a মা রেহানা পারভীন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেন ছেলের মোটরসাইকেলে
ঢাকা বুধবার, ২২ মাঘ ১৪৩২, ০৪ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

মা রেহানা পারভীন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেন ছেলের মোটরসাইকেলে


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন:
শুক্রবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২১, ০৭:১৮
মা রেহানা পারভীন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেন ছেলের মোটরসাইকেলে

সুস্থ হয়ে মোটরসাইকেলই বাড়ি ফিরছেন সেই মা

করোনামুক্ত হয়ে করে বাড়ি ফিরেছেন নলছিটির সেই সহকারি শিক্ষিকা রেহানা পারভীন। শুক্রবার দুপুরে তার ছেলের মোটরসাইকেলেই বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটের সামনে থেকে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন।

ঝালকাঠী কৃষি ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার জিয়াউল হাসান টিটু বলেন, মাকে নিয়ে তাদের এই বাড়ি ফেরাকে জীবনের শ্রেষ্ঠ বিজয় উল্লেখ করে তিনি জানান, ৬দিন মুমূর্ষু মাকে হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি রেখে পুরোপুরি সুস্থ করে বাড়ি ফিরেছেন। এখন আমার মা সম্পূর্ণ সুস্থ।

আমার কাছে এটি পরম সৌভাগ্যের ও আনন্দের বিষয় যে, চরম সংকটকালীন সময়ে যে মোটরসাইকেলে করে আমার মাকে অসুস্থ অবস্থায় নিয়ে গিয়েছিলাম, আবার সেই মোটরসাইকেলেই মাকে সম্পূর্ণ সুস্থ অবস্থায় বাড়িতে ফিরেছি।

১৭ এপ্রিল তার মা রেহানা পারভীনের অক্সিজেন সেচুরেশন ৭০ অবস্থায় নিজ শরীরে ৮ লিটার মাত্রার চলমান ২০ কেজি ওজনের অক্সিজেন সিলিন্ডার বেঁধে যে বাইকে করে মাকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলাম। শুক্রবার মমতাময়ী মায়ের ফুসফুসে অক্সিজেন সেচুরেশন ৯৬ নিয়ে বাড়ি ফিরে এসেছি একই বাইকে।

এর আগে এ্যাম্বুলেন্স এবং কোনো যানবাহন না পেয়ে অক্সিজেন শরীরের সাথে বেঁধে মুমূর্ষ ও করোনা আক্রান্ত মা রেহানা পারভীনের মুখে অক্সিজেন মাস্ক দিয়ে মোটরসাইকেলে করে গত ১৭ এপ্রিল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি করানো হয়। সেসময় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে দায়িত্বরত ট্রাফিক সার্জেন্ট তৌহিদ টুটুল ছবি তুলে তার ফেসবুকে পোস্ট করলে সেটি ভাইরাল হয়।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

পিঠে সিলিন্ডার ও মাকে নিয়ে অনিশ্চিত হাসপাতালের খুঁজে অসহায় ছেলে


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
রবিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২১, ০৬:০৫
পিঠে সিলিন্ডার ও মাকে নিয়ে অনিশ্চিত হাসপাতালের খুঁজে অসহায় ছেলে

মায়ের শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ায় পিঠে অক্সিজেন সিলিন্ডার বেঁধে হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছেন ছেলে

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের হিরণ পয়েন্ট এলাকা। সেখানকার তল্লাশিচৌকিতে গতকাল শনিবার বিকেলে দায়িত্বরত ছিলেন ট্রাফিক সার্জেন্ট তৌহিদ টুটুল জানান, দুজন আরোহীর একটি মোটরসাইকেল আসতে দেখে থামার জন্য সংকেত দেই। কাছে আসতেই দেখতে পাই চালকের পিঠে বাঁধা অক্সিজেনের সিলিন্ডার। পেছনে বসে থাকা নারীর মুখে অক্সিজেন মাস্ক। তাৎক্ষণিক তাঁদের এগিয়ে যাওয়ার সংকেত দেন।

এমন সময় পথচারীদের কেউ দৃশ্যটি মুঠোফোনে ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দেন। দ্রুতই সেই ছবি ছড়িয়ে পড়ে। পরে জানা যায়, মুমূর্ষু মাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিতে মোটরসাইকেলে এভাবেই ১৮ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়েছেন জিয়াউল হাসান নামের সেই যুবক।

জিয়াউল হাসানের বাড়ি ঝালকাঠির নলছিটি পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সূর্যপাশা এলাকায়। তাঁর মা নলছিটি বন্দর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক রেহেনা পারভীন (৫০) দশ দিন ধরে জ্বরে ভুগছিলেন। ১০ এপ্রিল করোনা পরীক্ষার নমুনাও দেন। কিন্তু প্রতিবেদন পাননি। 

এর মধ্যেই গতকাল সকালে দেখা দেয় শ্বাসকষ্ট। কষ্ট কমাতে একটি সিলিন্ডার কিনে বাড়িতে আনেন তরুণ ব্যাংক কর্মকর্তা ছেলে জিয়াউল হাসান। লাগানো হয় সেটি। কিন্তু অবস্থার উন্নতি হচ্ছিল না। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শ্বাসকষ্টও তা বাড়তে থাকে রেহেনা পারভীনের। কী করবেন ভেবে পাচ্ছিলেন না জিয়াউল।

এরপর মাকে বরিশালের হাসপাতালে আনার জন্য অ্যাম্বুলেন্স এবং অন্য যানের খোঁজ করেন কিন্তু পাচ্ছিলেন না। নিরুপায় হয়ে নিজের মোটরসাইকেলে মাকে হাসপাতালে আনার সিদ্ধান্ত নেন। পিঠের সঙ্গে শক্ত করে বাঁধলেন অক্সিজেন সিলিন্ডারটি। এরপর মাকে পেছনে বসিয়ে তাঁর মুখে পরানো হলো অক্সিজেন মাস্ক। এভাবে ১৮ কিলোমিটার পথ পারি দিয়ে গতকাল সন্ধ্যায় মাকে নিয়ে পৌঁছান বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। পাশে আরেকটি মোটরসাইকেলে ছুটছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছোট ভাই রাকিব। বর্তমানে তাঁদের মা করোনা ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন।

রেহেনা পারভীনের অবস্থা কিছুটা উন্নতির দিকে। তবে মাঝেমধ্যে অক্সিজেন লেভেল ওঠানামা করছে বলে গণমাধ্যমকে জানালেন জিয়াউল হাসান। তিনি বলেন, ‘শনিবার মা অনেক বেশি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। অক্সিজেন লেভেল ৯৪-৯৩ নেমে যাচ্ছে। দুপুরে দেখলাম মায়ের অক্সিজেন শেষ হয়ে আসছে। সে জন্য ভাবলাম ঝুঁকিটা নেওয়া ঠিক হবে না।’

কৃষি ব্যাংকের ঝালকাঠি সদর শাখার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জিয়াউল বলেন, ‘মোটরসাইকেলে না এসে আমাদের আর কোনো উপায় ছিল না। আমাকে যে যেতেই হবে। দৌড়ে যেতে পারব না। চেষ্টা করেও কিছু করতে পারিনি। শেষে আমার গায়ের সঙ্গে গামছা দিয়ে অক্সিজেন সিলিন্ডার বেঁধে নিয়ে এসেছি। আমি বুঝতে পারছিলাম মায়ের কষ্ট হচ্ছে। আমি তখন মাকে একটি কথা বলেছিলাম, উপায় নেই মা। আমার মায়ের কষ্ট হচ্ছিল, তা আমি সহ্য করতে পারিনি।’
 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

করোনা টিকার উদ্ভাবক মুসলিম দম্পতিকে সর্বোচ্চ সম্মাননা


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
রবিবার, ২১ মার্চ, ২০২১, ১১:২৭
করোনা টিকার উদ্ভাবক মুসলিম দম্পতিকে সর্বোচ্চ সম্মাননা

ছবি: উগুর শাহিন ও ওজলেম তুরেজিকে

মহামারী করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে প্রথম সফল টিকা উদ্ভাবক, তুর্কি বংশদ্ভুত মুসলিম জার্মান দম্পতি উগুর শাহিন ও ওজলেম তুরেজিকে দেশটির সর্বোচ্চ সম্মাননা প্রদান করেন জার্মানি।

জার্মান প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন বেলভাই প্রাসাদে দেশটির সর্বোচ্চ অর্ডার অব মেরিট সম্মাননা পুরস্কার ওই দম্পতির হাতে সম্মাননা তুলে দেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্ক ওয়াল্টার স্টেইনমিয়ার।

এসময় জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেল উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, তুরস্ক থেকে আসা জার্মানিতে ১৯৬০-এর দশকে আসা অভিবাসী পরিবারে শাহিন ও তুরেজি জন্ম গ্রহণ করেন। 
তারা চিকিৎসা বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা শেষে ক্যান্সার চিকিৎসা, আণবিক জীববিদ্যা ও টিকা প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণায় একত্রে সফল ক্যারিয়ার গড়ে তুলে চূড়ান্ত সাফল্য দেখালেন টিকা আবিষ্কারের মাধ্যমে।সূত্র : টিআরটি ওয়ার্ল্ড

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - সারাদেশ