a
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
নৈসর্গিক সৌন্দর্যের অপার লীলাভূমি রাঙ্গামাটি। চারিদিকে পাহাড় আর ঝর্ণা। যেদিকে দু’চোখ যায় অপরূপ সৌন্দর্যে মন ভরে যায়। রাঙামাটির বিলাইছড়ির ধুপপানি ঝর্ণা এই মুহূর্তে বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর ঝর্ণাগুলোর মধ্যে একটি।
সুবিশাল উচ্চতা, শুভ্র জলরাশির ঝর্ণা আর ঝর্ণার নিচের গুহার জন্য ট্রেকারদের কাছে এই ঝর্ণাটির আবেদন সব সময় অন্যরকম। ঝর্ণার স্বচ্ছ পানি এবং অনেক উচুঁ থেকে আছড়ে পড়া জলরাশি আপনাকে একরকম পাগল করে দিবে, ধুপপানি ঝর্ণার নিচের গুহায় চোখ বন্ধ করে বসলে মনে হবে অন্য কোন জগতে চলে গেছেন।
অনেক উচ্চতা থেকে প্রবল বেগে যখন নেমে আসে ঝর্ণার জলরাশি তখন শুভ্র জলধারা ছাড়া আর কিছুই দৃষ্টিগোচর হয় না, তাই রঙ বুঝেই এর নাম ধুপপানি ঝর্ণা। স্থানীয়রা দুপপানি ঝর্না নামেও ডেকে থাকে। ভুপৃষ্ঠ থেকে ধুপপানির উচ্চতা ১৫০ মিটার এবং ২ কিলোমিটার দূর থেকে ঝর্ণার চঞ্চল শব্দ কানে আসে। বর্ষায় আরও দূর থেকে টের পাওয়া যায় তার অস্তিত্ব। "পরিপূর্ণ এক ট্রেকিং এটি। ভয়, ঝুঁকি, শিহরণ, উচ্ছ্বাস, চমক, সৌন্দর্য কী নেই!"
ঝর্ণার সৌন্দর্য যেমন অপরূপ, এর ট্রেকিং এর পথও এতোটা সুগম নয়। ইতোমধ্যে এই ট্রেকিং সম্পূর্ণ করে এসে এর বিবরণ দেয় "টিম ১৭"।
এই ভ্রমণের সহচরেরা ছিলো আরিফুল ইসালম ইমন, তানভীর হৃদ, অমৃত রায়, রাফি, আবির, বেজওয়ান, নিলয়, ইকরামুল, রাকিবুল, সৈয়দা তাহমিদা, সুস্মিতা সাহা মন, শাহরিয়ার সুচি, উন্মে হাবিবা, আশফিকা আইশি, গাজী শাকিবুল ইসলাম প্রমুখ।
অপরূপ সৌন্দর্যের আধার হওয়া সত্তেও ঝর্ণাটি লোক চক্ষুর অন্তরালেই ছিলো। মনোহর সৌন্দর্য আর ভাব গাম্ভীর্যের এই ঝর্ণাটি মূলত একটি তীর্থস্থান। ২০০০ খ্রিস্টাব্দে কথা, এর আগে গহীন অরণ্যে এই ঝর্ণাটি সম্পর্কে কারো ধারণা ছিলো না। স্থানীয় এক বৌদ্ধ ভান্তে গভীর অরণ্যে গিয়ে এই ঝর্নার নিচে বসে ধ্যান শুরু করেন এবং টানা তিন মাস তিনি এখানে ধ্যান করেন। নিরিবিলি জনমানবহীন পরিবেশে ঈশ্বরের আরাধনা করাই ছিল তাঁর উদ্দেশ্য।
কিছু দিনের মাঝে কাছাকাছি এলাকার অধিবাসীরা তাঁর কথা জানতে পারেন এবং তাঁর সেবা করার উদ্দেশ্যে এখানে আসতে থাকেন। স্থানীয় লোকজন সন্ন্যাসীকে সেবা করতে গেলে ঝর্নাটি জনসম্মুখে আসে।
এই ঝর্ণার ওপরে সাধু তাঁর আশ্রমে ধ্যান করেন। স্থানীয় ভাষায় এই ধর্মযাজক সাধুকে বলা হয় ‘ভান্তে’। তিনি সপ্তাহের ছয় দিন ধ্যান করে শুধু রবিবারে খাবার খাওয়ার জন্য নিচে নেমে আসেন। এই ছয় দিনে ভান্তে কোনো চিৎকার-চেঁচামেচি পছন্দ করেন না। তাই শুধু রবিবারেই ঝর্ণাটায় লোকজনের যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হতো। তবে বর্তমানে এটি ভ্রমণ পিপাসুদের আগ্রহের স্থান হওয়ায় ঝর্ণার স্থানে অতিরিক্ত শব্দ না করার শর্তে স্থানটিতে সপ্তাহের অন্যান্য দিনও প্রবেশের অনুমতি দেয়া হয়।
সর্বশেষ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় না বললেই নয়! ধুপপানি পাড়া হতে নিচে নেমে ঝর্ণার সিঁড়িপথের শুরুতে একটি সতর্কতাবাণী লেখা রয়েছে। সতর্কতাবাণীটি হুবহু তুলে ধরা হলো,
“সম্মানীত ভ্রমণকারী, ধুপপানি ঝর্ণাটি কোনো পর্যটন কেন্দ্র নয়। এখানে বৌদ্ধ ভিক্ষু ও শ্রমণগণ ধ্যান সাধনা করেন। এ এলাকা ধুপপানি সার্বজনীন বৌদ্ধ বিহারের জন্য সংরক্ষিত এবং বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের তীর্থভূমি। তাই ধর্মীয় পবিত্রতা রক্ষা করুন এবং উচ্চস্বরে চিৎকার চেঁচামেচি হৈ-চৈ না করার জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ রইলো।”
ফাইল ছবি
আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর ঘিরে ঈদযাত্রায় ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি আগামীকাল শুক্রবার থেকে শুরু হবে। এ বছর ঈদযাত্রা ও ঈদের ফিরতি যাত্রার শতভাগ টিকিট অনলাইনে সংগ্রহ করতে হবে।
ঈদযাত্রায় ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরুর প্রথম দিন অর্থাৎ ৭ এপ্রিল বিক্রি হবে ১৭ এপ্রিলের টিকিট। এরপর ৮ এপ্রিল ১৮ এপ্রিলের, ৯ এপ্রিল ১৯ এপ্রিলের, ১০ এপ্রিল ২০ এপ্রিলের এবং ১১ এপ্রিল বিক্রি হবে ২১ এপ্রিলের ঈদযাত্রার টিকিট।
ঈদের ফিরতি যাত্রার টিকিট বিক্রি শুরু হবে ১৫ এপ্রিল থেকে। ফিরতি যাত্রার টিকিট বিক্রি শুরুর প্রথম দিন অর্থাৎ ১৫ এপ্রিল বিক্রি করা হবে ২৫ এপ্রিলের টিকিট। এরপর ১৬ এপ্রিল ২৬ এপ্রিলের, ১৭ এপ্রিল ২৭ এপ্রিলের, ১৮ এপ্রিল ২৮ এপ্রিলের, ১৯ এপ্রিল ২৯ এপ্রিলের এবং ২০ এপ্রিল বিক্রি করা হবে ৩০ এপ্রিলের টিকিট।
ঈদুল ফিতরের আন্তঃনগর ট্রেনের ঈদযাত্রা ও ফিরতি যাত্রার অগ্রিম টিকিট (১৭ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত) শতভাগ অনলাইন/মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে কেনা যাবে। টিকিট কিনতে রেলওয়ে টিকেটিং ওয়েব পোর্টাল "Rail Sheba" অ্যাপ বা যে কোনো মোবাইল থেকে এসএমএস করার মাধ্যমে জাতীয় পরিচয়পত্র/পাসপোর্ট/জন্মনিবন্ধন যাচাইপূর্বক রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সাইফুল আলম, ঢাকা: নারী জাগরণ ও নারীর সুরক্ষা, নগর উন্নয়ন, রাষ্ট্রীয় কাঠামো, দেশের বায়ু বিশুদ্ধকরণ ও বৃক্ষরোপণ ইত্যাদি বিষয় নিয়ে মুক্ত আলোচনা করেন বাংলাদেশ ইউনিটি স্ট্রেনথ কমার্সিয়াল এশোসিয়েশন, ইউএসএ সংগঠনটি। সোমবার (২৪ নভেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে বাংলাদেশ ইউনিটি স্ট্রেনথ কমার্শিয়াল অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে দেশের চলমান নানাবিদ সমস্যা ও প্রতিকারের কথা তুলে ধরে, তাদের বিভিন্ন মহৎ লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের কথা আলোচনা এবং দোয়া করেন।
উক্ত অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন, সাবেক উত্তর আমেরিকার কালচারাল সেক্রেটারী ও প্রথম বাংলা পত্রিকার প্রবাসীর সহ-সম্পাদিকা সাইদা রহমান। আরো উপস্থিত ছিলেন- সাবেক পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট সমাজনেবক জনাব লুৎফার মতিন : তোফাজ্জেল হোসেন, সোনার বাংলা বিল্ডার্স এর চেয়ারম্যান এবং বিশিষ্ট সমাজ সেবক, অনুষ্ঠানের বার্তা সম্পাদক ফেরদৌস আরেফিন আকন্দ। আরো বিশেষভাবে উপস্থিত ছিলেন, এনসিপির কেন্দ্রিয় সদস্যবৃন্দসহ আরো গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
জনাবা সাইদা রহমান বলেন, এটি আমাদের দাবিদাওয়া না, মিছিল না, আন্দোলনও না। আমাদের এই ধারণাগুলো রাষ্ট্রীয় কাঠামো গঠনে একান্ত কার্যকরী ভূমিকা রাখবে। তাই আমাদের এই আলোচনা। আমি আশা করব, যে আমি সমস্ত জনগণের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি করতে পারছি। আমি কোন রাজনৈতিক দলের সাথে যুক্ত নই এবং আমি বেগম সুফিয়া কামালের সাথে এক যুগের বেশি কাছ করছি। কবি সামসুর রহমানের মত কবিকে পাশে পেয়েছি।
আমি মনে করি বিদেশে থেকেও কবি শামসুর রহমানের সাথে সময় কাটানো, এবং বেগম সুফিয়া কামালের সাথে সময় কাটানো আমার জন্য একটি সৌভাগ্যের ব্যাপার ছিল। দেশে ফিরে আমি জাফরুল্লাহ চৌধুরী সাথে দেখা করেছি, আমার মনের ইচ্ছা গুলো তাকে খুলে বলেছি এবং আমি দেখেছিএ সকল বড় বড় ব্যক্তিত্বের সাথে আমার চিন্তা ভাবনার প্রচুর মিল।যারা রাজনীতিতে যুক্ত ছিলেন না। ডাফর উল্লাহ চৌধুরি আমার আদর্শা আমি তার আদর্শ সাথে করে আগামী পথ চলতে চাই।
বিদেশ থেকে এসে যেন আমরা একটা সুন্দর নিরাপদ শুধু সড়ক নয়, পুরো দেশটাকে যেন নিরাপদ Environment এ নিয়ে আসতে পারি যে চেষ্টা করতে হবে।