a নতুন করে ভারতে আতংক ছড়াচ্ছে ‘হোয়াইট ফাঙ্গাস’
ঢাকা শুক্রবার, ৩০ মাঘ ১৪৩২, ১৩ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

নতুন করে ভারতে আতংক ছড়াচ্ছে ‘হোয়াইট ফাঙ্গাস’


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
শনিবার, ২২ মে, ২০২১, ১০:৫১
নতুন করে ভারতে আতংক ছড়াচ্ছে ‘হোয়াইট ফাঙ্গাস’

ফাইল ছবি

করোনার যেনো ভারতকে আটকে ধরেছে । দেশটিতে করোনায় গত একদিনের  মৃতের সংখ্যা আবারো চার হাজার ছাড়ালো । করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে হুমড়ি খেয়ে পড়া ভারতে আবার নতুন করে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের প্রোকোপের পর  হোয়াইট ফাঙ্গাস বা সাদা ছত্রাক দেখা দিয়েছে ।

 দুই মাস পূর্বে  ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে প্রথম এই বিরল প্রাণঘাতী ব্ল্যাক ফাঙ্গাস সংক্রমণ ধরা পড়ে।  এই পরিস্থিতিতে ভারত ‘এপিডেমিক ডিজিজ এ্যাক্ট’ এর আওতায় এই সংক্রমণকে ‘মহামারি’হিসেবে ঘোষণা করেছে । গতকাল ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ‘এপিডেমিক ডিজিজ এ্যাক্ট’ এর আওতায় ‘মিউকোরমাইসিস বা ব্ল্যাক ফাঙ্গাস’ সংক্রমণের তালিকা চেয়ে সকল রাজ্য সরকারের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে এবং বিষয়টি ইউনিয়ন হেলথ মিনিস্ট্রি’কে জানানো হয়েছে ।


ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর বরাতে জানা যায়, দেশটির বিহার রাজ্যে নতুন করে অন্তত চারজন হোয়াইট ফাঙ্গাসে সংক্রমিত হয়েছেন। তবে তারা করোনা আক্রান্ত হননি। কিন্তু করোনার লক্ষণ থাকলেও পরীক্ষায় তা ধরা পড়েনি।

ভারতের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন করোনা থেকে আরোগ্যের পথে বা সুস্থ হয়ে ওঠাদের শরীরে বিরল যে সংক্রমণ- যার নাম ‘ব্ল্যাক ফাঙ্গাস’ বা বৈজ্ঞানিক নাম মিউকোরমাইকোসিস। মিউকোরমাইকোসিস খুবই বিরল একটা সংক্রমণ। মিউকোর নামে একটি ছত্রাকের সংস্পর্শে এলে এই সংক্রমণ হয়। সাধারণত এই ছত্রাক পাওয়া যায় মাটি, গাছপালা, সার এবং পচন ধরা ফল ও শাকসবজিতে।

এদিকে ভারতীয় চিকিৎসকরা বলছেন ব্লাক ফাঙ্গাসের বিপজ্জনক রূপ হলো হোয়াইট ফাঙ্গাস বা সাদা ছত্রাক। এই রোগের প্রভাবে ফুসফুসজনিত সমস্যা তৈরি হতে পারে। পেট, যকৃত, মস্তিষ্ক, নখ, ত্বক এবং গোপনাঙ্গেও ক্ষতি করতে পারে হোয়াইট ফাঙ্গাস।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / khurshedalm@msprotidin.com

রাণী এলিজাবেথ মেগানের বিস্ফোরক অভিযোগে উদ্বিগ্ন 


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন:
বুধবার, ১০ মার্চ, ২০২১, ০৯:৫১
রাণী এলিজাবেথ মেগানের বিস্ফোরক অভিযোগে উদ্বিগ্ন 

ফাইল ফটো: রাণী এলিজাবেথ, মেগান ও প্রিন্স হ্যারি

নিউজ ডেস্ক: ব্রিটিশ প্রিন্স হ্যারির স্ত্রী ডাচেস অব সাসেক্স মেগান মারকেল সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ব্রিটিশ রাজ পরিবারের বিরুদ্ধে বর্ণবাদী আচরণের অভিযোগ এনেছেন। ইতিমধ্যে রাণী এলিজাবেথের পক্ষে সেই অভিযোগের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বাকিংহ্যাম প্যালেস। 

মেগান মার্কল ও প্রিন্স হ্যারির সেই অভিযোগকে গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে এবং বিষয়টিতে রানি উদ্বিগ্ন বলে বিবৃতি দিয়েছে বাকিংহ্যাম প্যালেস।

বাকিংহ্যাম প্যালেসের বিবৃতির মাধ্যম দিয়ে মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম রয়টার্স জানিয়েছে, ওই সাক্ষাৎকারের পর বোঝা যাচ্ছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রিন্স হ্যারি এবং তার স্ত্রী মেগান একটা প্রতিকূল পরিবেশের মধ্য দিয়ে পার করেছেন। এতে করে বিষয়টি  রাজ পরিবারকে ব্যথিত করেছে বলে জানানো হয়। হ্যারি-মেগানের ছেলে অর্চির গায়ের রঙ নিয়ে রাজ পরিবারে উদ্বেগ ছিল বলে যে অভিযোগ মেগান তুলেছেন তা গুরুত্বের সঙ্গে দেখেছে রাজপরিবার। 

তবে এক্ষেত্রে ডিউক অব সাসেক্স হ্যারি ও ডাচেস অব সাসেক্স মেগানের বোঝার ভুলও হয়ে থাকতে পারে বলে বিশ্বাস রাজপরিবারের। পারিবারিকভাবে এই ভুল বোঝাবুঝি মিটিয়ে ফেলতে আহ্বান জানিয়েছেন রানি এলিজাবেথ। কারণ তিনি মনে করেন, তারা (হ্যারি, মেগান এবং তাদের ছেলে অর্চি) সবসময়ই রাজপরিবারের ভালবাসা নিয়ে থাকবে।

উল্লেখ্য, গত রবিবার সিবিএস টেলিভিশনে ওপরা উইনফ্রিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ব্রিটিশ রাজপরিবারে ওপর বর্ণবাদের অভিযোগ আনেন মেগান। 

অর্চি যখন গর্ভে আসার পর তার গায়ের রঙ কতটা কালো হতে পারে তা নিয়ে নাকি উদ্বেগে ছিলেন রাজ পরিবারের অনেক সদস্য। এমন পরিস্থিতিতে মেগান এতোই অসহায় বোধ করছিলেন যে, তিনি আত্মহত্যা করার সিদ্ধান্ত নেয়ার ব্যাপারও ভেবেছিলেন।

সাক্ষাৎকারে মেগান বলেন, আমি যখন অন্তঃসত্ত্বা, আমার দিনগুলো একই রকম ছিল, বারবার ওই কথাগুলো ঘুরেফিরে আসছিল—‘তুমি নিরাপত্তা পাবে না, কোনো খেতাবও পাবে না’। আর যখন ওর জন্ম হবে, ওর গায়ের রঙ কতটা কালো হতে পারে সেসব নিয়ে তাদের আলাপ আর উদ্বেগও তো ছিলই।

তবে রাজপরিবারের কে বা কারা গায়ের রঙ নিয়ে ওই উদ্বেগের কথা বলেছিল, তা প্রকাশ করতে চাননি মেগান। প্রসঙ্গত রাজপরিবার ছেড়ে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় বসবাস করছেন মেগান ও হ্যারি।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের জানুয়ারিতে হ্যারি-মেগান দম্পতি ব্রিটিশ রাজপরিবারের প্রতিনিধিত্ব আর না করার সিদ্ধান্তের কথা জানান। স্বাধীন জীবনযাপন করতে তারা রাজপরিবার থেকে বেরিয়ে যান। 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

অস্ট্রেলিয়ার বিমানের সামনে এসে অগ্নিশিখা ছেড়ে দেয় চীনা যুদ্ধবিমান


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ০৬ জুন, ২০২২, ১০:৫৯
অস্ট্রেলিয়ার বিমানের সামনে এসে অগ্নিশিখা ছেড়ে দেয় চীনা যুদ্ধবিমান

ফাইল ছবি

দক্ষিণ চীন সাগরে আন্তর্জাতিক আকাশসীমার কাছে অস্ট্রেলিয়ার একটি বিমানকে বিপজ্জনক কৌশলে ধাওয়া দিয়েছে চীনা যুদ্ধবিমান এবং বিমানের সামনে এসে অগ্নিশিখা ছেড়ে দেয় চীনা যুদ্ধবিমান।

অস্ট্রেলিয়া বলছে, দক্ষিণ চীন সাগরে অস্ট্রেলিয়ার একটি নজরদারি বিমানের সামনে চলে আসার পর চীনা যুদ্ধবিমান থেকে আগুনের শিখা ছেড়ে দেওয়া হয়। পরে অস্ট্রেলিয়ার বিমানকে বিভ্রান্ত করতে অ্যান্টি-রাডার ডিভাইস ব্যবহার করে আগুনের শিখা নির্গমন করে চীনা যুদ্ধবিমান। এই আগুনের শিখায় ছোট ছোট ধাতব পাত ছিল; যা অস্ট্রেলিয়ার বিমানের ইঞ্জিনে প্রবেশ করে।

অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ বলেছেন, গত ২৬ মে দক্ষিণ চীন সাগরে নিয়মিত সামুদ্রিক নজরদারি কার্যক্রমের সময় চীনের একটি জে-১৬ যুদ্ধবিমান রয়্যাল অস্ট্রেলিয়ান এয়ার ফোর্সের (আরএএএফ) পি-৮ নজরদারি বিমানকে বাধা দেয়া হয়।

তিনি বলেন, বিপজ্জনক কৌশলে অস্ট্রেলীয় বিমানকে বাধা দেওয়া হয়েছে। যা পি-৮ বিমান ও এর ক্রুদের জন্য নিরাপত্তা হুমকি তৈরি করেছিল।

অস্ট্রেলীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রিচার্ড মার্লেস বলেন, চীনা যুদ্ধবিমানটি আরএএএফ বিমানের খুব কাছ থেকে উড়েছিল। পরে বিমানের সামনে এসে অগ্নিশিখা ছেড়ে দেয় চীনা যুদ্ধ বিমানটি। এই অগ্নিশিখায় অ্যালুমিনিয়ামের ছোট ছোট টুকরা ছিল; যা অস্ট্রেলিয়ার বিমানের ইঞ্জিনে ঢুকে যায় বলে জানায়। সূত্র: আলজাজিরা/বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক