a
ফাইল ছবি
লাল মাংসের স্বাদই আলাদা। তবে লাল মাংস নিয়ে বেশি সতর্কতার ফলে এই মাংসের প্রতি আমাদের এক ধরণের ভীতি জন্মেছে। সঠিক উপায়ে লাল মাংস থেকে তা শরীরের জন্য উপকারী।
কুরবানির ঈদে গরু, খাশি বা যে কোনো ধরনের লাল মাংস সচরাচর বেশি খাওয়া হয়।
লাল মাংস প্রচুর জিংকসমৃদ্ধ, যা আমাদের রক্তশূন্যতা পূরণ করে। তবে এর কিছু ক্ষতিকর দিকও রয়েছে।
এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন নিউট্রিশনিস্ট অ্যান্ড ডায়েট কনসালট্যান্ট পুষ্টিবিদ জান্নাত আরা ঊর্মি।
লাল মাংসে (রেডমিট) প্রচুর পরিমাণে সাচুরেটেড ফ্যাট এবং কোলেস্টেরল থাকে, উচ্চরক্তচাপ, হৃদরোগ, গ্যাস্টিক ও কোলেস্টেরলের সমস্যা হতে পারে।
আমরা আজ জানবো যেভাবে লাল মাংস খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো-
১. মাংস ছোট টুকরো করে কাটুন। মাংস সিদ্ধ করে পানি ঝরিয়ে খেলে সবচেয়ে ভালো। এতে মাংস থেকে অতিরিক্ত চর্বি ও তেল থাকে না।
২. মাংসের দৃশ্যমান চর্বি ছড়িয়ে রান্না করুন।
৩. গরুর মাংসের যেসব জায়গায় অতিরিক্ত চর্বি থাকে, যেসব জায়গায় জীবাণু থাকার আশঙ্কা থাকে। তাই চর্বি ছাড়িয়ে নিন।
৪. অতিরিক্ত মাংস খাওয়া যাবে না। প্রতি বেলায় ২ থেকে ৩ পিস মাংস খেতে পারেন।
৫. মাংস রান্নায় তেলের ব্যবহার কমিয়ে ফেলুন। মাংসের সঙ্গে প্রচুর পরিমাণে সবজি ও সালাদ খান।
৬. লাল মাংস খেলে অনেক সময় কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা হতে পারে। চাহিদা মাফিক পানি পান করুন।
৭. মাংস খেয়ে ক্যালোরির পরিমাণ বাড়ে। তাই প্রতিদিন নিয়মিত ব্যায়াম করুন ও হাঁটুন। সূত্র: যুগান্তর
ফাইল ছবি
শীত মৌসুমে খুশখুশে কাশি, সর্দি, গলা ব্যথা প্রায় লেগেই থাকে। এ জন্য রং চা খাওয়া যেতে পারে। আদা, লবঙ্গ, দারুচিনি, তুলসী, সামান্য লবণ ও মধু দিয়ে তৈরি লাল চা পান করলে অনেক উপকার পাওয়া যায়। একটু সচেতন হলেই এসব সমস্যা থেকে সহজেই মুক্তি পাওয়া যেতে পারে। ঠাণ্ডা, সর্দি-কাশিতে ঘরোয়া কিছু উপায় অবলম্বন করে ‘ঠাণ্ডা’কে দূরে রাখা যায়।
মধু: ত্বকের পাশাপাশি শরীরের জন্যও মধু বেশ উপকারী। গলার খুসখুসে ভাব কমিয়ে দ্রুত আরাম দেয়। মধু গরম বলে ঠাণ্ডা প্রতিরোধ করে। হালকা গরম পানির সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেতে পারেন। এ ছাড়া আঙ্গুরের রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে এমন কি চা-এ চিনির পরিবর্তে মধু দিয়ে খেতে পারেন। বয়স্করা মধুর সঙ্গে এক চামচ দারুচিনি গুঁড়া মিশিয়ে খেলেও বেশ উপকার পাবেন।
আদা: প্রাচীনকাল থেকেই ঠাণ্ডা, জ্বর, কাশি ও মাথাব্যথার জন্য আদার ব্যবহার হয়ে আসছে। আদা চা গলার কফ পরিষ্কার করে ও খুসখুসে ভাব কমায়। এ ছাড়াও আদা রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে কুসুম গরম করে দিনে তিনবার খান। দ্রুত কাশি নিরাময় হবে।
রসুন: রসুনে রয়েছে আলিসিন ও অন্যান্য অর্গানোসালফার উপাদান যা সংক্রমণকারী ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার বিনাশ করে। গলা বসে গেলে রসুন থেঁতো করে তাতে গরম পানি দিয়ে শরবত করে নিন। পাঁচ মিনিট পর মিশ্রণটি পান করুন, অতি দ্রুত ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে।
লেবু: লেবুতে রয়েছে সাইট্রিক এসিড যা ঠাণ্ডার ভালো ওষুধ। লেবু চা খেতে পারেন। কুসুম গরম পানিতে মধু ও লেবুর রস মিশিয়ে খেয়েই দেখুন ভালো ফল পাবেন। গলাব্যথা বা গলা বসে গেলে গরম পানিতে লেবুর রস ও সামান্য লবণ দিয়ে গড়গড়া করুন। এভাবে দিনে বেশ কয়েকবার করুন।
গোলমরিচ: গরম পানিতে এক চা চামচ গোলমরিচ গুঁড়ার সঙ্গে দুই চা চামচ মধু মিশিয়ে ১৫ মিনিট রেখে দিন। গোলমরিচের দানা নিচে জমা হলে ধীরে ধীরে পান করুন। অতি দ্রুত ঠাণ্ডা থেকে মুক্তি পাবেন। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
পিয়াজের রস : পিয়াজের রস কাশি নিরাময় করে, এটি অনেকেরই অজানা। পিয়াজ রস করে তাতে মধু দিয়ে খেতে পারেন। এ ছাড়াও খাবারের সঙ্গে খেতে পারেন কাঁচা পিয়াজ।
লবঙ্গ : কয়েক টুকরা লবঙ্গ সেদ্ধ পানিতে সামান্য লবণ মিশিয়ে কুসুম গরম থাকতে খেয়ে নিন। এটি ভীষণ উপকারী। এ ছাড়াও লবঙ্গ ও আদা পানিতে ১৫ মিনিট সেদ্ধ করে সেই পানি দিয়ে গড়গড়া করলেও উপকার পাবেন।
হলুদ মিশ্রিত দুধ : হলুদে রয়েছে অ্যান্টিসেপটিক উপাদান যা বিভিন্ন ভাইরাসজনিত ইনফেকশন সারাতে কার্যকর। গরম দুধের সঙ্গে খানিকটা হলুদ গুঁড়া মিশিয়ে রাতে ঘুমানোর আগে পান করলে সর্দি ও গলা ব্যথা থেকে অতি দ্রুত মুক্তি পাবেন।
বকুল চন্দ্র মহন্ত, সুইড বাংলাদেশ: সোসাইটি ফর দা ওয়েলফেয়ার অফ দা ইন্টালেকচুয়ালী ডিসএবল্ড বাংলাদেশ ( সুইড বাংলাদেশ) যে প্রতিষ্ঠানটি বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের সেবা দানের লক্ষ্যে ১৯৭৭ সালে সমাজসেবা অধিদপ্তর কর্তৃক রেজিস্ট্রেশন প্রাপ্ত হয়ে নিয়মিতভাবে ৪৬ বছর যাবত কাজ করে আসছে.সুইড বাংলাদেশ সেবাব্রতি পূর্ণতীর্থ নামের এই প্রতিষ্ঠানটি। বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ব্যক্তিদের আতুর ঘর নামে পরিচিত এই প্রতিষ্ঠানটির ৪৬ তম বার্ষিক সাধারণ সভায় ২৭ সদস্য বিশিষ্ট ২০২৫ -২০২৮ জাতীয় কাউন্সিলের কার্যনির্বাহী কমিটি নির্বাচন সুইড এম আলমগীর কবির মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত নির্বাচনে সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন ডাঃ মোঃ শাহনেওয়াজ চৌধুরী সহ-সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন যোবায়েদুর রহমান মিলন সহ-সভাপতি সালেহ্ উদ্দিন সহ-সভাপতি মাহাবুবার রহমান তালুকদার সহ-সভাপতি ড.সেলিনা আখতার সহ-সভাপতি জোবেরা রহমান নীলু মহাসচিব হিসেবে নির্বাচিত হন মোঃ মাহবুবুল মুনির যুগ্ম মহাসচিব ইমেল দা হোসেন দীপা যুগ্ম মহাসচিব আবুল কাশেম সানি অর্থ সচিব ফকির আবু মোহাম্মদ ইউসুফ সোহেল। সাংগঠনিক সচিব মোঃ মাকসুদ আহমেদ সিকদার। প্রচার প্রকাশনা সচিব বকুল চন্দ্র মহন্ত ক্রীড়া সচিব আজহারুল আজাদ জুয়েল সাংস্কৃতিক সচিব রাশিদা জেসমিন রোজি কল্যান পুনর্বাসন সচিব আবুল কালাম আজাদ সেলিম শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক মোঃ আখতার হোসেন কার্যনির্বাহী সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ফরিদ আহমেদ ভূঁইয়া কার্যনির্বাহী সদস্য হাজী মাহমুদুল হক তাহের কাযনির্বাহী সদস্য আব্দুল কাদির কাযনির্বাহী সদস্য পূনর্জয় ব্যানার্জি টিংক মির্জা মোঃ মনছুরুল হক কার্যনির্বাহী সদস্য দীপঙ্কর অধিকারী কার্য নির্বাহী সদস্য শাহ পরী বেগম বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মজিবুর রহমান কার্যনির্বাহী সদস্য মোঃ হান্নান হোসাইন মোঃ আব্দুল মান্নান মানু কার্যনির্বাহী সদস্য মোঃ শাহ আলম সরকার মিন্টু প্রমুখ।