a ‘তুমি তোমার মতো করে প্রস্ফুটিত হবে’- মা প্রসঙ্গে নুসরাত
ঢাকা মঙ্গলবার, ২৮ মাঘ ১৪৩২, ১০ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

‘তুমি তোমার মতো করে প্রস্ফুটিত হবে’- মা প্রসঙ্গে নুসরাত


বিনোদন ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শনিবার, ০৫ জুন, ২০২১, ১২:৩৪
তুমি তোমার মতো করে প্রস্ফুটিত হবে- মা প্রসঙ্গে নুসরাত

ফাইল ছবি। নুসরাত জাহান

জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও সংসদ সদস্য নুসরাত জাহানের মা হওয়ার খবরে  টলিপাড়া উত্তাল। এরমধ্যেই অভিনেত্রী তার ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে লিখলেন- ‘তুমি তোমার মতো করে প্রস্ফুটিত হবে’।

অভিনেত্রী কার উদ্দেশে এই বার্তা দিয়েছে তা স্পষ্ট না করলেও নেটিজেনদের অনেকের ধারণা, নুসরাতে এ বার্তা দিয়েছেন ‘অনাগত সন্তানের’ জন্য।

আনন্দবাজার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, মা হতে যাচ্ছেন টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত জাহান। তবে এ ব্যাপারে নুসরাতের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

নুসরাতের স্বামী নিখিল জৈন বলেছেন, ‘এই বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। ওর সঙ্গে দীর্ঘ দিন আমার কোনো সম্পর্ক নেই। এর থেকেই স্পষ্ট হয়ে যায় যে এই সন্তান আমার নয়।’

দুই বছর আগে ধুমধাম করে নিখিল জৈনকে বিয়ে করেছিলেন নুসরাত। তবে বছর না পেরুতেই শুরু হয় তাদের মাঝে সম্পর্কের টানাপোড়েন। এদিকে এর পরই অভিনেতা যশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকে নুসরাতের। বিভিন্ন পার্টিতে একসাথে দেখা যায় দু'জনকে। এ নিয়ে শুরু হয় যশ-নুসরাত নতুন রসায়নের ইঙ্গিত। 
 
নুসরাত-যশের ঘনিষ্ঠসূত্রের বরাত দিয়ে আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, অভিনেতা যশ দাশগুপ্ত এবং নুসরাতের জীবনে আসতে চলেছে নতুন অতিথি। এক মাস আগেই তারা এই সুখবর পেয়েছেন বলে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। এখন এই জুটি কবে মা-বাবা হওয়ার বিষয়টি ঘটা করে স্বীকার করবে সেটাই দেখার বিষয়।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

কুমির-শিয়ালের গল্প


আরাফাত আলম, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ০৫ মে, ২০২৫, ০৫:৩৪
কুমির-শিয়ালের গল্প

ছবি সংগৃহীত

কুমির দেখলে, সে শিয়ালের সঙ্গে কিছুতেই পেরে উঠছে না। তখন সে ভাবলে, 'ও ঢের লেখাপড়া জানে, তাতেই খালি আমাকে ফাঁকি দেয়। আমি মূর্খ লোক, তাই তাকে আঁটতে পারি না।' অনেকক্ষণ ভেবে কুমির এই ঠিক করল যে, নিজের সাতটা ছেলেকে শিয়ালের কাছে দিয়ে খুব করে লেখাপড়া শেখাতে হবে। তার পরের দিনই সে ছানা সাতটাকে সঙ্গে করে শিয়ালের বাড়ি গিয়ে উপস্থিত হল। শিয়াল তখন তার গর্তের ভিতরে বসে কাঁকড়া খাচ্ছিল। কুমির এসে ডাকলে,

'শিয়াল পণ্ডিত, শিয়াল পণ্ডিত, বাড়ি আছ?' শিয়াল বাইরে এসে বললে, 'কী ভাই, কী মনে করে?'

কুমির বললে, 'ভাই, এই আমার ছেলে সাতটাকে তোমার কাছে এনেছি। মূর্খ হলে করে খেতে পারবে না। ভাই, তুমি যদি এদের একটু লেখাপড়া শিখিয়ে দাও।' শিয়াল বললে, 'সে আর বলতে? আমি সাতদিনে সাতজনকে পড়িয়ে পণ্ডিত করে দেব।' শুনে কুমির তো খুব খুশি হয়ে ছানা সাতটাকে রেখে চলে গেল। তখন শিয়াল তাদের একটাকে আড়ালে নিয়ে বললে—
'পড় তো বাপু— কানা খানা গানা ঘানা,
কেমন লাগে কুমির ছানা?'

এই কথা বলে, সেটার ঘাড় ভেঙে, খেয়ে ফেললে।
পরদিন যখন কুমির তার ছানা দেখতে এল, তখন শিয়াল তাদের একেকটি করে গর্তের বাইরে এনে দেখাতে লাগল। ছয়টিকে ছয়বার দেখালে, শেষেরটা দেখালে দুবার। বোকা কুমির তা বুঝতে না পেরে ভাবলে, সাতটাই দেখানো হয়েছে। তখন সে চলে গেল, আর অমনি শিয়াল ছানাগুলোর একটাকে আড়ালে নিয়ে বললে—
'পড় তো বাপু— কানা খানা গানা ঘানা, কেমন লাগে কুমির ছানা?'

এই কথা বলে, সেটার ঘাড় ভেঙে, খেয়ে ফেলল। পরদিন কুমির তো ছানা দেখতে এল। শিয়াল একেকটি করে গর্তের বাইরে এনে, পাঁচবার পাঁচটাকে দেখাল, শেষেরটিকে দেখাল তিনবার। তাতেই কুমির খুশি হয়ে চলে গেল। তখন শিয়াল ঠিক আগের মতো করে আর একটা ছানাকে খেল।

এমনি করে সে রোজ একটি ছানা খায়, আর কুমির এলে তাকে ফাঁকি দিয়ে ভোলায়। শেষে যখন একটি ছানা বই আর রইল না, তখন সেই একটিকেই সাতবার দেখিয়ে সে কুমিরকে বোঝাল। তারপর কুমির চলে গেলে সেটিকেও খেয়ে ফেলল। তারপর আর একটিও রইল না।

তখন শিয়ালনী বললে, 'এখন উপায়? কুমির এলে দেখাবে কি? ছানা না দেখতে পেলে তো অমনি আমাদের ধরে খাবে!'
শিয়াল বললে, 'আমাদের পেলে তো ধরে খাবে। নদীর ওপারের বনটা খুব বড়, চল আমরা সেইখানে যাই। তা হলে কুমির আর আমাদের খুঁজে বার করতেই পারবে না।'

এই বলে শিয়াল শিয়ালনীকে নিয়ে তাদের পুরনো গর্ত ছেড়ে চলে গেল। এর খানিক বাদেই কুমির এসেছে। সে এসে 'শিয়াল পণ্ডিত, শিয়াল পণ্ডিত' বলে কত ডাকল, কেউ তার কথার উত্তর দিল না। তখন সে গর্তের ভিতর-বার খুঁজে দেখল—শিয়ালও নেই শিয়ালনীও নেই! খালি তার ছানাদের হাড়গুলো পড়ে আছে।
তখন তার খুব রাগ হল, আর সে চারদিকে ছুটাছুটি করে শিয়ালকে খুঁজতে লাগল। খুঁজতে-খুঁজতে নদীর ধারে গিয়ে দেখল, শিয়াল আর শিয়ালনী সাঁতরে নদী পার হচ্ছে।

অমনি 'দাঁড়া হতভাগা।' বলে সে জলে ঝাঁপ দিয়ে পড়ল। জলের নীচে ছুটতে কুমিরের মতো আর কেউ পারে না, দেখতে দেখতে সে গিয়ে শিয়ালের পিছনের একটা পা কামড়ে ধরল।

শিয়াল সবে তার সামনের দু-পা ডাঙায় তুলেছিল, শিয়ালনী তার আগেই উঠে গিয়েছিল। কুমির এসে শিয়ালের পা ধরতেই সে শিয়ালনীকে ডেকে বললে, 'শিয়ালনী, শিয়ালনী, আমার লাঠিগাছা ধরে কে টানাটানি করছে। লাঠিটা বা নিয়েই যায়।'
একথা শুনে কুমির ভাবলে, 'তাই তো, পা ধরতে গিয়ে লাঠি ধরে ফেলেছি। শিগগির লাঠি ছেড়ে পা ধরি।'

এই ভেবে যেই সে শিয়ালের পা ছেড়ে দিয়েছে, অমনি শিয়াল একলাফে ডাঙায় উঠে গিয়েছে। উঠেই বোঁ করে দে ছুট। তারপর বনের ভিতরে ঢুকে পড়লে আর কার সাধ্য তাকে ধরে।

তারপর থেকে কুমির কেবলই শিয়ালকে খুঁজে বেড়ায়। কিন্তু শিয়াল বড্ড চালাক, তাই তাকে ধরতে পারে না। তখন সে অনেক ভেবে এক ফন্দি করল। কুমির একদিন চড়ায় গিয়ে হাত পা ছড়িয়ে মড়ার মতো পড়ে রইল। তারপর শিয়াল আর শিয়ালনী কচ্ছপ খেতে এসে দেখল, কুমির কেমন হয়ে পড়ে আছে। তখন শিয়ালনী বললে, 'মরে গেছে। চল খাইগে!' শিয়াল বললে, 'রোস, একটু দেখে নিই।' এই বলে সে কুমিরের আর-একটু কাছে গিয়ে বলতে লাগল, 'না। এটা দেখছি বড্ড বেশি মরে গেছে। অত বেশি মরাটা আমরা খাই না। যেগুলো একটু-একটু নড়ে-চড়ে, আমরা সেগুলো খাই।' তা শুনে কুমির ভাবলে, 'একটু নড়ি-চড়ি, নইলে খেতে আসবে না।' এই মনে করে কুমির তার লেজের আগাটুকু নাড়তে লাগল। তা দেখে শিয়াল হেসে বললে, ঐ দেখ, লেজ নাড়ছে! তুমি তো বলেছিলে মরে গেছে!' তারপর আর কি তারা সেখানে দাঁড়ায়! তখন কুমির বললে, 'বড্ড ফাঁকি দিলে তো! আচ্ছা এবারে দেখাব!'

একটা জায়গায় শিয়াল রোজ জল খেতে আসত। কুমির তা দেখতে পেয়ে সেখানে গিয়ে লুকিয়ে রইল। ভাবল শিয়াল জল খেতে এলেই ধরে খাবে। সেদিন শিয়াল এসে দেখল সেখানে একটাও মাছ নেই! অন্য দিন ঢের মাছ চলা-ফেরা করে। শিয়াল ভাবল, 'ভালো রে ভালো আজ সব মাছ গেল কোথায়? বুঝেছি, এখানে কুমির আছে!' তখন সে বললে, 'এখানকার জল বেজায় পরিষ্কার। একটু ঘোলা না হলে কি খাওয়া যায়? চল শিয়ালনী, আর-এক জায়গায় যাই।' এ কথা শুনেই কুমির তাড়াতাড়ি সেখানকার জল ঘোলা করতে আরম্ভ করলে। তা দেখে শিয়াল হাসতে-হাসতে ছুটে পালিয়েছে!

আর একদিন শিয়াল এসেছে কাঁকড়া খেতে। কুমির তার আগেই সেখানে চুপ করে বসে আছে। শিয়াল তা টের পেয়ে বললে, 'এখানে কাঁকড়া নেই, থাকলে দু-একটা ভাসত।'

অমনি কুমির তার লেজের আগাটুকু ভাসিয়ে দিল। কাজেই শিয়াল আর জলে নামল না। এমনি করে বারবার শিয়ালের কাছে ঠকে গিয়ে, শেষে কুমিরের ভারি লজ্জা হল। তখন সে আর কী করে মুখ দেখাবে? কাজেই সে তার ঘরের ভিতরে গিয়ে বসে রইল।

 

....ফেসবুক থেকে সংগৃহীত

শিয়াল পণ্ডিত, উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

এবারের ৯৩তম অস্কারের বিজয়ী তালিকা


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
সোমবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২১, ১১:১১
এবারের ৯৩তম অস্কারের বিজয়ী তালিকা

ফাইল ছবি

বিশ্ব চলচ্চিত্রের সবচেয়ে সম্মানজনক পুরস্কার অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডসের (অস্কার) ৯৩তম আসরের বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হলো। এবার সেরা চলচ্চিত্রসহ সর্বাধিক চারটি বিভাগে সেরা হয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ান ভাষায় নির্মিত ‘প্যারাসাইট’। সেরা চলচ্চিত্র বিভাগে অস্কারের ৯৩ বছরের ইতিহাসে ইংরেজি ব্যতিত অন্যভাষার ছবির জয়ের ঘটনা এটাই প্রথম।

প্রতি বছরের মতো এবারও সেরা ছবি, সেরা চলচ্চিত্র নির্মাতা, সেরা অভিনয়শিল্পী, সেরা প্রামাণ্যচিত্রসহ ২৩টি বিভাগে পুরস্কার প্রদান করেছে অ্যাকাডেমি অব মোশন পিকচার আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সেস। বিজয়ীদের নাম ঘোষণা ও পুরস্কার প্রদানের জমকালো এই আয়োজনে ছিল না কোনও সঞ্চালক। এবিসি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২২৫টি দেশে সরাসরি সম্প্রচার করা হয় অনুষ্ঠানটি।

একনজরে ৯৩তম অস্কারের বিজয়ীরা

সেরা চলচ্চিত্র: নোম্যাডল্যান্ড

সেরা অভিনেতা: অ্যান্থনি হপকিন্স (দ্য ফাদার)

সেরা অভিনেত্রী: ফ্রান্সেস ম্যাকডরম্যান্ড (নোম্যাডল্যান্ড)

সেরা পরিচালক: ক্লোয়ি জাও (নোম্যাডল্যান্ড)

সেরা পার্শ্ব-অভিনেতা: ড্যানিয়েল কালুইয়া (জুডাস অ্যান্ড দ্য ব্ল্যাক মেসায়া)

সেরা পার্শ্ব-অভিনেত্রী: ইয়া-জাঙ উন (মিনারি)

সেরা মৌলিক চিত্রনাট্য: প্রমিসিং ইয়াং ওম্যান (এমারেল্ড ফেনেল)

সেরা অ্যাডাপ্টেড চিত্রনাট্য: দ্য ফাদার (ক্রিস্টোফার হ্যাম্পটন ও ফ্লোরিয়ান জেলার)

সেরা অ্যানিমেটেড ছবি: সৌল (পিট ডক্টর ও ডানা মারে)

সেরা চিত্রগ্রহণ: ম্যাঙ্ক (এরিক মেসারস্মিট)

সেরা পোশাক পরিকল্পনা: মা রেইনি’স ব্ল্যাক বটম (অ্যান রোথ)

সেরা প্রামাণ্যচিত্র: মাই অক্টোপাস টিচার (পিপ্পা এরলিচ, ক্রেগ ফস্টার ও জেমস রিড)

সেরা স্বল্পদৈর্ঘ্য প্রামাণ্যচিত্র: কলেট (অ্যালিস ডয়ার্ড ও অ্যান্থনি গিয়াচ্চিনো)

সেরা সম্পাদনা: সাউন্ড অব মেটাল (মিকেল ই. জি. নিলসেন)

সেরা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র: অ্যানাদার রাউন্ড (ডেনমার্ক)

সেরা রূপ ও চুলসজ্জা: মা রেইনি’স ব্ল্যাক বটম (সের্গিও লোপেজ-রিভেরা, মিয়া নিল ও জেমিকা উইলসন)

সেরা মৌলিক সুর: সৌল (ট্রেন্ট রেজনা, অ্যাটিকাস রস, জন বাটিস্ট)

সেরা মৌলিক গান: ফাইট ফর ইউ (জুডাস অ্যান্ড দ্য ব্ল্যাক মেসায়া)

সেরা শিল্প নির্দেশনা: ম্যাঙ্ক (ডোনাল্ড গ্রাহার বার্ট ও জ্যান পাসকেল)

সেরা শব্দ: সাউন্ড অব মেটাল (জেইম বখত, নিকোলাস বেকার, ফিলিপ ব্লাড, কার্লোস করতেস ও মিশেল কুটোলেঙ্ক)

সেরা ভিজ্যুয়াল ইফেক্টস: টেনেট (স্কট আর. ফিশার, অ্যান্ড্রু জ্যাকসন, ডেভিড লি ও অ্যান্ড্রু লকলি)

সেরা স্বল্পদৈর্ঘ্য অ্যানিমেটেড ছবি: ইফ অ্যানিথিং হ্যাপেনস আই লাভ ইউ (মাইকেল গোভিয়ার ও উইল ম্যাককরম্যাক)

সেরা স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র: টু ডিস্ট্যান্ট স্ট্রেঞ্জার্স (ট্রেভন ফ্রি ও মার্টিন ডেসমন্ড রো)

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - বিনোদন