a
প্রতিকী ছবি
ফিলিস্তিনের পতাকা ওড়ানোয় পবিত্র নগরী জেরুজালেমে এক মুসলিম কিশোরকে গাড়িচাপা দিয়েছে ইসরাইলের পুলিশ। গতকাল রবিবার (৩১ মে) সন্ধ্যায় আল-আকসা মসজিদের দক্ষিণে সিলওয়ান জেলার একটি রাস্তায় শিশুর ওপর ওই বর্বর হামলা চালায় ইসরাইলি বাহিনী।
জাওয়াদ আব্বাসি (১৫) নামে ওই ফিলিস্তিনি কিশোর তার বাইসাইকেলে নিজ দেশের পতাকা উড়িয়ে রুটি কিনতে রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিল। খবর আরব নিউজের।
রাস আলমন্ড নামে এলাকায় আসার পর দখলদার ইসরাইলি পুলিশ ওই ফিলিস্তিনি কিশোরকে গাড়ি নিয়ে ধাওয়া করে।
একপর্যায়ে ইসরাইলি পুলিশ তার ওপর গাড়ি তুলে দিতে গেলে গাড়ির ধাক্কায় সাইকেল থেকে পড়ে হাত, পা ও মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত হয়। পরে গুরুতর আহতাবস্থায় স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। ইসরাইলি পুলিশের এ বর্বরোচিত হামলার ঘটনা সোস্যাল মিডিয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
সেখানে ইসরাইল পুলিশকে বলতে শোনা যায়, ফিলিস্তিনি পতাকা ওড়ানোর দায়ে তাকে গাড়িচাপা দেওয়া হয়েছে।
ফাইল ছবি
সৌদি সাংবাদিক এবং মার্কিন বাসিন্দা জামাল খাসোগি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অভিযুক্ত সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানকে ‘দায়মুক্তি’ দিয়েছে বাইডেন প্রশাসন।
শুক্রবার (১৮ নভেম্বর) সংবাদমাধ্যম রয়টার্স ও ওয়াশিংটন পোস্ট পৃথক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।
ওয়াশিংটনের আদালতে জামাল খাগোসি হত্যা নিয়ে চলমান মামলায় অভিযুক্তদের তালিকা থেকে প্রিন্স সালমানের নাম বাদ দেওয়া হবে।
২০১৮ সালের অক্টোবরে ইস্তাম্বুলের সৌদি কনস্যুলেটে হত্যা করা হয় খাসোগিকে। এজেন্টদের দিয়ে এই হত্যা স্বয়ং সৌদি যুবরাজ করিয়েছেন বলে মনে করেন মার্কিন গোয়েন্দারা।
এদিকে, হত্যা থেকে সৌদি যুবরাজকে দায়মুক্তির খবরে জামাল খাসোগির বাগদত্তা হেতিস চেঙ্গিস টুইটারে লিখেছেন, 'আজ জামালের আবারও মৃত্যু হলো!'
তিনি টুইটারে লিখেছেন, 'আমরা ভেবেছিলাম হয়তো যুক্তরাষ্ট্র থেকে ন্যায়বিচারের একটি আলো আসবে, কিন্তু আবারও অর্থেরই জয় হলো। জামাল এই বিশ্বকে জানে না এবং আমি...!'
যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের একজন মুখপাত্র লিখিত বিবৃতিতে বলেছেন, আন্তর্জাতিক আইনের দীর্ঘস্থায়ী এবং সুপ্রতিষ্ঠিত নীতির অধীনে স্টেট ডিপার্টমেন্ট এই আইনগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
প্রসঙ্গত, জামাল খাগোসি সৌদি আরবের শাসকগোষ্ঠীর তীব্র সমালোচক ছিলেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্টে আরবের শাসকগোষ্ঠী নিয়ে কলাম লিখতেন। সূত্র: ইত্তেফাক
ফাইল ছবি
উত্তর কোরিয়াকে আনুষ্ঠানিকভাবে পারমাণবিক শক্তিধর দেশ হিসেবে ঘোষণা করেছেন দেশটির শীর্ষ নেতা কিম জং উন। এ নিয়ে দেশটিতে একটি নতুন আইনও পাস করা হয়েছে।
ব্রিটিশ গণমাধ্যম ইন্ডিপেনডেন্টের এক প্রতিবেদনে জানা যায়, উত্তর কোরিয়া কখনও তাদের পারমাণবিক অস্ত্র ত্যাগ করবে না বলে জানিয়েছেন কিম।
নতুন আইন পাস হওয়া নিয়ে এক বিবৃতিতে কিম বলেন, ‘উত্তর কোরিয়া কখনই তাদের পারমাণবিক অস্ত্র ত্যাগ করবে না, এমনকি যদি তার দেশকে ১০০ বছরের জন্য নিষেধাজ্ঞাও দেওয়া হয়। এছাড়া, পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের বিষয়ে কোনও আলোচনা হতে পারে না।’
নতুন পাস হওয়া আইনটিতে বলা হয়েছে, পিয়ংইয়ং নিজেকে রক্ষা করার জন্য পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের অধিকার সংরক্ষণ করে। আসন্ন শত্রু শক্তির দ্বারা পারমাণবিক বা অ-পারমাণবিক আক্রমণের মুখোমুখি হচ্ছে এমন পরিস্থিতিতে পড়লেই উত্তর কোরিয়া পারামাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করতে পারে।
কিম জং উন তার বিবৃতিতে বলেছেন, ‘আমরা কখনই আমাদের আত্মরক্ষার অধিকার ছেড়ে দেবো না, যা আমাদের দেশের অস্তিত্ব রক্ষা করে। জাতীয় পারমাণবিক শক্তি নীতির সঙ্গে সম্পর্কিত নতুন আইন ও প্রবিধান গ্রহণ একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা। কারণ আমরা জাতীয় প্রতিরক্ষার উপায় হিসেবে ইতোমধ্যে আইনত যুদ্ধ প্রতিরোধ ক্ষমতা অর্জন করেছি।’ সূত্র: ইত্তেফাক