a
সংগৃহীত ছবি
দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং এবতেদায়ি ও কওমি মাদ্রাসাসমূহের চলমান ছুটি আগামী ৩১ জুলাই তারিখ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের এ তথ্য জানিয়েছেন।
দেশে করোনা পরিস্থিতি খারাপ থাকায় এবং কঠোর লকডাউন চলমান থাকায়, শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মচারী ও অভিভাবকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও সার্বিক নিরাপত্তা বিবেচনা করে এবং কোভিড ১৯ সংক্রান্ত জাতীয় পরামর্শক কমিটির সাথে পরামর্শক্রমে ছুটি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
ছবি: সংগৃহীত
তিন দফা দাবিতে আগামী ১৯ মার্চ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মহাসমাবেশ করার ঘোষণা দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি। এর আগে ১৯ ফেব্রুয়ারি দেশের সব জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দেবে সংগঠনটি।
দাবি বাস্তবায়ন না হলে মহাসমাবেশ থেকে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানান সমিতির নেতারা। দুপরে রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনী মিলনায়তনে এসব দাবি জানায় প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নেতারা।
সংবাদ সম্মেলনে প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. আমিনুল ইসলাম চৌধুরী লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। তিনি বলেন, অর্থ মন্ত্রণালয়ের জারি করা চিঠি বাতিল করতে হবে, জাতীয়করণ করা শিক্ষকদের গেজেট অনুসারে কার্যকর চাকুরীকাল (৫০%) গণনা করে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে পদোন্নতি দিতে হবে এবং এসএমসি কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত গেজেট থেকে বাদ পড়া প্রধান শিক্ষকদের নামের গেজেট দ্রুত প্রকাশ করতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সমিতির মহাসচিব-রাধা রাণী ভৌমিক, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব-মহিউদ্দিন খোন্দকার, সহ সভাপতি-আবুল কালাম আজাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক-মোমিনুল ইসলাম, মো. মোশাররফ হোসেন, আজমল হোসেন, আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ।
ফাইল ছবি: জি এম কাদের
জাতীয় পার্টি (জাপা) চেয়ারম্যান জি এম কাদের বলেছেন, সরকার গত বারের মতো একটি নির্বাচন করতে চাচ্ছে, সেভাবেই প্রস্তুতি চলছে। বিএনপি নির্বাচন প্রতিহত করতে চাচ্ছে। দেশে সংঘাতময় রাজনৈতিক পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে। সামনের দিনগুলো আরো খারাপ অবস্থা সৃষ্টি হতে পারে।
তিনি গতকাল সোমবার তার বনানী কার্যালয়ে জাতীয় মহিলা পার্টির নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
জি এম কাদের বলেন, ‘দুইটি দলের মাঝামাঝি অবস্থানে আমরা নিজস্বতা নিয়ে রাজনীতি করছি। আমরা দেশের মানুষের সামনে তৃতীয় এবং বিকল্প অপশন সৃষ্টি করেছি।’ তিনি বলেন, ’৯০ সালের পর থেকে দেশের মানুষ আওয়ামী লীগ ও বিএনপির রাজনীতিতে বীতশ্রদ্ধ। মানুষ পরিবর্তন চায়।
জাপা চেয়ারম্যান বলেন, ‘বর্তমান সরকার অত্যন্ত কর্তৃত্ববাদী। সবকিছু তারা নিয়ন্ত্রণে নিতে চায়, অনেক কিছু নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। শান্তির মিছিল হচ্ছে, কিসের শান্তি? দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে মানুষের মাঝে শান্তি নেই। মানুষের আয় বাড়ছে না, কিন্তু ব্যয় বেড়েই যাচ্ছে। মানুষের মানসম্মান, সম্পদ ও জীবনের নিরাপত্তা নেই; উৎকণ্ঠার মধ্যে জীবন কাটাচ্ছে। এমন বাস্তবতায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা মানুষের কাছে প্রহসন মনে হয়। দুইটি দল দেশের মানুষের জন্য কবরের শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করেছে। মানুষ কবরের শান্তি ও স্থিতিশীলতা চায় না। কারো প্রতিবাদ করার শক্তি বা সাহস নেই। এমন শান্তির জন্য আমরা রাজনীতি করি না।’
তিনি বলেন, ‘সরকার জনগণের শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে পারেনি। শুধু ক্ষমতায় থাকা কোনো রাজনীতি হতে পারে না। আমাদের ফলাফল যা হোক, আমরা আবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন চাই। দেশের মালিক জনগণ, তারা নির্বাচনের মাধ্যমে প্রতিনিধি নির্বাচন করবেন। স্বাধীনতার চেতনা সমুন্নত রাখতেই আমরা অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই।’
নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন জানিয়ে জি এম কাদের বলেন, তিনি মাটি ও মানুষের লোক। আশা করছি, তিনি দেশ ও জাতির জন্য কাজ করতে পারবেন। তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে অবদান রেখেছেন। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদে থেকে সব দলমত নির্বিশেষে সবাইকে সমান চোখে দেখবেন। বিপদে-আপদে সবার পাশে দাঁড়াবেন—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।’ সূত্র: ইত্তেফাক