a
ফাইল ছবি
অবশেষে সব জল্পনা ও চীনের হুমকি উপেক্ষা করে তাইওয়ানে পৌঁছেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংসদের নিম্ন-কক্ষ হাউস অফ রেপ্রেজেনটেটিভের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি। ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
এই স্ব-শাসিত দ্বীপে মঙ্গলবার রাতে মিসেস পেলোসির বিতর্কিত সফরের ঠিক আগে তাইওয়ান থেকে চীনা মূল ভূখণ্ডকে বিভক্তকারী সীমারেখায় চীন যুদ্ধবিমান পাঠিয়েছে।
এদিকে চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যম নিশ্চিত করেছে, তাইওয়ান প্রণালী অতিক্রম করেছে চীনা যুদ্ধবিমান। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীনের সু-৩৫ যুদ্ধবিমান তাইওয়ান প্রণালী অতিক্রম করছে।
এর আগে চীনা বাহিনী ঐ এলাকায় তাজা গোলাবারুদ ব্যবহার করে সামরিক মহড়াও চালিয়েছে। চীনা সামরিক বাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ড অনলাইনে একটি ভিডিও পোস্ট করে বলেছে, তারা "যে কোনো ঘটনার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত।"
ন্যান্সির এই সফর, হোয়াইট হাউস যাতে সরাসরি কোন সমর্থন দেয়নি, গত কয়েক দশকের মধ্যে কোন ঊর্ধ্বতন মার্কিন কর্মকর্তার প্রথম তাইওয়ান সফর এটি।
কংগ্রেসের স্পিকার মার্কিন সরকারের তৃতীয় সর্বোচ্চ পদ এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও ভাইস প্রেসিডেন্টের পরই পেলোসির অবস্থান। তিনি বেইজিং সরকারের দীর্ঘদিনের এক সমালোচকও বটে।
চীন বারবার করে এই সফরের বিরুদ্ধে সতর্ক করে আসছিল এবং মঙ্গলবার বলেছে, এই সফরের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে "মূল্য দিতে হবে।"
তাইওয়ান একটি স্বশাসিত দ্বীপ, তবে চীন একে নিজেদের ভূখণ্ড হিসেবে দাবি করে আসছে। সূত্র: ইত্তেফাক
ছবি: সংগৃহীত
তুরস্ক ও সিরিয়ার সরকার ও চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত ভূমিকম্পে তুরস্কে ১৭ হাজার ৬৭৪ জন এবং সিরিয়ায় ৩ হাজার ৩৭৭ জন মারা গেছে। ফলে দুই দেশে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১ হাজার ৫১ জন।
গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উদ্ধারকর্মীরা এখনো ধ্বংসস্তূপে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছেন। তবে, সময় যত পেরিয়ে যাচ্ছে ততই জীবিত উদ্ধারের সম্ভাবনা কমছে। তীব্র শীত হাজার হাজার বেঁচে থাকা মানুষকে হুমকির মুখে ফেলেছে। তারা এখন আশ্রয়, খাদ্য ও পানীয় ছাড়াই দিনাতিপাত করছেন।
বৃষ্টি, যোগাযোগ বিপর্যয়সহ নানা সমস্যার কারণে অনেকের মৃত্যু হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিউএইচও)। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান এই ভূমিকম্পকে 'শতাব্দীর বিপর্যয়' বলে অভিহিত করেছেন। সূত্র: ই্ত্তেফাক
ফাইল ছবি
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান বলেছেন, আফগানিস্তানের অস্থিতিশীল অবস্থার অবসানে তিনি তালেবান নেতার সাথে সাক্ষাতে প্রস্তুত রয়েছেন। বুধবার যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সিএনএনের তুর্কি বিভাগকে দেয়া এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে এই কথা বলেন তিনি।
প্রেসিডেন্ট এরদোগান বলেন, ‘আফগান জনসাধারণের সাম্প্রতিক অগ্রগতি ও পরিস্থিতি প্রকৃতপক্ষেই বিপর্যয়কর।’
পরিস্থিতির উন্নতিতে তালেবানের সাথে তুর্কি কর্মকর্তাদের আলোচনার প্রচেষ্টার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘হয়তো আমিও এমন অবস্থানে যেতে পারি যে তাদের (তালেবান) নেতার সাথে সাক্ষাৎ করবো।’
এরদোগান বলেন. ‘কেননা যদি আমরা এই গুরুতর পরিস্থিতিতে নিয়ন্ত্রণ নিতে না পারি, তবে আফগানিস্তানে এই মুহূর্তে শান্তি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না।’
এদিকে বুধবার আফগানিস্তানের প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনির সাথে প্রেসিডেন্ট এরদোগান ফোনালাপ করেন বলে তুর্কি প্রেসিডেন্টের দফতর থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, তুরস্ক-আফগানিস্তানের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে দুই নেতা আলোচনা করেন। এরদোগান আফগানিস্তানে শান্তি প্রক্রিয়ায় তুরস্কের অব্যাহত সমর্থন থাকবে বলে ফোনালাপে জানান।
আফগানিস্তান থেকে মার্কিন নেতৃত্বাধীন ন্যাটো জোটভুক্ত দেশগুলোর সৈন্য প্রত্যাহারের মধ্যেই দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নিতে শুরু করে তালেবান। ইতোমধ্যেই তারা নয় প্রাদেশিক রাজধানীর নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে।
প্রেসিডেন্ট এরদোগান এর আগে জানিয়েছিলেন, তুরস্ক আফগান রাজধানী কাবুলের হামিদ কারজাই আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের নিরাপত্তার দায়িত্ব অব্যাহত রাখার বিষয়ে আগ্রহী এবং আফগানিস্তানে শান্তি প্রক্রিয়ায় তালেবানের সাথে আলোচনার জন্য প্রস্তুত।
গত ছয় বছর কাবুল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর পরিচালনায় তুরস্ক নিরাপত্তা ও লজিস্টিক সহায়তা দিয়ে আসছে।
সূত্র : ডেইলি সাবাহ