a
ফাইল ছবি
আজারবাইজানের প্রতিরক্ষামনন্ত্রী কর্নেল জেনারেল জাকির হাসানভ সাম্প্রতিক ঘটনাবলীর প্রেক্ষাপটে সেনাবাহিনীকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি সেন্ট্রাল কমান্ড পোস্টে এক সভায় এই নির্দেশনা জারি করেন। খবর ইয়েনি সেফাক এর।
সীমান্তে আর্মেনিয়ান সেনাবাহিনী উসকানিমূলক কার্যক্রম চালাচ্ছে বলে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছে আজারবাইজান। জেনারেল জাকির বলেন, সীমান্তে আর্মেনিয়ানদের কাছ থেকে যেকোনো ধরনের উস্কানি সাথে সাথে দমন করা হবে।
এর আগে, গত বৃহস্পতিবার আর্মেনিয়ান সৈন্যরা কালবাজার অঞ্চলে আবারো আজারবাইজান অবস্থানগুলোতে গুলিবর্ষণ করে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে। উল্লেখ্য, সাবেক সোভিয়েত এই দুই দেশের মধ্যকার উত্তেজনা এখনো বহাল রয়েছে।
উত্তেজনা শুরু হয় ১৯৯১ সালে। সেসময় আর্মেনিয়ান সামরিক বাহিনী আপার কালবাজার নামে পরিচিত নাগারনো-কারাবাখ দখল করে নিলে উত্তেজনা শুরু হয়। সর্বশেষ গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত ৪৪ দিনের যুদ্ধে আজারবাইজান বাহিনী বেশ কয়েকটি নগরী ও প্রায় ৩০০টি বসতি মুক্ত করে। এরপর রাশিয়ার মধ্যস্ততায় দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতি হয়। কিন্তু এখনো দুই দেশের সীমান্তে মাঝে মাঝেই উত্তেজনা বিরাজ করছে।
সংগৃহীত ছবি
করোনা প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় জাপানে কয়েকটি অঞ্চলে জরুরি অবস্থার মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। টোকিও, ওসাকা, হোগো ও কিওটোতে ১১ মে জরুরি অবস্থা শেষ হওয়ার কথা ছিল।কিন্তু এখন তা বাড়িয়ে মাসের শেষ পর্যন্ত করা হয়েছে। খবর-বিবিসির
জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিহিদে সুগা জানিয়েছেন, আইচি ও ফুকুওকাকেও জরুরি অবস্থার আওতাভুক্ত করা হয়েছে। জরুরি অবস্থার মেয়াদ বাড়ানো নিয়ে জাপান সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশটিতে নির্ধারিত সময়ে অলিম্পিকের আয়োজন নিয়েও সন্দেহ তৈরি করেছে।
করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে দীর্ঘদিন ধরে জাপানে জরুরি অবস্থা জারি রয়েছে।জরুরি অবস্থার আওতায় বন্ধ থাকবে পানশালা ও রেস্তোরাঁগুলো। এছাড়া সিনেমা হল ও কারাওকে পার্লারের মতো স্থানগুলোও বন্ধ রাখতে হবে।
সংক্ষিপ্ত কিন্তু শক্তিশালী এই জরুরি অবস্থা জারির মাধ্যমে জাপান সরকার দেশে মহামারি করোনার চুতর্থ ঢেউ ঠেকানোর ব্যাপারে আশাবাদী বলে মন্তব্য করেছেন করোনা প্রাদুর্ভাবের মধ্যে দায়িত্ব নেওয়া জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিহিদে সুগা।
ফাইল ছবি । ডা. দীপু মনি
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, ‘চলতি বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা সংক্ষিপ্ত আকারে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব না হলে বিকল্প চিন্তা করা হচ্ছে।’
আজ রবিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিয়েছিলাম, কিন্তু করোনা পরিস্থিতি বেড়ে যাওয়ায় সেই সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে আসতে বাধ্য হই। এখনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার প্রস্তুতি রয়েছে, তবে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে স্কুল-কলেজ খুলে পাঠদান কার্যক্রম শুরু করা হবে।’
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘পরীক্ষা নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই, তোমরা বাসায় বসে নিয়মিত পড়ালেখা করে সিলেবাস শেষ করবে। তার সঙ্গে সুস্থ থাকতে হবে। জীবন থেকে এক বছর চলে গেলেও কিছু হবে না, তার চাইতে সুস্থ থাকাটা বড় বিষয়।’
এর আগে প্রেসক্লাবে স্বপ্ন ফাউন্ডেশন আয়োজিত শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেব উপস্থিত ছিলেন ডা. দীপু মনি।