বারাদার নাম শোনা যাচ্ছিল। এরই মধ্যে আলোচনায় নাম না থাকা তালেবান নেতা মোল্লা হাসান আকুন্দ সরকারপ্রধান হচ্ছেন বলে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন বলা হচ্ছে।