a
সংগৃহীত ছবি
দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং এবতেদায়ি ও কওমি মাদ্রাসাসমূহের চলমান ছুটি আগামী ৩১ জুলাই তারিখ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের এ তথ্য জানিয়েছেন।
দেশে করোনা পরিস্থিতি খারাপ থাকায় এবং কঠোর লকডাউন চলমান থাকায়, শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মচারী ও অভিভাবকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও সার্বিক নিরাপত্তা বিবেচনা করে এবং কোভিড ১৯ সংক্রান্ত জাতীয় পরামর্শক কমিটির সাথে পরামর্শক্রমে ছুটি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
ফাইল ছবি
মরণঘাতী করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতি বিবেচনায় বেশ কয়েক দফা পেছানোর পর এফসিপিএস বিভিন্ন পার্টের পরীক্ষার নতুন করে তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে আরম্ভ হতে যাওয়া এসব পরীক্ষা চলবে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। পরীক্ষা মহাখালী বিসিপিএস ভবনে অনুষ্ঠিত হবে।
গতকাল ১৯ আগস্ট বুধবার বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনসের (বিসিপিএস) এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এফসিপিএস পার্ট-১, এফসিপিএস পার্ট-২ (ফাইনাল), প্রিলিমিনারি এফসিপিএস পার্ট-২, এফসিপিএস (সাব-স্পেশালিটি), এফসিপিএস মিডটার্ম এবং এমসিপিএস লিখিত পরীক্ষা আগামী সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত হবে।
এর আগে গত জুনে বিসিপিএসে এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সারা দেশে কঠোর বিধিনিষেধের কারণে গত ২৬ জুন এফসিপিএস পরীক্ষা এক মাসের জন্য পেছানোর সিদ্ধান্ত হয়। সেই সময় বলা হয়েছিল, সম্ভাব্য নতুন তারিখ আগামী ১ সেপ্টেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।
ফাইল ছবি
বরিশালে তরমুজ কেজি হিসেবে বিক্রির বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রেখেছে জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত বুধবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ফলের আড়ৎ ও দোকানে এই অভিযান চালায়। অভিযান চলাকালে ৬ জন ব্যবসায়ীকে ৯ হাজার ৭শ’ টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
প্রতি বছর বরিশালে মৌসুমী রসালো ফল পিস হিসেবে বিক্রি হয়। এ বছর শুরুর দিকে বরিশালের বাজারে পিস হিসেবে তরমুজ বিক্রি হলেও মাঝামাঝি পর্যায়ে এসে কেজি দরে তরমুজ বিক্রি শুরু করে বিক্রেতারা। এতে বড় সাইজের তরমুজের দাম দাঁড়ায় ৭শ’ থেকে হাজার টাকা পর্যন্ত। এ কারণে তরমুজ এবার সাধারণের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যায়। ক্ষুব্ধ হয় ক্রেতারা। জনগণের প্রতিক্রিয়া বুঝতে পেরে গত ৩দিন ধরে অভিযান চালাচ্ছে জেলা প্রশাসন।
ফল আড়তদার গনেশ দত্ত জানান, তারা আগে পিস হিসেবেই তরমুজ বিক্রি করতেন। এখন খুচরা ব্যবসায়ীরা পিস হিসেবে কিনে কেজি দরে বিক্রি করছেন। এতে সুবিধা-অসুবিধা দুটিই আছে বলে দাবি করেন তিনি। এদিকে অসাধু তরমুজ বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে বুধবার নগরীতে পৃথক ৩টি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন।
জনস্বার্থে এই অভিযান চলবে বলে জানিয়েছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এসএম রাহাতুল ইসলাম।