a আফগানিস্তানের প্রধান ৩ শহর ঘেরাও করে আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ
ঢাকা শনিবার, ৪ মাঘ ১৪৩২, ১৭ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

আফগানিস্তানের প্রধান ৩ শহর ঘেরাও করে আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ০১ আগষ্ট, ২০২১, ১০:২১
আফগানিস্তানের প্রধান ৩ শহর ঘেরাও করে আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ

ফাইল ছবি

আফগানিস্তানের প্রধান তিন শহর হেরাত, লস্কর গাহ ও কান্দাহার ঘেরাও করে রেখেছে তালেবানরা। শহর তিনটি দখলে নিতে সরকারি বাহিনীর সঙ্গে ব্যাপক লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। দুই পক্ষের সংঘর্ষে প্রাণ বাঁচাতে শহর ছেড়ে পালাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। এরই মধ্যে লস্কর গাহ শহরের বেশিরভাগ এলাকা তালেবানের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে।

দুই পক্ষের তীব্র লড়াইয়ের কারণে শহর তিনটিতে তীব্র মানবিক সংকট দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছে মানবাধিকার সংগঠনগুলো। তারা বলছে দ্রুত সংঘাত বন্ধ করে এসব এলাকায় ত্রাণ সরবরাহ করা জরুরি বলেও জানানো হয়।
 
এদিকে লস্কর গা শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে বিমান হামলা চালিয়েছে আফগান বিমান বাহিনী। এতে একজন নিহত ও তিনজন আহত হয়েছেন। হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে আফগান সামরিক বাহিনী।
 
আফগান সেনাবাহিনীর দাবি, ওই হাসপাতালে আহত তালেবান সদস্যদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। তবে হাসপাতালটির মালিক এসব দাবি তা অস্বীকার করেছে। সূত্র: বিবিসি 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে ইসরায়েলের তেল শোধনাগারে


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
শনিবার, ০১ মে, ২০২১, ০৭:৪৭
ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে ইসরায়েলের তেল শোধনাগারে

প্রতিকী ছবি

ইসরায়েলের হাইফা নগরীর একটি তেল শোধনাগারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। গণমাধ্যম প্রাথমিক খবরে বলা হয়েছে, সাইবার হামলা রফলে ওই অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। 

ইসরায়েলের গণমাধ্যম জানায়, গতকাল শুক্রবার শেষ বেলায় হাইফা নগরীর বাযান তেল শোধনাগারে এই দুর্ঘটনা ঘটে। তেল শোধনাগারের জরুরি বিভাগের কর্মীরা আগুন নেভাতে শুরু করলেও, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে উদ্ধারকর্মীদের ডাকা হয়।  

ইসরায়েলের জেরুজালেম পোস্ট জানায়, বাযান শোধনাগারের একটি ক্ষতিগ্রস্ত পাইপ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। ইসরায়েলের চ্যানেল-১২ টেলিভিশন নেটওয়ার্ক জানায়, অগ্নিকাণ্ডে তেল শোধনাগারের একটি গুরুত্বপূর্ণ পাইপ ধ্বংস হয়ে গেছে।
  
ইসরায়েলি পত্রিকাটি জানায়, এরইমধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে তবে শোধনাগার থেকে তেল সরবরাহ বন্ধ রাখা রয়েছে। এই ঘটনায় শোধনাগারের ক্ষতি ও সম্ভাব্য হতাহতের ঘটনা সম্পর্কে এখনো বিস্তারিত জানা যায়নি।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

যে কোনো সাফল্যের পেছনে ঐক্য একান্তভাবে অপরিহার্য


কর্নেল আকরাম, কলাম লেখক, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ০৫ জানুয়ারী, ২০২৫, ০৮:৫৩
যে কোনো সাফল্যের পেছনে ঐক্য একান্তভাবে অপরিহার্য

ছবি সংগৃহীত

 

নিউজ ডেস্ক: ঐক্য জীবনের প্রতিটি স্তরে সাফল্যের মূল চাবিকাঠি এবং এটি একটি ক্লাব থেকে শুরু করে একটি জাতিরাষ্ট্র পর্যন্ত সাফল্যের প্রধান মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত। যে কোনো সাফল্যের জন্য ঐক্য অপরিহার্য। সম্প্রতি আমরা বাংলাদেশের ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে জনগণের ঐক্য প্রত্যক্ষ করেছি।  

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট বিপ্লব বাংলাদেশের স্বাধীনতাপ্রিয় মানুষের মধ্যে এক নতুন ঐক্যের জন্ম দিয়েছে। আমরা আবারও ১৯৭১ সালের মতো জাতীয় ঐক্য প্রত্যক্ষ করেছি এবং এটি জাতির জন্য মহান বিজয় এনেছে, যার মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট হাসিনার পতন ঘটেছে।  

ফ্যাসিস্ট শাসনের বিরুদ্ধে বিজয় অর্জন সহজ ছিল না, কিন্তু জনগণ এবং বিএনপি নেতৃত্বাধীন জাতীয়তাবাদী শক্তি ও জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ইসলামী শক্তি অত্যন্ত আন্তরিক ও সংকল্পবদ্ধ হয়ে এই ফ্যাসিস্ট শাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে।  

বিএনপি এবং অন্যান্য রাজনৈতিক দল কখনোই ফ্যাসিস্ট সরকারকে চ্যালেঞ্জ ছাড়া ছেড়ে দেয়নি এবং গত পনেরো বছরে তাদের অনেক নেতা-কর্মী জীবন উৎসর্গ করেছেন। জামায়াতে ইসলামীর ক্ষেত্রেও একই অবস্থা ছিল এবং তারা অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তাদের কোনো রাজনৈতিক পরিসর দেওয়া হয়নি; বরং পুরো ফ্যাসিবাদী শাসনামলে তারা বাড়িতে বন্দী থাকতে বাধ্য হয়েছেন। বিনা কারণে কয়েকজন শীর্ষ নেতা ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলেছেন।  

হেফাজতে ইসলামের অনেক নেতা-কর্মীকে ফ্যাসিস্ট সরকার হত্যা করেছে। অন্যান্য ইসলামী সংগঠনের আলেমগণও এই সময়ে অত্যন্ত কষ্ট ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।  

তবে কোনো কিছুই জনগণের মনোবল ধ্বংস করতে পারেনি এবং পুরো জাতি ধৈর্যের সঙ্গে ফ্যাসিস্ট শাসনের পতনের অপেক্ষায় ছিল। আল্লাহর অশেষ রহমতে এটি সম্প্রতি ঘটেছে এবং তিনি আমাদের জন্য একটি নতুন অধ্যায় খুলে দিয়েছেন যাতে আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ গড়তে পারি।  

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন অত্যন্ত সক্রিয় ছিল এবং এটি জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময়ে গতি পায়। এরপর রাজনৈতিক দল ও সাধারণ মানুষ ছাত্রদের নেতৃত্বে আন্দোলনে যোগ দেয় এবং ৫ই আগস্ট ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন সম্ভব হয়।  

আমরা জাতি হিসেবে সম্প্রতি অর্জিত জুলাই-আগস্ট বিজয়কে হারানোর সামর্থ্য রাখি না। বিএনপি, জামায়াত, ছাত্র সমাজ এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকার— সকলের উচিত এমন কিছু করা থেকে বিরত থাকা, যা ঐক্যের মাধ্যমে অর্জিত এই বিজয়কে নষ্ট করতে পারে।  

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের ঘোষণা যত দ্রুত সম্ভব দেওয়া উচিত ছিল এবং সবকিছু সেই অনুযায়ী বাস্তবায়ন করা যেত। এখনও সময় শেষ হয়ে যায়নি, এবং এখনই সময় নষ্ট না করে এটি করা উচিত।  

তবে এই ঘোষণা অবশ্যই জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমে হওয়া উচিত এবং জাতীয় সিদ্ধান্তে সব পক্ষের প্রতিনিধিত্ব থাকতে হবে।  

সমস্ত রাজনৈতিক বিষয় এবং সংস্কারের ব্যাপারগুলো পক্ষগুলোর মধ্যে সংলাপের মাধ্যমে সমাধান করা উচিত। জাতীয় সরকার গঠন করা যেতে পারে, যা অভ্যন্তরীণ এবং বাহ্যিক যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে সক্ষম হবে। কারণ, অভ্যন্তরীণ এবং বাহ্যিক শত্রুরা আমাদের ঐক্য ধ্বংস করার জন্য সক্রিয় রয়েছে। ঐক্যের মাধ্যমে অর্জিত সাফল্য আমাদের নিজেদের ভুলের কারণে যেন ভবিষ্যতে নষ্ট না হয়।  

লেখক: সম্পাদক, মিলিটারি হিস্ট্রি জার্নাল এবং আইন ও ইতিহাসের অধ্যাপক।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক