a
ফাইল ছবি
জামালপুরের মেলান্দহে ট্রাক ও পিকআপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে পিকআপের চালকসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। আজ রবিবার ভোরে জামালপুর-দেওয়ানগঞ্জ সড়কের মালঞ্চ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মেলান্দহ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেলোয়ার হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘আজ ভোরে মালঞ্চ এলাকায় ট্রাকের সঙ্গে পিকআপের সংঘর্ষ হয়। এতে তিনজন নিহত হয়েছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘এখন পর্যন্ত নিহতদের নাম পরিচয় জানা যায়নি। নিহতদের মধ্যে পিকআপটির চালক রয়েছেন। তাদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করা হচ্ছে।’ ওসি জানান, মরদেহগুলো উদ্ধার করে মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে। তাছাড়া ট্রাক ও পিকআপ পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
জানা যায়, পিকআপটি ময়মনসিংহ থেকে দেওয়ানগঞ্জের দিকে যাচ্ছিল আর ট্রাকটি দেওয়ানগঞ্জ থেকে জামালপুরের দিকে যাচ্ছিল। পরে গাড়ি দুটি জামালপুর-দেওয়ানগঞ্জ সড়কের মালঞ্চ এলাকায় এলে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই দুইজনের মৃত্যু হয়। আরেকজনকে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে নিলে কর্ত্যবরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি
বরগুনার পাথরঘাটা থেকে দক্ষিণ পশ্চিম সুন্দরবন এলাকায় বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়ে ১০টি মাছ ধরার ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটেছে। এতে ২৫ জন জেলে নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে।
শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে বঙ্গোপসাগরের ফেয়ারওয়ে বয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করে বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী।
তিনি জানান, নিখোঁজ জেলের বাড়ি বরগুনা, পিরোজপুর, বাগেরহাট ও পটুয়াখালী জেলার বিভিন্ন এলাকায়। ডুবে যাওয়া ট্রলারের মধ্যে এফবি মায়ের দোয়া, এফবি আনিছ ও এফবি ইলিয়াসের নাম জানা সম্পর্কে তথ্য পাওয়া গেছে।
মোংলা কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের অপারেশন অফিসার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার লুৎফর রহমান জানান, নিখোঁজ জেলেদের উদ্ধারের জন্য ফেয়ারওয়ে বয়া এলাকায় কোস্টগার্ডের উদ্ধার টিম পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি
হাফেজ শহিদুল ইসলাম আমার ঘনিষ্ঠ সহকর্মীদের একজন। সাংগঠনিক কাজে আমার দু-চারজন সহযোগীর অন্যতম। বেশ পুরোনো আমাদের সম্পর্ক। সম্পর্কের গভীরতা পারিবারিক পরিধি পর্যন্ত। পরিবারসহ একে অপরের বাসায় যাতায়াত আমাদের দীর্ঘদিনের। সেই সূত্রে তার পারিবারিক অভিভাবকত্ব করতাম আমি। পারিবারিকভাবে খুঁটিনাটি বিষয়ে পরামর্শের জন্য তারা আমার দ্বারস্থ হত। দুই সন্তানের ছোট সংসার নিয়ে চলছিল তাদের জীবন।
একটাপর্যায়ে এসে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে নানা বিষয় নিয়ে শুরু হয় মনোমালিন্য। মনোমালিন্য থেকে বাদানুবাদ এবং সম্পর্কের টানাপোড়েন শুরু। আজ থেকে তিন বছর আগের কথা। তখন তাদের সংসার টিকিয়ে রাখার জন্য অনেক চেষ্টা করেছি আমি। তাদের উভয়ের সাথে কথা বলি। কিন্তু কোনোভাবেই আর সেটি সম্ভব হয়নি। ছাড়াছাড়ি হয়ে যায় তাদের। ছাড়াছাড়ির পর দ্বিতীয় সংসার শুরু করেন হাফেজ শহিদুল ইসলাম। সেই বিবাহ আমি পড়াই। তিনি তার দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে সুখে শান্তিতে দিনাতিপাত করছেন। সেই ঘরে জন্ম নিয়েছে ফুটফুটে আরেকটি সন্তান।
অপরদিকে হাফেজ শহিদ ভাইয়ের স্ত্রী হয়ে যায় অনেকটা অসহায়। এক রকমের কূলকিনারাহীন। রাগের মাথায় সংসার ভেঙে গভীর সংকটে পড়ে যান তিনি। ওই পরিস্থিতিতে তার জীবিকা নির্বাহ করা কঠিন হয়ে পড়ে। স্বাভাবিকভাবেই তিনি আমার শরণাপন্ন হন।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে করণীয় বিষয়ে পরামর্শ নেন। আর সেই দুঃসময়ে সহযোগিতা করার মতো আমি ছাড়া আর কেউ ছিল না তার। ইসলামী দৃষ্টিকোণ এবং অভিভাবকত্বের জায়গা থেকে আমি তার অর্থনৈতিক দায়িত্ব গ্রহণ করি। জীবনের করণীয় বিষয়ে দিক-নির্দেশনার জন্য নিয়মিতই আমার সাথে যোগাযোগ রাখতে হয় তাকে।
এমতাবস্থায় একজন বেগানা নারীর সাথে এভাবে সম্পর্ক রাখাকে শরিয়তের দৃষ্টিকোণ থেকে আমার কাছে ঝুঁকিপূর্ণ মনে হয়। তখন আমি সিদ্ধান্ত নেই, যত দিন তার অভিভাবকত্বের প্রয়োজন হবে আমার, তাকে বেগানা হিসেবে রেখে অভিভাবকত্ব করবনা, বরং ইসলামী শরিয়তের আলোকে বৈধ একটা সম্পর্ক তৈরি করে নেব। বিষয়টি নিয়ে ঘনিষ্টজনদের সাথে কথা বলি এবং এ বিষয়ে তাদের জানিয়ে শরিয়তের বিধান অনুযায়ী বিবাহের কালেমা পড়ে বিবাহ করে নেই।
দু বছর যাবত এভাবেই মানবিক ও ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গির আলোকে আমি তার অভিভাবকত্ব করছি এবং একজন অসহায় নারীর দায়িত্ব গ্রহণ করে একটি পুণ্যের কাজ করেছি বলে বিশ্বাস করি। আমি যা বললাম, এটা আল্লাহর নামের হাজার বার শপথ করে বলতে পারব। বিষয়টি বিশ্বাসযোগ্য করার জন্য কুল্লামার শপথও করতে পারি।
বিষয়টি খোলাসা করার পরেও যুবলীগ, আওয়ামী লীগের গুন্ডারা আমার সাথে যে অমানবিক আচরণ করেছে এবং হামলা করেছে, গায়ে হাত তুলেছে, আমি এর বিচার চাই আল্লাহর কাছে, প্রশাসনের কাছে এবং জনগণের কাছে। পুলিশের উপস্থিতিতে তাদের এই হামলা ও আচরণ প্রমাণ করে বর্তমানে বাংলাদেশে মান-সম্মান কিংবা জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে চলাফেরা করা সম্ভব না।
(মামুনুল হকের ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)/সূত্র:বিডিপ্রতিদিন