a
ফাইল ছবি
আফগানিস্তানের প্রধান তিন শহর হেরাত, লস্কর গাহ ও কান্দাহার ঘেরাও করে রেখেছে তালেবানরা। শহর তিনটি দখলে নিতে সরকারি বাহিনীর সঙ্গে ব্যাপক লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। দুই পক্ষের সংঘর্ষে প্রাণ বাঁচাতে শহর ছেড়ে পালাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। এরই মধ্যে লস্কর গাহ শহরের বেশিরভাগ এলাকা তালেবানের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে।
দুই পক্ষের তীব্র লড়াইয়ের কারণে শহর তিনটিতে তীব্র মানবিক সংকট দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছে মানবাধিকার সংগঠনগুলো। তারা বলছে দ্রুত সংঘাত বন্ধ করে এসব এলাকায় ত্রাণ সরবরাহ করা জরুরি বলেও জানানো হয়।
এদিকে লস্কর গা শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে বিমান হামলা চালিয়েছে আফগান বিমান বাহিনী। এতে একজন নিহত ও তিনজন আহত হয়েছেন। হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে আফগান সামরিক বাহিনী।
আফগান সেনাবাহিনীর দাবি, ওই হাসপাতালে আহত তালেবান সদস্যদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। তবে হাসপাতালটির মালিক এসব দাবি তা অস্বীকার করেছে। সূত্র: বিবিসি
ফাইল ছবি:প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবান
আমেরিকাবিহীন ন্যাটো গঠনের দাবি তুললেন বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক জোটের অন্যতম সদস্য হাঙ্গেরি।
দেশটির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবান বলেছেন, ইউরোপের জন্য নতুন সামরিক জোটের প্রয়োজন রয়েছে যেখানে আমেরিকার অযাচিত কোনও প্রভাব থাকবে না।
বৃহস্পতিবার সুইজারল্যান্ডের একটি ম্যাগাজিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।
হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী সরাসরি বলেন, আমেরিকা ইউরোপকে একটি যুদ্ধের ভিতর ঠেলে দিচ্ছে যাতে জেতা সম্ভব হবে না এবং যেখানে বিশ্বযুদ্ধের ঝুঁকি রয়েছে। এই অবস্থায় সমাধান হচ্ছে আমেরিকা মুক্ত ইউরোপীয় ন্যাটো জোট গঠন করা।
তিনি আরও বলেন, আমেরিকার প্রভাবকে আরও বিস্তৃত করার আকাঙ্ক্ষার কারণেই রাশিয়া এবং পশ্চিমাদের মধ্যে বর্তমান উত্তেজনা সৃষ্টি এবং তা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী বলেন, ন্যাটো জোটকে পূর্ব ইউক্রেন এবং জর্জিয়ায় বিস্তৃত করার পরিকল্পনা থেকেই মস্কো উদ্বিগ্ন। রাশিয়ার সামরিক অভিযান শুরুর কয়েক সপ্তাহ আগে ভিক্টর অরবান রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের সাথে আলোচনা করেন এবং সে আলোচনায় মস্কোর এমন উদ্বেগের কথা উঠে আসে।
ভিক্টর অরবান বলেন, পুতিন তাকে বলেছিলেন যে, পোল্যান্ড এবং রোমানিয়ায় আমেরিকা যে ন্যাটো ঘাঁটি গড়ে তুলেছে তাই পশ্চিমাদের সঙ্গে তার দ্বন্দ্বের কারণ হয়ে উঠেছে। সূত্র: আরটি, ফার্স্টপোস্ট
ফাইল ছবি
দেশে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গুজ্বর আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। বিশেষ করে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। এ জন্য ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের ১১টি এলাকাকে ‘রেড জোন’ ঘোষণা করেছে স্থানীয় সরকার।
দুই সিটি কর্পোরেশনে যে ১১টি এলাকাকে রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে তার মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) রয়েছে ৬টি এলাকা এবং উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ৫টি এলাকা।
এগুলো হলো- যাত্রাবাড়ী, মুগদা, কদমতলী, জুরাইন, মানিকনগর, সবুজবাগ, উত্তরা, মোহাম্মদপুর, মিরপুর, তেজগাঁও ও বাড্ডা।
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকেই নানান ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তা সত্ত্বেও ঢাকায় এডিস মশাবাহিত এ রোগের প্রকোপ স্মরণকালের ভয়াবহ পরিস্থিতি পার করছে। চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সারাদেশে এখন পর্যন্ত ৩০ হাজার ৬৮৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আর ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে ১৬৭ জনের।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মতে, রাজধানীর ১৮ শতাংশ বাড়িতে এডিস মশার লার্ভার উপস্থিতি পাওয়া গেছে। সাধারণত কোনো এলাকার ৫ শতাংশ বাড়িতে লার্ভা পাওয়া গেলে ওই পরিস্থিতিকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। সূত্র: ইত্তেফাক