a
ফাইল ছবি
পশ্চিমা দেশগুলোকে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে রাশিয়া, যদি তারা রাশিয়া থেকে তেল আমদানি বন্ধ করে তাহলে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ৩০০ ডলার ছাড়িয়ে যাবে।
রাশিয়ার উপপ্রধানমন্ত্রী আলেকজান্ডার নোভাক সোমবার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে এসব কথা বলেন। খবর ইকনোমিক টাইমস।
তিনি বলেন, এটি সম্পূর্ণ পরিষ্কার- রাশিয়া থেকে তেল আমদানিতে অস্বীকৃতি জানালে আন্তর্জাতিক বাজারের জন্য তা বিপর্যয়কর পরিণতি ডেকে আনবে। তেলের দাম বেড়ে ব্যারেল প্রতি কত হবে তা অনিশ্চিত। তবে সেটি ৩০০ ডলার অথবা তার চেয়েও বেশি হতে পারে।
উল্লেখ্য, ইউরোপের মোট চাহিদার শতকরা ৪০ ভাগ গ্যাস সরবরাহ করে থাকে রাশিয়া।
সোমবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন বলেন, ওয়াশিংটন এবং ইউরোপীয় মিত্ররা রাশিয়া থেকে তেল আমদানি নিষিদ্ধের বিষয়টি বিবেচনা করছে। এরপর তেলের দাম গত ১৩ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়। সূত্র: যুগান্তর
ফাইল ছবি । নরেন্দ্র মোদি
মহারাষ্ট্রের এক চা বিক্রেতা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে দাড়ি কাটার জন্য ১০০ রুপি মানি অর্ডার করে পাঠিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, যদি প্রধানমন্ত্রী কিছু বাড়াতেই চান তাহলে দাড়ি নয়, দেশে কাজের সুযোগ বৃদ্ধি করুন। করোনা টিকার সংখ্যা বাড়ান।
ওই চা বিক্রেতা মহারাষ্ট্রের বারামাটির বাসিন্দা। তারা নাম অনিল মোরে। ইন্দ্রপুর রোডে এক বেসরকারি হাসপাতালের উল্টো দিকে ছোটখাটো একটি চায়ের দোকান চালান তিনি। এ বিষয়ে অনিল বারবার জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীকে অসম্মান করার কোনও অভিপ্রায় থেকে এই কাজ করেননি।
অনিল বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নিজের দাড়ি বাড়াচ্ছেন। যদি কিছু বাড়াতেই হয় তাহলে সেটা হওয়া উচিত দেশের কর্মসংস্থান। পাশাপাশি দেশে টিকাকরণের গতি বাড়ানো হোক। বাড়ানো হোক হাসপাতালের সংখ্যা। গত দুটি লকডাউনের ফলে সাধারণ মানুষকে যে দুর্দশার মধ্যে পড়তে হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর উচিত যাতে মানুষ এটা থেকে বেরিয়ে আসতে পারে সে চেষ্টা করা।”
অনিল আরো বলেন, দেশে প্রধানমন্ত্রীর স্থানই যে সর্বোচ্চ তা ভাল করেই জানেন তিনি। তার মতে, “আমি তাকে একশ’ রুপি পাঠিয়েছি, যাতে উনি নিজের দাড়িটা কেটে ফেলেন। কিন্তু উনি আমাদের মহান নেতা। প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আমার পূর্ণ শ্রদ্ধা ও আস্থা রয়েছে। তার অবমাননা করার কোনও ইচ্ছাই আমার নেই। কিন্তু যেভাবে মহামারীর কবলে পড়ে দিনের পর দিন দেশের গরিব মানুষের সমস্যা বেড়েই চলেছে, তাতে এভাবে তার দৃষ্টি আকর্ষণ করা ছাড়া উপায় ছিল না।”
উল্লেখ্য, নিজের চিঠিতে মোদির কাছে অনিলের আরো আরজি ছিল যে, যারা করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন তাদের পরিবারগুলোকে ৫ লাখ টাকা করে সাহায্য করুক কেন্দ্রীয় সরকার। সেই সঙ্গে লকডাউনে বিধ্বস্ত পরিবারগুলোকেও দেওয়া হোক ৩০ হাজার টাকা।
ফাইল ছবি
গাজা উপত্যকায় ইসরাইলের বর্বরোচিত বোমা-হামলার পরিপ্রেক্ষিতে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের নির্লিপ্ততার প্রতিবাদে ‘দ্য কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশন্স’ (কেয়ার) হোয়াইট হাউজের ঈদের অনুষ্ঠান বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে।
১৬ মে রবিবার ঈদ-উৎসবের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে হোয়াইট হাউজ। ইতিমধ্যেই মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে কর্মরত আরো দুটি সংগঠন এসব অনুষ্ঠানের বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে।
মুসলিম-আমেরিকানদের অধিকার ও মর্যাদা নিয়ে কর্মরত ‘স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন’ কেয়ারের ন্যাশনাল এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টরর নিহাদ আওয়াজ শনিবার প্রদত্ত এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আমরা জেনেশুনে বাইডেন প্রশাসনের সাথে ঈদ উদযাপন করতে পারি না, যখন গাজায় ইসরাইলি দুর্বৃত্তপনাকে আক্ষরিক অর্থে সহায়তা-সমর্থন দেয়া হচ্ছে, নিরীহ পুরুষ-নারীসহ শিশুদের নির্বিচারে বোমা হামলায় হত্যা করা হচ্ছে, সে সময় বাইডেনের নিরবতাকে আমরা মানতে পারছি না। এটা বিবেকের দংশন হবে-যদি বাইডেনের সাথে ঈদ-উৎসবে আমরা অংশ নেই। আমরা সর্বান্তকরণেই মনে করছি যে, প্রেসিডেন্ট বাইডেনের এহেন অন্যায়-অবিচার বন্ধ করা অথবা দমন করার ক্ষমতা ও নৈতিক কর্তৃত্ব রয়েছে। আমরা তাকে আহ্বান জানাচ্ছি ভিকটিমদের পক্ষে দাঁড়ানোর, হায়েনাদের পক্ষে নয়।’
‘ইসরাইলিদের বোমা হামলা বন্ধে বাইডেন প্রশাসন যদি কার্যকর অর্থে কোন পদক্ষেপ না নেন, এরফলে আরো অনেক শিশুর প্রাণহানী ঘটবে, এরমধ্য দিয়ে মূলত: মুসলিম-আমেরিকানদের সাথে প্রেসিডেন্ট বাইডেনের বিদ্যমান সম্পর্ক মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে বাধ্য। শুধু তাই নয়, যারা সত্যিকার অর্থে নাগরিক ও মানবাধিকার নিয়ে কাজ করেন, তাদের সাথেও বাইডেনের সম্পর্কের অবনতি ঘটবে’-মন্তব্য নিহাদ আওয়াজের।
প্রেসিডেন্ট বাইডেন হোয়াইট হাউজের ঈদ-উৎসব প্রসঙ্গে এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘জিল এবং আমি অধীর আগ্রহে রয়েছি রবিবারের ঈদ উৎসবে সকলকে স্বাগত জানাতে। সারাবিশ্বে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়েছে করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই। তবে আনন্দে পরিপূর্ণতা পায়নি মুসলিম সমাজের পবিত্র ভূমিতে হানাহানির কারণে। যুক্তরাষ্ট্রের মুসলমানেরাও ব্যথিত এবং উদ্বিগ্ন ঐ একই কারণে।’
উল্লেখ্য, ইসরাইলের আগ্রাসী তৎপরতায় বাইডেন প্রশাসনের রহস্যজনক ভূমিকার কারণে কংগ্রেসে প্রগতিশীল এবং উদারচিত্তের সদস্যরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং সমালোচনা করেছেন।