a বীরের সংবর্ধনা পাচ্ছেন ইমরান খানকে বাঁচানো সেই যুবক
ঢাকা বুধবার, ১৫ মাঘ ১৪৩২, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

বীরের সংবর্ধনা পাচ্ছেন ইমরান খানকে বাঁচানো সেই যুবক


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শুক্রবার, ০৪ নভেম্বর, ২০২২, ০৮:২১
বীরের সংবর্ধনা পাচ্ছেন ইমরান খানকে বাঁচানো সেই যুবক

ফাইল ছবি

ইমরান খানকে বৃহস্পতিবার নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচিয়েছেন তিরিশ বছর বয়সের এক যুবক, নাম ইবতিসাম।

ইমরানের ওপর যখন গুলি চালানো হচ্ছিল, তখন হামলাকারীর ঠিক পেছনেই ছিলেন তিনি।

ঠিক সময়ে হামলাকারী যুবকের বন্দুক ধরা হাতটি টেনে নেন তিনি। লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে ছয় রাউন্ড গুলি, যা হয়তো ইমরানের বুকে লাগতে পারত।

তবে তা না লেগে গুলি এসে লাগে ইমরানের পায়ে। জখম হলেও এ যাত্রায় প্রাণে বেঁচে যান পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। খবর জিওটিভির।

হামলা করার মুহূর্তের একটি ছবি বন্দি হয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরায়। সেখানে বন্দুক হাতে দেখা যাচ্ছে হামলাকারীকে। তবে তার বন্দুকটির নল আকাশের দিকে তাক করা।

কারণ পেছন থেকে তার বন্দুক ধরা হাতটি টেনে ধরেছেন ওই যুবক। তার পরনে লাল-সাদা-নীল একটি টি-শার্ট।  তাকে জাপটে না ধরলে ইমরান খানের সঙ্গে আরও অনেকেরই প্রাণ যেতে পারত। সেই পরিণামের কথা ভেবেই ওই যুবককে নায়কের আসনে বসিয়েছেন অনেকেই। সূত্র: যুগান্তর

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

বাইডেন ইউক্রেন নিয়ে ভুল পথে! নিশ্চিতভাবেই ট্রাম্পকে খুশি করবে: সমীক্ষা


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ২৯ মার্চ, ২০২২, ১২:১২
বাইডেন ইউক্রেন নিয়ে ভুল পথে! নিশ্চিতভাবেই ট্রাম্পকে খুশি করবে: সমীক্ষা

ফাইল ছবি: জো বাইডেন

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের কর্মপদ্ধতিতে আস্থা নেই অধিকাংশ আমেরিকানের। ৭১ শতাংশ আমেরিকান মনে করেন, বাইডেনের অধীনে দেশ ভুল পথে যাচ্ছে। পরোক্ষভাবে ইউক্রেন যুদ্ধে জড়ানোর পর যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ এই মত দিল। অন্যদিকে, ৪০ শতাংশ আমেরিকান বাইডেনের নেওয়া পদক্ষেপগুলোতে আস্থা রাখেন।

এনবিসি নিউজ পরিচালিত সমীক্ষায় এই পরিসংখ্যান উঠে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট পদে দায়িত্ব পালনের মেয়াদে এই প্রথম সর্বোচ্চসংখ্যক জনগণ বাইডেনের প্রতি অনাস্থা পোষণ করলেন। খবর এনবিসি নিউজের

জরিপে দেখা গেছে, গত জানুয়ারির তুলনায় বর্তমানে প্রায় তিন শতাংশ বেশি মানুষ বাইডেনের নেওয়া সিদ্ধান্তে আস্থা রাখতে পারছে না। তাদের বড় একটি অংশ মনে করে, যুক্তরাষ্ট্র এখন ভুল পথে চলছে। ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণের বিরোধিতা করে যুক্তরাষ্ট্র ন্যাটোকে সঙ্গে নিয়ে ত্বরিত পদক্ষেপ নেওয়ার পর জনমতের এই পরিবর্তন হয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্নেষকরা।

এর পাশাপাশি কভিড-১৯ মহামারি ও ডলারের মুদ্রাস্ম্ফীতির ব্যাপারটিও জনমত পরিবর্তনে ভূমিকা রেখেছে। সমীক্ষার ফলাফল পাওয়ার পর রিপাবলিকান নেতা বিল ম্যাকইনটার্ফ এনবিসি নিউজকে বলেন, 'ডেমোক্র্যাটরা সম্ভবত একটি বিপর্যয়মূলক নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।' এমন চলতে থাকলে হাউস অব রিপ্রেজেনটেটিভ ও সিনেটের মধ্যবর্তী নির্বাচনেও বাইডেনের ভরাডুবি হবে বলে মনে করেন ডেমোক্র্যাট নেতা জেফ হরউইট।

গত সপ্তাহে চার দিনে মোট এক হাজার প্রাপ্তবয়স্ক মার্কিনির ওপর এই জরিপ করা হয়েছে, যাদের মধ্যে ৭৯০ জন নিবন্ধিত ভোটার ছিলেন।

বাইডেনের বর্তমান এই অবস্থান নিশ্চিতভাবেই ট্রাম্পকে খুশি করবে। কারণ, ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আবারও মনোনয়ন চাইবেন বলে আগেই জানিয়েছেন তিনি। তখনও বাইডেনের জনপ্রিয়তা এমন থাকলে নির্বাচনে কী ঘটবে, তা একরকম আন্দাজ করতে পারা যায়।

বাইডেন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের তিন মাস পরে অর্থাৎ ২০২১ সালের মার্চে এনবিসি নিউজের এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, তখন ৫৩ শতাংশ আমেরিকান বাইডেনকে সমর্থন করেছিলেন এবং তাদের মধ্যে ভোটার ছিলেন ৫১ শতাংশ। একই জরিপে আমেরিকানের ৩৯ শতাংশ ও নিবন্ধিত ভোটারের ৪৩ শতাংশ তার কর্মপদ্ধতিকে অপছন্দ করেছেন। সূত্র: সমকাল

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আজ মহান বিজয় দিবস


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
শুক্রবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২২, ১১:০৯
আজ মহান বিজয় দিবস

ছবি: সংগৃহীত

আজ থেকে ৫১ বছর আগে একসাগর রক্তের বিনিময়ে এই ১৬ ডিসেম্বরে এসেছিল বাংলার স্বাধীনতা। ৫৫,৫৯৮ বর্গমাইলের এই দেশে উদিত হয়েছিল নতুন এক সূর্য। সে সূর্যের কিরণে লেগে ছিল রক্ত দিয়ে অর্জিত বিজয়ের রং। সেই রক্তের রং সবুজ বাংলায় মিশে তৈরি করেছিল বাংলার লাল-সবুজ পতাকা।

যে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একাত্তরের ৭ই মার্চ ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’ বলে জাতিকে লড়াইয়ের ডাক দিয়েছিলেন, সেই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানেই পরাজয় মেনে নিয়ে মাথা নত করে ৯৩ হাজার পাকিস্তানি সৈন্য অস্ত্র সমর্পণ করেছিল বাঙালি জাতির বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে।

আজ ১৬ ডিসেম্বর। মহান বিজয় দিবস। বিজয়ের ৫১ বছর পেরিয়ে এসেছে জাতি। এই দীর্ঘ সময় পেরিয়ে এসে আমাদের সামনে প্রশ্ন, আমরা কি মুক্তিযুদ্ধের প্রত্যাশিত স্বাধীনতা পেয়েছি? লাখ লাখ মানুষের জীবন দান, শত-সহস্র মানুষের জীবন উৎসর্গ ও আত্মত্যাগের বিনিময়ে যে দেশ আমরা পেয়েছি, তাকে কি সেই স্বপ্নের ঠিকানায় পৌঁছাতে পেরেছি?

মুক্তিযুদ্ধের ৫১ বছর পেরিয়ে এসে এটা স্বীকার করতে হবে যে, দেশ স্বাধীনতা অর্জন করলেও এখনো স্বাধীনতার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জিত হয়নি। দেশের নানামুখী উন্নয়নের পরেও আমরা দেখি, পাকিস্তানে দেশের সাধারণ মানুষ যে শোষণ-বঞ্চনার শিকার হয়েছে, আজও তা থেকে মানুষের মুক্তি মেলেনি। সমাজে বৈষম্য বাড়ছে। সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তি আজও অর্জন করা সম্ভব হয়নি। আর হয়নি বলেই মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত লক্ষ্য আজও অর্জন করা সম্ভব হয়নি বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদরা। এখনো দেশে বাক স্বাধীনতা নিয়ে কথা ওঠে। মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের এত বছর পরেও তাই অনেকের কণ্ঠে খেদ ঝরতে শোনা যায়, এই বৈষম্যের বাংলাদেশ কি আমরা চেয়েছিলাম! গণতান্ত্রিক কাঠামো মজবুত করতে যেসব প্রতিষ্ঠান কাজ করে, সেগুলোর সক্ষমতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। তবে অস্বীকার করার উপায় নেই, পাওয়া এবং না-পাওয়ার সবকিছুই এসেছে বাঙালির হাত ধরেই। আমরা যাদের কাছ থেকে স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছি, তাদের নানাভাবে পেছনে ফেলেছি আমরা। সেটাও কম বড় অর্জন নয়! পাওয়ার আনন্দ যেমন আমাদের আছে, না-পাওয়ার বেদনাও একেবারে কম নয়। রাষ্ট্রীয় কাঠামোর প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করা সম্ভব হলে বাংলাদেশ তার স্বাধীন সত্তা বিশ্ববাসীর কাছে জোরালোভাবে তুলে ধরতে পারবে।

দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে সরকারী-বেসরকারী ও রাজনৈতক দলসমূহ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। মহান বিজয় দিবসে সকল কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, ভোরে সাভারস্থ জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে। সূত্র: ইত্তেফাক

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক