a শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়লো ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত
ঢাকা সোমবার, ২২ পৌষ ১৪৩২, ০৫ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়লো ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
বৃহস্পতিবার, ২৬ আগষ্ট, ২০২১, ১০:১৯
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়লো ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত

সংগৃহীত ছবি

করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় আবারও বাড়ানো হয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই ছুটি আগামী ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়।

বৃহস্পতিবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে করোনা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ টেকনিক্যাল কমিটির সঙ্গে বৈঠক হয়। বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত জানান শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। তবে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ লাখ ১৬ হাজার শিক্ষার্থী অটোপাস


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
বুধবার, ১৬ জুন, ২০২১, ০৫:৩৫
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ লাখ ১৬ হাজার শিক্ষার্থী অটোপাস

ফাইল ছবি

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স প্রথম বর্ষের ৩ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থীকে অটোপাস দেওয়া হয়েছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আজ বুধবার (১৬ জুন) এ তথ্য জানানো হয়।
 
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় যে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ১ম বর্ষের শিক্ষার্থীদের শর্তসাপেক্ষে ২য় বর্ষে প্রমােশন দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কোভিড-১৯ মহামারির কারণে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। যেসব শিক্ষার্থী ২০২০ সালে অনার্স ১ম বর্ষ পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য ফরম পূরণ করেছেন তাদের সবাইকে শর্তসাপেক্ষে ২য় বর্ষে প্রমােশন দিয়ে ক্লাস করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

২০২০ সালে অনার্স ১ম বর্ষ পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য ফরম পূরণ করেছেন সর্বমোট  ৪ লাখ ৬৭ হাজার ৮৩৫ জন শিক্ষার্থী। এদের মধ্যে নিয়মিত শিক্ষার্থী ২ লাখ ৯৭ হাজার ৬২৬ জন। আর অনিয়মিত শিক্ষার্থী ১৯ হাজার ৫০ জন। এরা সবাই অর্থাৎ ৩ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী অটোপাস পেয়ে ২য় বর্ষে উত্তীর্ণ হচ্ছেন।

এদিকে, এর বাইরে প্রথম বর্ষের পরীক্ষার জন্য আবেদন করা মানান্নোয়ন পরীক্ষার্থী ছিলেন ১ লাখ ৫১ হাজার ১৫৯ জন। তাদের অটোপাস প্রক্রিয়ার বাইরে রাখা হয়েছে। পরে যখন আবার প্রথম বর্ষের লিখিত পরীক্ষা হবে তখন তারা মানোন্নয়ন পরীক্ষা দেবেন।
 
২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হয়েছিল মোট ৩ লাখ ৭৩ হাজার ৮৭৬ জন শিক্ষার্থী। 

প্রমোশন পাওয়ার শর্তগুলোর মধ্যে অন্যতম প্রধান শর্ত হচ্ছে- পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এসব শিক্ষার্থীদেরকে অবশ্যই ১ম বর্ষের লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। কেউ যদি এই পরীক্ষায় অংশ না নেয় বা পরীক্ষায় অংশ নিয়ে রেগুলেশন অনুযায়ী ‘নট প্রমোটেড' হয় সেক্ষেত্রে তার শর্তসাপেক্ষে দেওয়া প্রমোশন বাতিল বলে গণ্য হবে। এ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট nu.ac.bd এ পাওয়া যাবে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

করোনা প্রতিরোধে খাবার বড়ি ও স্প্রের দিকে ঝুঁকছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
বৃহস্পতিবার, ১১ নভেম্বর, ২০২১, ০৮:৫১
করোনা প্রতিরোধে খাবার বড়ি ও স্প্রের দিকে ঝুঁকছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

ফাইল ছবি: বিজ্ঞানী সৌম্য স্বামীনাথন

করোনাভাইরাসের টিকা যাতে নাকে স্প্রে করার মাধ্যমে ও মুখে খাওয়ার বড়ি হিসেবে ব্যবহার করা যায়, সে দিকেই এখন নজর দিচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

এমনটিই গত মঙ্গলবার জানিয়েছেন সংস্থাটির প্রধান বিজ্ঞানী সৌম্য স্বামীনাথন। তাঁর মতে, তাঁর নজর এখন করোনা টিকার ‘দ্বিতীয় প্রজন্ম’-এর দিকে, যা নাকে স্প্রে আকারে এবং মুখে বড়ি হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।

তিনি বলেন, করোনার এই জাতীয় টিকাগুলো সহজে সরবরাহ ও সংরক্ষণ করা যাবে। তিনি আরও বলেন, ইতিমধ্যে ১২৯টি প্রতিষ্ঠানের দ্বিতীয় প্রজন্মের এ টিকা ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল (মানবদেহে পরীক্ষা) রয়েছে। আরও ১৯৪ প্রতিষ্ঠান এ ধরনের টিকার উন্নয়ন ঘটাচ্ছে ও পরীক্ষাগারে ট্রায়াল দিচ্ছে।

সৌম্য স্বামীনাথন আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘আমি নিশ্চিত যে এসবের মধ্যে কিছু প্রতিষ্ঠানের টিকা বেশ নিরাপদ ও কার্যকর হিসেবে প্রমাণিত হবে। ফলে আমরা শেষ পর্যন্ত সবচেয়ে কার্যকর টিকাটি বেছে নিতে পারব।’

তিনি বলেন, যদি দ্বিতীয় প্রজন্মের টিকা তৈরির প্রচেষ্টায় প্রতিষ্ঠিত প্ল্যাটফর্মগুলো করোনার টিকা তৈরিতে ব্যর্থও হয়, তাতে কোনো সমস্যা নেই। কারণ, এসব প্ল্যাটফর্ম ভবিষ্যতে অন্যান্য সংক্রমণ প্রতিরোধে ব্যবহার করা যেতে পারে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এ পর্যন্ত ৭টি প্রতিষ্ঠানকে জরুরি ভিত্তিতে করোনার টিকা (ইনজেকশন) ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো ফাইজার-বায়োএনটেক, মডার্না, অ্যাস্ট্রাজেনেকা, জনসন অ্যান্ড জনসন, সিনোফার্ম, সিনোভ্যাক এবং ভারত বায়োটেক।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ

সর্বশেষ - শিক্ষা