a দাঁত মাজার ব্রাশ কতদিন পরপর বদলাতে হবে
ঢাকা বৃহস্পতিবার, ৯ মাঘ ১৪৩২, ২২ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

দাঁত মাজার ব্রাশ কতদিন পরপর বদলাতে হবে


স্বাস্থ্য ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ২৮ মে, ২০২৩, ০৮:৪৮
দাঁত মাজার ব্রাশ কতদিন পরপর বদলাতে হবে

ফাইল ছবি

মুখের স্বাস্থ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত ব্রাশ করতে হবে। সকালে ও রাতে এই দুইবেলা ভালো টুথপেস্ট ব্যবহার করে দাঁত ব্রাশ করতে হবে। পাশাপাশি টুথব্রাশ সময়মতো বদলে নিতে হবে। আমাদের একটা বাজে স্বভাব, ব্রাশের ব্রিসেলসগুলো একদম অকেজো হলেই ব্রাশ ফেলে দেই। এমনটা ঠিক নয়।এটি ওরাল হেলথের জন্যও স্বাস্থ্যকর নয়। 


বিশেষজ্ঞরা বলেন, মুখেরর ব্রাশ ৩-৪ মাস পরপর বদলানো ভালো। আর যদি আগেই কোনো কারণে ব্রিসেলস নষ্ট হয় তাহলে দ্রুত বদলাতে হবে। আরেকটি বিষয়, বাড়িতে কেউ সংক্রমণজনিত রোগে আক্রান্ত হলে ১-২ দিনের মধ্যে ব্রাশ বদলে ফেলতে হবে সবাইকে। মুখ দিয়ে অনেক রোগ শরীরে ছড়ায়। তবে ব্রাশের কিছু যত্নও নিতে হবে। তবেই তিন চার মাস পর সুস্থ ওরাল হেলথ নিশ্চিত করতে ব্রাশ বদলানো যেতে পারে। টুথব্রাশ ব্যবহারের পদ্ধতিগুলো হলো: 

১। নিজের টুথব্রাশ ইচ্ছা/অনিচ্ছায় অন্য কেউ যেন ব্যবহার না করে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। 

২। টুথব্রাশ মাউথওয়াশ বা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে রাখার প্রয়োজন নেই। গরম পানি অনেক সময় ব্রিসেলসের ক্ষতি করে। বেসিনের কলের পানি দিয়ে ধুলেই চলবে। 

৩। ভুল করে কেউ কারোর ব্রাশ ব্যবহার করতেই পারে। সেরকম কিছু হলে ফেলে দিতে হবে। 

৪। পরিবারের সবার টুথব্রাশ যেন একে অপরের গায়ে গা লাগিয়ে না থাকে সে ব্যবস্থা থাকতে হবে।

৫। টুথব্রাশের জন্য আলাদা বদ্ধ ক্যাপ দরকার নেই। প্লাস্টিক এই ক্যাপ ব্যবহার করে নিরাপদ ভাবার কারণ নেই। উলটো সংক্রমণের আশঙ্কা থাকে। সূত্র: ইত্তেফাক

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা আবারও অবনতি, নিবিড় পর্যবেক্ষণে


স্বাস্থ্যডেস্ক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, ১১:০৪
খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা আবারও অবনতি, নিবিড় পর্যবেক্ষণে

ফাইল ছবি: বেগম খালেদা জিয়া

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার শরীরে খনিজের অসমতা দেখা দিয়েছে। ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম ও রক্তের হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কমেছে। হঠাৎ করে স্বাস্থ্যের বিভিন্ন প্যারামিটারের অবনতি হওয়ায় উদ্বিগ্ন তার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ড।

রবিবার (০৩ সেপ্টেম্বর) রাতে এসব তথ্য জানান মেডিকেল বোর্ডের একজন সদস্য। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পেটে পানি বেড়েছে। ইলেক্ট্রোলাইট ইমব্যালেন্স দেখা দিয়েছে। এ কারণে ঘুম হচ্ছে না। কয়েকদিন ধরেই তার স্বাস্থ্যের অবনতি হচ্ছে। বোর্ড নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখেছে।

তিনি আরও বলেন, খালেদা জিয়ার লিভারের সমস্যা জটিল হচ্ছে। আসলে এর শতভাগ চিকিৎসা দেশে সম্ভব নয়। বোর্ড সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছে। কিন্তু একাধিক জটিলতা থাকায় সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এ জন্য তাঁকে বারবার উন্নত সেন্টারে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। প্রেশার, ডায়াবেটিসসহ স্বাস্থ্যের প্রায় সব প্যারামিটারই ওঠানামা করছে। অ্যাটিবায়োটিক দিয়ে তা কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা চলছে। গত দু’দিনে অনেক টেস্ট করা হয়েছে। বোর্ড কয়েকটির রেজাল্ট দেখে উদ্বিগ্ন।

উল্লেখ্য, গত ২৫ দিন ধরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন। নানা শারীরিক জটিলতা নিয়ে গত মাসের ৯ আগস্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয় খালেদা জিয়াকে।

এর আগে, গত বছরের জুনে খালেদা জিয়ার এনজিওগ্রাম করা হলে তাঁর হৃদযন্ত্রে তিনটি ব্লক ধরা পড়লে এর একটিতে রিং পরানো হয়। সূত্র: বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

প্রধানমন্ত্রী জিয়াউর রহমানকে নিয়ে সঠিক কথা বলেননি: ফখরুল


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
মঙ্গলবার, ০৯ মার্চ, ২০২১, ১১:৪১
প্রধানমন্ত্রী জিয়াউর রহমানকে নিয়ে সঠিক কথা বলেননি: ফখরুল

ফাইল ফটো: মির্জা ফখরুল

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য সঠিক নয়। মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে ‘ঐতিহাসিক ৯ মার্চ’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় বিএনপি নেতারা এ কথা বলেন। তারা বলেন, এক দিনে, একজনের ভাষণে দেশের স্বাধীনতা আসেনি- বিএনপির এমন বক্তব্যের পরপরই সরকারপ্রধান ক্ষিপ্ত হয়ে অনেক কথা বলেছেন।

বিএনপির স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন জাতীয় কমিটির উদ্যোগে এ আলোচনা সভা হয়। জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব আবদুস সালাম সভা পরিচালনা করেন। প্রসঙ্গত, ১৯৭১ সালের ৯ মার্চ পল্টন ময়দানে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী পাকিস্তানি শাসকদের প্রতি পূর্ব বাংলার স্বাধীনতা স্বীকার করে নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘মুজিবের নির্দেশ মতো আগামী ২৫ তারিখের মধ্যে কিছু না হলে আমি শেখ মুজিবের সঙ্গে মিলে ১৯৫২ সালের মতো তুমুল আন্দোলন গড়ে তুলব।’

সভায় আওয়ামী লীগের সমালোচনা করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, জিয়াউর রহমান যদি স্বাধীনতার ঘোষণা না দিতেন, তাহলে যুদ্ধ শুরু হতো না। প্রবাসী সরকার গঠন হওয়ার অনেক আগেই ৪ এপ্রিল হবিগঞ্জের তেলিয়াপাড়ায় জিয়াউর রহমান, এমএজি ওসমানীসহ সেক্টর কমান্ডাররা সবাই বসে বৈঠক করে ‘ন্যাশনাল কমান্ড ফর লিবারেশন ওয়ার’ তৈরি করেন।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতি ইঙ্গিত করে মির্জা ফখরুল বলেন, ২৫ ও ২৬ মার্চের সঙ্গে জিয়াউর রহমানকে জড়িয়ে দেওয়া বক্তব্য হাস্যকর ছাড়া কিছু নয়। এটা কেউ বিশ্বাস করবেন না। এটার কোনো প্রমাণ সরকারপ্রধান দেখাতে পারবেন না। কোনো নেতাকে ছোট বা কাউকে বড় করার জন্য নয়, স্বাধীনতা অর্জনে যার যে অবদান আছে, তা আমরা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে চাই।

মির্জা ফখরুল বলেন, অবশ্যই আওয়ামী লীগের বিরাট অবদান আছে। ১৯৭১ সালের তাদের যে অবদান, তা কেউ কোনোদিন অস্বীকার করে না। কিন্তু তারা যখন অন্যদের অবদানকে অস্বীকার করে, তা আমরা কোনোমতেই মেনে নিতে পারি না। জিয়ার খেতাব তুলে নেবে, নিক। তাতে কিছু আসে যায় না। জিয়া এ দেশের মানুষের অন্তরে রয়েছেন।

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, আমরা ৭ মার্চ পালন করেছি। তাতে আওয়ামী লীগের গাত্রদাহ শুরু হয়েছে।

জিয়াউর রহমানকে নিয়ে দেওয়া বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, এরকম অসত্য ভাষণ জাতির জন্যও লজ্জাকর।

জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) নেতা মোস্তফা জামাল হায়দার বলেন, স্বাধীনতা এক দিনে, কারও একক প্রচেষ্টায় আসেনি। তাই কেউ এককভাবে এর কৃতিত্ব দাবি করতে পারেন না।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ বলেন, একাত্তরের ৯ মার্চ মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম শুরু করার জন্য পল্টন ময়দানে আহ্বান জানিয়েছিলেন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / এম কে আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - স্বাস্থ্য