a বশেফমুবিপ্রবিতে সচিবকে কোষাধ্যক্ষ পদে নিয়োগ: জবি শিক্ষক সমিতির নিন্দা
ঢাকা সোমবার, ১২ মাঘ ১৪৩২, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

বশেফমুবিপ্রবিতে সচিবকে কোষাধ্যক্ষ পদে নিয়োগ: জবি শিক্ষক সমিতির নিন্দা


অমৃত রায়, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন:
শুক্রবার, ০৭ মে, ২০২১, ০৪:২৭
বশেফমুবিপ্রবিতে সচিবকে কোষাধ্যক্ষ পদে নিয়োগ: জবি শিক্ষক সমিতির নিন্দা

সংগৃহীত ছবি

 

বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বশেফমুবিপ্রবি) কোষাধ্যক্ষ পদে অবসরপ্রাপ্ত (পি আর এল) একজন অতিরিক্ত সচিবকে নিয়োগ দেওয়ায় এর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি। শুক্রবার (৭মে) শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত এক প্রতিবাদলিপির মাধ্যমে এ নিন্দা জানানো হয়।

প্রতিবাদ লিপিতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয় জ্ঞান বিতরণ ও জ্ঞান সৃষ্টির স্থান। একজন কোষাধ্যক্ষ ভাইস চ্যান্সেলরের সাথে সমন্বয়পূর্বক বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থসংশ্লিষ্ট বিষয়সহ জ্ঞান বিতরণ ও জ্ঞান সৃষ্টির নানাবিধ কর্মকান্ডে নিজেকে নিয়োজিত রাখেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক উন্নয়নে ভূমিকা পালন করেন। কাজেই একজন প্রথিতযশা শিক্ষাবিদই এই পদের যোগ্য। এই পদে একজন সরকারি কর্মকর্তার নিয়োগদান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপর আমলাতন্ত্রের নগ্ন হস্তক্ষেপ।

বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ পদে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (পিআরএল ভোগরত) মোহাম্মদ আবদুল মান্নানকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের একজন কর্মকর্তা হিসেবে তাঁর চাকুরীজীবন শেষ করেছেন। এই নিয়োগাদেশ শিক্ষকসমাজে ক্ষোভের সঞ্চার করেছে যা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক পরিবেশকে অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে।

এর পরিপ্রেক্ষিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়। এছাড়াও এ প্রতিবাদলিপির মাধ্যমে অবিলম্বে এই নিয়োগাদেশ প্রত্যাহার করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবি জানায় শিক্ষক সমিতি।

উল্লেখ্য, গত ৫মে রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০১৭ এর ১৩ (১) ধারা অনুযায়ী জনাব মোহাম্মদ আবদুল মান্নানকে (অতিরিক্ত সচিব, পি আর এল ভোগরত) বিশ্ববিদ্যালয়টির কোষাধ্যক্ষ পদে নিয়োগ করা হয়।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

'ভূতের সেলফি'র পর সাড়া ফেলেছে কুমার অরবিন্দের নতুন বই 'দাদুর ডায়েরি'


সাইফুল আলম, বিশেষ প্রতিনিধি, মু্ক্তসংবাদ প্রতিদিন
বৃহস্পতিবার, ১৫ ফেরুয়ারী, ২০২৪, ০৮:৫৯
ভূতের সেলফির পর সাড়া ফেলেছে কুমার অরবিন্দের নতুন বই দাদুর ডায়েরি

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ জুড়ে চলছে অমর একুশে বইমেলা ২০২৪। দিন দিন বাড়ছে পাঠক সমাগম এবং দর্শনার্থী। বিক্রি যেমনই হোক, পাঠক-দর্শকে মুখরিত বইমেলা প্রাঙ্গণ। প্রতিদিনই মেলার ভেতর লিটল ম্যাগাজিন চত্বরে জমিয়ে আড্ডা দিচ্ছেন তরুণ কবি-লেখকরা। সাথে প্রতিনিয়তই আসছে নতুন নতুন বই। অমর একুশে বইমেলা হল নতুন পুরাতন লেখকদের মহা মিলনমেলা। গত কয়েক বছর ধরে নতুন লেখকদের বেশ কয়েকটি বই নজর কেড়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় তরুন লেখক, নাট্যকার এবং সাহিত্যিক কুমার অরবিন্দের নতুন বই 'দাদুর ডায়েরি' সাড়া ফেলেছে এবারের বইমেলায়। গতবার এই লেখকের 'ভূতের সেলফি' ছিল দারুন সমাদৃত। ইস্তামিন প্রকাশক নিয়ে এসেছে লেখক কুমার অরবিন্দের ‘দাদুর ডায়েরি’। এটি মূলত একটি গল্পগ্রন্থ যা পাওয়া যাবে অমর একুশে গ্রন্থমেলা, স্টল নং- ১৭২-১৭৩-১৭৪ এ। গল্পকার কুমার অরবিন্দ মানুষকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। সমাজ-মন্থনে তিনি গল্প তুলে আনেন। প্রাঞ্জল ভাষায় যথোচিত শব্দ-সহযোগে চরিত্রের অবয়ব দান করেন। ফলে তার গল্পের চরিত্রগুলো জীবন্ত হয়ে ওঠে। তিনি এ সময়ের প্রতিশ্রুতিশীল লেখকদের একজন।‘দাদুর ডায়েরি’ বইটি সম্পর্কে কুমার অরবিন্দ বলেন, অসম্ভব ভালো লাগার একটি বই। গল্পগ্রন্থটি অনেক তথ্যবহুল এবং অনেক শিক্ষণীয় বিষয় রয়েছে যা মানুষের মনে নাড়া দিবে। আশা করছি আমার লেখনি সবার ভালো লাগবে। এছাড়া লেখকের 'ভূতের সেলফি' উৎসব চলমান রয়েছে এবার বইমেলায়ও। ‘ভূতের সেলফি’ কিশোর উপন্যাসটি সম্পর্কে কুমার অরবিন্দ বলেন, ‘এটি ভূত বিষয়ক উপন্যাস হলেও ভয়ের কিছু নেই। আছে মজা ও বিজ্ঞান। স্কুল পড়ুয়া তিন বন্ধুকে নিয়ে উপন্যাসটি আবর্তিত হয়েছে।’ বইটির প্রকাশক বলেন, ‘স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য দারুণ একটি বই। মজার ব্যাপার হচ্ছে, ভূতের উপন্যাস হলেও মোটেও এটি গা শিউরে ওঠা ভয়ের গল্প নয় বরং আনন্দের। নিশ্চয়ই বইটি খুদে পাঠকেরা পছন্দ করবে। বই গুলো পাওয়া যাবে ইন্তামিন প্রকাশনের ১৭২-১৭৩-১৭৪ নং- স্টলে। লেখকের প্রকাশিত উপন্যাস: ভাগের জীবন (ইন্তামিন প্রকাশন), বেকারবেলার বিরহ (ইন্তামিন প্রকাশন), গল্পগ্রন্থ: সে রাতে চাঁদ ছিল না (কালি কলম প্রকাশন), অসমাপ্ত বিকেল (ইন্তামিন প্রকাশন), বাবা এবং অন্যান্য গল্প (ইন্তামিন প্রকাশন)। গত কয়েকদিন ব্যাপক লোক সমাগম হলেও পাঠকের সংখ্যা ছিল খুবই কম। বেশির ভাগই ছিলেন দর্শনার্থী। যারা বইয়ের মেলায় এসেও বই না কেনে আড্ডায় মেতেছেন। তবে অন্যান্য বছরের চেয়ে এবার বিক্রি ভালো হবে বলেও তারা প্রত্যাশা করছেন। প্রকাশকরা বলছেন, করোন মহামারীর পর আগের মেলাগুলোতে বিক্রি ভালো হয়েছে। তবে এবার মানুষ বেশি হবে প্রত্যাশা করে তারা বলছেন, দর্শনার্থী বেশি হলেও বিক্রি কেমন হবে তা মেলার মধ্য সময়ে বুঝা যাবে। বইমেলা প্রতিদিন শুরু হয় বেলা ৩টায় আর চলে রাত ৯টা পর্যন্ত। ‘পড় বই, গড় দেশ : বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ’ শীর্ষক প্রতিপাদ্য নিয়ে বাংলা একাডেমির উদ্যোগে -এর চত্বর এবং সংলগ্ন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পৃথিবীর বৃহত্তম বার্ষিক এই বই মেলার আয়োজন করেছে।
মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

তাইওয়ান ঘিরে চীনের সামরিক শক্তির প্রদর্শন


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বৃহস্পতিবার, ০৪ আগষ্ট, ২০২২, ১১:৫৮
তাইওয়ান ঘিরে চীনের সামরিক শক্তির প্রদর্শন

ফাইল ছবি

মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি তাইওয়ান থেকে যাওয়ার পরই শুরু হয়েছে চীনের সামরিক শক্তির প্রদর্শন। তাইওয়ানকে ঘিরে সামরিক কুচকাওয়াজ করেছে তারা।

বৃহস্পতিবার (৪ আগস্ট) একেবারে গোলাবারুদ-সহ চীনের সামরিক কুচকাওয়াজ চলবে। তাইওয়ানকে পুরোপুরি ঘিরে ধরে এই কুচকাওয়াজ হবে। তাইওয়ানের দাবি, চীন এই কুচকাওয়াজ শুরু করলে ১৮টি আন্তর্জাতিক রুট বন্ধ করে দিতে হবে।

ন্যান্সি পেলোসির তাইওয়ান সফর নিয়ে তীব্র আপত্তি জানিয়েছিল চীন। তা সত্ত্বেও পেলোসি তাইওয়ান গেছেন। চীন এখন তাদের সামরিক শক্তির কিছুটা আভাস যুক্তরাষ্ট্রকে দেখিয়ে প্রতিবাদ জানাতে চাইছে।

চীনের সরকারি মিডিয়া জানিয়েছে, এই কুচকাওয়াজ হলো মূলত প্রশিক্ষণ কর্মসূচি। তবে সেই সময় গোলাবারুদ ছোড়া হবে। স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা থেকে তা শুরু হবে এবং রবিবার পর্যন্ত চলবে। কিছু জায়গায় তাইওয়ানের সমুদ্রতটের ২০ কিলোমিটার দূরে এই ড্রিল হবে।

সরকারি ট্যাবলয়েড গ্লোবাল টাইমস জানিয়েছে, পেলোসির তাইওয়ান সফর ঘিরে যা হয়েছে, তাতে যুক্তরাষ্ট্র ছিল উসকানিদাতা।

তাইওয়ান বলেছে, চীনের এই সামরিক ড্রিল আঞ্চলিক সুরক্ষার ক্ষেত্রে বিপদের কারণ। তাইওয়ানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেছেন, চীন অযৌক্তিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তাইপেও সতর্ক। সব জাহাজ ও নৌকাকে বলে দেওয়া হয়েছে, ড্রিল চলার সময় তারা যেন কোনভাবেই সমুদ্রে না যায়। বুধবার চীনের যুদ্ধজাহাজ ও ড্রোন তাইওয়ানের এয়ার ডিফেন্স জোনে ঢুকে পড়েছিল বলে তাইপের অভিযোগ।

ইইউ-র পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোসেপ বরেল চীনের এই সামরিক ড্রিলের নিন্দা করেছেন। তিনি বলেছেন, এই ড্রিলের কোনো যৌক্তিকতা নেই। জি৭-ও একই কথা বলেছে। তাদের মতে, এর ফলে ওই অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়বে। সূত্র: ইত্তেফাক

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - শিক্ষা