a সোমবার থেকে গণপরিবহন বন্ধ, চলবে শুধু রিকশা
ঢাকা রবিবার, ৪ মাঘ ১৪৩২, ১৮ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

সোমবার থেকে গণপরিবহন বন্ধ, চলবে শুধু রিকশা


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
রবিবার, ২৭ জুন, ২০২১, ০৬:১০
সোমবার থেকে গণপরিবহন বন্ধ, চলবে শুধু রিকশা

সংগৃহীত ছবি

সোমবার থেকে সারাদেশে সব ধরনের গণপরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে। এসময় পণ্যবাহী যানবাহন ও রিকশা ছাড়া আর কোন যানবাহন চলতে দেয়া হবে না।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে রোববার (২৭ জুন) বিকেলে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
 
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সোমবার (২৮ জুন) থেকে আগামী ৩ দিনের জন্য (বুধবার-৩০ জুন) এ সংক্রান্ত বিধিনিষেধ আরোপ থাকবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, সোমবার (২৮ জুন) থেকে সব শপিংমল, মার্কেট, পর্যটনকেন্দ্র, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার ও বিনোদন কেন্দ্রও বন্ধ থাকবে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

মোংলা বন্দরকে আধুনিকায়ন করতে আরও ২৪ উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ



শনিবার, ০৩ এপ্রিল, ২০২১, ১০:৫৮
মোংলা বন্দরকে আধুনিকায়ন করতে আরও ২৪ উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ

দেশের দ্বিতীয় সামুদ্রিক বন্দর মোংলার সুবিধাদি সম্প্রসারন ও আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে কন্টেইনার টার্মিনাল, কন্টেইনার ডেলিভারী ইয়ার্ড এবং কন্টেইনার ইয়ার্ড নির্মাণ করাসহ বার্ষিক ১ কোটি ৫০ লাখ টন কার্গো, ৪ লক্ষ টন টিইউজ কন্টেইনার হ্যান্ডলিং করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে বন্দরের উন্নয়নে ২০২১ সাল থেকে ২০৩৫ সাল পর্যন্ত মোট ২৪ টি উন্নয়ন প্রকল্প ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। ইতিমধ্যে এ সংক্রান্ত একটি মাস্টার প্ল্যান প্রকাশ করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।

বর্তমানে বন্দরের উন্নয়নে ৮ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে চলমান ১০টি প্রকল্পের মধ্যে ১টির কাজ সমাপ্ত হয়েছে। ৩ টির কাজ চলতি বছরের জুনে শেষ হবে, অধিক গুরুত্বপূর্ণ আরো ৪ টি উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ ২০২২ সালের জুনে সমাপ্ত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে বন্দর উন্নয়নে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ আপগ্রেডেশন অব মোংলা পোর্ট নামে যে প্রকল্পটি রয়েছে সেটি বাস্তবায়ন করতে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সময় নির্ধারন করা হয়েছে। এ প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৬ হাজার ১৪ কোটি ৬১ লাখ ৯০ হাজার টাকা।

বন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২০০৯ সালের জুন থেকে ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত ১৮টি উন্নয়ন প্রকল্পসহ ৫০টির অধিক উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়েছে। বর্তমানে ১০টি প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন ও তিনটি প্রকল্প অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় আছে।

মোংলা বন্দর ব্যবহারকারীদের দ্রুত ও দক্ষ সেবা প্রদানে যেসব উন্নয়ন কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে ৭০টি কন্টেইনার ও কার্গো হ্যান্ডলিং যন্ত্রপাতি সংগ্রহ, ৮০ কিলোওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সৌর প্যানেল স্থাপন, ৩টি কার ইয়ার্ড নির্মাণ, ১০টি বিভিন্ন ধরনের সহায়ক জলযান ক্রয়, ৬২টি বিভিন্ন ধরনের লাইটেড বয়া, ২টি রোটেটিং বিকন, ৬টি জিআরপি লাইট টাওয়ার সংগ্রহ ও স্থাপন, একটি মোবাইল হারবার ক্রেন, একটি স্টাফিং-আনস্টাফিং শেড, একটি ওয়েব্রিজ মোবাইল স্ক্যানার সংগ্রহ।

এ ছাড়া রুজভেল্ট জেটির বিভিন্ন অবকাঠামোর উন্নয়ন কাজও সম্পন্ন করা হয়েছে। বন্দরের আধুনিকায়ন, চ্যানেলের নাব্যতা সংরক্ষণ ও দক্ষতার সঙ্গে কার্গো ও কন্টেইনার হ্যান্ডলিং কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে জাহাজের গড় অবস্থানকাল হ্রাস এবং কার্গো ও কন্টেইনার সংরক্ষণের সুবিধাদির সম্প্রসারণসহ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে মোংলা বন্দরে যেসব সুবিধা বিদ্যমান রয়েছে তাহলো জাহাজ হ্যান্ডলিং সর্বোচ্চ দৈর্ঘ্য ২২৫ মিটার, ড্রাফট ৭ থেকে সাড়ে ৮ মিটার, কার্গো হ্যান্ডলিং ক্যাপাসিটি ১০ মিলিয়ন মে.টন, ও কন্টেইনার ৭০ হাজার টিইউজ। এছাড়া কার্গো হ্যান্ডলিং যন্ত্রপাতি সুবিধার মধ্যে রয়েছে, স্ট্র্যাডেল ক্যারিয়ার ৫টি, ফর্কলিফট ৩১টি, রিচ স্ট্র্যাকার ২টি, মোবাইল ক্রেন ৫টি, ডকসাইট ক্রেন ৫টি, টার্মিনাল ট্রাক্টরে শেষ হবে।  সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের কাজও সমাপ্তির পথে। এ বছরেই প্রকল্পের সুবিধা ভোগ করবে মোংলাবাসী। এসবের বাইরে গত বছরের ডিসেম্বরে মোংলা বন্দরের আউটার বারে ড্রেজিং কার্যক্রম সমাপ্ত হয়েছে। ৭১২ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে ১১৯.৪৫ ঘনমিটার ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে এই চ্যানেল দিয়ে ১০.৫ মিটার ড্রাফটের জাহাজ হারবারিয়া পর্যন্ত হ্যান্ডলিংয়ের সুবিধায় আনা হয়েছে। পোর্টের অত্যাবশ্যকীয় যন্ত্রপাতি-সরঞ্জাম সংগ্রহ। পশুর চ্যানেলের ইনার বারে ড্রেজিং কার্যক্রম বর্তমানে চালু রয়েছে যা ২০২২ সালের জুনে শেষ হবে। প্রকল্পটির কাজ শেষ হলে  হারবারিয়া থেকে বন্দরের জেটি পর্যন্ত ১০ মিটার ড্রাফটের জাহাজ খুব সহজেই ভিড়তে পারবে।

সহায়ক জলযান সংগ্রহ, বর্জ্য নি:সৃত তেল অপসারণ ব্যবস্থাপনা, বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ থেকে পিপিপি'র আওতায় মোংলা বন্দরের ২টি অসম্পূর্ণ জেটির নির্মাণও কাজ শেষ করা হবে ২০২২ সালের মধ্যে।  চলমান এ সব প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় হচ্ছে ৮ হাজার কোটি টাকা। এদিকে ২০২০ সালের জুলাই থেকে চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত মোংলা বন্দরে মোট ৭৭২টি বাণিজ্যিক জাহাজ নোঙর করেছে বলে নিশ্চিত করেছে বন্দরের হারবার বিভাগ।

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ মুসা বলেন, মোংলা বন্দরের উন্নয়নে বর্তমানে একাধিক প্রকল্প চলমান রয়েছে। আমরা ইতিমধ্যে আউটার বার ড্রেজিং সম্পন্ন করেছি এবং ৭৯৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে গত মাসের ১৩ তারিখ থেকে ইনারবারে ড্রেজিং কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে বন্দরে কন্টেইনার জাহাজসহ অন্যান্য জাহাজগুলো তুলনামুলকভাবে বৃদ্ধি পাবে। বর্তমানে যে কয়টি উন্নয়ন প্রকল্প চালু রয়েছে তা দ্রুত সময়ের মধ্যে শেষ করা হবে বলেও জানান বন্দর চেয়ারম্যান।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

বড় ছোট আরও ১৭টি যুদ্ধজাহাজ কৃষ্ণসাগরের পথে!


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
রবিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২১, ০৯:০৯
বড় ছোট আরও ১৭টি যুদ্ধজাহাজ কৃষ্ণসাগরের পথে

ফাইল ছবি

যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনা করে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ বলেছেন, কৃষ্ণসাগরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ কেনো এসেছে, সেই প্রশ্নের জবাব কেউ দিতে পারছে না। তুরস্কসহ যেসব দেশের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি, তাদেরকে পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করার পরামর্শ দিচ্ছি। এদিকে, কৃষ্ণসাগরের পথে বসফরাস প্রণালী অতিক্রম করেছে দুটি রুশ যুদ্ধজাহাজ। এছাড়া সাগরে স্থানান্তরিত হয়েছে ১৫টি ছোট নৌযানও। পশ্চিমা দেশগুলো ও ইউক্রেনের সঙ্গে সম্পর্কে উত্তেজনা অবস্থায় মস্কো তার নৌ শক্তি বাড়িয়েছে কৃষ্ণসাগরে।

কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, রাশিয়ার বিপুল সেনা জমায়েতের পাশাপাশি নৌশক্তিও প্রদর্শন করা হচ্ছে ইউক্রেনের সীমান্তে। শীতলযুদ্ধের পরে বর্তমানে রুশ-মার্কিন সম্পর্কে চরম অবনতির দিকে যাচ্ছে। গত সপ্তাহে রাশিয়ার কড়া প্রতিবাদের মুখে কৃষ্ণসাগরে যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন বাতিল করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এছাড়া, ইউক্রেনে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধে তুরস্কসহ বেশ কয়েকটি দেশকে আহ্বান জানিয়েছে রাশিয়া।

অপতৎপরতার অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১০ রুশ কূটনীতিকে বহিষ্কারের পাল্টা জবাবে ১০ মার্কিন কূটনীতিকেও বহিষ্কার করেছে মস্কো। এদিকে তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান সংলাপের মাধ্যমে ইউক্রেন-রাশিয়ার সীমান্তের উত্তেজনা মিটিয়ে ফেলার আহ্বান জানিয়েছেন। কৃষ্ণসাগর অঞ্চলকে শান্তির অববাহিকায় রূপ দেওয়ায় তুরস্কের উদ্দেশ্য বলে এরদোগান মন্তব্য করেন।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলিমার জিলনস্কির সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও জানান, সংলাপের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে পূর্ব ইউক্রেনের উত্তেজনা কমিয়ে আনা সম্ভব। ইউক্রেনের ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা ও আন্তর্জাতিক আইন মেনে এই সমাধান বের করতে হবে।

তুরস্ক এও বলেন, রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে ক্রিমিয়াকে একীভূত করার স্বীকৃতি দেবে না। এরদোগান বলেন, ক্রিমিয়ার ভূমিতে ইউক্রেনের যে কোন উদ্যোগ তুরস্কের সমর্থন অব্যাহত থাকবে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - সারাদেশ