a
ফাইল ছবি
ইসরায়েলের সামরিক কারাগারে এক গোয়েন্দা কর্মকর্তার রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। তার মৃত্যু সম্পর্কে ওই কর্মকর্তার পরিবারকে কোনো তথ্য দিচ্ছে না সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
এ ঘটনায় নিহত ওই গোয়েন্দা কর্মকর্তার পরিবারের লোকজন ইসরায়েলি সরকারের উপর ভীষণ ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে। তারা বলছে, সরকার কতদূর পৌঁছেছে যে তারা তাদের কাছে এবং জনগণের কাছে এইসব তথ্য গোপন করছে।
নিহত কর্মকর্তার পরিবারের লোকজন জানিয়েছেন, ২০১৮ সাল থেকে এই পর্যন্ত সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে দেয়া তার সমস্ত পোস্ট ডিলিট করে দেয়া হয়েছে। ইসরায়েলের ইংরেজি পত্রিকা দৈনিক হারেৎজ জানিয়েছে, কারাগারে নিহত এক কর্মকর্তার লাশ উধাও করে দেয়ার প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। নিহত গোয়েন্দার এক আত্মীয় দৈনিক হারেৎজকে বলেছেন, আমরা কিছুই জানতে পারি নাই। প্রকৃতপক্ষে তার কি ঘটেছে আজ পর্যন্ত আমাদের কাছে কেউ তা ব্যাখ্যা করে বলেনি।
সামগ্রিকভাবে সেনাবাহিনীর আচরণে এটাই মনে হচ্ছে- যেন তারা অনেক কিছু গোপন করতে চাইছে। আর তাদের প্রশ্ন কিভাবে একজন গোয়েন্দা কর্মকর্তার লাশ উধাও করে দেয়? সূত্র: পার্সটুডে
ফাইল ছবি
জম্মু-কাশ্মীরের কাঠুয়া জেলার দুর্গম মাচেদি এলাকায় ভারতীয় সামরিক বাহিনীর কনভয়ে হামলায় পাঁচ জোয়ান নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ৬ জন।
সোমবার (৮ জুলাই) এই হামলা করা হয়েছে বলে এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে। এ নিয়ে গত ৪৮ ঘণ্টায় জম্মু-কাশ্মীরে দ্বিতীয়বারের মতো ভারতের সেনাবাহিনীর ওপর হামলা করা হলো।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কাঠুয়া থেকে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার দূরে মাচেদি-কিন্ডলি-মালহার সড়কে নিয়মিত সেনাবাহিনীর টহল ছিল। সেইসময় সন্ত্রাসীরা জোয়ানদের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে পাঁচজন নিহত ও ছয়জন আহত হয়েছেন। আহত সেনা সদস্যদের হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
প্রাথমিক হামলার পর সন্ত্রাসীরা সেনাদের কনভয়ে বোমা ছোড়ে এবং গুলি চালায়। সেনারা পাল্টা হামলা শুরু করলে সন্ত্রাসীরা পাশের বনে পালিয়ে যায়। সন্ত্রাসীদের ধরতে নিরাপত্তা বাহিনী সাড়াশি অভিযান চালাচ্ছে।
এদিকে লোকসভার বিরোধী নেতা রাহুল গান্ধী বলেছেন, শুধু ফাঁকা আওয়াজ বা বুলি নয়, চলমান সন্ত্রাসী হামলার বিরুদ্ধে কঠিন পদক্ষেপ নিতে হবে। উল্লেখ্য, এর আগে গত রোববার রাজৌরি জেলায় সেনা ক্যাম্পে হামলা চালানো হয়। এতে এক সেনা সদস্য আহত হন। সূত্র: যুগান্তর
ফাইল ছবি । পরীমনি
লাল, সাদা পোশাকে কিছু লোক এসে বাড়ির প্রধান ফটক ভেঙে আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমনির বাড়িতে প্রবেশ করেছে। তারা নাকি এ মুহূর্তে পরীমনির দরজা খুলতে বলছেন। তারা নিজেদের পুলিশের লোক বলছেন।
পরীমনি পল্লবী থানায় ফোন করে জানতে পারেন থানা থেকে কোনো লোকজন পাঠানো হয়নি। থানা থেকে বলা হয়েছে, আপনি দরজা খুলবেন না। আমরা আসছি।
বুধবার লাইভে এসে এমন পরিস্থিতির কথা জানালেন পরীমনি। লাইভটি এখনও চলছে। পরীমনি পুলিশ ও মিডিয়াকর্মীর সহায়তা চাইছেন।
লাইভে তিনি বলছেন, আমি মরব আর কেউ কিছু বলবে না? মরতে তো একদিন হবেই। আমি এই লাইভ কাটব না। যতক্ষণ না থানা থেকে পুলিশ আসবে, মিডিয়া আসবে ততক্ষণ লাইভ চলবে। ভাই আপনারা কেউ বুঝতে পারছেন আমার অবস্থা? এইখানে কাছেই থানা। অথচ তারা আসছে না। আমার তো তাদের হেল্প লাগবে। তিনদিন ধরে আমি বিছানা থেকে উঠতে পারছি না। আমার পরিচিতরা কই। একটু আসবেন দেখবেন? এরা কারা? মূর্খরা ভাঙচূর করছে। এসব আল্লাহ সহ্য করবে না। আপনারা কত মানুষ এই লাইভ দেখছেন। কেউ কিছু বলছেন না। আমার বাসায় আমার বুড়ো নানা এসেছেন। আপানারা মিডিয়ার কেউ আসবেন? আমি তো মরে যাচ্ছি।
এ বিষয়ে ডিবির গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মো. মশিউর রহমান বলেন, ‘পরীমনির বাসায় অভিযানের বিষয়ে আমার জানা নেই। আমাদের টিমের কোনো সদস্য পরীমনির বাসায় যায়নি।’ সূত্র: যুগান্তর
ভিডিও লিংক: www.facebook.com/watch/live/?v=331800011977458&ref=external