a
সংগৃহীত ছবি
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকান সিনেটর জেমস রিশ পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ৫০ মিলিয়ন ডলার আর্থিক সহায়তা আটকে দিয়েছেন। এতে গাজা উপত্যকায় ভবন, সড়ক ও নিরাপদ পানি সরবরাহ স্থাপনা নির্মাণ বিলম্বিত হবে। এতে ব্যাপক ভোগান্তিতে পড়বে যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজাবাসী।
আল জাজিরা এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করে। গণমাধ্যমটি আরও জানায়, গত মাসে ১১দিন ব্যাপী হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধে গাজায় শত শত ভবন ধ্বংস করেছে ইহুদিবাদীদের যুদ্ধবিমান। মিশরের সহায়তায় দুই পক্ষের যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন ওই আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল।
তবে মার্কিন কংগ্রেসে পাস হওয়া ফিলিস্তিনিদের আর্থিক সহায়তা গত মাসে রিপাবলিকান সিনেটর জেমস রিশ বন্ধের পদক্ষেপ নেন। তিনি দাবি করেন, এই অর্থ হামাস বা ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের কাছে যাবে না সেটা আগে নিশ্চিত করতে হবে। উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের একটি আইনকে ব্যবহার করে এটি আটকে দিয়েছে সিনেটর জেমস।
ছবি সংগৃহীত
ইসরায়েল অভিমুখী একটি ব্রিটিশ তেলের ট্যাংকারে হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী ‘হুথি’। এডেন উপসাগরে চালানো এই হামলায় ট্যাংকারটিতে আগুন ধরে যায়। এরই মধ্যে হামলার দায় স্বীকার করে হুথির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের নৌ শাখা এই হামলা চালিয়েছে।
হুথিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারিয়া এক বিবৃতিতে বলেছেন, বেশ কয়েকটি উপযুক্ত নৌ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ‘মারলিন লুয়ান্ডা’ নামের ব্রিটিশ ট্যাংকারটিতে সরাসরি আঘাত করা হয়েছে।
ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা ফিলিস্তিনিদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে লোহিত সাগর দিয়ে চলাচল করা পশ্চিমা জাহাজগুলোতে সরাসরি হামলা শুরু করেছে গত দুই মাস যাবত। ফলে গত ২ মাসে সেখান দিয়ে সব ধরণের বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল ৪৫ শতাংশ কমে এসেছে।
আমেরিকার নানা পদক্ষেপেও কমানো যাচ্ছে না বিদ্রোহী গোষ্ঠীটির হামলা। হুদিদের দাবি, গাজায় যুদ্ধবিরতি ও মানবিক সহায়তা দ্রুত কার্যকর করা। সূত্র: প্রেসটিভি, বিডি প্রতিদিন
মোহাম্মাদ নাঈম ওয়ারদাক
নিউজ ডেস্ক: আফগানিস্তানের তালেবান বলেছেন, সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে মার্কিন সরকার তাদের সঙ্গে করা চুক্তি ওয়াশিংটন লজ্জাজনকভাবে লঙ্ঘন করেছে। কাতারের রাজধানী দোহায় তালেবানের রাজনৈতিক কার্যালয়ের মুখপাত্র মোহাম্মাদ নাঈম ওয়ারদাক বৃহস্পতিবার ইরানের প্রেস টিভিকে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ওয়াশিংটন তার প্রতিশ্রুতি মেনে চলতে ব্যর্থ হয়েছে, ২০২০ সালে তালেবানের সাথে যে চুক্তি হয়েছিল তার প্রতি তারা সম্মান দেখায়নি। নাঈম ওয়ারদাক বলেন, এখন তালোবানের সামনে অগ্রাধিকার হচ্ছে আফগানিস্তান থেকে জোরপূর্বক মার্কিন সেনা বহিষ্কার করা।
তিনি বলেন, আফগান জনগণ দখলদারদের বিরুদ্ধে জিহাদে লিপ্ত রয়েছে এবং গত ২০ বছর ধরে বিদেশি সামরিক আগ্রাসনের মুখে তারা নিজেদেরকে রক্ষা করে চলেছে।নাঈম ওয়ারদাক আরও বলেন, “আমাদের দেশকে স্বাধীন করার জন্য আমরা লড়াই করছি। জনগণকে রক্ষার জন্য আমরা স্বাধীন একটি সরকার চাই।”
গত মঙ্গলবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন তবে তিনি কোনও সুনির্দিষ্ট সময়সীমা ঘোষণা করেননি। মার্কিন কর্মকর্তারা ইতিমধ্যে জানিয়েছে, চলতি বছরের ১১ সেপ্টেম্বরের আগেই আফগানিস্তান থেকে সমস্ত সেনা প্রত্যাহার করা হবে।
প্রেস টিভিকে দেয়া সাক্ষাতে তালেবান মুখপাত্র নাঈম ওয়ারদাক আরও বলেন, আফগানিস্তানে সম্প্রতি যে সহিংসতা বেড়েছে তার জন্য আমেরিকা দায়ী। তিনি বলেন, “মার্কিন বোমাবর্ষণ আমাদেরকে অভিযানের পরিধি বাড়াতে বাধ্য করেছে।”