a
ফাইল ছবি
ইমরান খানকে বৃহস্পতিবার নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচিয়েছেন তিরিশ বছর বয়সের এক যুবক, নাম ইবতিসাম।
ইমরানের ওপর যখন গুলি চালানো হচ্ছিল, তখন হামলাকারীর ঠিক পেছনেই ছিলেন তিনি।
ঠিক সময়ে হামলাকারী যুবকের বন্দুক ধরা হাতটি টেনে নেন তিনি। লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে ছয় রাউন্ড গুলি, যা হয়তো ইমরানের বুকে লাগতে পারত।
তবে তা না লেগে গুলি এসে লাগে ইমরানের পায়ে। জখম হলেও এ যাত্রায় প্রাণে বেঁচে যান পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। খবর জিওটিভির।
হামলা করার মুহূর্তের একটি ছবি বন্দি হয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরায়। সেখানে বন্দুক হাতে দেখা যাচ্ছে হামলাকারীকে। তবে তার বন্দুকটির নল আকাশের দিকে তাক করা।
কারণ পেছন থেকে তার বন্দুক ধরা হাতটি টেনে ধরেছেন ওই যুবক। তার পরনে লাল-সাদা-নীল একটি টি-শার্ট। তাকে জাপটে না ধরলে ইমরান খানের সঙ্গে আরও অনেকেরই প্রাণ যেতে পারত। সেই পরিণামের কথা ভেবেই ওই যুবককে নায়কের আসনে বসিয়েছেন অনেকেই। সূত্র: যুগান্তর
ফাইল ছবি
গাজায় সামরিক তৎপরতা বন্ধ করতে ইসরায়েলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে রায় দিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস (আইসিজে)। দক্ষিণ আফ্রিকার করা মামলায় শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে এই রায় দিয়েছে নেদারল্যান্ডসের হেগ ভিত্তিক জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠানটি।
ইসরায়েলকে গণহত্যা প্রতিরোধে সব ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে আইসিজে। পাশাপাশি ধ্বংসযজ্ঞ থামাতে ও নিজেদের পক্ষে প্রমাণ সংরক্ষণ করারও নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
এই আদেশে গাজায় ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং মিশন, আন্তর্জাতিক ম্যান্ডেট ও অন্যান্য সংস্থার মাধ্যমে সমস্ত প্রমাণের নির্ভরযোগ্যতা স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
আদালতের অস্থায়ী ব্যবস্থার মধ্যে রয়েছে—
১. ইসরায়েলকে অবশ্যই গণহত্যামূলক বলে বিবেচিত হতে পারে এমন যে কোন কাজ প্রতিরোধ করার জন্য সমস্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে—একটি গোষ্ঠীর সদস্যদের হত্যা করা, শারীরিক ক্ষতি ঘটানো, একটি গোষ্ঠীর ধ্বংস ঘটাতে পরিকল্পিত পরিস্থিতি সৃষ্টি করা, জন্ম রোধ করা ইত্যাদি।
২. ইসরায়েলকে অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে যে তার সামরিক বাহিনী কোনো গণহত্যামূলক কাজ করবে না।
৩. ইসরায়েলকে অবশ্যই গাজায় গণহত্যার জন্য উস্কানি হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে এমন কোনো প্রকাশ্য মন্তব্য প্রতিরোধ ও শাস্তি দিতে হবে।
৪. মানবিক প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে ইসরাইলকে অবশ্যই ব্যবস্থা নিতে হবে।
৫. ইসরায়েলকে অবশ্যই গণহত্যার মামলায় ব্যবহার করা যেতে পারে এমন প্রমাণ ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে হবে।
৬. ইসরায়েলকে এই আদেশের এক মাসের মধ্যে আদালতে একটি প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।
আদালত হামাসের হাতে জিম্মিদের ভাগ্য নিয়েও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংগঠনটি এবং তাদের অবিলম্বে মুক্তির আহ্বান জানিয়েছে। সূত্র: ই্ত্তেফাক
ফাইল ছবি
এশিয়ার শীর্ষ ১০০ জন বিজ্ঞানীর একটি তালিকা প্রকাশ করেছে সিঙ্গাপুরভিত্তিক সাময়িকী ‘এশিয়ান সায়েন্টিস্ট’। সেই তালিকায় নাম এসেছে তিন বাংলাদেশী বিজ্ঞানীর। তারা হলেন যথাক্রমে সালমা সুলতানা, ফেরদৌসী কাদরী ও সায়মা সাবরিনা। এক সূত্রে জানা গেছে, বিজ্ঞান ও গবেষণায় পূর্বেও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেছিলেন এই তিন নারী বিজ্ঞানী।
গত সোমবার (২৬ এপ্রিল) ‘দ্য এশিয়ান সায়েন্টিস্ট ১০০’ শিরোনামে ষষ্ঠবারের মত এ তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তন থেকে শুরু করে কোভিড–১৯ এর মতো এ বছরের গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা মোকাবিলায় ভূমিকা রাখা গবেষক ও উদ্ভাবকরা এ বছর এ তালিকায় মনোনিত হয়েছেন। ওয়েবসাইটে বিজ্ঞানীদের পরিচয় ও ছবি এবং তাদের গবেষণার বিষয় সংক্ষিপ্ত আকারে প্রকাশ করা হয়েছে।
সেই তালিকায় বাংলাদেশ ছাড়াও চীন, ভারত, মালয়েশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, জাপান, হংকং, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া ও ভিয়েতনামের বিজ্ঞানীদের নাম এসেছে। তালিকায় যায়গা করে নেয়া বিজ্ঞানীরা বর্তমান সংকটময় সময়ে মলিকুলার ইমেজিং থেকে কোয়ান্টাম কম্পিউটিং পর্যন্ত বিভিন্ন ক্ষেত্রে গবেষণায় বিশেষ ভূমিকা রেখেছে।
তিন বিজ্ঞানীর পরিচয় জেনে নেয়া যাক:
ড.ফেরদৌসী কাদরী,তিনি আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশের (আইসিডিডিআর, বি) ইমিউনোলজি বিভাগের প্রধান। উন্নয়নশীল দেশগুলোতে শিশুদের মধ্যে সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে তার প্রচেষ্টা বিশ্বজুড়ে প্রশংসনীয়। দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে কলেরা মহামারি থেকে মানুষকে রক্ষা করার জন্য সাশ্রয়ী মূল্যের টিকা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন এমন কয়েকজন মানুষের মধ্যে তিনি অন্যতম।
বিজ্ঞানী সায়মা সাবরিনা বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক। ন্যানোম্যাটেরিয়্যালের ব্যবহার নিয়ে গবেষণার জন্য ২০২০ সালে তিনি ওডব্লিউএসডি-এলসেভিয়ের ফাউন্ডেশন অ্যাওয়ার্ড ফর আর্লি ক্যারিয়ার ওমেন সায়েন্টিস্ট ইন দ্য ডেভেলপিং ওয়ার্ল্ড পেয়েছিলেন।
আরেক বিজ্ঞানী সালমা সুলতানা হলেন মডেল লাইভস্টক অ্যাডভান্সমেন্ট ফাউন্ডেশনের (এমএএলএফ) চেয়ারম্যান। বাংলাদেশে পশুচিকিৎসাবিষয়ক শিক্ষাবিস্তারে তার ভূমিকা রয়েছে। তিনি পশুর রোগ নির্ণয়ের জন্য ল্যাবরেটরিসহ একটি ভেটেরিনারি হাসপাতালও গড়ে তুলেছেন। যা গবাদিপশুর আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থাকে সহজ করতে সক্ষম হয়েছে।এদিকে তাদের এমন অভূতপূর্ব সাফল্যে আনন্দের জোয়ারে ভাসছে গোটা দেশ এই অর্জন যেমন তাদের তেমনি বাংলাদেশের।