a
সংগৃহীত ছবি
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকান সিনেটর জেমস রিশ পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ৫০ মিলিয়ন ডলার আর্থিক সহায়তা আটকে দিয়েছেন। এতে গাজা উপত্যকায় ভবন, সড়ক ও নিরাপদ পানি সরবরাহ স্থাপনা নির্মাণ বিলম্বিত হবে। এতে ব্যাপক ভোগান্তিতে পড়বে যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজাবাসী।
আল জাজিরা এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করে। গণমাধ্যমটি আরও জানায়, গত মাসে ১১দিন ব্যাপী হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধে গাজায় শত শত ভবন ধ্বংস করেছে ইহুদিবাদীদের যুদ্ধবিমান। মিশরের সহায়তায় দুই পক্ষের যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন ওই আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল।
তবে মার্কিন কংগ্রেসে পাস হওয়া ফিলিস্তিনিদের আর্থিক সহায়তা গত মাসে রিপাবলিকান সিনেটর জেমস রিশ বন্ধের পদক্ষেপ নেন। তিনি দাবি করেন, এই অর্থ হামাস বা ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের কাছে যাবে না সেটা আগে নিশ্চিত করতে হবে। উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের একটি আইনকে ব্যবহার করে এটি আটকে দিয়েছে সিনেটর জেমস।
ফাইল ছবি
আজ সোমবার স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় ইসরায়েলি প্রেসিডেন্ট রিওভেন রিভলিনের সঙ্গে সাক্ষাতের পর আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন নতুন মন্ত্রীসভা।
এর আগে গতকাল রবিবার রাতে ইসরায়েলি আইনপরিষদ নেসেটের অধিবেশনের আস্থাভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য লাপিদ-বেনেতের জোট সরকারের প্রতি সমর্থন দেয়। এর ফলে দেশটির দীর্ঘতম সময় ক্ষমতায় থাকা প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর শাসনের অবসান ঘটে। ২০০৯ থেকে টানা ১২ বছরসহ মোট ১৫ বছর তিনি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
আস্থাভোটে নির্বাচিত হওয়ার পরপরই জোট সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্যরা নেসেটে তাৎক্ষণিকভাবে শপথ নেন। আগের সমঝোতা অনুযায়ী চার বছর মেয়াদের সরকারের প্রথম দফায় দুই বছরের জন্য প্রধানমন্ত্রীর শপথ নেন নাফতালি বেনেত। ২০২৩ সালে শেষ দুই বছরের জন্য ইসরায়েলের নেতৃত্বের দায়িত্ব বেনেতের কাছ থেকে গ্রহণ করবেন ইয়ায়ির লাপিদ।
এদিকে আজ সোমবার কোনো প্রকার আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই বেনেতের কাছে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব হস্তান্তরের ঘোষণা দিয়েছেন বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। রবিবার রাতেই এ বিষয়ে নাফতালি বেনেতকে বার্তা দেওয়ার কথা জানায় নেতানিয়াহুর দপ্তর।
ইয়ায়ির লাপিদের ইয়েশ আতিদ ও নাফতালি বেনেতের ইয়ামিনা দল ছাড়াও প্রতিরক্ষামন্ত্রী বেনি গান্টজের মধ্যপন্থী ব্লু অ্যান্ড হোয়াইট, অ্যাভিগদর লিবারমানের রক্ষণশীল ইসরায়েল বেইতেইনু, মিরেভ মিশেইলির নেতৃত্বের মধ্য-বামপন্থী লেবার পার্টি, গিদন সারের নেতৃত্বের মধ্য-ডানপন্থী নিউ হোপ পার্টি, নিৎজান হরোউৎজের বামপন্থী মেরেৎজ ও মানসুর আব্বাসের নেতৃত্বের আরব-ইসরায়েলিদের রাজনৈতিক দল ইউনাইটেড আরব লিস্ট এই জোটে রয়েছে।
ফাইল ছবি
বাংলাদেশের চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী জনসংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন। সাময়িক হিসাবে এই সংখ্যাটি ছিল ১৬ কোটি ৫১ লাখ ৫৮ হাজার ৬১৬ জন। সে হিসাবে চূড়ান্ত ফলাফলে জনসংখ্যা বেড়েছে প্রায় ৪৭ লাখ।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) প্রতিবেদনের যাচাই-বাছাই শেষে বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিআইডিএস) গতকাল সোমবার জনশুমারি ও গৃহগণনার এই চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এর আগে, গত ২৭ জুলাই বিবিএসের মাধ্যমে বাস্তবায়িত জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।
গতকাল শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে বিআইডিএস জনশুমারির পরবর্তী মূল্যায়নের প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বিবিএসের জনশুমারিতে ২ দশমিক ৭৫ শতাংশ আন্ডার কাউন্ট (গণনার বাইরে) ছিল। বিশ্বের যে কোনো দেশে জনশুমারির ৫ শতাংশ পর্যন্ত আন্ডার কাউন্ট জাতিসংঘের স্বীকৃত। জাতিসংঘের নিয়ম অনুযায়ী তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে করা যাচাই-বাছাই অনুযায়ী বিবিএসের জনশুমারি সঠিক। সূত্র: ইত্তেফাক