a নতুন করে ভারতে আতংক ছড়াচ্ছে ‘হোয়াইট ফাঙ্গাস’
ঢাকা মঙ্গলবার, ২৯ পৌষ ১৪৩২, ১৩ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

নতুন করে ভারতে আতংক ছড়াচ্ছে ‘হোয়াইট ফাঙ্গাস’


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
শনিবার, ২২ মে, ২০২১, ১০:৫১
নতুন করে ভারতে আতংক ছড়াচ্ছে ‘হোয়াইট ফাঙ্গাস’

ফাইল ছবি

করোনার যেনো ভারতকে আটকে ধরেছে । দেশটিতে করোনায় গত একদিনের  মৃতের সংখ্যা আবারো চার হাজার ছাড়ালো । করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে হুমড়ি খেয়ে পড়া ভারতে আবার নতুন করে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের প্রোকোপের পর  হোয়াইট ফাঙ্গাস বা সাদা ছত্রাক দেখা দিয়েছে ।

 দুই মাস পূর্বে  ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে প্রথম এই বিরল প্রাণঘাতী ব্ল্যাক ফাঙ্গাস সংক্রমণ ধরা পড়ে।  এই পরিস্থিতিতে ভারত ‘এপিডেমিক ডিজিজ এ্যাক্ট’ এর আওতায় এই সংক্রমণকে ‘মহামারি’হিসেবে ঘোষণা করেছে । গতকাল ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ‘এপিডেমিক ডিজিজ এ্যাক্ট’ এর আওতায় ‘মিউকোরমাইসিস বা ব্ল্যাক ফাঙ্গাস’ সংক্রমণের তালিকা চেয়ে সকল রাজ্য সরকারের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে এবং বিষয়টি ইউনিয়ন হেলথ মিনিস্ট্রি’কে জানানো হয়েছে ।


ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর বরাতে জানা যায়, দেশটির বিহার রাজ্যে নতুন করে অন্তত চারজন হোয়াইট ফাঙ্গাসে সংক্রমিত হয়েছেন। তবে তারা করোনা আক্রান্ত হননি। কিন্তু করোনার লক্ষণ থাকলেও পরীক্ষায় তা ধরা পড়েনি।

ভারতের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন করোনা থেকে আরোগ্যের পথে বা সুস্থ হয়ে ওঠাদের শরীরে বিরল যে সংক্রমণ- যার নাম ‘ব্ল্যাক ফাঙ্গাস’ বা বৈজ্ঞানিক নাম মিউকোরমাইকোসিস। মিউকোরমাইকোসিস খুবই বিরল একটা সংক্রমণ। মিউকোর নামে একটি ছত্রাকের সংস্পর্শে এলে এই সংক্রমণ হয়। সাধারণত এই ছত্রাক পাওয়া যায় মাটি, গাছপালা, সার এবং পচন ধরা ফল ও শাকসবজিতে।

এদিকে ভারতীয় চিকিৎসকরা বলছেন ব্লাক ফাঙ্গাসের বিপজ্জনক রূপ হলো হোয়াইট ফাঙ্গাস বা সাদা ছত্রাক। এই রোগের প্রভাবে ফুসফুসজনিত সমস্যা তৈরি হতে পারে। পেট, যকৃত, মস্তিষ্ক, নখ, ত্বক এবং গোপনাঙ্গেও ক্ষতি করতে পারে হোয়াইট ফাঙ্গাস।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / khurshedalm@msprotidin.com

জাতিসংঘের উদ্যোগে ইয়েমেনে ন্যায়পূর্ণ ও টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে- ইরান


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
মঙ্গলবার, ০৬ এপ্রিল, ২০২১, ১০:২৮
জাতিসংঘের উদ্যোগে ইয়েমেনে ন্যায়পূর্ণ ও টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে- ইরান

ফাইল ছবি

ইয়েমেন বিষয়ক শান্তি প্রক্রিয়ার প্রতি ইরানের সমর্থন রয়েছে বলে জানান দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর রাজনীতি বিষয়ক সিনিয়র উপদেষ্টা আলী আসগর খাজি। গতকাল সোমবার ইয়েমেনের জাতীয় ঐক্যমত্যের সরকারের প্রধান আলোচক মোহাম্মাদ আব্দুস সালামের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।

তিনি আরও বলেন, ইয়েমেনি জনগণের বীরোচিত প্রতিরোধ অবশেষে সফল হতে যাচ্ছে এবং দেশটির ওপর থেকে সৌদি নেতৃত্বাধীন নিপীড়নমূলক অবরোধের অবসান শীঘ্রই হতে যাচ্ছে। 

তিনি আশা প্রকাশ করেন, জাতিসংঘের উদ্যোগে ইয়েমেনে ন্যায়পূর্ণ ও টেকসই শান্তি শীঘ্রই প্রতিষ্ঠিত হবে।

জানা যায়, আলোচনা দুই দেশের কূটনীতিক ইয়েমেনে শান্তি প্রতিষ্ঠার উপায় নিয়ে আলোচনা করেন। জাতিসংঘের ইয়েমেন বিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি মার্টিন গ্রিফিটস সাম্প্রতিক সময়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য যে প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন সে ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেন আলী আসগর খাজি। সূত্র: পার্সটুডে

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

হবিগঞ্জ জেলা সদরে রায়ধর, আলাপুরসহ অনেক রাস্তা যান চলাচলে অনুপযোগী


কাজল,সিলেট প্রতিনিধি:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বুধবার, ২৮ জুলাই, ২০২১, ১১:৫০
হবিগঞ্জ জেলা সদরে রায়ধর, আলাপুরসহ অনেক রাস্তা যান চলাচলে অনুপযোগী

ছবিঃ মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

সিলেট বিভাগের হবিগঞ্জ জেলা সদর এর রায়ধর, আলাপুর, যাত্রাবড়বাড়ী, দীঘলবাক, নারায়নপুর এলাকার রাস্তাগুলো মানুষ ও যানবাহন চলাচলে অনুপোযোগী হয়ে পড়েছে। রাস্তা সংস্কাকালে যদি যত্ন সহকারে কাজ করা হতো তাতে সরকারের টাকার অপচয়ও কম হতো।

অপরদিকে জনগণ চলাচলে এরকম দূর্ভোগ পোহাতে হতো না। হালকা কাজ, কোন রকম নিয়ম শৃংখলার তোয়াক্কা না করে সম্পন্ন করে। দায়িত্বশীল ঠিকাদাররা সরকারী ইন্জিনিয়ারদের ম্যানেজ করে, কিংবা সরকারীদলের লোক হওয়ার প্রভাব খাটিয়ে যেন-তেনভাবে, কম বিটুমিন এর ব্যবহার করে রাস্তার কাজ হয়ে গেছে দেখিয়ে বিল উঠাইয়া নেন।

এসব রাস্তাঘাট এক বৃষ্টি মৌসমেই ভেংগে যায় এবং বৃষ্টির জমা পানিতে গর্ত হয়ে জনচলাচলে মারাত্মক ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়। রাতের বেলায় কত লোকজন এসব স্থানে পিছলে পড়ে আঘাতপ্রাপ্ত হন। এ বিষয়ে স্থানীয় মেম্বার তাজুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি জানান এসব রাস্তার কাজতো করেন ঠিকাদার। তদারকি করেন এলজিইডির দায়িত্বপ্রাপ্ত ইঞ্জিনিয়ার। তারাই ভাল বলতে পারবেন, কি দিয়ে কি হয়। 

প্রবীন ও সাবেক মেম্বার সুবহান মিয়া বলেন পাকিস্তানের সময় যে রাস্তায় যতটুকু বিটুমিন ব্যবহার হতে দেখতাম এখন সে রকম ব্যবহার হয়না। ফলে কোন রকম যত সামান্য বিটুমিন দিয়ে রোলার মেশিন দিয়ে ঘসাইয়া রাস্তা বানিয়ে ফেলে। এক বছরও টিকেনা। বৃষ্টির মৌসুম এলেই এমন গর্তের সৃষ্টি হয় এবং মানুষের চলাচলে দূর্ভোগ বাড়ে। 

তিনি আরও বলেন, এমন পরিস্থিতির জন্যে ইঞ্জিনিয়ার দায়ী। তারা ঠিকাদার হইতে টাকা খেয়ে রাস্তা কমপ্লিট মর্মে বিল পাস করে দিয়ে দেয়। ফলে ক্ষতিগ্রস্থ রাস্তায় চলাচলে জনদূর্ভোগ বাড়ে এবং এতে সরকারের ভাবমূর্তিই ক্ষুন্ন হয় জনসমক্ষে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক