a
ছবি সংগৃহীত
একটি দেশের জন্য কৌশল নির্ধারণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি স্বল্পমেয়াদী বা দীর্ঘমেয়াদী হতে পারে, আবার উন্মুক্ত বা গোপনীয়ও হতে পারে। বড় কিংবা ছোট—সব দেশেই কৌশলের গুরুত্ব অপরিসীম। অনেকে মনে করেন, ক্ষুদ্র ও দরিদ্র দেশগুলোর নিজস্ব কোনো কৌশল থাকে না, তারা সবসময় বৃহৎ ও সমৃদ্ধ দেশগুলোর ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু বাস্তবে, উন্নয়ন কৌশল সব দেশের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই ধারণার সূচনা হলেও, এটি বিশেষভাবে গতি পায় বিগত শতকের শেষার্ধে।
প্রথমদিকে বিশ্ব দুই ভাগে বিভক্ত ছিল—একদিকে পশ্চিমা ব্লক, যার নেতৃত্বে ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিম ইউরোপ এবং অপরদিকে সমাজতান্ত্রিক ব্লক, যার নেতৃত্বে ছিল সোভিয়েত রাশিয়া ও পূর্ব ইউরোপ। তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলো নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য এ দুটি ব্লকের কোনো একটির ওপর নির্ভর করতো।
ভূরাজনৈতিক পরিবর্তন ও বাংলাদেশের অবস্থান:
১৯৮৯ সালে সোভিয়েত রাশিয়ার পতনের পর বিশ্ব রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বদলে যায় এবং তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলো মার্কিন সাহায্য এবং জাপান ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থনৈতিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয় ভারতের প্রত্যক্ষ সহায়তায়, যা সোভিয়েত রাশিয়ার সমর্থনপুষ্ট ছিল। তবে ভারত বাংলাদেশের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল মূলত পাকিস্তানকে বিভক্ত করার স্বার্থে এবং বাংলাদেশকে তার কৌশলগত বলয়ে রাখার জন্য। এখন পরিষ্কার যে, ভারত ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পর থেকেই 'নেহরু মতবাদ' বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে, যার মূল লক্ষ্য ছিল দক্ষিণ এশিয়ার একীকরণ। ফলে, বাংলাদেশ কখনোই স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করতে পারেনি এবং বরাবরই ভারতীয় আধিপত্যের রাজনীতির ছায়ায় থেকেছে।
১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষ বাংলাদেশের জন্য ভয়াবহ সংকট তৈরি করেছিল, কিন্তু ভারত কিংবা সোভিয়েত রাশিয়া কোনো কার্যকর সহায়তা প্রদান করতে পারেনি। এই দুর্ভিক্ষের ফলশ্রুতিতে শেখ মুজিবের জনপ্রিয়তা ব্যাপকভাবে হ্রাস পায় এবং এর প্রভাব তার পতনে বিশেষ ভূমিকা রাখে। অনেকেই মনে করেন, ১৯৭৫ সালের আগস্টে শেখ মুজিবের মৃত্যু তার নিজের এবং বাংলাদেশের জন্য এক ধরনের মুক্তি ছিল।
বাংলাদেশের স্বাধীন কৌশলের সূচনা:
১৯৭৫ সালের নভেম্বরের সিপাহী-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে জিয়াউর রহমানের উত্থান ঘটে, যা বাংলাদেশের জন্য ভারতের আধিপত্যবাদী রাজনীতি থেকে মুক্তির সুযোগ সৃষ্টি করে। জিয়াউর রহমানের বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাংলাদেশ নতুন করে এক স্বাধীন অধ্যায়ে প্রবেশ করে, যেখানে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য নিজস্ব কৌশল নির্ধারণের সুযোগ তৈরি হয়। তার প্রণীত উন্নয়ন কৌশলটি সবচেয়ে স্থিতিশীল হিসেবে বিবেচিত হলেও, এটি তার হত্যার মাধ্যমে বাধাগ্রস্ত হয়।
২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লব ও নতুন কৌশলের প্রয়োজনীয়তা:
২০২৪ সালের 'জুলাই বিপ্লব' বাংলাদেশকে আবারও শান্তি ও উন্নয়নের টেকসই কৌশল গ্রহণের সুযোগ করে দিয়েছে। ড. ইউনূসের দূরদর্শী ও গতিশীল নেতৃত্বের ওপর আমাদের আস্থা রাখা উচিত এবং তাকে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও অবাধ নির্বাচনের সুযোগ দিতে হবে।
বাংলাদেশকে এখনই নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও টেকসই শান্তির জন্য কার্যকর কৌশল গ্রহণ করতে হবে। নিশ্চিতভাবেই ভারত আমাদের অগ্রযাত্রায় বাধা সৃষ্টি করবে। তাই কৌশল নির্ধারণের সময় এটি বিবেচনায় রাখতে হবে, যাতে ভারত ভবিষ্যতে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নিতে না পারে। যদি ভারত বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব নিয়ে ষড়যন্ত্র করে, তাহলে আমাদেরও উচিত তাদের 'সেভেন সিস্টার্স' (ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্যসমূহ) নিয়ে কৌশলগত পদক্ষেপ নেওয়া। এটি আমাদের তাস, যা সঠিক সময়ে ব্যবহার করতে হবে, কোনো ছাড় দেওয়া চলবে না।
সুরক্ষিত কৌশল ও কূটনৈতিক সম্পর্কের গুরুত্ব:
বাংলাদেশের টেকসই কৌশল নির্ধারণের ক্ষেত্রে কূটনৈতিক সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের অবশ্যই পাকিস্তান ও চীনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে এবং একইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গেও সুসম্পর্ক বজায় রাখতে হবে। কোনো দেশই ভালো বন্ধু ছাড়া টেকসই কৌশল বাস্তবায়ন করতে পারে না।
প্রয়োজনীয় উদ্যোগ ও কৃষি বিপ্লব:
- তিস্তা নদীর পানি ব্যবস্থাপনা নিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হবে এবং চীনকে তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়নের অনুমতি দিতে হবে। এটি শুধু উত্তরবঙ্গের পানি সংকট সমাধান করবে না, বরং স্থানীয় জনগণের অর্থনৈতিক জীবনও উন্নত করবে।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়নের জন্য একটি কার্যকর উন্নয়ন কৌশল গ্রহণ করা জরুরি।
- রোহিঙ্গা সমস্যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি পরিপক্কতা ও কৌশলের মাধ্যমে সমাধান করতে হবে।
- কৃষির উন্নয়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে এবং সমবায় আন্দোলনকে পৃষ্ঠপোষকতা করতে হবে। আমাদের সামনে সবুজ বিপ্লব ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।
একটি নতুন বাংলাদেশের জন্য কৌশলগত ঐক্য:
আমাদের হাতে সময় নেই। *শিগগিরই একটি স্বল্পমেয়াদী ও দীর্ঘমেয়াদী জাতীয় কৌশল নির্ধারণ করতে হবে।* সকল রাজনৈতিক দলকে জাতীয় স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে, নতুবা ভারতীয় আধিপত্যবাদী রাজনীতি আবারও বাংলাদেশে প্রবেশের সুযোগ পাবে।
গণমাধ্যমের দায়িত্ব:
এখনই সময় বাংলাদেশের গণমাধ্যম ও সংবাদ মাধ্যমগুলোর কৌশলগত ভূমিকা নেওয়ার। ভারতীয় মিডিয়ার অপপ্রচার মোকাবিলা করতে আমাদের নিজস্ব মিডিয়াকে শক্তিশালী হতে হবে। জনগণকে ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে সচেতন করতে হবে।
রাজনৈতিক ঐক্য ও প্রতিযোগিতার সংস্কৃতি:
বিএনপি, জামাত ও নবগঠিত এনসিপিকে পরস্পরের বিরুদ্ধে শুধু ক্ষমতার জন্য লড়াই না করে জাতীয় স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা প্রয়োজন। রাজনৈতিক সংঘাত নয়, প্রতিযোগিতার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে।
টেকসই উন্নয়ন কৌশলই ভবিষ্যতের মূল চাবিকাঠি:
সঠিক ও টেকসই উন্নয়ন কৌশলের মাধ্যমেই জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণ সম্ভব। আমাদের ভবিষ্যৎ কৌশল এমন হতে হবে, যা একটি বৈষম্যহীন সমাজ ও নিরাপদ বাংলাদেশ গঠনে সহায়ক হবে। দেশকে এগিয়ে নিতে সঠিক কৌশল গ্রহণ এবং নেতৃত্বের দূরদর্শিতা অপরিহার্য। আমরা কি প্রস্তুত?
লেখক: প্রফেসর, মিলিটারি হিস্ট্রি জার্নালের সম্পাদক এবং আইন ও ইতিহাসের অধ্যাপক
ছবি সংগৃহীত
সাইফুল আলম , ঢাকা: দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা প্রত্যেকটি নাগরিকের কর্তব্য হলেও দীর্ঘদিন ধরে এই দায়িত্ব পালন করে আসছে সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ। জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। এরপর থেকেই স্বার্থান্বেষী মহল নানা অঘটন ঘটানোর চেষ্টা করে আসছে। এরই অংশ হিসেবে দেশের ভেতরে ও সীমান্তে উদ্দেশ্য মূলক ভাবে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। দেশের স্থিতিশীলতা বিনষ্টের দিকে ধাবিত করা হচ্ছে সুপরিকল্পিত ভাবে। দেশের অভ্যন্তরে সাম্প্রতিক সময়ে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি ঘটেছে। মানুষ আজ চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। নাগরিকদের জানমালের কোনো নিরাপত্তা নেই।
এরই প্রেক্ষিতে সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ -এর উদ্যোগে আজ শুক্রবার ১৫ মার্চ ২০২৫ তারিখ বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্টের ১নং হলে "সার্বভৌমত্বের সুরক্ষায় জাতীয় ঐক্যের প্রয়োজনীয়তা" শীর্ষক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
সংগঠনের প্রধান সমন্বয়ক মোঃ মোস্তফা আল ইহযায-এর সঞ্চালনা ও সমন্বয়ক মো: সাইফুল আলম সরকারের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা আব্দুস সালাম মামুন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা মো: হাবিবুর রহমান হাবিব।
প্রধান আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব এডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, বিজিপি'র ভাইস চেয়ারম্যান মতিন, ক্যান্সার গবেষক ডা. সরওয়ার, মেজর জেনারেল আমছা আমিন, পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ এর চেয়ারম্যান কাজী মজিবর রহমান, লেঃ কর্ণেল ফরিদ আকবর (অব), বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মফিজুর রহমান, ড. আরিফ শাকি, ফয়েজ আহম্মেদ, প্রফেসর শাহজাহান সাজু, বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্টের সিনিয়র এডভোকেট মহসিন রশিদ, ডক্টর মালেক ফরাজি, এড. নূর মোহাম্মদ কীরণসহ জাতীয় রাজনীতিবিদ ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক, সাবেক সেনা কর্মকর্তা, পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রতিনিধি, ছাত্রপ্রতিনিধিসহ বিভিন্ন পেশাজীবিবৃন্দ।
আলোচনায় বক্তারা বলেন, আমরা ইতিপূর্বে দেখেছিলাম, জাতীয় ঐক্য সৃষ্টি লক্ষ্যে অন্তর্বর্তী সরকার জাতীয় ঐক্যের ডাক দিয়েছিলো। কিন্তু চলমান পরিস্থিতি উপলব্ধি করলে তা কার্যকর হয়েছে বলা যাবেনা। আছিয়ার করুণ পরিণতি আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল আমাদের এ জনপদ শিশুদের জন্যেও অনিরাপদ। এমন ঘটনা প্রমাণ করে আমাদের সমাজে ও মস্তিষ্কে পচন ধরেছে। অবক্ষয় হয়েছে সামাজিক মূল্যবোধের। এমন পরিস্থিতিতে জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলা একান্ত প্রয়োজন।
এই সময় বক্তাগণ আরও বলেন, এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় প্রয়োজন জাতীয় ঐক্য। পার্বত্য অঞ্চল নিয়ে বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্রের বীজবপন করছে ভারত, ছড়ানো হচ্ছে প্রতিহিংসা। ভারতীয়রা পার্বত্য চট্টগ্রামের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের দিয়ে রাষ্ট্র বিরোধী ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে এবং ঐ অঞ্চলে অস্ত্র ও গোলাবারুদ দিয়ে একটি প্রক্সি যুদ্ধ লাগানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছে। যা গত কিছুদিন যাবৎ দেশের সীমান্তবর্তী এলাকা সমূহে ভারতীয় আগ্রাসন থেকে দৃশ্যমান হয়। পার্বত্য চট্টগ্রামের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সাথে আরাকান আর্মির সুসম্পর্ক থাকায় আরাকান আর্মির মাধ্যমেও বাংলাদেশের সাথে প্রক্সি যুদ্ধ করানোর ষড়যন্ত্র করছে ভারত। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় প্রস্তুত থাকতে আহবান জানান। পার্বত্য চট্টগ্রামে বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীদের নির্মূলে একটি সামরিক কমিশন গঠন ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করার আহবান জানান। এসময় পার্বত্য চট্টগ্রামের স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় সাত দফা দাবি উপস্থাপন করেন।
পার্বত্য চট্টগ্রামের সাত দফা দাবি সমূহ:
১. পার্বত্য চট্টগ্রামের ব্রিটিশ কোম্পানি ১৯০০ শাসনবিধি বাতিল করে, পার্বত্যাঞ্চলে স্বাধীন সাংবিধানিক শাসন প্রতিষ্ঠা করা। পার্বত্য অঞ্চলের সকল জাতির স্ব-স্ব সংস্কৃতি ও স্বকীয়তা রক্ষায় আলাদা কমিশন গঠন করা।
২. বৈষম্যমুক্ত দেশ গঠনের লক্ষ্যে অনতিবিলম্বে পার্বত্যাঞ্চলে ভূমি জরিপ চালু করে ভূমিহীন ও ক্ষতিগ্রস্ত পাহাড়ি/বাঙালিদের পার্বত্যাঞ্চলে স্থায়ীভাবে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা গ্রহণ।
৩. বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে সকল জাতিসত্তাকে সাংবিধানিক স্বীকৃতি তথা বাংলাদেশী বাঙালি/চাকমা/ত্রিপুরা/মারমা/ অন্যান্য হিসাবে সংবিধানে অন্তর্ভুক্তিকরণ।
৪. "শান্তি চুক্তি" নামক কালো চুক্তি বাতিল করে সংখানুপাতিক ভিত্তিতে সকল জাতিসত্তার সম-অধিকার নিশ্চিতকরণে সম্প্রীতি কমিশন গঠন।
৫. ১৯৮৯ সালে প্রবর্তিত পার্বত্য জেলা স্থানীয় সরকার পরিষদ আইন বাতিল করে নির্বাচনের মাধ্যমে পার্বত্য জেলা পরিষদ পুনর্গঠন করা।
৬. পার্বত্য অঞ্চলের বিচ্ছিন্নতাবাদ নির্মূলে সামরিক কমিশন গঠন এবং স্বাধীনতা পরবর্তী হতে অদ্যাবধি গণহত্যা সমূহের বিচার কার্য বিশেষ ট্রাইবুনাল গঠন করে সম্পন্ন করা।
৭. ২০১৮ সালের আদিবাসী শব্দ ব্যবহার বন্ধে জারিকৃত প্রজ্ঞাপনের পূর্ণ বাস্তবায়ন ও আদিবাসী স্বীকৃতির ষড়যন্ত্র স্থায়ীভাবে বন্ধ ঘোষণা।
সংগৃহীত ছবি
মৌসুমী বায়ু সক্রিয় থাকায় আগামী ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশালের অধিকাংশ স্থানে ভারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানায় আবহাওয়া অফিস।
উত্তর ও পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং উড়িষ্যা উপকুলে অবস্থানরত লঘুচাপটি বর্তমানে ঝাড়খণ্ড, উত্তর উড়িষ্যা ও ছত্রিশগড়ে অবস্থান করছে। দেশের সমুদ্র বন্দরগুলোতে ৩ নম্বর ও নৌ-বন্দরগুলোতে ১ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
সাগরে সৃষ্ট লঘুচাপ ও মৌসুমী বায়ু সক্রিয় থাকায় আগামী ২৪ ঘণ্টায় দেশের দক্ষিণাঞ্চলে ভারি ও রাজশাহী, ঢাকা, সিলেট, রংপুর, ময়মনসিংহ এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। বছরের এ সময়ে এমন বৃষ্টিপাত স্বাভাবিক বলে জানানো হয়।