a
যুক্তরাষ্ট্রের গুয়ানতানামো বে কারাগার
গুয়ানতানামো বে কারাগারের গোপন ইউনিট বন্ধ করে দিয়েছে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন। কিউবার আমেরিকান ঘাঁটিতে অবস্থিত এই ইউনিট থেকে বন্দিদের অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়। এ সংবাদ প্রকাশ করেছে এনবিসি নিউজ
ইউএস সাউদার্ন কমান্ড জানিয়েছে, ক্যাম্প-৭ থেকে বন্দিদের কাছের ক্যাম্প-৫-এ স্থানান্তর করা হয়েছে। তবে কতজনকে সরানো হয়েছে এবং কবে সরানো হয়েছে তা জানা যায়নি। এই ক্যাম্পে ১৪ জন বন্দি ছিলেন বলে ধারণা করা হয়।
মিয়ামিভিত্তিক সাউদার্ন কমান্ড জানিয়েছে, গুয়ানতানামো বে কারাগারে ৪০ জন বন্দি ছিলেন। ২০০৬ সালের ডিসেম্বরে ক্যাম্প-৭ খোলা হয়।
বহু বিতর্কের জন্ম দেয় এই গুয়ানতানামো বে কারাগার। অনেক দিন ধরেই এসব বন্দিশিবিরটি বন্ধ করার দাবি করে আসছিল বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন। মার্কিন সেনারা এসব বন্দিদের ওপর অকথ্য অত্যাচার চালিয়ে আসছিল বলে অভিযোগ করে আসছিল বিশ্ব বিবেক। এমনকি কোনো কোনো শিবিরে অত্যন্ত চুপিসারে গোপনে বিভিন্ন কাজকর্ম হতো বলেও অভিযোগ ছিল।
মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে এমন অভিযোগে বারবার সরব হয়ে উঠেছে বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনগুলো কিন্তু তারপরও মার্কিন প্রশাসন এসব বিষয়ে কর্ণপাত না করে এত বছর ধরে গুয়ানতানামোয় বন্দিশিবিরগুলো চালু রেখেছে। এই কারাগারে বিশ্বের সবচেয়ে অমানবিক কাজকর্মগুলো হতো বলে মানবিধার সংগঠনগুলোর অভিযোগ করায় বাইডেন প্রশাসন নির্বাচনের আগে ঘোষণা দিয়েছিলেন তিনি নির্বাচিত হলে এই কারাগার বন্ধ করে দেবেন।
ফাইল ছবি
চীনের পাঁচটি ফার্ম রাশিয়ার সামরিক ও প্রতিরক্ষা শিল্পকে সহায়তার অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্র এই পাঁচ কোম্পানির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে দেশটির বাণিজ্য বিভাগ।
যুক্তরাষ্ট্রের দাবি- চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসন শুরুর আগে ওই কোম্পানিগুলো রাশিয়ার ‘উদ্বেগজনক সংস্থাগুলোকে’ বিভিন্ন সামগ্রী সরবরাহ করেছিল। হামলা শুরুর পরেও তারা নিষেধাজ্ঞা তালিকায় থাকা রুশ প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সরবরাহ চুক্তি অব্যাহত রেখেছে।
তবে চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় যুক্তরাষ্ট্রের এসব দাবি স্বীকার বা অস্বীকার কোনোটিই করেনি। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
রাশিয়ার মিগ-৩১ জঙ্গিবিমান
প্রশান্ত মহাসাগরের আকাশ থেকে আমেরিকার একটি আরসি-১৩৫ কৌশলগত গোয়েন্দা বিমানকে তাড়িয়ে দিয়েছে রাশিয়ার একটি মিগ-৩১ জঙ্গিবিমান। তবে মার্কিন বিমানটি রুশ আকাশসীমা লঙ্ঘন করেনি বলে জানা যায়।
শুক্রবার রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানায়। বিমানটি রাশিয়ার আকাশসীমার দিকে এগিয়ে যেতে থাকলে সেটিকে বাধা দেয় রুশ বিমান। পরে রাশিয়ার বিমানের তাড়া খেয়ে মার্কিন গোয়েন্দা বিমানটি ওই এলাকা থেকে পালিয়ে যায়।
রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও জানায়, তাদের রাডারে প্রশান্ত মহাসাগরের কামচাটকা উপকূলের আকাশে মার্কিন বিমানটি নিশানায় পড়ে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মার্কিন বিমানের উপস্থিতি টের পেয়ে কামচাটকার বিমানঘাঁটি থেকে একটি মিগ-৩১ জঙ্গিবিমান উড়ে যায় এবং মার্কিন বিমানকে তাড়া করে। মার্কিন বিমানটি রুশ সীমান্ত এলাকা থেকে চলে যাওয়ার পর মিগ-৩১ বিমানটি আবার নিরাপদে নিজ ঘাঁটিতে চলে আসে। সূত্র: রয়টার্স