a
ফাইল ছবি
পশ্চিমাদের অবিবেচক পদক্ষেপই বিশ্বে খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে রুশ রাষ্ট্রদূত আনাতোলি আন্তোনভ বুধবার (১৮ মে) এ কথা বলেন। ইউক্রেনে রুশ অভিযানের অনেক আগে থেকেই সংকটের শুরু বলেও তিনি জানান।
দূতাবাসের প্রেস সার্ভিস তার বক্তব্যের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছে, সামষ্টিক অর্থনীতিতে পশ্চিমের সম্মিলিত অবিবেচক পদক্ষেপের কারনে কয়েক বছর ধরেই খাদ্য নিরাপত্তা সংকট তৈরি হয়। মহামারির প্রভাবে তা আরও তীব্র আকার ধারণ করে।
এদিকে এর আগে জাতিসংঘ প্রধান এন্তোনিও গুতেরেস বিশ্বে খাদ্য সংকটের বিষয়ে সতর্ক করে বলেছেন, রাশিয়া ও বেলারুশের সার এবং ইউক্রেনের শস্য ছাড়া বিশ্ব খাদ্য সংকট পুরোপুরি মোকাবেলা করা সম্ভব হবেনা। সূত্র: ইত্তেফাক
ফাইল ছবি
স্বাধীনতাকামী সংগঠন ফিলিস্তিনের হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। ১১ দিনের বিমান হামলার অবসান ঘটিয়ে শুক্রবার যুদ্ধবিরতিতে উভয় পক্ষ সম্মত হয়। এরপরই গাজার রাস্তায় নেমে আসে হাজার হাজার ফিলিস্তিনি।
ফিলিস্তিনিরা ‘আল্লাহু আকবর’, ‘আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া’ জানিয়ে স্লোগান দেয়। এই সংঘাতে হামাস এবং ইসরায়েল উভয়ে বিজয় দাবি করেছে বলে জানায় ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
গত ১০ মে পূর্ব জেরুজালেম নিয়ে উত্তেজনায় গাজায় বিমান হামলা শুরু করে ইসরায়েল।আল আকসা মসজিদে ইসরায়েলি পুলিশের অভিযানের জেরে হামাস রকেট ছোড়া শুরু করলে বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল।
এই সংঘাতে নারী ও শিশুসহ ২৩২ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। আবার গাজা থেকে রকেট হামলায় ইসরায়েলের ১২ জন নাগরিক নিহত হয়েছে। শুক্রবার যুদ্ধবিরতি কার্যকরের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, এটা উন্নতির চরম সুযোগ সামনে এনেছে।
এর আগে ইসরায়েলের রাজনৈতিক নিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রিসভা জানায় তারা যুদ্ধবিরতির সুপারিশ সর্বসম্মতিক্রমে গ্রহণ করেছে। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বেনি গান্তজ বলেছেন গাজায় হামলার মাধ্যমে অভূতপূর্ব সামরিক অর্জন হয়েছে।
হামাসের এক কর্মকর্তা বলেছেন ইসরায়েল যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেওয়া ফিলিস্তিনি জনগণের জন্য বিজয় এবং ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জন্য পরাজয়।
এই যুদ্ধবিরতি টিকবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ পোষণ করেছেন হামাসের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক কাউন্সিলের কর্মকর্তা বাসিম নাইম। বাসিম নাইম বলেন ‘ফিলিস্তিনিদের জন্য ন্যায়বিচার, ইসরায়েলের আগ্রাসন বন্ধ এবং জেরুজালেমে আমাদের জনগণের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি সহিংসতা ব্যতিত এই যুদ্ধবিরতি ভঙ্গুর হয়ে পড়তে পারে।
সংগৃহীত ফটো: আহত মমতা বন্দোপাধ্যায়
বুধবার নন্দীগ্রামের রেয়াপাড়ায় একটি মন্দির থেকে বের হওয়ার সময় ৪-৫ জন ব্যক্তি তাকে জোরে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয় বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার। এতে মমতার মাথা, কপাল এবং পায়ে চোট লেগেছে। এরপর প্রচারণা বন্ধ রেখে কলকাতায় ফিরিয়ে নেওয়া হয় তাকে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুরো ঘটনাকে ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখছেন।
বুধবার হলদিয়ায় মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে নন্দীগ্রামে ফিরে আসার সময় সেখানে একাধিক মন্দির পরিদর্শন করছিলেন। সবশেষ রেয়াপাড়ায় একটি মন্দির থেকে বের হওয়ার সময় ভিড়ের মধ্য থেকে তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
খবরে আরও বলা হয়, ভীড়ের মধ্যে আকস্মিক ধাক্কা দেওয়ার ফলে তিনি মুখ থুবড়ে পড়ে যান। এতে তার কপালে ও মাথায় আঘাত লাগে। এছাড়া তিনি পায়েও ব্যাথা পান।
ঘটনাস্থলে তখন কোনো পুলিশ ছিল না বলে অভিযোগ করেছে তৃণমূল নেতৃবৃন্দ। পরে দেহরক্ষীরাই সেখান থেকে তাকে তুলে গাড়িতে নিয়ে যান হাসপাতালে।