a
ফাইল ছবি
ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি’র কুদস ফোর্সের প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইসমাইল কাআনি বলেছেন, ইরান মনে করে আফগানিস্তানে এমন একটি সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা জরুরি যেখানে সব জাতি-গোষ্ঠীর মানুষের অংশগ্রহণ থাকবে। সংঘাত ছাড়াই আফগান সংকটের সমাধান খুঁজছে ইরান।
মঙ্গলবার এক টুইট বার্তায় আরও বলেছেন, আমেরিকার এখন পরিকল্পনা হলো গোটা বিশ্বের সুন্নি মুসলমানদের সঙ্গে ইরানের সংঘাত সৃষ্টি। এ লক্ষ্যেই কাজ করে যাচেছ মার্কিন প্রশাসন।
তিনি বলেন, মার্কিন ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করতে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। আর এমনভাবে কাজ করতে হবে যেখানে ইরানের নিরাপত্তা বিঘ্ন না ঘটে।
ফাইল ছবি: ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর
ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে রাশিয়ার তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্ররা। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে রাশিয়া থেকে কম মূ্ল্যে তেল আমদানি করছে ভারত।
বিষয়টি নিয়ে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বারবারই প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছে ভারতকে। সবশেষ দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের চলতি ব্রাসেলস সফরে বিষয়টি ফের সামনে আসে। এ সময় রুশ অপরিশোধিত তেল থেকে ভারতীয় পরিশোধিত তেলজাত পণ্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)-এর পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক কমিটির প্রধান জোসেফ বোরেল। এরপরেই তার কড়া জবাব দিয়ে জয়শঙ্কর তাকে কার্যত ইউরোপীয় কাউন্সিলের নিয়মকানুনের পাঠ পড়িয়ে শুনান।
জোসেফ বোরেলের প্রশ্নের জবাবে জয়শঙ্কর বলেন, ইউরোপীয় কাউন্সিলের বিধানগুলো দেখুন। সেখানে স্পষ্ট বলা আছে, রুশ অপরিশোধিত তেল তৃতীয় কোনো দেশে উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তিত হলে তাকে আর রুশ তেল হিসেবে বিবেচনা করা হবে না।
রাজনৈতিকভাবে বিতর্ক হলেও আমদানি-রফতানির জন্য বিদেশি মুদ্রার আয়-ব্যয়ের ঘাটতি বা ‘ব্যালান্স অব পেমেন্ট’ ভারত নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছে রাশিয়া থেকে এই তেল আমদানির জন্যই। কারণ, কম বিদেশি মুদ্রা খরচে রাশিয়া থেকে তেল কিনে তাকে শোধন করে, একটা বড় অংশ বিদেশে রফতানি করে বিদেশি মুদ্রা আয়ও হয়েছে।
বেলজিয়ামের রাজধানীতে এক বাণিজ্য-প্রযুক্তি আলোচনায় যোগ দেন জয়শঙ্কর। তার সঙ্গে ভারতীয় প্রতিনিধি হিসেবে বৈঠকে ছিলেন কেন্দ্রীয় বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গয়াল এবং কেন্দ্রীয় উদ্যোগ, দক্ষতা উন্নয়ন, ইলেকট্রনিক্স ও প্রযুক্তি মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী রাজীব চন্দ্রশেখর। ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জোসেফ বোরেলও।
বৈঠকের আগেই এক সাক্ষাৎকারে বোরেল বলেছিলেন, ভারত রুশ তেল কেনে, এটা স্বাভাবিক। কিন্তু তারা রুশ তেল থেকে তৈরি ডিজেলের মতো পরিশোধিত জ্বালানি পণ্য ইউরোপে বিক্রি করবে, এটা ঠিক নয়। এর বিরুদ্ধে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
বৈঠক পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এর জবাব দেন জয়শঙ্কর। সেই সময়ে অবশ্য বোরেল ছিলেন না। তার জায়গায় সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিযোগিতা সংক্রান্ত কমিটির কার্যনির্বাহী সহ-সভাপতি মার্গ্রেথ ভেস্টেগার। জয়শঙ্করের মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেছেন, নিষেধাজ্ঞার আইনগত ভিত্তি সম্পর্কে কোনো সন্দেহের অবকাশ নেই। তবে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বন্ধু। বন্ধু হিসেবে এই নিয়ে আলোচনা হওয়া উচিত। পরস্পরকে দোষারোপ করা ঠিক নয়।
এর আগে রাশিয়া থেকে ভারতের তেল আমদানি করা নিয়েও আপত্তি তুলেছিল ইইউ। ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষিতে রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক কমানোর জন্য নয়াদিল্লিকে চাপ দেওয়ার চেষ্টা ধারাবাহিক ভাবে চলছে। তখনও রাশিয়া থেকে ভারতের তেল আমদানির পক্ষে কঠোর যুক্তি দিয়েছিলেন জয়শঙ্কর। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, ইউরোপ এক বিকালে যে পরিমাণ তেল রাশিয়া থেকে আমদানি করে, ভারত তা করে এক মাসে। ভারতের তুলনায় ইউরোপের দেশগুলোর রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্যের পরিমাণ অনেক বেশি, সে সময় তথ্য পেশ করে দেখিয়েছিলেন জয়শঙ্কর। সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে, বিডি প্রতিদিন
৬০তম ফার্মেসী কাউন্সিল সার্টিফিকেট রেজি. কোর্স ৯ এপ্রিল পরীক্ষার স্থগিত নোটিশ
কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে অনিবার্য কারণে বাংলাদেশ ফার্মেসী কাউন্সিল কর্তৃক পরিচালিত ৬০তম ফার্মেসী সার্টিফিকেট রেজি. কোর্সের অনুষ্ঠিতব্য পরীক্ষার তারিখ ০৯ এপ্রিল ২০২১ অবশেষে স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। (নোটিশটি সংযুক্ত)
সারাদেশে ফার্মেসী কোর্সের শিক্ষার্থীরা গভীর উদ্বেগ-উৎকন্ঠায় থাকার পর ০৪ এপ্রিল ২০২১ইং তারিখ সম্বলিত নোটিশটি প্রদান করা হয়। যদিও শিক্ষার্থীরা উক্ত তারিখে বিকাল পর্যন্ত প্রবেশপত্র সংগ্রহকালে কোন ধরণের নোটিশ পাননি বলে অভিযোগ করেন।
তবে প্রবেশপত্র বিতরণকালে মাহমুদ আলম নামে একজন অফিস স্টাফ তিনি তার মোবাইল নম্বর শিক্ষার্থীদের প্রদান করে পরবর্তীতে যোগাযোগ করার কথা বলে অনেককে আশ্বস্থ করেন।
উল্লেখ্য, গত ৩ এপ্রিল শনিবার সরকারীভাবে দেশে লকডাউন সংক্রান্ত পরিপত্র ঘোষণা করা হয় যে, আগামী ৫ এপ্রিল সোমবার থেকে ১ সপ্তাহের জন্য লকডাউন শুরু হবে এবং তা আরও বাড়ার সম্ভাবনা আছে। ফলে দেশে সব ধরণের পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা করা হলেও বাংলাদেশ ফার্মেসী কাউন্সিল পরীক্ষা স্থগিতের ব্যাপারে গড়িমসি করেন বলে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন।
গণমাধ্যমের দ্বারা শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশ ফার্মেসী কাউন্সিলের নিকট অনুরোধ জানান যে, পরবর্তীতে স্থগিত পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা যেন কমপক্ষে ২ সপ্তাহ আগে প্রদান করা হয়। কারন তাদের পরীক্ষা প্রস্তুতির পাশাপাশি অধিকাংশ শিক্ষার্থী তাদের কেন্দ্র থেকে বাসা বা বাড়ি অনেক দূরে। তারা এটাও দাবি করেন, বাংলাদেশ ফার্মেসী কাউন্সিল অফিসে সংরক্ষিত প্রত্যেক শিক্ষার্থীর মোবাইলে যেন ফোন ও ম্যাসেজ প্রদান করা হয়।
[বি.দ্র. ২০২০-২১ ছাত্র/ছাত্রীরা গুরত্বপূর্ণ তথ্য জানতে/জানাতে নিম্নের লিংকগুলোতে সংযুক্ত থাকুন: ফেজবুক পেজ: https://www.facebook.com এবং https://www.facebook.com/profile.php?id=100011160244099
ফার্মাসিস্ট গ্রুপ পেজ: Pharmacist-c-Students-Forum-102024211981313]