a আফগানিস্তানের প্রধান ৩ শহর ঘেরাও করে আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ
ঢাকা শুক্রবার, ২৫ পৌষ ১৪৩২, ০৯ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

আফগানিস্তানের প্রধান ৩ শহর ঘেরাও করে আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ০১ আগষ্ট, ২০২১, ১০:২১
আফগানিস্তানের প্রধান ৩ শহর ঘেরাও করে আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ

ফাইল ছবি

আফগানিস্তানের প্রধান তিন শহর হেরাত, লস্কর গাহ ও কান্দাহার ঘেরাও করে রেখেছে তালেবানরা। শহর তিনটি দখলে নিতে সরকারি বাহিনীর সঙ্গে ব্যাপক লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। দুই পক্ষের সংঘর্ষে প্রাণ বাঁচাতে শহর ছেড়ে পালাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। এরই মধ্যে লস্কর গাহ শহরের বেশিরভাগ এলাকা তালেবানের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে।

দুই পক্ষের তীব্র লড়াইয়ের কারণে শহর তিনটিতে তীব্র মানবিক সংকট দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছে মানবাধিকার সংগঠনগুলো। তারা বলছে দ্রুত সংঘাত বন্ধ করে এসব এলাকায় ত্রাণ সরবরাহ করা জরুরি বলেও জানানো হয়।
 
এদিকে লস্কর গা শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে বিমান হামলা চালিয়েছে আফগান বিমান বাহিনী। এতে একজন নিহত ও তিনজন আহত হয়েছেন। হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে আফগান সামরিক বাহিনী।
 
আফগান সেনাবাহিনীর দাবি, ওই হাসপাতালে আহত তালেবান সদস্যদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। তবে হাসপাতালটির মালিক এসব দাবি তা অস্বীকার করেছে। সূত্র: বিবিসি 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

বাখমুতের ৭৫ ভাগ এখন রাশিয়ার দখলে


আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৩, ০২:৩৩
বাখমুতের ৭৫ ভাগ এখন রাশিয়ার দখলে

ফাইল ছবি

দোনবাস অঞ্চলের যুদ্ধবিধ্বস্ত বাখমুত শহর এখন ৭৫ ভাগ রুশ সেনাদের হাতে বলে জানান ওই অঞ্চলের প্রধান নেতা দেনিস পুশিলিন। সোমবার রাশিয়ার পক্ষ থেকে নিয়োগ করা দোনবাস অঞ্চলের প্রধান নেতা এই দাবি করেছেন।

গত কয়েক মাস ধরে বাখমুত শহর ছিল রাশিয়ার সেনাদের হামলার প্রধান লক্ষ্যবস্তু। এই শহরের ওপর রাশিয়া ব্যাপকভাবে হামলা চালিয়ে শহরটি দখলের চেষ্টা করলেও তাতে পুরোপুরি সফল হতে পারেনি তারা। দীর্ঘদিন ধরে ইউক্রেনের সেনারা এ শহরের মধ্যে অবরুদ্ধ অবস্থায় প্রতিরোধ চালিয়ে যাচ্ছিল। শহরটির বেশিরভাগ অধিবাসী এরইমধ্যে অন্যত্রে চলে গেছে।

বর্তমানে বাখমুত শহরের যুদ্ধ-বিধ্বস্ত অংশবিশেষ সফরের পর পুশিলিন রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন চ্যানেল রসিয়া-২৪কে এসব কথা বলেন। তবে তিনি সতর্কবার্তা উচ্চারণ করে বলেন, এই শহরের পূর্ণাঙ্গ পতনের বিষয়ে এখনই কোনো কথা বলা যাবে না।

২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত গণভোটের মাধ্যমে রাশিয়া দোনেৎস্ক, লুহানস্ক, খেরসন ও জাপোরিঝিয়া অঞ্চলকে নিজের ভূখণ্ডের সঙ্গে একীভূত করে। কিন্তু এখন পর্যন্ত এসব অঞ্চলের বেশিরভাগ এলাকা ইউক্রেনের দখলে রয়েছে। সেক্ষেত্রে বাখমুত শহর দখল করা রাশিয়ার জন্য এখন বেশ জরুরি হয়ে পড়েছে। শহরটি দখল করতে পারলে রুশ সেনাদের মনোবল অনেক বেড়ে যাবে এবং তাদের সামনে এগিয়ে যাওয়া সহজ হবে।

অন্যদিকে কৌশলগত দিক দিয়ে খুব গুরুত্বপূর্ণ না হলেও বাখমুত শহরের সম্ভাব্য পতনকে ইউক্রেন তাদের জন্য বড় রকমের আঘাত বলে বিবেচনা করছে সব পক্ষ। সূত্র: সিএনএন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

অনেক ভালো ফলাফলের পরও বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কেন শিক্ষকতা করিনি


আরাফাত আলম, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ০৬ মে, ২০২৫, ০৬:১৫
অনেক ভালো ফলাফলের পরও বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কেন শিক্ষকতা করিনি

ছবি সংগৃহীত

অনেক ভালো ফলাফলের পরও বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে কেন শিক্ষকতা করিনি যেখান থেকে আমি অনেক বেশি অর্থ উপার্জন করতে পারতাম, এই ধরনের মন্তব্য অনেকেরই। কেন আমি কানাডায় চলে এসেছি তার অনেক কারণ রয়েছে। একটি উন্নত দেশে আসার জন্য সবারই স্বপ্ন থাকে। প্রায় প্রত্যেকটি বাবা-মা ই চান সন্তানকে বিদেশে পাঠাতে সেটা উচ্চশিক্ষার জন্যেই হোক বা চাকরি র কারণেই হোক অথবা সুন্দর এবং নিরাপদ একটি দেশে বসবাস করার জন্যে ই হোক। আর কানাডার মত একটি সশৃংখল নিরাপদ দেশে আসা তো প্রায় সবারই স্বপ্ন থাকে। আমিও সেই স্বপ্নের বহির্ভূত নই। তারপরও শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত থেকে বাংলাদেশকে আরো অনেক কিছুই দেওয়ার ইচ্ছে ছিল। তবে আমার ১২ বছরের শিক্ষকতার জীবনে অনেক ছাত্র গড়েছি। আলহামদুলিল্লাহ। আমার সর্বশেষ পোস্টটিতে অনেকের মতোই খন্দকার মোস্তফা কামাল আমাকে একটি কমেন্ট করেছিলেন তার রিপ্লাই দিতে গিয়ে রিপ্লাই টা এত বড় হয় যে রিপ্লাই হিসেবে সেটিকে পোস্ট করতে পারছিলাম না। ৮০০ অক্ষরের বেশি হলে রিপ্লাই ফেইল্ড হয় তাই এখানে পোস্ট করলাম যাতে অন্যান্যরাও যারা ভাবেন আমি  শিক্ষকতা করে বাংলাদেশে আরো অবদান রাখতে পারতাম, কেন আমি কানাডায় চলে এসেছি? তাদের কৌতুহল মেটাতে আমার রিপ্লাই থেকে জেনে নিতে পারেন।

Khondker Mostafa Kamal আপনি বেশি বলে ফেলেননি তবে অনেক কিছু না জেনে আপনার মত করে আপনি বলে গেছেন, আপনার না জানারই কথা কারণ এগুলো আমার না বলা কিছু কথা, যার কারণে আপনার পক্ষে সবকিছু জানা সম্ভবও নয়। আসলে আমি সিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজে কর্মরত অবস্থায় যখন এমফিল করছিলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মনোবিজ্ঞান বিভাগে তখন পরপর দুবার বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরির জন্য এপ্লাই করেছি। (সঙ্গত কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) ওই সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের পদে আবেদনের জন্য যে শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকা প্রয়োজন তা আমার ছিল। আমি এসএসসিতে স্টার মার্কস প্রাপ্ত এবং উচ্চমাধ্যমিকে মেয়েদের মধ্যে প্রথম স্থান এবং সম্মিলিত মেধাতালিকায় পঞ্চম স্থান অধিকার করেছিলাম। অনার্স, মাস্টার্সে ফার্স্ট ক্লাসসহ প্রথম স্থান অধিকার করেছি এবং এমফিল করেছি। আমার কিছু পাবলিকেশনও ছিল। ঐ সময়ে আমার চেয়েও কম যোগ্যতার মানুষকে বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল, যেহেতু তারা রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ছিল এবং রাজনৈতিক দলের বড় বড় ব্যক্তিত্বদের সাহায্য নিয়েছিল। আমার শ্বশুর এবং শাশুড়ি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন। আমার শাশুড়ি ডক্টর সুলতানা বানু আমারই বিভাগের চেয়ারম্যান পদে নিয়োজিত ছিলেন। কিন্তু নীতিগত কারণে আমরা কোন রাজনৈতিক দলের সাহায্য নেইনি। আমাদের সময়ে দলীয় সাহায্য ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢোকা সম্ভব ছিল না। এরপর আর একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে এপ্লাই করি এবং একইভাবে বঞ্চিত হই। এর দু বছর পর একটি সুনামধন্য প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় এ এপ্লাই করি, সেখানেও একই অবস্থা। ওই সময়ে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যানের (আমি সঙ্গত কারণেই নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) ভাইয়ের ছেলে আমার সঙ্গে একজন ক্যান্ডিডেট ছিলেন। আমার  ইন্টারভিউতে সিলেকশনের পর ডেমোনস্ট্রেশনও হয়ে গিয়েছিল। ডেমোনস্ট্রেশনের পর সিদ্ধান্ত হলো আমি এক সপ্তাহের ভেতরেই জয়েন করছি। আমার বেতন কত হবে, আমার ক'টা থেকে ক'টা পর্যন্ত সপ্তাহে কতদিন ক্লাস নিতে হবে, চিটাগংয়ের ব্রাঞ্চে জয়েন করলে দ্বিগুণ বেতন পাবো, আরো অনেক সুবিধা পাবো ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনাও হয়েছিল। তারপর এক সপ্তাহ, দু' সপ্তাহ হয়ে গেল জয়েনিং লেটার আসছিল না। খোঁজ নিয়ে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেল সিলেকশনের পুরো প্রক্রিয়াটাই বাতিল করে দেয়া হয়েছে। কারণ ওই চেয়ারম্যান দেশের বাইরে ছিলেন এবং তিনি দেশে ফিরে জানলেন তার ভাইয়ের ছেলেকে নিয়োগ দেয়া হয়নি। সে কারণে তিনি এই কাজটি করেছিলেন। 

এখানে আরেকটি কথা বলি, প্রথমবার যে বিশ্ববিদ্যালয় আবেদন করেছিলাম সেখানে  আমার বদলে যাদেরকে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল তাদের ব্রেক অফ স্টাডি ছিল এবং শিক্ষক হিসেবে তারা অনেক দুর্নাম কুড়িয়েছে। যে ছেলেটিকে নেওয়া হয়েছিল (আমি এখানে নাম উল্লেখ করছি না) তার বিরুদ্ধে নারী কেলেঙ্কারির কেস হয়েছিল কোন এক ছাত্রীর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কের জন্য। আর যে মেয়েটিকে নেয়া হয়েছিল সে আমারই সহপাঠী ছিল তার বিরুদ্ধেও ছাত্রী নির্যাতনের অনেক দুর্নাম রয়েছে। প্রশাসনিকভাবে তাকে চার্জশিট করা হয়েছিল কারণ সে একজন ছাত্রীকে সময় মত এসাইনমেন্ট জমা দেয়নি বলে মনোবৈজ্ঞানিক গবেষণাগারে তালা বন্দী করে রেখেছিল। এই ধরনের শিক্ষককে  নিয়োগ দেয়া হয়েছিল অথচ আমি মেধার দিক থেকেও তাদের চেয়ে যথেষ্ট যোগ্য ছিলাম এবং সিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজ থেকে আমি শ্রেষ্ঠ শিক্ষকের সম্মান অর্জন করেছিলাম। এখনো ছাত্রীরা আমাকে ভালোবাসে এবং আমার সঙ্গে যোগাযোগ রাখে।

এবার বলুন যে দেশ মেধার মর্যাদা দেয় না, সম্মানী দেয় না সে দেশের কাছে কি আশা করতে পারি? কানাডায় বিদেশি কোম্পানি গুলোকে আমার মেধা এবং শ্রম দিয়েছি এবং তারা আমাকে সম্মানিত করেছে। হয়তো এখানকার কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হইনি। এর পেছনেও কারণ ছিল আমার হাজবেন্ডের ব্রেইন স্ট্রোক এবং আমার সন্তান অনেক ছোট ছিল যার জন্য আমি পড়াশোনা শুরু করেও ছয় মাস পর অনেক ভালো রেজাল্ট করা সত্ত্বেও স্থগিত করতে হয়েছিল এবং সংসারের পুরো দায়িত্বটা আমাকেই নিতে তে হয়েছিল। যার কারনে আমি ছোট ছোট কিছু কোর্স করে নিয়েছিলাম এবং সেই অনুযায়ী চাকরি করেছি, শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করা হলো না। কিন্তু আমি যে চাকরিগুলো করেছি সেগুলো অনেক সম্মানের সাথেই করেছি এবং আর্থিকভাবে ও সফল হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ। এই দেশ যে কোনো শ্রমের মূল্য দেয়, সম্মান করে। আর শিক্ষকতার সঙ্গে একদমই যে নেই তা কিন্তু না। কানাডাতে আমি ডে কেআর এ শিক্ষকতা করেছি, এবং বর্তমানে এখানকার new Immigrants এর মধ্যে যারা ইংরেজিতে কথা বলতে পারে না এবং কমিউনিকেশন করতে পারেনা তাদের ইংলিশ  ও লিশকমিউনিকেশন স্কিল টিচার হিসেবে কাজ করছি।
 এবার নিশ্চয়ই আপনাদের কাছে অনেক কিছু পরিষ্কার হয়েছে। 


ধন্যবাদ

আপনাদের জন্যে শুভকামনা

....ফেসবুক পাতা থেকে 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক