a
ফাইল ছবি
আজারবাইজানের প্রতিরক্ষামনন্ত্রী কর্নেল জেনারেল জাকির হাসানভ সাম্প্রতিক ঘটনাবলীর প্রেক্ষাপটে সেনাবাহিনীকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি সেন্ট্রাল কমান্ড পোস্টে এক সভায় এই নির্দেশনা জারি করেন। খবর ইয়েনি সেফাক এর।
সীমান্তে আর্মেনিয়ান সেনাবাহিনী উসকানিমূলক কার্যক্রম চালাচ্ছে বলে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছে আজারবাইজান। জেনারেল জাকির বলেন, সীমান্তে আর্মেনিয়ানদের কাছ থেকে যেকোনো ধরনের উস্কানি সাথে সাথে দমন করা হবে।
এর আগে, গত বৃহস্পতিবার আর্মেনিয়ান সৈন্যরা কালবাজার অঞ্চলে আবারো আজারবাইজান অবস্থানগুলোতে গুলিবর্ষণ করে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে। উল্লেখ্য, সাবেক সোভিয়েত এই দুই দেশের মধ্যকার উত্তেজনা এখনো বহাল রয়েছে।
উত্তেজনা শুরু হয় ১৯৯১ সালে। সেসময় আর্মেনিয়ান সামরিক বাহিনী আপার কালবাজার নামে পরিচিত নাগারনো-কারাবাখ দখল করে নিলে উত্তেজনা শুরু হয়। সর্বশেষ গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত ৪৪ দিনের যুদ্ধে আজারবাইজান বাহিনী বেশ কয়েকটি নগরী ও প্রায় ৩০০টি বসতি মুক্ত করে। এরপর রাশিয়ার মধ্যস্ততায় দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতি হয়। কিন্তু এখনো দুই দেশের সীমান্তে মাঝে মাঝেই উত্তেজনা বিরাজ করছে।
ফাইল ছবি
তখন ২০০৬ সাল। এক নারী আইপিএস কর্মকর্তা হঠাৎ করেই ভারতজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রে চলে আসেন। বিজেপির এক বিধায়ককে প্রকাশ্যে চড় মারতে কার্পণ্য করেননি।
বিজেপির সেই চড় খাওয়া বিধায়ক বর্তমানে কর্নাটকের মন্ত্রী। নাম রেণুকাচার্য। ঘটনার দিন তিনি কংগ্রেস বিরোধী একটি প্রতিবাদ বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিলেন। পুলিশ বারবার অনুরোধ করলেও রাস্তা ছাড়তে রাজি হননি তিনি।
বিধায়ক কথা না শুনার কারনে তাকে চড় মারেন নারী এই পুলিশ কর্মকর্তা। গ্রেফতারও করেন তাকে। অভিযোগ রয়েছে, ওই নারীকে গালিগালাজ করেছিলেন বিধায়ক।
ওই একটি ঘটনাই গোটা ভারতে পরিচিতি এনে দেয় নারী আইপিএসকে। তার নাম সোনিয়া নারং। যদিও পুলিশ মহল তাকে চেনে ‘আয়রন লেডি’ নামে।
হাসিমুখের আড়ালে সোনিয়ার দৃঢ়চিত্ততা বিস্ময়ের কারণ। পুলিশ মহলে তাকে নিয়ে চালু রয়েছে নানা কাহিনিও।
চণ্ডীগড়ের মেয়ে তিনি। সোনিয়ার আদর্শ তার বাবা এ এন নারং। পুলিশের ডেপুটি সুপার হিসেবে অবসর নেন তিনি। সোনিয়া জানিয়েছেন, বাবাকে দেখেই আইপিএস হওয়ার ইচ্ছে হয়েছিল তার। তাকেই তিনি নিজের আদর্শ মনে করেন।
সমাজের চোখে পুলিশ কর্মকর্তার সম্মান এবং তার সমাজ বদলানোর ক্ষমতা আকৃষ্ট করেছিল সোনিয়াকে। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েই ইউপিএসসির প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছিলেন তিনি।
পড়াশোনায় বরাবরই মেধাবী সোনায়িা। উচ্চ মাধ্যমিকে শীর্ষ স্থান পেয়েছিলেন। পরে পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজবিজ্ঞানে পড়ে স্বর্ণ পদক পেয়ে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।
২০০৬ সালের ঘটনাটি যখন ঘটে সোনিয়া তখন কর্নাটকের দেবাঙ্গেরের পুলিশ সুপার। দু’বছর হলো যোগ দিয়েছেন পুলিশ সার্ভিসে। বয়স সবে ২৭ বছর।
তবে কম বয়স বা অভিজ্ঞতা সঠিক পদক্ষেপ করার ক্ষেত্রে দ্বিধাগ্রস্ত করেনি সোনিয়াকে। বিধায়ককে চড় মারার ঘটনায় রাজনৈতিক মহলের একাংশ তার বিরুদ্ধে খড়্গহস্ত হয়েছিল। স্বয়ং বিধায়ক রেণুকাচার্য তার বদলির জন্য উঠেপড়ে লেগেছিলেন কিন্তু শেষ পর্যন্ত সফল হননি।
সোনিয়া বলেছিলেন, সততা এবং পরিশ্রম এই দু’টি বিষয় প্রশাসনিক ক্ষেত্রে থাকাটা অত্যন্ত জরুরি। এই দু’টি ক্ষেত্রে ঠিক থাকলে কেউ আটকাতে পারবে না।
২০০৪ সালে পুলিশ বিভাগে কর্মজীবন শুরু সোনিয়ার। ২৫ বছরের শিক্ষানবিশ পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রথমেই পাঠানো হয়েছিল কর্নাটকের গুলবর্গা জেলায়। গুলবার্গ অপরাধমূলক কার্যকলাপের জন্য কুখ্যাত। সেখানে তাকে ভোট পরিচালনার দায়িত্ব দিয়ে পাঠানো হয়। গুলবার্গে সোনিয়ার সুষ্ঠু ভোট পরিচালনা পুলিশ মহলের প্রশংসা পায়।
বরাবরই কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড় করানো হয়েছে সোনিয়াকে। প্রতি বারই সেই চ্যালেঞ্জ নিয়েছেন, সসম্মানে উতরেও গেছেন।
২০০৬ সালের ঘটনার পর তাকে সাম্প্রদায়িক সমস্যাসঙ্কুল বেলগামে পুলিশ সুপারের দায়িত্ব দিয়ে পাঠানো হয় । বেলগামের মতো এলাকায় তিনিই ছিলেন প্রথম নারী পুলিশ সুপার।
দিন রাত এলাকায় ঘুরে ঘুরে সমাজবিরোধীদের খুঁজে বের করে তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিয়েছিলেন সোনিয়া। সোনিয়ার এই পদক্ষেপে ভয় পেয়ে এলাকা ছেড়েছিল বহু অপরাধী।
২০১৩ সালে সরাসরি কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রীকেই চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বসেন সোনিয়া। কর্নাটকে তখন কংগ্রেসের সরকার। মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া ১৬ হাজার কোটি টাকার খনি কেলেঙ্কারিতে সোনিয়ার নাম করেছিলেন।
মুখ্যমন্ত্রীর ওই মন্তব্যের জবাব সর্বসমক্ষেই দেন সোনিয়া। ২০১৩ সালে তখন তিনি বেঙ্গালুরুর দক্ষিণ শাখার ডেপুটি কমিশনার। বেঙ্গালুরুর ইতিহাসে তিনিই দ্বিতীয় নারী পুলিশ কমকর্তা, যাকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।
দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি সাধারণত অভিযোগকারী রাজনৈতিক পদাধিকারীর সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে দেখা করেই মিটিয়ে নেন পুলিশ কর্মকর্তারা। সোনিয়া কিন্তু সেই পথ ধরেননি।
তিনি প্রকাশ্যে একটি বিবৃতি জারি করে লেখেন, খবরের কাগজ মারফৎ জানতে পেরেছি মুখ্যমন্ত্রী আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছেন। যে খনি কেলেঙ্কারির দায় তিনি আমার ওপর চাপিয়েছেন তা সত্য নয়। যে সমস্ত এলাকায় ওই ঘটনা ঘটেছে, সেখানে কোনও দিন আমি দায়িত্বে ছিলামই না। তাহলে আমার নাম আসছে কোথা থেকে। এমনকি আমি খনি দফতরের দায়িত্বেও ছিলাম না কখনও। তবে মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগের বিরুদ্ধে আমি আইনি পথেই লড়তে চাই। কারণ আমি জানি আমি সৎ।
সোনিয়ার এই উত্তরে অপ্রস্তুত হয়ে পড়েন সিদ্দারামাইয়া। আইপিএস হিসেবে সোনিয়ার কর্মজীবনের আরেকটি পালক লোকায়ুক্ত অফিসের দুর্নীতি ফাঁস করে দেওয়া।
দুর্নীতি দমনের জন্য তৈরি লোকায়ুক্তের অন্দরেই চলছিল দুর্নীতি। সোনিয়ার বদৌলতে তা প্রকাশ্যে আসে। দায়িত্বে থাকা সাবেক বিচারপতি ওয়াই ভাস্কর পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। গ্রেফতার হন তার ছেলে ওয়াই অশ্বিনও। সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা/বিডি প্রতিদিন
সংগৃহীত ছবি
বিএনপির মেয়াদোত্তীর্ণ ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার নির্বাহী কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে আমানউল্লাহ আমানকে আহ্বায়ক এবং আমিনুল হককে সদস্য সচিব করে দল ঘোষণা করা হয়েছে।
সোমবার দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিএনপির ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার ৪৭ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন করেন।
ঢাকা মহানগর উত্তর আহ্বায়ক কমিটি:
১. আহ্বায়ক আমানউল্লাহ আমান
২. যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল আলী নকি, গুলশান
৩. যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার, তেজগাঁও
৪. যুগ্ম আহ্বায়ক আতিকুল ইসলাম মতিন, মোহাম্মদপুর
৫. যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান সেগুন, বিমানবন্দর
৬. যুগ্ম আহ্বায়ক ফেরদৌসি আহমেদ মিষ্টি, সাবেক কাউন্সিলর
৭. যুগ্ম আহ্বায়ক এ জি এম শামসুল হক, বাড্ডা
৮. যুগ্ম আহ্বায়ক মোয়াজ্জেম হোসেন মতি, কাফরুল
৯. যুগ্ম আহ্বায়ক আতাউর রহমান চেয়ারম্যান, ভাটারা
১০. যুগ্ম আহ্বায়ক আক্তার হোসেন, খিলক্ষেত
১১. যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম মোস্তফা, তুরাগ
১২. সদস্য সচিব আমিনুল হক রুপনগর
১৩. সদস্য তাবিথ আউয়াল, গুলশান
১৪. সদস্য ফয়েজ আহমেদ ফরু, রামপুরা
১৫. সদস্য শাহিনুর আলম মারফত, খিলক্ষেত
১৬. সদস্য আলহাজ্ব আবুল হাসেম, আদাবর
১৭. সদস্য মাহফুজুর রহমান, বাড্ডা
১৮. সদস্য আলাউদ্দিন সরকার টিপু, বিমানবন্দর
১৯. সদস্য তুহিনুল ইসলাম তুহিন, বাড্ডা
২০. সদস্য হাফিজুর রহমান ছাগির, উত্তরা পশ্চিম
২১. সদস্য সোহেল রহমান, মোহাম্মদপুর
২২. সদস্য এ্যাড: মো. আক্তারুজ্জামান, আদাবর
২৩. সদস্য আবুল হোসেন আব্দুল, মিরপুর
২৪. সদস্য মো. শাহ্ আলম, শেরে-বাংলানগর
২৫. সদস্য এল রহমান, তেজগাঁও
২৬. সদস্য আফাজ উদ্দিন, উত্তরা পশ্চিম
২৭. সদস্য আহসান হাবিব মোল্লা, উত্তর খান
২৮. সদস্য সালাম সরকার, উত্তরা পূর্ব
২৯. সদস্য গোলাম কিবরিয়া মাখন, ভাষাণটেক
৩০. সদস্য এ বি এম রাজ্জাক, মিরপুর
৩১. সদস্য তারিকুল ইসলাম তালুকদার, ক্যান্টনমেন্ট
৩২. সদস্য হাজী মো. ইউসুফ, মোহাম্মদপুর
৩৩. সদস্য আলী আকবর আলী, দক্ষিণ খান
৩৪. সদস্য আহসান উল্লা চৌধুরী হাসান, কাফরুল
৩৫. সদস্য মিজানুর রহমান বাচ্চু, বনানী
৩৬. সদস্য হুমায়ন কবির রওশন, শাহ আলী
৩৭. সদস্য আমজাদ হোসেন মোল্লা, রূপনগর
৩৮. সদস্য রেজাউর রহমান ফাহিম, বনানী
৩৯. সদস্য মাহবুব আলম মন্টু, পল্লবী
৪০. সদস্য হাফিজুর হাসান শুভ্র, দারুস-সালাম
৪১. সদস্য জাহাঙ্গীর মোল্লা, বাড্ডা
৪২. সদস্য আজহারুল ইসলাম সেলিম, ভাটারা
৪৩. সদস্য শফিকুল ইসলাম শাহিন, গুলশান
৪৪. সদস্য আফতাব উদ্দিন জসিম, শেরে-বাংলানগর
৪৫. সদস্য মো. হানিফ মিয়া শাহ্ আলী
৪৬. সদস্য মো. মোজাম্মেল হোসেন সেলিম, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল
৪৭. সদস্য মো. জিয়াউর রহমান জিয়া, মিরপুর