a
ফাইল ছবি
সিরিয়ার পশ্চিমাঞ্চলীয় পালমিরা শহরের কাছে উগ্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠী দায়েশের ঘাঁটিতে রাশিয়ার জঙ্গিবিমান বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে। এতে অন্তত ২০০ সন্ত্রাসী নিহত এবং ঘাঁটির উল্লেখযোগ্য মাত্রায় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
সিরিয়ায় রাশিয়ান সেন্টার ফর রিকনসিলিয়েশনের উপপ্রধান আলেকজান্ডার কারপভ সোমবার এই খবর জানান।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, বিভিন্ন সূত্র থেকে উগ্র সন্ত্রাসীদের অবস্থানের তথ্য নিশ্চিত হয়ে রাশিয়ার বিমান বাহিনীর কয়েকটি জঙ্গিবিমান এই হামলা করে।
তিনি জানান, অভিযানের সময় দুটি গোপন আস্তানা, হেভি মেশিনগান বসানো ২৪টি পিকআপ এবং প্রায় ৫০০ কেজি গোলাবারুদ ধ্বংস করা হয়েছে।
কারপভ বলেন, সিরিয়ার আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে সামনে রেখে গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোর অস্থিতিশীল করার জন্য সন্ত্রাসীরা হামলার গোপন মহড়া দিয়ে আসছিল। আগামী ২৬ মে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
গোলযোগপূর্ণ দেশটি স্থিতিশীলতার দিকে আসতে এই নির্বাচন বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ কারণে বর্তমানে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের নজর এখন এই নির্বাচন ঘিরে।
ছবি: সংগৃহীত
দক্ষিণ তুরস্ক এবং উত্তর সিরিয়ার ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা ৪ হাজার ৩০০ জনের বেশি দাঁড়িয়েছে। খবর দ্য গার্ডিয়ান।
তুরস্কের দুর্যোগ ও জরুরি ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে তুরস্কের আনাদোলু এজেন্সি জানিয়েছে, তুরস্কে মৃতের সংখ্যা কয়েক ঘণ্টা আগে ২,৩৭৯ থেকে ২৯২১ জন ছাড়িয়ে গেছে। আহত হয়েছেন ১৪ হাজারেরও বেশি মানুষ।
মৃতের এই সংখ্যা আরও বাড়ার শঙ্কা রয়েছে। তুরস্কের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানিয়েছে।
এদিকে, ভয়াবহ এই বিপর্যয়ে এখন পর্যন্ত বিশ্বের ৪৫টি দেশ সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছে বলে জানিয়েছেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান।
গত এক শতাব্দীর মধ্যে এটি সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পের একটি। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির তীব্রতা ছিল ৭ দশমিক ৮। স্থানীয় সময় সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ভোর সোয়া চারটার দিকে এটি আঘাত হানে। এ সময়ে লোকজন ঘুমিয়ে ছিল। ভয়াবহ এই ভূমিকম্পে বহু সরকারি ভবন ধ্বংস হয়েছে। ভেতরে অনেক লোক এখনো আটকা পড়ে আছেন। সূত্র: ইত্তেফাক
ফাইল ফটো:
যুক্তরাষ্ট্রের সমঝোতায় ফেরা ছাড়া সামনে আর কোন পথ নেই বলে দাবি করেছেন ইরানের মুখপাত্র আলী রাবিয়ি। তিনি বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগের মার্কিন নীতি ব্যর্থ হয়েছে। এখন পরমাণু সমঝোতায় ফিরে আসা ছাড়া তাদের সামনে আর কিছু পথ নেই।
আজ মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে ইরানের মুখপাত্র আলী রাবিয়ি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে আমাদের সরকার যৌক্তিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং নিষেধাজ্ঞা যাতে প্রত্যাহার হয় সেজন্য প্রথম থেকেই চেষ্টা করে এসেছে। ইরানের পরমাণু ইস্যুকে নিরাপত্তা বিষয়ক হুমকি হিসেবে তুলে ধরার দূরভিসন্ধিমূলক ষড়যন্ত্র নিরাপত্তা পরিষদের ২২৩১ নম্বর ইশতেহারের মাধ্যমে ব্যর্থ করে দেয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র এখন নিজেই স্বীকার করছে, তাদের সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগের নীতিগুলো ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়েছে।
সূত্র : পার্সটুডে