a
ফাইল ছবি
সিরিয়ার পশ্চিমাঞ্চলীয় পালমিরা শহরের কাছে উগ্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠী দায়েশের ঘাঁটিতে রাশিয়ার জঙ্গিবিমান বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে। এতে অন্তত ২০০ সন্ত্রাসী নিহত এবং ঘাঁটির উল্লেখযোগ্য মাত্রায় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
সিরিয়ায় রাশিয়ান সেন্টার ফর রিকনসিলিয়েশনের উপপ্রধান আলেকজান্ডার কারপভ সোমবার এই খবর জানান।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, বিভিন্ন সূত্র থেকে উগ্র সন্ত্রাসীদের অবস্থানের তথ্য নিশ্চিত হয়ে রাশিয়ার বিমান বাহিনীর কয়েকটি জঙ্গিবিমান এই হামলা করে।
তিনি জানান, অভিযানের সময় দুটি গোপন আস্তানা, হেভি মেশিনগান বসানো ২৪টি পিকআপ এবং প্রায় ৫০০ কেজি গোলাবারুদ ধ্বংস করা হয়েছে।
কারপভ বলেন, সিরিয়ার আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে সামনে রেখে গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোর অস্থিতিশীল করার জন্য সন্ত্রাসীরা হামলার গোপন মহড়া দিয়ে আসছিল। আগামী ২৬ মে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
গোলযোগপূর্ণ দেশটি স্থিতিশীলতার দিকে আসতে এই নির্বাচন বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ কারণে বর্তমানে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের নজর এখন এই নির্বাচন ঘিরে।
ফাইল ছবি
লেবাননের ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন হিজবুল্লাহ বলেছে, ফিলিস্তিনিদের 'সোর্ড অব কুদস' অভিযানে প্রমাণিত হয়েছে দখলদার ইসরায়েলের শক্তি মাকড়সার জালের চেয়েও দুর্বল।
লেবাননের হিজবুল্লাহ এই সংগঠনটি আজ শুক্রবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেছে।
হিজবুল্লাহ আরও বলেছে, আমরা দখলদার ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বিজয়ে ফিলিস্তিনিদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। এবারের 'সোর্ড অব কুদস' শীর্ষক প্রতিরোধ সংগ্রাম ইহুদিবাদী শত্রুদের ওপর নতুন সমীকরণ চাপিয়ে দিয়েছে। সংগঠনটি দাবি করে, এই বিজয় এই অঞ্চলের ভবিষ্যৎ সংঘাতের ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলবে। এর মধ্য দিয়ে সামরিক ও নিরাপত্তা ক্ষেত্রে ইসরাইলের নানা দুর্বলতা স্পষ্ট ফুটে উঠেছে।
বিবৃতিতে হিজবুল্লাহ আরও বলেছে অদূর ভবিষ্যতে গোটা ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড মুক্ত হবে।
উল্লেখ্য, ১১ দিন বীরত্বপূর্ণ প্রতিরোধের মুখে দখলদার ইসরায়েল ফিলিস্তিনিদের শর্ত মেনে যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে। লেবাননের হিজবুল্লাহ প্রথম দিন থেকেই ফিলিস্তিনিদের আন্দোলনে সমর্থন ও বিভিন্নভাবে সহযোগিতা দিয়ে আসছে। সূত্র: পার্সটুডে
ছবি সংগৃহীত
ইসরায়েল দেশের জনগণ ও আন্তর্জাতিক চাপে অবশেষে গাজায় সাময়িক যুদ্ধবিরতি ও বন্দি বিনিময় চুক্তির অনুমোদন দিতে বাধ্য হলো। স্থানীয় সময় গতকাল মঙ্গলবার ৪ দিনের যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সই করে ইসরায়েল সরকার।
চুক্তির শর্তানুযায়ী, ৫০ ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দেবে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাস ও ইসলামিক জিহাদ। বিনিময়ে ইসরায়েলেও তাদের জেলে বন্দি থাকা প্রায় সমসংখ্যক ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দেবে। এদিকে, বন্দি বিনিময় সাপেক্ষে এই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তবে এই যুদ্ধবিরতি কার্যকরের ব্যাপারে এখনো স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি। সূত্র: আল জাজিরা, সিএনএন ও বিবিসি