a
সংগৃহীত ছবি
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকান সিনেটর জেমস রিশ পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ৫০ মিলিয়ন ডলার আর্থিক সহায়তা আটকে দিয়েছেন। এতে গাজা উপত্যকায় ভবন, সড়ক ও নিরাপদ পানি সরবরাহ স্থাপনা নির্মাণ বিলম্বিত হবে। এতে ব্যাপক ভোগান্তিতে পড়বে যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজাবাসী।
আল জাজিরা এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করে। গণমাধ্যমটি আরও জানায়, গত মাসে ১১দিন ব্যাপী হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধে গাজায় শত শত ভবন ধ্বংস করেছে ইহুদিবাদীদের যুদ্ধবিমান। মিশরের সহায়তায় দুই পক্ষের যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন ওই আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল।
তবে মার্কিন কংগ্রেসে পাস হওয়া ফিলিস্তিনিদের আর্থিক সহায়তা গত মাসে রিপাবলিকান সিনেটর জেমস রিশ বন্ধের পদক্ষেপ নেন। তিনি দাবি করেন, এই অর্থ হামাস বা ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের কাছে যাবে না সেটা আগে নিশ্চিত করতে হবে। উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের একটি আইনকে ব্যবহার করে এটি আটকে দিয়েছে সিনেটর জেমস।
ফাইল ছবি
হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবান শনিবার বলেছেন, রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) আরোপিত নিষেধাজ্ঞা ব্যর্থ হয়েছে। এ কারণে এখন ইইউকে নতুন কৌশলে এগিয়ে যেতে হবে। আর কৌশলটি হবে শান্তি আলোচনা এবং যুদ্ধে জয়ের পরিবর্তে শান্তি চুক্তির একটি ভালো প্রস্তাব।
ভিক্টর অরবান তার বক্তৃতায় বলেছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন চারটি ধারণার ওপর তাদের কৌশল সাজিয়েছিল। প্রথমটি হলো, ন্যাটোর পাঠানো অস্ত্র দিয়ে রাশিয়াকে হারাতে পারবে ইউক্রেন। দ্বিতীয়টি হলো, নিষেধাজ্ঞা রাশিয়ার অর্থনীতিকে দুর্বল করে দেবে এবং রাশিয়ার নেতৃত্বকে অস্থিতিশীল করে দেবে। তৃতীয়টি হলো, নিষেধাজ্ঞা ইউরোপের চেয়ে রাশিয়ার বেশি ক্ষতি করবে। চতুর্থটি হলো পুরো বিশ্ব ইউরোপের পাশে দাঁড়াবে।
অরবান বলেছেন, এগুলো সব ব্যর্থ হয়েছে, ইউরোপের সরকারের একের পর পতন হচ্ছে এবং জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই এখন নতুন কৌশল প্রয়োজন। হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা এমন একটি গাড়িতে বসে আছি যে গাড়ির চারটি চাকাই পাংচার হয়ে গেছে। এটি পুরোপুরি পরিষ্কার। এভাবে যুদ্ধে জয় পাওয়া সম্ভব না।
কট্টর জাতীয়বাদী অরবান আরও বলেছেন, ইউক্রেন এভাবে রাশিয়ার বিরুদ্ধে জয় পাবেনা, কারণ সামরিক দিক দিয়ে রাশিয়া অনেক শক্তিশালী। সূত্র: আল জাজিরা, আল আরাবিয়া
ফাইল ছবি
বাংলাদেশের সীমানার মধ্যে গোলাবারুদ ও হামলার ঘটনায় আবারও মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। রোববার সকালে ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত উ অং কিয়াউ মোর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আসার কথা রয়েছে।
জানা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরে মিয়ানমার-বাংলাদেশ সীমান্তে উত্তেজনা বিরাজ করছে। গত ২৮ আগস্ট বিকাল তিনটার দিকে মিয়ানমার থেকে ছোড়া দুটি মর্টার শেল বাংলাদেশের সীমান্তে এসে পড়ে। তবে সেগুলো বিস্ফোরিত হয়নি।
বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিজিবি) সদস্যরা মর্টার শেল দুটি ঘিরে রাখেন। পরে সেগুলো নিষ্ক্রিয় করা হয়। এ ঘটনায় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে কড়া ভাষায় সতর্ক করেছিল বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
ভার্চুয়াল তলবে ওই দিন ঢাকা এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি চায় না বলে সাফ জানিয়েছিল। এরপরেও সীমান্তে আবার গোলাবর্ষণের মতো ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া মিয়ানমার সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার টহলও দেয়। এই ঘটনার জের ধরে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে আবারও জরুরি তলব করে পরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সূত্র: যুগান্তর