a বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব, হবিগঞ্জ জেলা আয়োজিত পরিচিতি, আলোচনা ও পরামর্শ সভা
ঢাকা শুক্রবার, ২৫ পৌষ ১৪৩২, ০৯ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব, হবিগঞ্জ জেলা আয়োজিত পরিচিতি, আলোচনা ও পরামর্শ সভা


মনিরুল, হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
শনিবার, ১৪ আগষ্ট, ২০২১, ১১:৩১
বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব, হবিগঞ্জ জেলা আয়োজিত পরিচিতি, আলোচনা ও পরামর্শ সভা

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

আজ ১৪ আগষ্ট ২০২১ ইং দুপুর ২২-৩০ মিনিটে সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়, হবিগঞ্জে দৈনিক মুক্ত সংবাদ প্রতিদিন এর সিলেট বিভাগীয় প্রতিনিধি সাংবাদিক শেখ আঃ কাদির কাজল এর সভাপতিত্বে বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব, হবিগঞ্জ জেলা আয়োজিত পরিচিতি, আলোচনা ও পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়। 

হবিগঞ্জের সকল উপজেলার সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে বক্তব্য রাখেন যুগ্ম আহ্বায়ক  মুজিবুর রহমান খান, মীর দুলাল, আছাদুজ্জামান সুমন, মোতালিব তালুকদার দুলাল, শাহেনা আক্তার, ডাঃ সৈয়দ রুবায়েল আহমেদ জুয়েল, রাহেনা শিরিন প্রমুখ।

সভাপতি উপস্থিত সকল সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, সাংবাদিকতা একটি মহান পেশা, নিজের খেয়ে বনের মহিষ তাড়ানোর মতো। আপনারা পেশাদারীত্ব, স্বচ্ছতা ও জবাবদীহিতা নিশ্চিত করে কর্মকান্ড পরিচালনা করবেন। 

পরিশেষে শোকের মাস আগষ্ট উপলক্ষে-১ মিনিট নিরবতা পালন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু, তাঁর পরিবার ও সকল নৃশংস হত্যাকান্ডের নিন্দা ও তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

ঝিনাইদহে লকডাউন কার্যকরে মাঠে রয়েছে পুলিশ



মঙ্গলবার, ০৬ এপ্রিল, ২০২১, ১২:২৭
ঝিনাইদহে লকডাউন কার্যকরে মাঠে রয়েছে পুলিশ

সারাদেশের ন্যায় ঝিনাইদহে শুরু হয়েছে ১ সপ্তাহের লকডাউন। সকাল থেকেই বন্ধ রয়েছে স্থানীয় ও দুরপাল্লার সকল প্রকার গণপরিবহন। বন্ধ রাখা হয়েছে ঔষধ, খাদ্যের দোকান ব্যতিত সকল দোকান-পাট। 

সোমবার সকাল থেকে লকডাউন কার্যকরে মাঠে রয়েছে পুলিশ। 

জেলার বিভিন্ন উপজেলাসহ জেলা শহরের পোস্ট অফিস মোড়, আরাপপুর, কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন স্থানে পুলিশের চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। 

সরকারের ১৮ দফা নির্দেশনা কার্যকর ও সর্বস্তরের মানুষকে সচেতন করতে সকালে পুলিশের পক্ষ থেকে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হয়। 

পুলিশ সুপার মুনতাসিরুল ইসলাম নেতৃত্বে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল আবুল বাশার, ডিবি ওসি আনোয়ার হোসেন, সদর থানার ওসি মোঃ মিজানুর রহমানসহ জেলা পুলিশের উর্দ্ধতন কর্মকর্তা শহরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায়। 

এ সময় লকডাউনে অযথা শহরে ঘোরাঘুরি না করতে ও জরুরী প্রয়োজনে বাইরে বের হওয়া মানুষকে স্বাস্থ্য বিধি মানতে নানা পরামর্শ দেন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

একজন সাইফুল আজমের প্র‍য়োজনবোধ করছে ফিলিস্তিন


এম.এস প্রতিদিন ডেস্ক:
মঙ্গলবার, ১৮ মে, ২০২১, ০৪:৩৬
একজন সাইফুল আজমের প্র‍য়োজনবোধ করছে ফিলিস্তিন

ফাইল ছবি । সাইফূল আজম

 

সাইফুল আজম শুধু বাংলাদেশ নয় পুরো পৃথিবীর ইতিহাসের একমাত্র যোদ্ধা, যিনি আকাশপথে লড়াই করেছেন তিন তিনটি, আলাদা দেশের বিমানবাহিনীর সদস্য হয়ে। তিনিই একক ব্যক্তি হিসেবে আকাশপথে যুদ্ধের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সংখ্যক ইসরাইলি যুদ্ধবিমান ধ্বংস করেছিলেন। ইতিহাসে নজির সৃষ্টিকারী ২২ জন ‘লিভিং ঈগলের’ অন্যতম একজন ছিলেন এই বীর বাঙালি বিমান সৈনিক'

১৯৭১ সালের পূর্বে পাকিস্তান বিমানবাহিনীতে কাজ করেছিলেন সাইফুল আজম। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর তিনি বাংলাদেশ বিমানবাহিনীতে অংশ নেন। পাকিস্তান বিমানবাহিনীতে কর্মরত অবস্থায় ১৯৬৭ সালের জুন মাসে তৃতীয় আরব-ইসরাইল যুদ্ধ আরম্ভ হলে সশরীরে যুদ্ধে অংশ নিতে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে ইরাকি বিমানবাহিনীতে স্থানান্তরিত হন সাইফুল আজম। পশ্চিম ইরাকে অবস্থান নিয়ে ইসরাইলিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছিলেন তিনি।

যুদ্ধ আরম্ভ হবার মাত্র ৫ দিনের মাথায় গাজা এবং সিনাইয়ের কর্তৃত্ব নিয়েছিল ইসরাইল। জুনের ৫ তারিখে সিরীয় বিমানবাহিনীর দুই-তৃতীয়াংশ শক্তি ধ্বংস করে দিয়েছিল সন্ত্রাসী রাষ্ট্র ইসরাইলি বিমান সেনারা। তেমন কোনো প্রতিরোধ ছাড়াই ইসরাইল পশ্চিম তীর এবং জেরুজালেম তারা দখল করেছিল। করায়ত্ব করেছিল সিরিয়ার গোলান মালভূমিও। তাদের সামনে বিন্দুমাত্র প্রতিরোধ তৈরি করতে পারেনি মধ্যপ্রাচ্যের কোনো দেশ। এ সময় ইসরাইলিদের যমদূত হয়ে জর্ডানে যান সাইফুল আজম।

৬ জুন আকাশ থেকে প্রচণ্ড আক্রমণে মিসরীয় বিমানবাহিনীর যুদ্ধ-সরঞ্জাম গুঁড়িয়ে মাটিতে মিশিয়ে দিয়েছিল ইসরাইলি বাহিনী। একই দিনে চারটি ইসরাইলি সুপারসনিক ‘ডাসল্ট সুপার মিস্টেরে’ জঙ্গি বিমান আক্রমণের জন্য ধেয়ে আসে জর্ডানের মাফরাক বিমান ঘাঁটির দিকে। এবার তাদের উদ্দেশ্য ছিল জর্ডানের বিমানবাহিনীকে নিশ্চিহ্ন করে মাটিতে মিশিয়ে দেয়া।

সে সময় ইসরাইলি শক্তিশালী বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনা করার মতো সমতুল্য বিমান আরবীয়দের ছিল না। তবু ইসরাইলিদের আটকাতে মাফরাক বিমান ঘাঁটি থেকে 'হকার হান্টার’ জঙ্গি বিমান নিয়ে বুক চিতিয়ে উড়াল দিয়েছিলেন সাইফুল আজম।

আর সেই হকার হান্টার দিয়েই চিতার ন্যায় তীব্র গতিতে দুটি ইসরাইলি সুপারসনিক বিমানকে ভুপাতিত  করে মাটিতে আছড়ে ফেলেছিলেন  সাইফুল আজম। তার অব্যর্থ আঘাতের পর আঘাতে ভূপাতিত হচ্ছিল এক  একটি ইসরাইলি ‘সুপার মিস্টেরে’। 

সে দিন ভয়ডরহীন বৈমানিক সৈনিক সাইফুল আজমের অকল্পনীয় সাহস আর বীরত্বের কাছে ইসরাইলের সকল পরিকল্পনাই হারিয়ে যায়। উল্টো নিজেদেরই দুটো বিমান হারাতে হয়েছিল তাদের। এমন সাহসী বীরত্বের জন্য পুরস্কারস্বরূপ সাইফুল আজমকে ‘হুসাম-ই-ইস্তিকলাল’ সম্মাননায় ভূষিত করে জর্ডান সরকার।

সাইফুল আজমের কাছে ইসরাইলি বৈমানিকদের ধরাশায়ী হওয়া এটাই প্রথম। পরদিনই তার কৃতিত্বে ইরাকি বৈমানিক দলের কাছে চরমভাবে পরাজিত হয় ইসরাইলিরা। ৭ জুনে ইরাকের ‘এইচ-থ্রি’ ও ‘আল-ওয়ালিদ’ ঘাঁটি রক্ষা করার দায়িত্ব পড়ে এক ইরাকি বৈমানিক দলের কাঁধে। আর সাইফুল আজম সেই দলের অধিনায়ক। সে দিন চারটি ‘ভেটোর বোম্বার’ ও দু’টি ‘মিরেজ থ্রিসি’ জঙ্গি বিমান নিয়ে আক্রমণ চালায় ইসরাইল।

একটি ‘মিরেজ থ্রিসি’ বিমানে ছিলেন ইসরায়েলি ক্যাপ্টেন গিডিওন দ্রোর। দ্রোরের গুলিতে নিহত হন আজমের উইংম্যান। তার হামলায় ভূপাতিত হয় দুটি ইরাকি বিমান। পরক্ষণেই এর জবাব দেন আজম। তার অব্যর্থ টার্গেটে পরিণত হয় দ্রোরের ‘মিরেজ থ্রিসি’। সে আঘাতের পর বাঁচার উপায় না পেয়ে যুদ্ধবন্দি হিসেবে ধরা দেন ক্যাপ্টেন দ্রোর। ওই যুদ্ধবন্দির বিনিময়ে জর্ডান ও ইরাকের সহস্রাধিক সৈন্যকে মুক্ত করে দেয় ইসরাইল।

আরব-ইসরাইল যুদ্ধের প্রথম ৭২ ঘণ্টার মধ্যেই সাইফুল আজম একটি অনন্য রেকর্ড তৈরি করেন। ইতিহাসে তিনিই একমাত্র ব্যক্তি যিনি ভূপাতিত করেছেন সর্বোচ্চ তিনটি ইসরাইলি বিমান। যে জন্য ‘নাত আল-সুজাহ’ সামরিক সম্মাননায় ভূষিত করা হয়।

ইতিহাসে তার অন্যান্য নজিড় স্থাপনকারী এই কাজের জন্য তাকে  পাকিস্তানের তৃতীয় সর্বোচ্চ সামরিক সম্মাননা ‘সিতারা-ই-জুরাত’-এ ভূষিত করা হয়। সাইফুল আজমই পৃথিবীর ইতিহাসে একমাত্র বৈমানিক যিনি চারটি দেশের বিমানবাহিনীর সৈন্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এই চারটি দেশ হল পাকিস্তান, জর্ডান, ইরাক ও মাতৃভূমি বাংলাদেশ।

এই চার দেশ ব্যতিত ও তিনি আটটি আলাদা দেশের আট বাহিনীর বিমান পরিচালনা করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র, পাকিস্তান, ইংল্যান্ড, জর্ডান, ইরাক, রাশিয়া, চীন ও নিজ মাতৃভূমি বাংলাদেশের হয়ে বিমান চালিয়েছেন তিনি। যুদ্ধক্ষেত্রে অনন্য সব অর্জন আর ইতিহাস গড়া সাইফুল আজমকে ২০০১ সালে ইউনাইটেড স্টেটস এয়ার ফোর্স বিশ্বের ২২ জন ‘লিভিং ইগলস’-এর একজন হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

কিংবদন্তি এই বীর বাঙালি আমাদের মাঝে আর বেচে নেই। গত বছর জুনে ঢাকার মহাখালী ডিএসএইচওর তার নিজ বাস ভবনে তিনি ইন্তেকাল করেন। তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। দীর্ঘদিন তিনি নানা জটিল ও কঠিন রোগে ভুগছিলেন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / khurshedalm@msprotidin.com
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - সারাদেশ