a
ফাইল ছবি
আফগানিস্তানের প্রধান তিন শহর হেরাত, লস্কর গাহ ও কান্দাহার ঘেরাও করে রেখেছে তালেবানরা। শহর তিনটি দখলে নিতে সরকারি বাহিনীর সঙ্গে ব্যাপক লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। দুই পক্ষের সংঘর্ষে প্রাণ বাঁচাতে শহর ছেড়ে পালাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। এরই মধ্যে লস্কর গাহ শহরের বেশিরভাগ এলাকা তালেবানের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে।
দুই পক্ষের তীব্র লড়াইয়ের কারণে শহর তিনটিতে তীব্র মানবিক সংকট দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছে মানবাধিকার সংগঠনগুলো। তারা বলছে দ্রুত সংঘাত বন্ধ করে এসব এলাকায় ত্রাণ সরবরাহ করা জরুরি বলেও জানানো হয়।
এদিকে লস্কর গা শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে বিমান হামলা চালিয়েছে আফগান বিমান বাহিনী। এতে একজন নিহত ও তিনজন আহত হয়েছেন। হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে আফগান সামরিক বাহিনী।
আফগান সেনাবাহিনীর দাবি, ওই হাসপাতালে আহত তালেবান সদস্যদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। তবে হাসপাতালটির মালিক এসব দাবি তা অস্বীকার করেছে। সূত্র: বিবিসি
ফাইল ছবি
লেবাননের ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন হিজবুল্লাহ বলেছে, ফিলিস্তিনিদের 'সোর্ড অব কুদস' অভিযানে প্রমাণিত হয়েছে দখলদার ইসরায়েলের শক্তি মাকড়সার জালের চেয়েও দুর্বল।
লেবাননের হিজবুল্লাহ এই সংগঠনটি আজ শুক্রবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেছে।
হিজবুল্লাহ আরও বলেছে, আমরা দখলদার ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বিজয়ে ফিলিস্তিনিদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। এবারের 'সোর্ড অব কুদস' শীর্ষক প্রতিরোধ সংগ্রাম ইহুদিবাদী শত্রুদের ওপর নতুন সমীকরণ চাপিয়ে দিয়েছে। সংগঠনটি দাবি করে, এই বিজয় এই অঞ্চলের ভবিষ্যৎ সংঘাতের ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলবে। এর মধ্য দিয়ে সামরিক ও নিরাপত্তা ক্ষেত্রে ইসরাইলের নানা দুর্বলতা স্পষ্ট ফুটে উঠেছে।
বিবৃতিতে হিজবুল্লাহ আরও বলেছে অদূর ভবিষ্যতে গোটা ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড মুক্ত হবে।
উল্লেখ্য, ১১ দিন বীরত্বপূর্ণ প্রতিরোধের মুখে দখলদার ইসরায়েল ফিলিস্তিনিদের শর্ত মেনে যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে। লেবাননের হিজবুল্লাহ প্রথম দিন থেকেই ফিলিস্তিনিদের আন্দোলনে সমর্থন ও বিভিন্নভাবে সহযোগিতা দিয়ে আসছে। সূত্র: পার্সটুডে
ফাইল ছবি
ফিলিস্তিনিদের পক্ষে বিক্ষোভ করায় নিজেদের এমপিকেও ছাড়ল না ইসরায়েলি পুলিশ। পূর্ব জেরুজালেমে ফিলিস্তিনিদের জমি অধিগ্রহণের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে অংশ নেওয়ায় ওই এমপি-কে বেদম প্রহার করেছে ইসরায়েলি পুলিশ।
গত শুক্রবার তাকে মারধরের ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে।
বার্তা সংস্থার এপির তথ্যমতে, ভুক্তভোগীর নাম ওফার কাসিফ। তিনি ইসরায়েলি সংসদ নেসেটে আরব দলগুলোর জোট ‘জয়েন্ট লিস্ট’-এর একমাত্র ইহুদি সদস্য।
ভিডিওতে দেখা যায়, কাসিফকে পুলিশ ঘুষি মারছে, ঘাড় চেপে ধরছে, মাটিতে টেনে হিচড়ে নিয়ে যাচ্ছে। একপর্যায়ে পুলিশের এক কমকর্তা সংসদ সদস্যের বুকে হাটু গেড়ে বসে।
পিটুনিতে এমপি কাসিফের চোখ মুখ ফুলে ওঠে এবং শার্ট ছিড়ে যায়।
জয়েন্ট লিস্টের আরেক এমপি আহমদ তিবি এ ঘটনাকে ‘নির্দয় হামলা’ বলে উল্লেখ করেন এবং বলেন এটা সংসদীয় সুরক্ষার লঙ্ঘন।
এদিকে ইসরায়েলি পুলিশ দাবি করেছে, এমপি কাসিফই তাদের ওপর আক্রমণ করেছিলেন। একারণে পুলিশ ‘সহনীয় শক্তি’ প্রয়োগ করেছে এবং পরিচয় জানার পরপরই তাকে ছেড়ে দিয়েছে।
এদিকে এই ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন জেরুজালেম পুলিশের প্রধান ডোরন তুর্গম্যান।
১৯৬৭ সালের যুদ্ধে পূর্ব জেরুজালেম দখল করে নেয় ইহুদীবাদী ইসরায়েল। এরপর তারা এই শহরকে নিজেদের রাজধানী হিসেবে দাবি করে আসছে। এজন্য বিভিন্ন সময়ে ইসরায়েলিরা ফিলিস্তিনি ভূমি অধিগ্রহণ করে ইহুদি বসতি স্থাপনের উদ্যোগ নেয়। কিন্তু ফিলিস্তিনিদের দাবি, শহরটি তাদের ভবিষ্যৎ ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের রাজধানী হবে।