a
সংগৃহীত ছবি
অধিকৃত গোলান মালভূমিকে ইসরায়েলের অংশ বলে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে স্বীকৃতি দিয়েছিলেন তা বাতিল করতে পারেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের একজন কর্মকর্তা আমেরিকার নিউজ ওয়েবসাইট ‘ওয়াশিংটন ফ্রি বিকন’-কে এ তথ্য জানিয়েছে।
তিনি তার ভাষায় বলেন, “গোলান মালভূমি কারো নয়, এই ভূখণ্ডের মালিকানা ইসরায়েলের হাতে থাকলে মধ্যপ্রাচ্যের অনেক কিছু পরিবর্তন হয়ে যেতে পারে।”
গত ফেব্রুয়ারি মাসে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন প্রথম বাইডেন প্রশাসনের পক্ষ থেকে গোলান ইস্যুতে কথা বলেছিলেন। তবে সে সময় তিনি শুধুমাত্র বলেছিলেন, ইসরায়েলের নিরাপত্তা প্রশ্নে গোলাম মালভূমি সত্যিকার অর্থেই গুরুত্ব বহন করে তবে এর স্বাভাবিক মর্যাদা কি হবে তা তিনি সে সময় কিছু বলেননি।
১৯৬৭ সালের ছয় দিনের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের সময় তেল আবিব সিরিয়ার কাছ থেকে গোলান মালভূমির একটি অংশ দখল করে নেয়। ওই যুদ্ধের সময় ইসরায়েল ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীর, পূর্ব জেরুজালেম আল-কুদস শহর এবং গাজা উপত্যকায় দখল করে নেয়।
১৯৮১ সালে ইসরায়েল গোলান মালভূমিকে একতরফাভাবে নিজের ভূখণ্ড বলে ঘোষণা দেয় কিন্তু আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় কখনও তা মেনে নেয়। সিরিয়া বারবার বলে আসছে, গোলান মালভূমির মালিকানা তাদের এবং তারা তা ভবিষ্যতে আদায় করে নেবে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর ২০১৯ সালের মার্চ মাসে গোলান মালভূমির ওপর ইসরায়েলের স্বার্বভৌমত্বের স্বীকৃতি দিয়ে একটি ডিক্রি জারি করেন।
বাইডেন প্রশাসন এখন গোলানের ওই স্বীকৃতি বাতিল করতে যাচ্ছে। এ সম্পর্কে সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও বলেছেন, বাইডেন প্রশাসন ইসরায়েলে নিরাপত্তা অচলাবস্থার মধ্যে ফেলে দিতে পারে।
ফাইল ছবি
২০১৭ সালের পর এই প্রথম মার্কিন পরমাণু শক্তিচালিত বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনকে কোরীয় উপদ্বীপে মোতায়েন করেছে।
উত্তর কোরিয়া পরমাণু ওয়ারহেড বহনে সক্ষম আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার পর পিয়ংইয়ং এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে বিমানবাহী রণতরী মোতায়েন করলো পেন্টাগন।
মঙ্গলবার মার্কিন কর্মকর্তারা জানায়, ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ বর্তমানে জাপান সাগরে অবস্থান করছে। সেখানে জাহাজটি জাপানের সামরিক বাহিনীর সঙ্গে যৌথ মহড়ায় অংশ নিচ্ছে।
কোরীয় উপদ্বীপে মার্কিন বিমানবাহী জাহাজ মোতায়েন সম্পর্কে অবশ্য দক্ষিণ কোরিয়া কোনো মন্তব্য করেনি। দক্ষিণ কোরিয়াও বর্তমানে আমেরিকার সঙ্গে সামরিক মহড়ায় যুক্ত হয়ে কাজ করছে।
এর আগে দক্ষিণ কোরিয়ার গণমাধ্যম জানিয়েছিল, কোরীয় উপদ্বীপে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন হবে এবং সেটি তিন থেকে পাঁচ দিন ওই এলাকায় অবস্থান করবে। এ ব্যাপারে মার্কিন এবং দক্ষিণ কোরিয়া যৌথ কমান্ডের মুখপাত্র কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
২০১৭ সালে উত্তর কোরিয়া তার পরমাণু ওয়ারহেডবাহী ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করলে আমেরিকা কোরীয় উপদ্বীপে তিনটি বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করে। সূত্র: রয়টার্স/বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি
নবম শ্রেণির ভর্তি ও অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের চলমান রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। গতকাল সোমবার (২৩ আগস্ট) ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় পরির্দশক (বিদ্যালয়) অধ্যাপক মোহাম্মদ আবুল মনছুর ভূঞা স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে নবম শ্রেণির ভর্তি ও অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন পাঠদানের অনুমতি ও স্বীকৃতি পাওয়া সকল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ও প্রধান শিক্ষককে এ বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে। অনিবার্য কারণবশত এ কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।
পরবর্তীতে নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হলে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তা জানিয়ে দেয়া হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। এ বিষয়ে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় পরির্দশক (বিদ্যালয়) অধ্যাপক মোহাম্মদ আবুল মনছুর ভূঞা বলেন, গত রবিবার থেকে নবম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম শুরু করা হলেও সার্ভার জটিলতা দেখা দেয়ার সেটি স্থগিত করা হয়েছে। বর্তমানে এইচএসসি পরীক্ষার ফরমপূরণ কার্যক্রম চলমান থাকায় এ সমস্যা দেখা দিয়েছে। তিনি বলেন, আগামী সপ্তাহে এইচএসসি পরীক্ষার ফরমপূরণ কার্যক্রম শেষ হবে। এরপর আবারও নবম শ্রেণির ভর্তি ও রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম শুরু করা হবে।
এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে জানিয়ে দেয়া হবে। এদিকে চলতি বছরের (২০২১) এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ ১২ আগস্ট থেকে শুরু হয়েছে। চলবে আগামী ৩০ আগস্ট পর্যন্ত। আগের বছরের চেয়ে এবার ফি কমানো হয়েছে। জানা গেছে, করোনাভাইরাসের কারণে এবার কোনো নির্বাচনী পরীক্ষা হবে না। ফরম পূরণের কার্যক্রম সম্পূর্ণ অনলাইনে হবে। কোনো অবস্থায় শিক্ষার্থী বা অভিভাবকদের সশরীরে প্রতিষ্ঠানের যেতে হবে না।