a
ফাইল ছবি
পশ্চিমা দেশগুলোকে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে রাশিয়া, যদি তারা রাশিয়া থেকে তেল আমদানি বন্ধ করে তাহলে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ৩০০ ডলার ছাড়িয়ে যাবে।
রাশিয়ার উপপ্রধানমন্ত্রী আলেকজান্ডার নোভাক সোমবার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে এসব কথা বলেন। খবর ইকনোমিক টাইমস।
তিনি বলেন, এটি সম্পূর্ণ পরিষ্কার- রাশিয়া থেকে তেল আমদানিতে অস্বীকৃতি জানালে আন্তর্জাতিক বাজারের জন্য তা বিপর্যয়কর পরিণতি ডেকে আনবে। তেলের দাম বেড়ে ব্যারেল প্রতি কত হবে তা অনিশ্চিত। তবে সেটি ৩০০ ডলার অথবা তার চেয়েও বেশি হতে পারে।
উল্লেখ্য, ইউরোপের মোট চাহিদার শতকরা ৪০ ভাগ গ্যাস সরবরাহ করে থাকে রাশিয়া।
সোমবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন বলেন, ওয়াশিংটন এবং ইউরোপীয় মিত্ররা রাশিয়া থেকে তেল আমদানি নিষিদ্ধের বিষয়টি বিবেচনা করছে। এরপর তেলের দাম গত ১৩ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়। সূত্র: যুগান্তর
ফাইল ছবি
চলমান ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহারের জন্য ড্রোন সরবরাহ পেতে ইরানের সহায়তা চেয়েছে রাশিয়া। এসব ড্রোনের মধ্যে অস্ত্র পরিবহনে সক্ষম ড্রোনও রয়েছে। এদিকে, মঙ্গলবার মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএনকে যুক্তরাষ্ট্রের বাইডেন প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রাশিয়ার হাতে এসে পৌঁছেছে ইরানের অস্ত্রবহনকারী ড্রোন। এগুলো ইউক্রেনে যুদ্ধক্ষেত্রে মোতায়েন করা হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ মাসের শুরুতে ইরানের বিমান ঘাঁটি থেকে ড্রোনগুলো বুঝে নেয় রাশিয়া। এরপর মধ্য আগস্টে কার্গো বিমানে করে এগুলো রাশিয়ায় নেয়া হয়।
তারা আরও জানিয়েছে, রাশিয়ার কর্মকর্তারা এ মাসের শেষ দিকে এগুলোর ওপর নিজেদের সেনাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু করেছে।
সিএনএন এর আগে জানিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন রাশিয়া ইরানের কাছ থেকে মোহাজের-৬ এবং শহিদ সিরিজের শহিদ-১২৯ এবং শহিদ-১৯১ ড্রোন কিনেছে এবং সেগুলো রাশিয়ায় পাঠানো হয়েছে। এই ড্রোনগুলো ইউক্রেনে ব্যবহার হতে পারে। এসব ড্রোন উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন অস্ত্র পরিবহণ ও নজরদারি চালাতে সক্ষম।
ইরান স্বল্প, মধ্যম ও দূরপাল্লার ড্রোন তৈরি করে থাকে। সম্প্রতি ড্রোন থেকে ছুড়তে সক্ষম এমন ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষাও চালিয়েছে দেশটি। রাশিয়ার দীর্ঘদিনের মিত্র ইরান। সম্প্রতি সিরিয়া ইস্যুতে দুই দেশের ঘনিষ্ঠতা আরো বেড়েছে।
গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরুর ঘোষণা দেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এরপর থেকেই পশ্চিমাদের বাধা উপেক্ষা করে পূর্ব ইউরোপের দেশটিতে চলছে রুশ সেনাদের সামরিক অভিযান। সূত্র: সিএনএন/বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি
ঘনিয়ে আসছে ক্রিকেট বিশ্বের জমজমাট লড়াইয়ের সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে টি-টুয়ান্টি বিশ্বকাপ। গত বছর বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও করোনার কারনে তা বাস্তবায়ন হয়নি। তাই এ বছর সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমান যৌভাবে আয়োজন করবে টি-টুয়ান্টি বিশ্বকাপ। ইতোমধ্যে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সপ্তম আসরের সূচি চূড়ান্ত করেছে আইসিসি। এতে নিশ্চিত হয়েছে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের খেলার দিনগুলোও। বাংলাদেশের বিশ্বকাপ মিশন শুরু হবে আগামী ১৭ অক্টোবর, উদ্বোধনী দিনে।
প্রথম রাউন্ডে বাংলাদেশের তিনটি ম্যাচই ওমানে। ১৭ অক্টোবর স্কটল্যান্ড, ১৯ অক্টোবর স্বাগতিক ওমান ও ২১ অক্টোবর পাপুয়া নিউগিনির বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশ।প্রথম রাউন্ডে দুই গ্রুপে বিভক্ত হয়ে খেলবে মোট ৮টি দল। বাংলাদেশ ছাড়াও টেস্ট খেলুড়ে দেশের মধ্য থেকে শ্রীলঙ্কা ও আয়ারল্যান্ডকে খেলতে হবে প্রথম রাউন্ডে। ‘বি’ গ্রুপে বাংলাদেশের সাথে আছে স্কটল্যান্ড, পাপুয়া নিউগিনি ও ওমান। ‘বি’ গ্রুপেরও চ্যাম্পিয়ন ও রানার-আপ দল সুপার টুয়েলভে উঠবে।
বাংলাদেশ ‘বি’ গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হলে সুপার টুয়েলভে খেলতে হবে গ্রুপ-২ এ। এই গ্রুপে আছে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তান। এছাড়াও গ্রুপ-২ এ রয়েছে নিউজিল্যান্ড ও আফগানিস্তান। ‘এ’ গ্রুপের রানার-আপ দলও খেলবে এই গ্রুপে।
সুপার টুয়েলভে গ্রুপ-১ এ ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাথে খেলবে ‘এ’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন ও ‘বি’ গ্রুপের রানার-আপ দল।