a
ফাইল ছবি
গুচ্ছভুক্ত ২০টি সাধারণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার প্রাথমিক আবেদনের ফল প্রস্তুত করা হয়েছে। তবে ফলাফল এখনো প্রকাশিত হয়নি। ফলাফল প্রকাশের পর ভর্তি পরীক্ষার চূড়ান্ত আবেদন শুরু হবে। গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের সমন্বিত ভর্তি কমিটি উপাচার্যদের সমন্বয়ের গঠিত কোর কমিটির পরবর্তী সভায় এ ফলাফল প্রকাশ ও ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঠিক করা হবে।
জানা গেছে, আগামী সপ্তাহের মধ্যে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে। গত ১৬ আগস্ট সোমবার গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার টেকনিক্যাল কমিটির আহ্বায়ক ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য মোনাজ আহমেদ এসব তথ্য জানান।
উপাচার্য মোনাজ আহমেদ বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক আবেদন থেকে শিক্ষা বোর্ড ও টেলিটকের মাধ্যমে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক নম্বর সমন্বয় করে আমাদের নির্দেশিকা অনুযায়ী চূড়ান্ত আবেদনের ফলাফল প্রস্তুত করা হয়ে গেছে। ফলাফল প্রকাশের পরে শিক্ষার্থীরা ভর্তি পরীক্ষার চূড়ান্ত আবেদন করতে পারবে। ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক প্রথম বর্ষে শিক্ষার্থীদের ভর্তির জন্য সাধারণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সমন্বিত ভর্তি কমিটির (২০২০-২১) উপাচার্যদের সমন্বয়ে গঠিত কোর কমিটির পরবর্তী সভায় এ ফলাফল প্রকাশ ও ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঠিক করা হবে।’
ভর্তি পরীক্ষা কবে অনুষ্ঠিত হতে পারে, এমন প্রশ্নে উপাচার্য বলেন, ‘পরিস্থিত স্বাভাবিক থাকলে শিগগিরই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রাথমিকভাবে আমরা পরিকল্পনা করেছি অক্টোবরের মধ্যেই ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে নেওয়ার।’
এ বিষয়ে সমন্বিত ভর্তি কমিটি উপাচার্যদের সমন্বয়ের গঠিত কোর কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ইমদাদুল হক বলেন, ‘আমরা উপাচার্যদের সঙ্গে কথা বলেছি। এই সপ্তাহের মধ্যে বা আগামী সপ্তাহে সভা ডেকে প্রাথমিক আবেদনের ফলাফল, চূড়ান্ত আবেদন ও ভর্তি পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করা হবে।’
ভর্তি নির্দেশিকা অনুসারে, প্রাথমিক আবেদনের ফলাফল প্রকাশের পরে চূড়ান্ত আবেদনের জন্য নির্বাচিত আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের আবেদন সম্পন্ন করার আবেদন ফি ৬০০ (ছয় শত) টাকা আবেদনকারীকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে। শিক্ষার্থীদের পছন্দের ক্রমানুসারে কমপক্ষে পাঁচটি পরীক্ষাকেন্দ্র সিলেক্ট করতে হবে।
ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন উচ্চমাধ্যমিকের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য মোট তিনটি পরীক্ষা হবে। এর মধ্যে একটি পরীক্ষা হবে বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীদের জন্য, আরেকটি মানবিকের জন্য এবং অন্যটি ব্যবসায় শিক্ষায় শিক্ষার্থীদের জন্য। এখন পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হলো অনলাইনে নয়, সরাসরি ভর্তি পরীক্ষা হবে এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে। ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন হবে উচ্চমাধ্যমিকের পাঠ্যসূচির ভিত্তিতে।
এবার প্রথমবারের মতো ২০টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ ভিত্তিতে ভর্তি পরীক্ষা নিচ্ছে। গত শিক্ষাবর্ষে সাতটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও কৃষির প্রাধান্য থাকা বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ ভিত্তিতে ভর্তি পরীক্ষা শুরু করেছিল। গুচ্ছভিত্তিক পরীক্ষার মাধ্যমে একজন ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থী নিজ নিজ বিভাগে একটি পরীক্ষা দিয়েই যোগ্যতা ও আসন অনুযায়ী যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবেন।
ফাইল ছবি
২০২১ সালের এইচএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র তালিকা ও আসনবিন্যাস প্রকাশ করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। বৃহস্পতিবার ঢাকা বোর্ড থেকে কেন্দ্র তালিকা ও আসন বিন্যাস প্রকাশ করা হয়।
ঢাকা বোর্ড জানিয়েছে, ভেন্যু কেন্দ্রগুলো মূলকেন্দ্র থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে পরীক্ষা পরিচালনা করবে এবং পরীক্ষা শেষে যাবতীয় কাগজপত্র মূলকেন্দ্রে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে জমা দেবে। জেলা সদরে ডিসি ও উপজেলা সদরে ইউএনও পরীক্ষা কেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়ক কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। পরীক্ষা কেন্দ্র হিসেবে নির্বাচিত কলেজের অধ্যক্ষ বা ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ বা স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ বা ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ বা সিনিয়র কোনো অধ্যাপক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হবেন।
উল্লেখ্য, চলতি বছর এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ গত ৪ সেপ্টেম্বর শেষ হয়। এবার এইচএসসির ফরম পূরণ করেছে ১৪ লাখ ৭ হাজার ৬০ জন শিক্ষার্থী। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ১৩ লাখ ৬৫ হাজার ৭৮৯, যাদের সবাইকে অটোপাস দেয়া হয়েছিল। গতবারের চেয়ে এবার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে ৪১ হাজার ২৭১ জন।
করোনাভাইরাসের কারণে প্রায় দেড় বছর ধরে বন্ধ দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে একযোগে খুলছে। করোনাভাইরাসের ফলে গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। এর মধ্যে কয়েকবার চেষ্টা করেও এই মহামারীর কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো আর খোলা সম্ভব হয়নি। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও দ্রুত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এরপর থেকেই প্রস্তুতি নিতে শুরু করেন সংশ্লিষ্টরা।
ফাইল ছবি: সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল ও আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার এমপি
কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন প্রভাবমুক্ত রাখতে স্থানীয় এমপি আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহারকে এলাকা ছাড়ার অনুরোধ জানালেও ক্ষমতাসীন দলের এই নেতা তাতে কান না দেওয়ায় দৃশ্যত অসহায়ত্ব প্রকাশ করেছেন সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল।
আইনবিধির কিছু সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরে তিনি রোববার সাংবাদিকদের প্রশ্নে উত্তরে বলেছেন, সংসদ সদস্যের জন্য ইসির অনুরোধই ‘যথেষ্ট’। এরপরও না মানলে এবং মামলার ফলাফল না পেলে করার কিছু থাকে না সাংবিধানিক সংস্থাটির।
রোববার নির্বাচন ভবনে সাবেক সিইসি, নির্বাচন কমিশনার ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকরা কুমিল্লায় বাহারের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলেন।
কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনসহ বেশ কিছু জায়গায় স্থানীয় সরকারের নির্বাচন হবে ১৫ জুন। এটিই বর্তমান ইসির প্রথম নির্বাচন। এ নির্বাচনকে ঘিরে আচরণবিধি লঙ্ঘনে পৌরসভা, ইউপিতে বেশ কিছু অভিযোগের মধ্যে কঠোর অবস্থান নেয় কমিশন।
তবে কুমিল্লা সিটিতে আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্যের বিষয়ে ‘অনুরোধ’ জানিয়ে চিঠি দেওয়ার বাইরে তেমন কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।
নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী, কোনো সংসদ সদস্য স্থানীয় সরকারের নির্বাচনে প্রচারে অংশ নিতে পারেন না। সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার ভোটার হলে শুধু ভোট দিতেই নির্ধারিত কেন্দ্রে যেতে পারেন।
কিন্তু কুমিল্লা ৬ (আদর্শ সদর, সিটি করপোরেশন, সেনানিবাস এলাকা) আসনের সংসদ সদস্য বাহার আইন ভেঙে দলীয় প্রার্থী আরফানুল হক রিফাতের পক্ষে প্রচার চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠলে তাকে সতর্ক করে নির্বাচন কমিশন। তাতে কাজ না হওয়ায় গত বুধবার তাকে এলাকা ছাড়তে নির্দেশ দেয় নির্বাচন কমিশন। সূত্র: সমকাল