a
ফাইল ছবি
ইরানের পরমাণু চুক্তি নিয়ে আলোচনা এবং ইউক্রেনে রুশ হামলার ফলে বিশ্বব্যাপী গমের সরবরাহ কমে যাওয়ায় ঘাটতি সামাল দিতে করণীয় নির্ধারণ করতে ইসরাইল সফর করছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন।
ঐতিহাসিক এ সফরে তিনি ইরান ইস্যুতে আরব নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। তাই শনিবার তিনি ইসরাইলের রাজধানীতে পৌঁছান।
সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সময়ে ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা আরব দেশগুলোর নেতারা এখানে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনের সঙ্গে বৈঠক করবেন।
২০১৫ সালে ইরানের সঙ্গে সম্পাদিত ৬ বিশ্বশক্তির সম্পাদিত বহুল আলোচিত পরমাণু চুক্তি পুনরুজ্জীবিত করতে ইসরাইলি কর্মকর্তাদের সঙ্গে গোপন আলোচনা করছেন অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন।
ইরান গত বছরের ২৯ নভেম্বর ভিয়েনায় এ বিষয়ে আলোচনায় বসতে সম্মত হয়েছে। চলতি বছর জুনে ইরানের কট্টরপন্থি প্রেসিডেন্ট দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এ আলোচনার বিষয়টি স্থগিত হয়ে যায়।
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই পরমাণু চুক্তি থেকে সরে গিয়েছিলেন। সূত্র: যুগান্তর
ফাইল ছবি
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দেয়া রণতরী নিরস্ত্রীকৃত এজিয়ান দ্বীপগুলোতে মোতায়েন করেছে গ্রিস, যা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী। রোববার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থায়নে লেসবোস ও সামোস অঞ্চলে এসব রণতরী পাঠানো হয়েছে।আন্তর্জাতিক আইন অমান্য করে গ্রিসের এই কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণে করা হচ্ছে।
নিরাপত্তা সূত্রের তথ্যমতে, তুর্কি আর্ম ফোর্স (টিএসকে) ড্রোন মিশন পরিচালনা করছে এবং এজিয়ানে দুটি গ্রিক রণতরী চিহ্নিত করেছে। যেগুলো লেসবোস ও সামোস অঞ্চলের দিকে যাচ্ছে।
সূত্রে জানানো হয়, লেসবোসের দিকে যাওয়া রণতরীটি ২৩ ট্রাক্টিকাল অস্ত্রে সজ্জিত এবং সামোসের দিকে অগ্রসারমান রণতরীটি ১৮ ট্রাট্ক্যিাল অস্ত্রে সজ্জিত। এসব রণতরী যুক্তরাষ্ট্র থেকে আলেক্সজান্দ্রপলি বন্দরের দিকে পাঠানো হয়েছে।
নিরাপত্তা সূত্র জানায়, এইসব কর্মকাণ্ডগুলো ১৮ থেকে ২১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে, যা থেকে বোঝা যাচ্ছে গ্রিস তার প্রতিবেশী দেশ তুরস্কের কাছাকাছি দ্বীপাঞ্চলে রণতরী মোতায়েন করে আইন লঙ্ঘন করছে।
সূত্রের তথ্যানুসারে, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থায়নে অস্ত্রগুলো দ্বীপটিতে পাঠানো হয়েছে। ন্যাটোভুক্ত দেশটির এই আগ্রাসী কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণ করছে তুরস্ক, যা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী। সংস্থাভুক্ত দেশগুলোর এমন আন্তর্জাতিক আইন পরিপন্থী কর্মকাণ্ড এবং প্রতিবেশী দেশের সাথে অবন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ ‘কখনো গ্রহণযোগ্য’ হবে না। সূত্র : ডেইলি সাবাহ
ফাইল ছবি
মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে গতকাল আউট হওয়ার পর প্রথমে ব্যাট দিয়ে স্ট্যাম্প ভাঙেন ভারতীয় নারী দলের অধিনায়ক হারমানপ্রীত কৌর, তারপর পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে আম্পায়ারিং নিয়ে অশালীন মন্তব্য করেন।
এমনকি ম্যাচ শেষে দুই দলের একসঙ্গে ছবি তোলার সময়ও তিনি বাংলাদেশের ক্রিকেটার উদ্দেশ্যে আপত্তিকর মন্তব্য করেন।
গতকাল বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ভারতের শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচটি নাটকীয়ভাবে টাই হয়। ৩ ম্যাচের সিরিজটিও সমতায় শেষ হয়। কিন্তু কাল প্রকাশ্যে অসংযত আচরণ করেন ভারতের অধিনায়ক হারমানপ্রীত কৌর।
ভারতের ব্যাটিংয়ের ৩৪তম ওভারের ঘটনা। নাহিদা আক্তারের একটি বল সুইপ করার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু ব্যর্থ হন। বল হারমানপ্রীতের প্যাডে লাগে। সেখান থেকে বল স্লিপের ফিল্ডার ফাহিমা খাতুনের হাতে চলে যায়। বাংলাদেশের ফিল্ডারদের জোড়াল আবেদনে সাড়া দিয়ে আউটের সিদ্ধান্ত দেন আম্পায়ার তানভীর আহমেদ।
এ সিরিজে আল্ট্রা এজ নেই, নেই ডিআরএস-ও। তবে দেখে মনে হয়েছে ভারতের অধিনায়ক আউটই ছিলেন। কারণ, যদি ব্যাটে লাগে তাহলে ক্যাচ, আর ব্যাটে না লেগে প্যাডে লাগলেও তো লেগ-বিফোর।
কিন্তু হারমানপ্রীত কোনো ক্রমেই মানতে রাজি নন। শুধু তাই নয়, পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে এসে আম্পায়ার নিয়ে যাচ্ছেতাই বললেন।
হারমানপ্রীতের ভাষ্য, ‘এ ম্যাচ থেকে আমরা অনেক কিছু শিখতে পারলাম। ক্রিকেট ছাড়াও যেরকম আম্পায়ারিং হলো, তাতে আমরা বিস্মিত। পরেরবার যখন আমরা বাংলাদেশে আসব, তখন নিশ্চিত করব যে আমাদের এরকম জঘন্য আম্পায়ারিংয়ের মধ্যে খেলতে হবে। সেভাবে প্রস্তুতিও নেব আমরা।’
এরপর আরেকটি ঘটনা ঘটান ভারতীয় অধিনায়ক। ট্রফি নিয়ে দুই দলের ছবি তোলার সময় হারমানপ্রীত বলে ওঠেন, ‘আম্পায়াররা কোথায়? আম্পায়ারদেরও ডাকুন।’
পরে বাংলাদেশের অধিনায়ক নিগার সুলতানা সব ক্রিকেটার মিলে একসঙ্গে ছবি না তুলে ড্রেসিংরুমে চলে যান। ওই মুহূর্ত সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘কিছু কথা হয়েছে যা এখানে বলা সম্ভব না। যা হয়েছে তাতে আমার কাছে মনে হয় না, দল নিয়ে আমি ওখানে থাকি। ক্রিকেট একটা সম্মানের জায়গায়। একটা শৃঙ্খলার জায়গায়, এটা ভদ্রলোকের খেলা।’ সূত্র: বিডি প্রতিদিন