a
ফাইল ছবি
পশ্চিমাদের অবিবেচক পদক্ষেপই বিশ্বে খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে রুশ রাষ্ট্রদূত আনাতোলি আন্তোনভ বুধবার (১৮ মে) এ কথা বলেন। ইউক্রেনে রুশ অভিযানের অনেক আগে থেকেই সংকটের শুরু বলেও তিনি জানান।
দূতাবাসের প্রেস সার্ভিস তার বক্তব্যের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছে, সামষ্টিক অর্থনীতিতে পশ্চিমের সম্মিলিত অবিবেচক পদক্ষেপের কারনে কয়েক বছর ধরেই খাদ্য নিরাপত্তা সংকট তৈরি হয়। মহামারির প্রভাবে তা আরও তীব্র আকার ধারণ করে।
এদিকে এর আগে জাতিসংঘ প্রধান এন্তোনিও গুতেরেস বিশ্বে খাদ্য সংকটের বিষয়ে সতর্ক করে বলেছেন, রাশিয়া ও বেলারুশের সার এবং ইউক্রেনের শস্য ছাড়া বিশ্ব খাদ্য সংকট পুরোপুরি মোকাবেলা করা সম্ভব হবেনা। সূত্র: ইত্তেফাক
ফাইল ছবি
ইসরাইলের সেনা গোয়েন্দা সংস্থার সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল আমোস ইয়াদলিন বলেছেন, সামরিক হামলা চালিয়ে ইরানের পরমাণু স্থাপনা ধ্বংস করা অত্যন্ত কঠিন কাজ।
তিনি মার্কিন একটি টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন। এতে তিনি আরও বলেন, ইসরাইল যেভাবে ১৯৮১ সালে ইরাকের এবং ২০০৭ সালে সিরিয়ার পরমাণু স্থাপনা মাত্র একবার হামলা চালিয়ে ধ্বংস করেছিল, ইরানের পরমাণু স্থাপনা সেভাবে ধ্বংস করা যাবেনা। খবর সিএনবিসির।
ইসরাইলের এই সাবেক জেনারেল ও তেলআবিব ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্টাডিজ ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক ইরানের পরমাণু কর্মসূচির সঙ্গে ইরাক ও সিরিয়ার পরমাণু কর্মসূচির পার্থক্যসমূহ তুলে ধরেন।
তিনি আরও বলেন, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি অনেক বেশি সমৃদ্ধশালী ও বিভিন্ন স্থানে ছড়ানো-ছিটানো কিন্তু ইরাক ও সিরিয়ার পরমাণু কর্মসূচি নির্দিষ্ট স্থানে সীমাবদ্ধ।
ইরানের পরমাণু স্থাপনাগুলো বহু স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং এগুলোর বেশিরভাগ পাহাড়ের নিচে ভূগর্ভে স্থাপন করা হয়েছে। ইসরাইলের বা পশ্চিমা দেশগুলোর পক্ষে ইরানের পরমাণু কর্মসূচির সার্বিক চিত্র সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা লাভ করতে পেরেছে কিনা তা নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেন।
জেনারেল ইয়াদলিন বলেন, ইসরাইল আকস্মিক হামলা চালিয়ে ১৯৮১ সালে ইরাকের সাদ্দাম সরকারকে এবং ২০০৭ সালে সিরিয়ার বাশার আসাদ সরকারকে হতভম্ভ করে দিয়েছিল। কিন্তু ইরানের ক্ষেত্রে অনুরূপ ঘটনা ঘটানো সম্ভব নয়। কারণ ইরান গত ২০ বছর যাবত এ রকম হামলা মোকাবিলায় নিজেদের সক্ষম করে তুলেছে।
ইসরাইল বহুবার ইরানের পরমাণু স্থাপনাগুলো বোমা মেরে ধ্বংস করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিল। ইরানের ভূগর্ভস্থ পরমাণু স্থাপনাগুলো কীভাবে বাঙ্কার ব্লাস্টার বোমা দিয়ে ধ্বংস করা যায় সে সংক্রান্ত বহু বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদন পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলোতে প্রকাশ করা হয়েছিল।
ফাইল ছবি: মুক্তা দাশ
বয়সী বয়স
~মুক্তা দাশ ~
বয়সটা..!
কেমন যেনো আটকে আছে , একটা কথায়
সবার মুখে একই কথা --- পঞ্চাশে এসে ভীমরতিতে ?
এই বয়সে ...!!!!
কিন্তু আমার মন যে বেড়ায় ঐ বয়সে !
ঐ যে যেদিন কুমারিত্ব হারিয়েছিলাম
ভয়ে ভয়ে মুখ লুকাতাম সবার থেকে....লুকিয়ে চুরিয়ে দেখতাম ঐ একজোড়া চোখ !
কি জানি কি ছিলো ওতে
আজও আমি পাইনি খুঁজে।
তবে, কেমন যেনো টানতো কেবল সারাবেলা !
মধ্যাকর্ষণ টানে যেমন, নরম মাটির পৃথিবীকে !!
ঠিক তেমনি,,, টানতো কেবল ঐ দু'চোখে !!!
কিন্তু এখন সন্ধ্যাবেলা
বাড়ছে বয়স! থোকা থোকা
চোখের কোলে কালির ছোপ, গালে -মুখে
বুড়ো বটের শেকড়ের ঝোপ!
নরম হাতের কোমলতা ?
ভুলেই গেছি , কবে ছিলো তা !!