a
সংগৃহীত ছবি
করোনা মহামারীতে পরীক্ষা নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যেই ঢাকা শিক্ষা বোর্ড উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণের নির্দেশনা দিয়েছে। আগামী ২৯ জুন থেকে ১১ জুলাইয়ের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ফরম পূরণ করতে হবে বলে আজ শুক্রবার শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, এবার নির্বাচনী পরীক্ষা হবে না জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে সেজন্য ফি আদায় করতে নিষেধ করা হয়েছে। ফরম পূরণের জন্য বিজ্ঞান শাখার শিক্ষার্থীদের দুই হাজার ৫০০ টাকা এবং মানবিক ও ব্যবসায় শাখার শিক্ষার্থীদের এক হাজার ৯৪০ টাকা ফি দিতে হবে। এর অতিরিক্ত ফি আদায় করলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ার করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।
উল্লেখ্য, মহামারীর কারণে গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ। কয়েক দফা উদ্যোগ নিয়েও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা সম্ভব হয়নি। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এখনও খুলতে না পারলেও এবার পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনার কথা বলে আসছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সেজন্য সংক্ষিপ্ত সিলেবাসও প্রকাশ করা হয়েছে।
ফাইল ছবি
২০২৩ শিক্ষাবর্ষের ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান বিষয় ‘অনুসন্ধানী পাঠ’ বই দুটির পাঠদান প্রত্যাহার করা হয়েছে। শুক্রবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ওই দুই শ্রেণির ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান বিষয়ের ‘অনুশীলনী পাঠ’ এবং ষষ্ঠ শ্রেণির বিজ্ঞান ‘অনুসন্ধানী পাঠ’ বই দুটিরও কিছু অধ্যায় সংশোধন করা হবে। যা শিগগিরই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে জানিয়ে দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির কয়েকটি বইয়ের কিছু বিষয়বস্তু নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। এ প্রেক্ষাপটে শিক্ষা মন্ত্রণালয় দু’টি কমিটিও গঠন করা হয়েছে। সূত্র:ইত্তেফাক
জাহিদ মালেক
দেশে করোনারোগী আরও বাড়লে সামাল দেওয়া সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, “হাসপাতালতো আর রাতারাতি বৃদ্ধি করা যায় না। হাসপাতালের বেডওতো রাতারাতি বাড়ানো যায় না। তারপরও আমরা এই অল্প সময়ের মধ্যে আড়াই হাজার বেড থেকে ৭/৮ হাজার বেড বৃদ্ধি করেছি। দশ গুণ রোগীও আমরা সামাল দিতে সক্ষম হয়েছি। কিন্তু তারপরও বাড়লে আর সম্ভব হবে না।”
তিনি বলেছেন, আমরা আর কত চিকিৎসা দেব, হাসপাতলে আর কত শয্যা বাড়াব। কত হাই ফ্লো নেজাল ক্যানোলা দেব, আমরা কত অক্সিজেনের ব্যবস্থা করব। বৃহস্পতিবার ‘খাদ্যের কথা ভাবলে, পুষ্টির কথাও ভাবুন’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে। আমরা চাই করোনা থেকে যেন আমরা রক্ষা পাই। আশা করি, আমরা যেন স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারি, আমাদের জীবনযাত্রা যেন আবারও সুন্দর হয়। আমাদের যেন পুষ্টিকর খাওয়া দাওয়ার ব্যবস্থা হয়।
আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) মহাসচিব অধ্যাপক ডা. এম এ আজিজ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল বাসার খুরশিদ আলম, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের পরিচালক শাহানারা বেগম।
জাতীয় পুষ্টিসপ্তাহের আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব লোকমান হোসেন মিয়া।