a
ফাইল ছবি
দীর্ঘ ১ যুগের সম্পর্কের অবসান ঘটেছে। বিচ্ছেদের ঘোষণা দিয়েছেন জনপ্রিয় পপ গায়িকা শাকিরা এবং তার সঙ্গী তারকা ফুটবল খেলোয়াড় জেরার্ড পিকে। তাদের দুটি সন্তান রয়েছে। বার্তা সংস্থা এএফপি গত শনিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
এক যৌথ বিবৃতিতে সদ্য বিচ্ছেদের পথে হাঁটা এই তারকা জুটি জানান, আমরা দুঃখিত যে আমরা আমাদের বিচ্ছেদের বিষয়টি নিশ্চিত করছি। আমাদের সর্বাধিক অগ্রাধিকার, আমাদের সন্তান। তাদের ভালোর জন্য আমরা আমাদের গোপনীয়তাকে সম্মান জানানোর অনুরোধ করছি।
অবশ্য যতটা সহজভাবে তারা বিচ্ছেদের ঘোষণা দিয়েছেন, বিষয়টা ততটা সহজ নয়। শোনা যাচ্ছে পিকের পরকীয়াই নাকি বিচ্ছেদের অন্যতম কারন। এমনকি বিচ্ছেদের কারণে শাকিরাকে ‘অ্যাংজাইটি অ্যাটাক’ কারণে হাসপাতালে পর্যন্ত যেতে হয়। অ্যাম্বুলেন্সে উঠার সময়ও নাকি জনপ্রিয় এই তারকা কাঁদছিলেন!
পিকে আর শাকিরার গল্পের শুরুটা ২০১০ সালে। সে বছর বিশ্বকাপ ফুটবলের থিম সং গেয়েছিলেন এই পপ তারকা। বিশ্ব আক্রান্ত হয়েছিল শাকিরার গানের জ্বরে। সেই আঁচ লেগেছিল স্প্যানিয়ার্ড ডিফেন্ডার জেরার্ড পিকেরও। ১০ বছরের বড় শাকিরার সঙ্গে প্রণয়ে জড়ান তিনি। এরপর একই ছাদের নিচে কেটে গেছে ১২টি বছর। দুই সন্তানও রয়েছে এই দম্পতির। তবে টান কমে যাবে ভেবে বিয়ের পিঁড়িতে না বসলেও বন্ধনটা শেষে সমাপ্তিই টানল। সম্প্রতি শাকিরার একটি গানে তাদের বিচ্ছেদের ইঙ্গিত ছিল। সূত্র: ইত্তেফাক
মিঠুন চক্রবর্তী। ফাইল ছবি
জনপ্রিয় অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী করোনায় ভাইরাসে আক্রান্ত বলে শোনা যাচ্ছিল। গুজব উড়িয়ে দিয়ে অভিনেতা নিজেই বললেন,‘আমার করোনা হয়নি। একেবারে সুস্থ আছি। ’গত মাস থেকেই পশ্চিমবঙ্গের বিধান সভা নির্বাচনের প্রচারে বিজেপি-র হয়ে জোরদার নির্বাচনী প্রচার শুরু করেছিলেন মিঠুন চক্রবর্তী।
প্রায় পুরো পশ্চিমবঙ্গ চড়কিপাক খাচ্ছিলেন এই অভিনেতা। সৌজন্যে, নির্বাচনী প্রচার সভা।সেই প্রতিটি সভাতেই তাকে একঝলক দেখার জন্য বাঁধ ভেঙে রাস্তায় নেমেছিল মানুষের দল। ভিড়ে ঠাসাঠাসি সেই প্রতিটি জনসভায় কখনও মঞ্চের ওপর থেকে কখনও বা প্রচার গাড়িতে বসে গরম গরম ‘হিট সংলাপ’ আওড়ানোসহ বক্তৃতার কাজ সেরেছেন এই মহাগুরু।তাকে ঘিরে ফ্যানদের উছ্বাস, সেলফি তোলার আব্দার কোনোকিছু থেকেই দূরে সরে যাননি সত্তর ছোঁয়া এই ‘সুপারস্টার’।
রাজনীতি মহলের একাংশের ধারণা তৈরি হয়েছিল সম্ভবত তারই পরিণতির ফলে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন মিঠুন। শেষ পর্যন্ত সব গুজব উড়িয়ে দিলেন মিঠুন নিজেই। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
ফাইল ছবি
ওয়াহিদুল্লাহ হাশিমি বলেছেন, নতুন আফগানিস্তানে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা পাবেন না। তালেবান শাসনে মূলত শরিয়া আইনের ওপরেই গড়ে উঠবে শাসন ব্যবস্থা। সংবাদসংস্থা রয়টার্সকে তিনি এমনটাই জানিয়েছেন।
তবে সেই ব্যবস্থা গত তালেবান শাসনের মতো হবে কি না, তা নিয়ে স্পষ্ট কোনও মন্তব্য করেননি হাশিমি। অদূর ভবিষ্যতে তা স্পষ্ট হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে কাউন্সিল তৈরির বিষয়ে অনেকটাই নিশ্চিত তিনি।
তার বক্তব্য, তালেবানের সর্বোচ্চ নেতা হাইবাতুল্লাহ আখুন্দযাদা সুপ্রিম লিডার হিসেবে সরকারের প্রধান হিসেবে থাকবেন। কিন্তু সম্ভবত তিনি প্রেসিডেন্ট হবেন না। প্রেসিডেন্ট করা হতে পারে আখুন্দজাদার ডেপুটিদের। এই মুহূর্তে আখুন্দজাদার তিনজন ডেপুটি আছেন।
মোল্লাহ ওমরের ছেলে মৌলভি ইয়াকুব, হাক্কানি নেটওয়ার্কের প্রধান সিরাজউদ্দিন হাক্কানি এবং দোহায় তালেবানের রাজনৈতিক প্রধান আবদুল গনি বারাদার। মঙ্গলবার বিশ বছর পর তিনি কান্দাহারে পা রেখেছেন।
বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, তালেবান যে নতুন সরকার গঠন করতে যাচ্ছে, তার মডেল হবে অনেকটা ইরানের মতো। সুপ্রীম লিডারের কাছে সকলে জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকবেন। তার পরের থাকবেন প্রেসিডেন্ট এবং তারপর কাউন্সিল।
সূত্র: ডয়চে ভেলে।