a
ফাইল ছবি । ডা. দীপু মনি
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানিয়েছেন, শিক্ষা আইনের খসড়া চূড়ান্ত হয়েছে, শিগগিরই তা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হবে।
বুধবার (৯ জুন) অনলাইনে ‘চাইল্ড পার্লামেন্টে সেশন ২০২১’ অনুষ্ঠানে এ কথা জানান তিনি। এর আগে অনুষ্ঠানটিতে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত হন তিনি।
এ অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা শিক্ষা আইন দীর্ঘদিন ধরে করার চেষ্টা করছি। আমরা সেই শিক্ষা আইনের খসড়াটি করোনাকালেই চূড়ান্ত করেছি। এখন মন্ত্রিপরিষদে যাবে। এরপর আরও কয়েকটি প্রক্রিয়া আছে সেগুলো সম্পন্ন করে পার্লামেন্টে যাবে। সংসদে পাস হয়ে গেলে আমরা আইনটি বাস্তবায়ন করতে পারবো।
এ অনুষ্ঠানে অনলাইন শিক্ষাসহ শিক্ষায় বাংলাদেশের নেওয়া পদক্ষেপের বিভিন্ন তথ্য উঠে আসে। এসময় বিভিন্ন প্রস্তাবনা ও সমস্যা সমাধানের বিষয় তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী।
এ চাইল্ড পার্লামেন্টে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদেরকে উদ্দেশ্য করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, অন্যের জরিপ নয়, নিজেরা জরিপ করে প্রকৃত অবস্থা তুলে ধরতে হবে। সমস্যা সমাধানের জন্য সুপারিশ করতে হবে।
ফাইল ছবি
বিশ্বব্যাপী করোনার তান্ডবের কারণে গত বছরের মার্চ মাস হতেই দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সহ সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করেছিল সরকার। মাঝখান দিয়ে করোনা কিছুটা কমে আসাতে আগামী ২৪ মে থেকে বিশ্ববিদ্যালয় খোলার পূর্বাবাস দিয়েছিল শিক্ষামন্ত্রনালয়।
আগামী ১৭ মে থেকে আবাসিক হল খোলার চিন্তাও করেছিল সরকার। শিক্ষার্থীদের দাবির ভিত্তিতে সকল শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের টিকা দিয়ে ক্যাম্পাস খোলার কথা বলা হয়। কিন্তু এখনো সকলের টিকা নিশ্চিত করতে না পারায় এবং করোনা দ্বিতীয় ঢেউ বেড়ে যাওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় ও অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলবে কি না তা নিয়ে ধোঁয়াশার ভিতর আছে সকল ছাত্র ছাত্রী ও অভিবাবকরা।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি বিশেষ সূত্র জানিয়েছে, করোনার বর্তমান যে অবস্থা তা খুব দ্রুত কমার সম্ভাবনা নেই। এখনো শতভাগ টিকা কার্যক্রম নিশ্চিত করা যায়নি। বিশেষত এই কারনেই পিছিয়ে যেতে পারে হল ও বিশ্ববিদ্যালয় খোলার পরিকল্পনা। তবে স্বল্প সময়ের মধ্যে যদি সকলকে টিকার আওতায় আনা যায় তাহলে বিশ্ববিদ্যালয় খুলতে পারে। বুধবার (৫ মে) উপাচার্যদের বৈঠকে বিষয়টি আলোচনা হয়।
এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন জানান ‘আগামী ১৭ মে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আবাসিক হল খোলা হবে কিনা সে বিষয়ে আমরা বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নেবো। আমাদের হাতে এখনো অনেক সময় রয়েছে। সিদ্ধান্ত হলে আপনাদের জানিয়ে দেয়া হবে।'
অন্যদিকে দীর্ঘসময় ধরে বিশ্ববিদ্যালয় চালু না থাকায় মারাত্বক সেশনজটে পড়তে যাচ্ছে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। করোনাকালীন অনলাইন ক্লাস চললেও পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি। অনেকের অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যা রয়েছে, দেখা যাচ্ছে কারো প্রয়োজনীয় ডিভাইসের নেই, কারো ইন্টারনেটের পাওয়ার দুর্বল।
তাই অনলাইনে পরীক্ষা নেওয়ার কথা ভাবলেও এসব সমস্যা মাথায় নিয়েই কাজ করতে হবে। সব কিছু মিলিয়ে বড় সঙ্কটে পড়ে গেছে উচ্চশিক্ষা। সীমিত হয়ে এসেছে গবেষণা ও প্রকাশনা কার্যক্রমও।
বর্তমান পরিস্থিতিতে অনলাইনে পরীক্ষা নেওয়া কতটুকু সম্ভব তা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে। বুধবার (৫ মে) বিকালে জরুরি বৈঠকে বসেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিনস কমিটি। বৈঠকে অনলাইনে পরীক্ষা আয়োজনের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানা গেছে।
ফাইল ছবি
আফগানিস্তানে তালেবান ক্ষমতা দখলের পর শঙ্কায় পড়ে যায় সে দেশের ক্রিকেট তবে সব শঙ্কা উড়িয়ে নতুন করে সব শুরু করতে যাচ্ছে আফগানিস্তান। কিছু জটিলতা শেষে অবশেষে বাংলাদেশ-আফগানিস্তানের মধ্যকার সিরিজ আলোর মুখ দেখছে। শুরু হতে যাচ্ছে অনূর্ধ্ব-১৯ দলের সদস্যদের আন্তর্জাতিক ম্যাচ। সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে ১৯ সদস্যের আফগানিস্তান দল।
যুব টাইগারদের বিপক্ষে পাঁচটি ওয়ানডে এবং একটি চারদিনের ম্যাচে মাঠে নামবে আফগানিস্তান । নিজ দেশের সীমান্ত বন্ধ থাকার কারণে পাকিস্তান হয়ে বাংলাদেশে আসবে আফগান যুবারা। গতকাল ২ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার তারা পেশোয়ারে পৌছেছে; পাক-আফগান সীমান্ত তোর্খামে পাকিস্তানি নিরাপত্তাকর্মীরা উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছেন খেলোয়াড়দের।
আফগানিস্তান দলের কোচ রাইস আহমেদজাই জানিয়েছেন পেশোয়ারে রাত্রি যাপনের পর শুক্রবার সকালে ইসলামাবাদের উদ্দেশ্যে রওনা হবে দল। বিকেলে করাচি হয়ে ফ্লাইটে করে কাতারে পৌছে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে পাড়ি জমাবে তারা। আফগানিস্তানের কোচ জানান “আফগানিস্তানের দলকে তোর্খাম সীমান্তে পাকিস্তানি নিরাপত্তা কর্মকর্তারা যেভাবে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছেন, তাতে আমি খুশি।
বাংলাদেশ যুবাদের সাথে ভালো খেলে সিরিজ জিতে দেশে ফেরার জন্য মুখিয়ে আছে দল” ১৯ সদস্যের আফগানিস্তান দলের সাথে আছে সাতজন কর্মকর্তা; টিম ম্যানেজার, প্রশিক্ষক, ডাক্তার, প্রধান কোচ, বোলিং, ব্যাটিং এবং ফিল্ডিং কোচ। দলটির অধিনায়কত্ব কে করবেন তা এখনো চুড়ান্ত হয়নি।