a পি কে হালদার জেরার মুখে দফায় দফায় কাঁদছেন
ঢাকা শনিবার, ১১ মাঘ ১৪৩২, ২৪ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

পি কে হালদার জেরার মুখে দফায় দফায় কাঁদছেন


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
রবিবার, ১৫ মে, ২০২২, ০৭:৪৭
পি কে হালদার জেরার মুখে দফায় দফায় কাঁদছেন

ফাইল ছবি: পি কে হালদার

প্রায় সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করে ভারতে পালিয়ে যাওয়া প্রশান্ত কুমার হালদার (পি কে হালদার) তদন্ত কর্মকর্তাদের জেরার মুখে দফায় দফায় কান্নায় ভেঙে পড়েছেন। ভারতের অর্থ-সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা বাহিনী এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টরেট (ইডি) পি কে হালদারকে জেরা করছে। পি কে হালদারের কান্নার তথ্য ইডি সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

আজ রোববার দুপুরে এক ইডি কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানান, গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করার আগে থেকেই জেরা শুরু হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর ২ ঘণ্টা বিরতি দেওয়া হয়। এরপর আবারও ম্যারাথন জেরা শুরু হয়েছে। জেরার মুখে তদন্ত কর্মকর্তাদের সামনে দফায় দফায় কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন পি কে হালদার।

আজ রোববার সকালে এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক ও রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক পি কে হালদারের ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন কলকাতার নগর দায়রা আদালত। এর ফলে তাকে রিমান্ডে নিয়েছে ইডি।

এর আগে গতকাল শনিবার পশ্চিমবঙ্গে গ্রেপ্তার হন পি কে হালদার। শনিবার ইডি আরও পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে। এরমধ্যে চারজন বাংলাদেশি। তারা হলেন- প্রীতিশ কুমার হালদার ও তার স্ত্রী (নাম জানা যায়নি), উত্তম মিত্র ও স্বপন মিত্র। এছাড়া প্রণব হালদার নামে এক ভারতীয়কে গ্রেপ্তার করে ইডি। প্রণব সেখানে সরকারি চাকরি করেন। পরে সঞ্জীব হালদার নামে একজনকে আটক করার কথা জানায় ইডি। সঞ্জীব বাংলাদেশ গ্রেপ্তার সুকুমার মৃধার জামাই।

ইডির অভিযানে পশ্চিমবঙ্গে অন্তত ২০টি বাড়িসহ পি কের বিপুল সম্পত্তির খোঁজ পাওয়া গেছে। বাড়িগুলো থেকে জমির দলিলসহ গুরুত্বপূর্ণ অনেক নথি জব্দ করা হয়েছে। সূত্র: সমকাল

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

পরিচয় না দিয়ে ধানমন্ডির দিকে নিয়ে যাচ্ছে দুটি বুলডোজার


বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২৫, ১২:৫৬
পরিচয় না দিয়ে ধানমন্ডির দিকে নিয়ে যাচ্ছে দুটি বুলডোজার

সংগৃহীত ছবি


নিজস্ব প্রতিনিধি: ঢাকার সিটি কলেজের সামনের সড়ক দিয়ে দুটি বুলডোজার ধানমন্ডি ৩২ এর দিকে নিয়ে যাওয়া যাচ্ছে কিছু উৎসুক তরুণ। পরিচয় জানতে চাইলে তারা জানান, বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের কর্মীরা এখানে আছে, যা বিগত দিনে একটি বিশেষ দলের পরিচয় লুকানোর ইঙ্গিতই বহন করে।

উল্লেখ্য, মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার রায় সোমবার (১৭ নভেম্বর) ঘোষণা করবেন বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। গণঅভ্যুত্থানের সময় হত্যাকাণ্ডসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় করা প্রথম মামলা হিসেবে এর রায় হতে যাচ্ছে আজ।

এ রায়কে কেন্দ্র করে পুরো রাজধানীরজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পাশাপাশি চেকপোস্টের সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে।

সোমবার (১৭ নভেম্বর) সকাল থেকে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ও মোড়ে মোড়ে পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকলেও কিছু তরুণ বুলডেজার নিয়ে ধানমন্ডির ৩২ দিকে কোন বাধা ছাড়াই এগিয়ে যাচ্ছে বলে সর্বশেষ তথ্যে জানা যায়।

বিভিন্ন এলাকায় সড়কে অন্যান্য দিনের তুলনায় ব্যক্তিগত যানবাহনের সংখ্যা তুলনামূলক কম। রায়কে ঘিরে গত কয়েকদিন বিভিন্ন এলালায় ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে অগ্নিকাণ্ড ঘটনো হয়। নাশকতার শঙ্কায় সাধারণ মানুষের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ লক্ষ্য করা গেছে। রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে রাজধানীসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সতর্ক অবস্থানে অবস্থান করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যুর ভয়াবহতায় গণফোরামের উদ্বেগ


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
রবিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২১, ১১:৩৯
করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যুর ভয়াবহতায় গণফোরামের উদ্বেগ

ফাইল ছবি

বীর মুক্তিযোদ্ধা ও গণফোরাম নেতা মোস্তফা মোহসীন মন্টু, সংবিধান প্রনয়ন কমিটির অন্যতম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী অধ্যাপক ড. আবু সাইয়িদ এবং গণফোরাম এর মূখপাত্র সিনিয়র এডভোকেট সুব্রত চৌধুরী এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন-সরকারের উদাসীনতা, অব্যবস্থাপনা ও সিদ্ধান্তহীনতায় পরিস্থিতি ক্রমাগত অবনতির দিকে যাচ্ছে। করোনাকালে পর্যটন কেন্দ্রগুলো খুলে দেওয়ায় এবং গণ পরিবহন ও মার্কেটগুলো একবার বন্ধ করে আবার খুলে দেওয়া, প্রণোদনার নামে জনগণের সাথে প্রতারণা ও দূর্নীতিকে প্রশ্রয় দেওয়ায় পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণ এর বাইরে চলে যাচ্ছে।

একদিকে রমজানকে সামনে রেখে চাল, ডাল, তেল এবং শাক-সবজিসহ জীবন ধারণের জন্য নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস পত্রের দাম বেড়েই চলছে। সরকারের কোন পদক্ষেপ লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। টিসিবি'র মাধ্যমে কম দামে যে সকলখাদ্য দ্রব্য বিক্রয় করা হত, তার দামও বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। করোনার বিস্তাররোধে সরকারের আমদানীকৃত টিকার এখনো দেখা মিলছেনা। সীমিত পরিসরে সমাজের সুবিধা ভোগীরা করোনার টিকা পাচ্ছে, কিন্তু ব্যাপক জনগোষ্ঠীকে টিকা দানের আওতায় আনা সম্ভব হচ্ছেনা।

এই মর্মে নেতৃবৃন্দ আরো উদ্বেগ প্রকাশ করছেন যে, করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা ব্যয় এখন আকাশচুম্বী। সংকটময় ও আতঙ্কময় পরিস্থিতে হাসপাতালগুলো কসাইখানায় পরিণত হয়েছে। করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসার নামে সেখানে রোগীদের ও স্বজনদের সর্বশান্ত করা হচ্ছে। আইসিইউ তে রোগীকে নিতে পারলে কোন কথাই নেই। প্রতিদিন হাজার থেকে ২ লাখ টাকা পর্যন্ত চিকিৎসা ব্যয় চাপিয়ে দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট ওষুধের দাম নাগালের বাইরে।

১ বছর সময় কালের মধ্যে আইসিইউ এর সংখ্যা বাড়াতে সরকারের কোন কার্যকর উদ্দ্যোগ বা ম্যাথা ব্যথা নেই। বসুন্ধারা কনভেনশন সেন্টারে পার্শে সরকারী অর্থ ব্যয়ে গত বছর যে বিশাল আকারের অস্থায়ী হাসপাতাল তৈরি করা হয়েছিল তা করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসায় কোন কাজে আসে নাই। বরং জনগণের বিশাল অংকের অর্থের অপচয় হয়েছে। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মহাখালীস্থ এক স্থাপনাকে আবারো বিশাল অংকের টাকা ব্যয়ে হাসপাতাল বানানো হচ্ছে। এইভাবে একটার পর একটা হাসপাতাল বানানো হচ্ছে কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হচ্ছেনা।

কোভিড ১৯ আক্রান্তদের চিকিৎসার নামে এক শ্রেণীর সরকার ঘনিষ্ঠ অসাধু তাবেদাররা রাতারাতি শত কোটির টাকার মালিক বনে যাচ্ছে। সরকারের উদাসীনতা ও অব্যবস্থাপনা দূর্নীতিকে প্রশ্রয় দান এবং দক্ষতা ও জবাবদিহিতার অভাবে করোনা আক্রান্ত পরিস্থতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে এবং চিকিৎসা ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ছে। সরকারের একের পর এক সিদ্ধান্তহীনতার কারণে করোনা পরিস্থিতি ভয়াবাহ রূপ ধারণ করেছে ।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - অপরাধ