a
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২১ সেশনের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদভুক্ত ‘গ’ ইউনিটের প্রথম বর্ষ স্নাতক শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষা আজ শুক্রবার অনুষ্ঠিত হবে। বেলা ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত দেশের আটটি বিভাগীয় শহরে একযোগে এ ভর্তিযুদ্ধ চলবে।
প্রথম বারের মতো ঢাকা ও ঢাকার বাইরে সাতটি বিভাগীয় শহরে অনুষ্ঠিত হবে এই পরীক্ষা। কঠোর নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
বেলা সোয়া ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের পরীক্ষাকেন্দ্র পরিদর্শন করবেন বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে। এবারের ‘গ’ ইউনিটে মোট আবেদনকারীর সংখ্যা ২৭ হাজার ৩৭৪ জন। আর মোট আসন সংখ্যা ১ হাজার ২৫০টি।
এখানে প্রতি আসনের বিপরীতে লড়বেন ২১ দশমিক ৯০ জন। ‘গ’ ইউনিটে ঢাবিতে পরীক্ষা দেবেন ১৭ হাজার ১৩৭ জন, রাবিতে ১ হাজার ৮১৯ জন, চবিতে ৩ হাজার ৫৫৯ জন, খুবিতে ১ হাজার ৬০৬ জন, শাবিপ্রবিতে ৪২৬ জন, বেরোবিতে ১ হাজার ৩৬২ জন, ববিতে ৪৭০ জন, বাকৃবিতে ৯৯৫ জন পরীক্ষা্র্থী। সূত্র: ইত্তেফাক
ফাইল ছবি
নবম শ্রেণির ভর্তি ও অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের চলমান রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। গতকাল সোমবার (২৩ আগস্ট) ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় পরির্দশক (বিদ্যালয়) অধ্যাপক মোহাম্মদ আবুল মনছুর ভূঞা স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে নবম শ্রেণির ভর্তি ও অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন পাঠদানের অনুমতি ও স্বীকৃতি পাওয়া সকল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ও প্রধান শিক্ষককে এ বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে। অনিবার্য কারণবশত এ কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।
পরবর্তীতে নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হলে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তা জানিয়ে দেয়া হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। এ বিষয়ে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় পরির্দশক (বিদ্যালয়) অধ্যাপক মোহাম্মদ আবুল মনছুর ভূঞা বলেন, গত রবিবার থেকে নবম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম শুরু করা হলেও সার্ভার জটিলতা দেখা দেয়ার সেটি স্থগিত করা হয়েছে। বর্তমানে এইচএসসি পরীক্ষার ফরমপূরণ কার্যক্রম চলমান থাকায় এ সমস্যা দেখা দিয়েছে। তিনি বলেন, আগামী সপ্তাহে এইচএসসি পরীক্ষার ফরমপূরণ কার্যক্রম শেষ হবে। এরপর আবারও নবম শ্রেণির ভর্তি ও রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম শুরু করা হবে।
এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে জানিয়ে দেয়া হবে। এদিকে চলতি বছরের (২০২১) এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ ১২ আগস্ট থেকে শুরু হয়েছে। চলবে আগামী ৩০ আগস্ট পর্যন্ত। আগের বছরের চেয়ে এবার ফি কমানো হয়েছে। জানা গেছে, করোনাভাইরাসের কারণে এবার কোনো নির্বাচনী পরীক্ষা হবে না। ফরম পূরণের কার্যক্রম সম্পূর্ণ অনলাইনে হবে। কোনো অবস্থায় শিক্ষার্থী বা অভিভাবকদের সশরীরে প্রতিষ্ঠানের যেতে হবে না।
ফাইল ছবি
ফরিদপুরের সালথায় লকডাউন কার্যকর করাকে কেন্দ্র করে থানা ও উপজেলা কমপ্লেক্স ঘেরাও করে রেখেছে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও জনতা। খবরে জানা যায়, সোমবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে সালথা উপজেলা সদর থেকে আনুমানিক সাড়ে তিন কিলোমিটার দূরে সোনাপুর ইউনিয়নের ফুকরা বাজার থেকে এই সংঘাতময় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী বরাত দিয়ে জানা যায়, ওই সময় অস্ত্রধারী আনসার সদস্য ও পিএকে নিয়ে এসিল্যান্ড মারুফা সুলতানা ফুকরা বাজারে যান। এসময় বাজারে লোক সমাগম ও দোকানপাট খোলা দেখতে পেয়ে এসিল্যান্ডের সহকারী একজনকে লাঠিপেটা করে। এনিয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠে স্থানীয় জনসাধারণ। স্থানীয়দের প্রতিরোধের মুখে এসিল্যান্ড তার টিম নিয়ে উপজেলায় ফিরে যায়।
পরে সালথা থানার পুলিশ ফুকরা বাজারে গিয়ে জনতার সাথে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এসময় এসআই মিজান ও দুই কনস্টেবল আহত হন। পরে অতিরিক্ত পুলিশ ফুকরা বাজারে এলে জনতা আবারও বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে এবং পুলিশের উপর হামলা চালায়। পরে পুলিশ থানায় ফিরে যায়।
সোনাপুর ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি চেয়ারম্যান মো. খায়রুজ্জামান বলেন, এসিল্যান্ড ফুকরা বাজারে লক ডাউন কড়াকড়ি করতে আসার পর আগে বাজার কমিটির সভাপতিসহ অন্যদের সাথে বসা উচিত ছিলো। তাদের মাধ্যমে ব্যবসায়ীদের বুঝিয়ে লক ডাউন কার্যকর করা হলে প্রতিকূল পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হতো না।
সেখানকার বাজার বণিক সমিতির সভাপতি কাওসার খান বলেন, তিনি ঘটনার সময় উপস্থিত ছিলেন না। তবে পরে শুনেছেন জাকির হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে মারপিট করার পর এসব ঘটনার সূত্রপাত হয়।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, ঘটনা সূত্রপাত হওয়ার পরে বিভিন্ন ইউনিয়নে মোবাইলে যোগাযোগ করে ‘পুলিশের গুলিতে দুইজন নিহত হয়েছে’ এ জাতীয় গুজব ছড়িয়ে পড়লে সালথায় লোক জড়ো করা হয়। পরে সন্ধ্যার পর হাজার হাজার জনতা থানা ও উপজেলা কমপ্লেক্স ঘেরাও করেন। এক পর্যায়ে জনতা উপজেলা কমপ্লেক্স এর প্রধান ফটক ও থানার ফটকের সামনে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে উপজেলা কমপ্লেক্সের ভিতরে এবং গাড়িতেও আগুন ধরিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটে।
নগরকান্দা ও সালথা সার্কেলের দায়িত্বে নিয়োজিত সহকারী পুলিশ সুপার সুমিউর রহমান রাত সাড়ে ১০টার দিকে গনমাধ্যমকে জানায়, সাধারণ মানুষের ছত্রছায়ায় মৌলবাদী গোষ্ঠী এ সুযোগ নিয়েছে। তিনি আরও বলেন, আমরা ধৈর্যের শেষ সীমায় পৌঁছে পরিস্থিতি মোকাবেলা করে যাচ্ছি।