a
ফাইল ছবি
সিরিয়ার নতুন করে সেনা অভিযান না চালাতে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগানকে পরামর্শ দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি।
খামেনি বলেছেন, সিরিয়ার তুরস্কের নতুন সেনা অভিযান সিরিয়া-তুরস্কসহ ওই অঞ্চলের ক্ষতি সাধন করতে পারে। এসময় সন্ত্রাসবিরোধী লড়াইয়ে তুরস্ককে সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছন খামেনি। তিনি দাবি করেন, তুরস্ক সিরিয়ায় নতুন করে সেনা অভিযান শুরু করলে সন্ত্রাসীরাই তার ফায়দা হাসিল করবে।
সিরিয়ায় চলমান সঙ্কট আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হতে পারে বলেই মনে করেন খামেনি। উল্লেখ্য, এরদোগান দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয়দের সহায়তাই ওই অঞ্চলগুলোতে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে।
কিছুদিন আগে এরদোগান ঘোষণা দিয়েঠিলেন, তুরস্ক সীমান্তবর্তী সিরিয়ার ৩০ কিলোমিটার জায়গা নিরাপদ করে তুলতে আবারও ওই অঞ্চলগুলোতে সামরিক অভিযান পরিচালনা করা হবে। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি
সৌদি আরব আকাশ পথ নিষিদ্ধ করেছে ইসরায়েলের জন্য। কি কারণে এ নিষিদ্ধ দেওয়া হয়েছে তা পরিষ্কারভাবে জানা যায়নি।
গত মঙ্গলবার ইসরায়েলের জন্য সৌদির আকাশপথ বন্ধের সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
গত বছর সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার পর ওই বছরের নভেম্বরে সৌদি আরব আকাশ পথ ব্যবহারের অনুমতি দেয় ইসরায়েলকে।
তুর্কি সংবাদ মাধ্যম আনাদোলু এজেন্সি আরো জানায়, সৌদি আরবের আকাশপথ ব্যবহার করতে না দেওয়ায় তেল আবিবের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দর থেকে আমিরাতের উদ্দেশে উড্ডয়নের জন্য অপেক্ষমান ফ্লাইট বাতিল করা হয়।
ফাইল ছবি
বান্দরবানে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার তুমব্রু সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারে গতরাতেও বিদ্রোহী গ্রুপ আরাকান আর্মির সঙ্গে সেদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। এতে আতঙ্কের মধ্যে আছে সীমান্তবাসীরা। বিদ্রোহীদের হাত থেকে বাঁচতে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন মিয়ানমার জান্তা সরকারের ১০৫ সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্য।
তবে ভোরের দিকে গোলাগুলির শব্দ কিছুটা কমেছে। সোমবার সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত সীমান্তের ওপারে গোলাগুলির তেমন শব্দ শোনা যায়নি বলে জানিয়েছেন সীমান্তবাসীরা।
এদিকে মিয়ানমারের স্বাধীনতাকামী সংগঠন আরাকান আমি (এএ) বিদ্রোহীদের সঙ্গে চলমান সংঘাতে টিকতে না পেরে জীবন বাঁচাতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঢুকে আশ্রয় নিয়েছে তুমব্রু সীমান্তের ৬৮ জন এবং ঘুমধুম সীমান্তের ৩৭ জন মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্য। আশ্রয় নেয়া মিয়ানমার সীমান্তরক্ষীদের মধ্যে বেশ কয়েকজন গুলিবিদ্ধও রয়েছে। গুলিবিদ্ধ আহত দুজনকে কক্সবাজারে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলাম ও আনু মোহাম্মদ বলেন, মিয়ানমার বাহিনীর ছোড়া গুলিতে রোববার দৃই বাংলাদেশী নাগরিক গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোর বাসিন্দাদের মধ্যে। সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে যানবাহন ও লোকজনের চলাচল সীমিত করেছে প্রশাসন। বিদ্রোহীদের তোপের মুখে প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে তুমব্রু সীমান্তের ওপারের মিয়ানমার ক্যাম্পের ৬৮ জন এবং ঘুমধুম সীমান্তের ওপারে ক্যাম্পের ৩৭ জন মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্য।
জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয়রা জানায়, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের তুমব্রু সীমান্তে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে সামরিক জান্তা বাহিনীর সঙ্গে স্বাধীনতাকামী সংগঠন আরকান আর্মী (এএ) মধ্যে তুমুল সংঘাত চলছে।
গত শনিবার থেকে মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনীর দুটি ক্যাম্প দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছে আরাকান আর্মি। ইতিমধ্যে ক্যাম্পগুলোর কিছুটা অংশ দখলে নিয়েছে বিদ্রোহীরা। তবে মিয়ানমার সরকারি বাহিনী হেলিকপ্টার থেকে বোমা ছোড়ার মাধ্যমে পরিস্থিতি সামলানোর চেষ্টা করছে।
বান্দরবানের জেলা প্রশাসক শাহ মোজাহিদ উদ্দিন বলেন, সীমান্তে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ায় সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে যানবাহন ও লোকজনের চলাচল সীমিত করা হয়েছে। সীমান্তবর্তী ৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ রাখা হয়েছে। সীমান্তে টহল বাড়ানো হয়েছে। নিরাপত্তা চৌকিগুলোতে সতর্কবস্থায় রয়েছে বর্ডার গার্ড বিজিবি। সূত্র: যুগান্তর