a
ফাইল ছবি
জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলে ফিলিস্তিনের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়ায় ইউরোপের চার দেশের রাষ্ট্রদূতকে তলব করে প্রতিবাদ জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, চেক রিপাবলিক ও বুলগেরিয়ার রাষ্ট্রদূতকে তলব করে। খবর আনাদোলুর
সম্প্রতি গাজায় নিরস্ত্র সাধারণ মানুষের ওপর ইসরাইলের বর্বরোচিত হামলায় শত শত মানুষকে হত্যা ও হাজার হাজার মানুষকে আহত করার ঘটনায় পাকিস্তানসহ কয়েকটি মুসলিম দেশের আহ্বানে জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিল জরুরি বৈঠক ডাকে।
এই বৈঠকে নির্লজ্জভাবে দখলদার ইসরাইলের পক্ষে এবং ফিলিস্তিনের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে মানবাধিকার নিয়ে গলাবাজি করা ইউরোপের ওই চারটি দেশ।
এ কারণে ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্র সচিব আমল জাদৌ মঙ্গলবার যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, চেক রিপাবলিক ও বুলগেরিয়ার রাষ্ট্রদূতকে তলব করেন ও প্রতিবাদ জানান।
আমল জাদৌ বলেন, ফিলিস্তিনের বিরুদ্ধে তাদের এ ভোট মানেই ইসরাইলের দখলদারিত্ব, জবর দখল, নৃশংসতা, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও হত্যাযজ্ঞকে সমর্থন করা।
এছাড়াও ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্র মন্ত্রী রিয়াদ আল-মালিকি ওই চার দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রীকে চিঠি পাঠিয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানানোর পর তাদের অমানবিক কাজের ব্যাখ্যা চেয়েছেন।
ফাইল ছবি
শুক্রবার আব্রাহাম অ্যাকর্ড চুক্তির স্মরণে আয়োজিত সভায় এ তথ্য জানানো হয়। খবর মিডল ইস্ট আইয়ের।
খবরে বলা হয়, আরও আরব দেশকে বর্বর ইহুদীবাদি ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে উৎসাহিত করবে বাইডেন প্রশাসন।
আব্রাহাম অ্যাকর্ড হচ্ছে ইসরায়েল এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) কর্তৃক ২০২০ সালের ১৩ আগস্ট সই করা একটি সম্মতিপ্রাপ্ত চুক্তি। ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যস্থতায় এ চুক্তি সই হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্থনি ব্লিঙ্কেন বলেন, ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ক্ষেত্রে সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন এবং মরক্কোকে অনুসরণ করার জন্য আমরা আরও দেশকে উৎসাহিত করবো।
ইসরাইলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়ার লাপিদ বলেন, যে কোনো দেশ আমাদের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে পারবে।
সংযুক্ত আরব আমিরাত গত বছরের সেপ্টেম্বরে ট্রাম্প প্রশাসনের শেষ মাসে ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে সম্মত হয়। এরপর বাহরাইন, সুদান এবং মরক্কো আরব আমিরাতের পথ অনুসরণ করে বর্বর ইহুদি রাষ্ট্রটির সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করে।
বিনিময়ে ট্রাম্প প্রশাসন পশ্চিম সাহারার ওপর মরক্কোর কর্তৃত্বের স্বীকৃতি দেয়, সুদানকে যুক্তরাষ্ট্র সন্ত্রাসী রাষ্ট্রের তালিকা থেকে বাদ দেয় এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান সংক্রান্ত একটি চুক্তি সই করে।
এদিকে ব্লিঙ্কেন ফিলিস্তিনের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে ইচ্ছের কথা জানান, যা ট্রাম্পের প্রশাসনের সময় ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।
ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ এবং গাজার নিয়ন্ত্রক গোষ্ঠী হামাস কেউই ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বিষয়টিকে সেসময় ভালোভাবে নেয়নি। তারা ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বিষয়টিকে ‘পিঠে ছুরি মারার’ সঙ্গে তুলনা করেছে। সূত্র: যুগান্তর
ফাইল ছবি
বিশ্বের অন্যতম সেরা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্যামসাং। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রযুক্তি পণ্যের জন্য শিরোনামে আসলেও এবার ভিন্ন এক কারনে আলোচনায় আসলো এই জায়ান্ট কোম্পানি। দক্ষিণ কোরিয়ার নিয়মানুসারে তাদেরকে উত্তরাধিকার কর দিতে হবে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠান স্যামসাং ইলেকট্রনিকসের চেয়ারম্যান লি কুন-হির পরিবারের।
এই কর দেওয়া হলে তা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল রেকর্ড তৈরি করবে। কারণ তাদের করের পরিমাণ ১২ ট্রিলিয়ন ওন (দক্ষিণ কোরিয়ার মুদ্রা) বা ১০ দশমিক ৭৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি টাকায় যার পরিমাণ ৮৪ হাজার ২৭ কোটি ৫২ লাখ টাকা! ব্রিটিশ গণ্যমাধ্যম বিবিসি'র সূত্রে জানা যায়, দক্ষিণ কোরিয়ার নিজস্ব নিয়ামানুসারে উত্তরাধিকার কর অনেক বেশি। মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারীদের তার সম্পদের ওপর প্রায় পঞ্চাশ শতাংশ হারে কর দিতে হয়। এই রকম করের নিয়ম সবচেয়ে বেশি জাপানে, এরপরেই আছে দক্ষিণ কোরিয়া।
গত বছরের ২৫ অক্টোবর স্যামসাংয়ের চেয়ারম্যান লি কুন-হির মৃত্যু হয়। যিনি ছিলেন স্যামসাংয়ের প্রতিষ্ঠাতা লি বিয়ং-চুলের সন্তান। পিতার ছোট্ট ব্যবসাকে লি কুন-হি শুধু নিজ দেশেই সীমাবদ্ধ রাখেননি,বরং তিনি কঠোর পরিশ্রম আর সাধনা করে বিশ্বেরই একটি শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন। এক বিবৃতিতে স্যামসাং নিশ্চিত করে এই অর্থ শুধুমাত্র দক্ষিণ কোরিয়াই নয় যা বিশ্বে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ উত্তরাধিকার কর।
বিবিসি বলছে, পাঁচ বছর সময় নিয়ে মোট ছয় কিস্তির মাধ্যমে স্যামসাং পরিবার এই বিশাল অঙ্কের কর পরিশোধ করবে। সূত্র : বিবিসি