a তেল রফতানি বন্ধ করলে ৩০০ ডলার ছাড়িয়ে যাবে: রাশিয়া
ঢাকা বৃহস্পতিবার, ৮ মাঘ ১৪৩২, ২২ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

তেল রফতানি বন্ধ করলে ৩০০ ডলার ছাড়িয়ে যাবে: রাশিয়া


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ০৮ মার্চ, ২০২২, ০৬:৩৩
তেল রফতানি বন্ধ করলে ৩০০ ডলার ছাড়িয়ে যাবে: রাশিয়া

ফাইল ছবি

পশ্চিমা দেশগুলোকে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে রাশিয়া, যদি তারা রাশিয়া থেকে তেল আমদানি বন্ধ করে তাহলে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ৩০০ ডলার ছাড়িয়ে যাবে।

রাশিয়ার উপপ্রধানমন্ত্রী আলেকজান্ডার নোভাক সোমবার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে এসব কথা বলেন। খবর ইকনোমিক টাইমস।

তিনি বলেন, এটি সম্পূর্ণ পরিষ্কার- রাশিয়া থেকে তেল আমদানিতে অস্বীকৃতি জানালে আন্তর্জাতিক বাজারের জন্য তা বিপর্যয়কর পরিণতি ডেকে আনবে। তেলের দাম বেড়ে ব্যারেল প্রতি কত হবে তা অনিশ্চিত। তবে সেটি ৩০০ ডলার অথবা তার চেয়েও বেশি হতে পারে।

উল্লেখ্য, ইউরোপের মোট চাহিদার শতকরা ৪০ ভাগ গ্যাস সরবরাহ করে থাকে রাশিয়া।

সোমবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন বলেন, ওয়াশিংটন এবং ইউরোপীয় মিত্ররা রাশিয়া থেকে তেল আমদানি নিষিদ্ধের বিষয়টি বিবেচনা করছে। এরপর তেলের দাম গত ১৩ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়। সূত্র: যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

যুক্তরাষ্ট্রকে ধ্বংস করে করার মতো অস্ত্র আছে: রাশিয়া


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ২৮ মার্চ, ২০২৩, ১২:৪২
 যুক্তরাষ্ট্রকে ধ্বংস করে করার মতো অস্ত্র আছে: রাশিয়া

ফাইল ছবি

রাশিয়ার অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়লে যুক্তরাষ্ট্রসহ যে কোনো শত্রুকে ধ্বংস করে দেওয়ার মতো অস্ত্র মস্কোর আছে বলে হুশিয়ার করেছেন রুশ নিরাপত্তা কাউন্সিলের সেক্রেটারি নিকোলাই পাত্রুশেভ।

সোমবার রাষ্ট্রীয় রোসিসকায়া গেজেটা পত্রিকাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ওয়াশিংটন মস্কোর পারমাণবিক সক্ষমতাকে খাটো করে দেখছে বলেও অভিযোগ করেন।

পাত্রুশেভ বলেন, রাশিয়া ধৈর্যশীল এবং সামরিকভাবে নিজেদের সুযোগ-সুবিধা থাকা নিয়ে কাউকে ভয়ও দেখায় না। তবে রাশিয়ার অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়লে দেশটির হাতে বিশেষ আধুনিক অস্ত্র আছে, যেগুলো দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রসহ যেকোনও শত্রুকে ধ্বংস করে দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, নিজেদের প্রচারণার ফাঁদে পড়ে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিবিদরা বিশ্বাস করেন যে, রাশিয়ার সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে জড়ালে তারা এমন প্রতিরোধক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাতে সক্ষম যে, এরপর মস্কো আর জবাব দেওয়ার মতো অবস্থায় থাকবে না। এটা অদূরদর্শী এক বোকামি এবং খুবই বিপজ্জনক।

শনিবার পুতিন বেলারুশে কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েনের ঘোষণা দেওয়ার পর পশ্চিমাদের নিন্দা ও সমালোচনার মুখে রাশিয়ার প্রভাবশালী নিরাপত্তা কাউন্সিলের সেক্রেটারি পাত্রুশেভ এই হুশিয়ারি উচ্চারণ করলেন। সূত্র: যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

সংসদীয় কমিটি বনভূমিতে প্রশিক্ষণ একাডেমি নির্মাণের বিরোধিতা করেছে


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১০:৫৬
সংসদীয় কমিটি বনভূমিতে প্রশিক্ষণ একাডেমি নির্মাণের বিরোধিতা করেছে

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরী (এ

কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন বনবিভাগের ঝিলংজা বনভূমির ৭০০ একর জায়গাতে সরকারি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ একাডেমি নির্মাণের বিরোধিতা করেছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।

রোববার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ বিরোধিতা করা হয়। সংসদীয় কমিটি বলেছে, সরক্ষিত ওই বিপুল বনভূমি কীভাবে বরাদ্দ দেয়া হলো- তা খতিয়ে দেখা হবে। ওই জায়গায় যাতে প্রকল্পটি গ্রহণ না করা হয় সেই ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলেছে কমিটি।
 
সাবের হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে অংশ নেন- কমিটির সদস্য পরিবেশনমন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন, উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার, নাজিম উদ্দিন আহমেদ, তানভীর শাকিল জয়, খোদেজা নাসরিন আক্তার হোসেন ও মো. শাহীন চাকলাদার।

সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য আরেকটি প্রশিক্ষণ একাডেমি নির্মাণ করতে সংরক্ষিত বনভূমির ৭০০ একর জায়গা বরাদ্দ দেয়ার খবর বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশ হয়। জমি এক টাকা প্রতীকী মূল্যে প্রশিক্ষণ একাডেমি নির্মাণের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। ওই এলাকা প্রতিবেশগতভাবে সংকটাপন্ন। 

এর আগে ২০১৮ সালে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন বঙ্গবন্ধু একাডেমি অব পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন নির্মাণের জন্য পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিবেশ অধিদফতরের কাছে অনাপত্তিপত্র চায়। সংস্থাটি ওই বছরই বিভিন্ন শর্তে অনাপত্তিপত্র দিয়ে দেয়।

বন অধিদফতর বলছে, বনভূমির মধ্যে প্রস্তাবিত প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে পরিবেশ ও প্রতিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। মন্ত্রণালয়ও বলেছে, ওই এলাকায় প্রস্তাবিত প্রতিষ্ঠান স্থাপন করা হলে পরিবেশ ও প্রতিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এই জমি বরাদ্দ নিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে। পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী, প্রতিবেশগতভাবে সঙ্কটাপন্ন এ বনভূমিতে কোনো ধরনের স্থাপনা নির্মাণ করা নিষেধ।

সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, আমরা যেখানে বেদখলে থাকা বনভূমি উদ্ধার করছি, সেখানে সরকারের আরেকটি সংস্থা যদি জমি নিয়ে নেয়, এটা তো ঠিক নয়।

তিনি আরো বলেন, আমরা বোঝার চেষ্টা করছি এটা কীভাবে হলো। যদি কেবল জমির দাগ ও খতিয়ান দেয়া হয় এবং ভূমির আকার ও প্রকৃত বর্ণনা না করা হয়, সেটা হতে পারে কি না। আমরা মনে করি, সেটাই হয়েছে। এটা আমরা দেখব। প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে যে অনুমতি এসেছে, সেই দফতর হয়তো এই বিষয়টি পুরোপুরি জানে না।

এদিকে বৈঠক শেষে সংসদ সচিবালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কক্সবাজারে ওই বনাঞ্চলের ৭০০ একর জায়গায় জনপ্রশাসন একাডেমি নির্মাণের বিষয়ে মন্ত্রণালয়কে পর্যালোচনা করার সুপারিশ করা হয়। 

এছাড়া ২০২১-২০২২ অর্থবছরে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন প্রকল্পের বাস্তবায়নের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার সুপারিশ করেছে কমিটি। সূত্র: নয়াদিগন্ত

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক