a
ফাইল ছবি
আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজ) ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার রাফায় সামরিক অভিযান বন্ধ করতে ইসরায়েলকে নির্দেশ দিয়েছে। কিন্তু আইসিজের নির্দেশনা অমান্য করে ইসরায়েল রাফায় হামলা অব্যাহত রেখেছে। এরকম নির্দেশনা অমান্য করলে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ইসরায়েলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারে।
আইরিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইকেল মার্টিন জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে নিষেধাজ্ঞা আরোপের সম্ভাবনা নিয়ে নিজেদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনাও করেছেন ইউরোপের ২৭ দেশের জোটের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা।
গত সপ্তাহে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত এক সাময়িক আদেশে রাফায় ইসরায়েলকে সামরিক অভিযান বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আদালত বলেছে, ইসরায়েল সেখানে হামলা করলে আশ্রয়রত বেসামরিক ফিলিস্তিনিদের ধ্বংসের ঝুঁকি তৈরি হবে। আইসিজের এই রায়ের ওপর গুরুত্ব দিয়েই তাদের বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলে জানান আইরিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
ব্রাসেলসে ইইউ-এর পররাষ্ট্র বিষয়ক কাউন্সিলের বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মার্টিন বলেন, প্রথমবারের মতো ইইউ-এর বৈঠকে ইসরায়েলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করতে দেখেছি। সূত্র: ইত্তেফাক
ফাইল ছবি
সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার দাদি সারাহ ওবামা মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯৯ বছর। দাদির মৃত্যুতে পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন বারাক ওবামা।
সোমবার সারাহ ওবামার মারা যাওয়ার বিষয়টি পারিবারিক ভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে।
পারিবারিক মুখপাত্র মুসা ঈসমাইল বলেন, গত এক সপ্তাহ ধরে তিনি অসুস্থ ছিলেন। তবে তিনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হননি বলে জানান তিনি।
কেনিয়ার পশ্চিমাঞ্চলে থাকতেন সারাহ ওবামা। তিনি মামা সারাহ নামে স্থানীয়দের কাছে জনপ্রিয় ছিলেন। অসুস্থ হয়ে পড়লে কিসুমুর জারামোগি ওগিঙ্গা ওডিঙ্গা টিচিং অ্যান্ড রেফারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
গ্রামীণ নারী হিসেবে সাদামাটা জীবন যাপন করলেও স্থানীয় স্কুলে পরিজ ও ডোনাট সরবরাহের জন্য তিনি বিখ্যাত ছিলেন। ২০০৬ সালে ইলিনয়ের সাবেক সিনেটর ওবামা কেনিয়া সফরে যান। পরবর্তীতে তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে সারাহ ওবামার বসতি পর্যটকদের আকর্ষণ স্থানে পরিণত হয়।
১৯২২ সালে লেক ভিক্টোরিয়ার একটি গ্রামে সারাহ ওবামা জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ওবামার দাদা হুসেন ওনয়াঙ্গো ওবামার তৃতীয় স্ত্রী ছিলেন।
ফাইল ছবি: প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও পুতিন
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তিন দিনের ব্যবধানে বন্ধ হয়ে গেছে বড় বড় দু্ইটি ব্যাংক। ব্যাংক দেউলিয়ার পর এই ঘটনায় রীতিমতো চাপে পড়েন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।
অন্য এক সংবাদ সম্মেলনে ব্যাংকগুলো দেউলিয়া সম্পর্কে প্রশ্নের মুখে পড়েন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। আর সেই প্রশ্ন শুনেই মাঝপথে সংবাদ সম্মেলন থেকে প্রস্থান করেন তিনি।
আমেরিকায় সিলিকন ভ্যালি ব্যাংক এবং সিগনেচার ব্যাংক ইতোমধ্যেই দেউলিয়া হয়ে গেছে। ২০০৮ সালে দুনিয়াজোড়া অর্থনৈতিক মন্দার পরে এটিকেই খুচরা ব্যাংকিং ব্যবস্থায় সব চেয়ে বড় ব্যর্থতা বলা হচ্ছে। এতে নড়েচড়ে বসেছে বাইডেন প্রশাসন। ফলে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় তাকে।
এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, “প্রেসিডেন্ট, কেন এমন বিপর্যয় ঘটল তা কি আপনি জানেন? এর কোনও প্রভাব পড়বে না বলে কি আপনি আমেরিকানদের আশ্বস্ত করবেন?”
প্রশ্ন শোনা মাত্রই কোনও উত্তর না দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার জন্য দরজার দিকে হাঁটতে শুরু করেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট। তখনও সাংবাদিকরার তাদের প্রশ্ন করা অব্যাহত রেখেছিল। ওই আরেক সাংবাদিকের প্রশ্ন, “আর কোনও ব্যাংক কি দেউলিয়া হওয়ার মুখে রয়েছে?” ততক্ষণে সাংবাদিক সম্মেলন কক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে যান বাইডেন।
বাইডেনের এসব আচরণে জনমনে আশংকা, আফগানিস্তানের যুদ্ধের ময়দান থেকে আমেরিকার সেনারা যেভাবে প্রস্থান করে রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধের দিকে মনোনিবেশ করেছিলেন অনুরূপ, চীনা-তাইওয়ান ইস্যু, কোরিয়া দ্বীপে একের পর এক ক্ষেপনাস্ত্র পরীক্ষা, ইরান-সৌদির ঐতিহাসিক চুক্তিসহ বিভিন্ন ইস্যুতে কি অতি দ্রুত ইউক্রেন থেকে মুখ ফিরিয়ে নিজের অস্তিত্ব রক্ষার প্রতি মনোনিবেশ করতে পারেন।
ব্যাংক দেউলিয়ার প্রশ্নে বাইডেনের স্বভাবসূলভ দ্রুত প্রস্থান, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের যবনিকাপাতের কথাই মনে করিয়ে দেয়। সূত্র: ফক্সনিউজ