a
ফাইল ছবি
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের একটি অস্ত্র কারখানায় হামলা চালিয়েছে রুশ বাহিনী। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এই তথ্য জানিয়েছে। রবিবার (২৬ জুন) আল জাজিরার লাইভ প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, সামরিক স্থাপনা হিসেবে 'আর্টিয়ম ফ্যাক্টরি' লক্ষ্যবস্তু ছিল।
এছাড়া দেশটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, ইউক্রেনের আবাসিক ভবনে রাশিয়া হামলা চালিয়েছে বলে ইউক্রেন যে দাবি করেছে তা মিথ্যা। রাশিয়া জানায়, ইউক্রেনের বিমান প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র আবাসিক ভবনের ক্ষতির কারণ। সূত্র: ইত্তেফাক
ফাইল ছবি
ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় লুহানস্কের বড় শহর সেভেরোদোনেৎস্ক শহরে গভীরে ঢুকে পড়েছে। আজ সোমবার লুহানস্কের আঞ্চলিক গভর্নর সেরহি গাইদাই এ কথা জানিয়েছেন। দনবাসের লুহানস্ক অঞ্চলের সেভেরোদোনেৎস্কই সবচেয়ে বড় শহর, যার কিছু অংশ এখনো কিয়েভের নিয়ন্ত্রণে। সম্প্রতি এই শহরে হামলা জোরদার করে রুশ বাহিনী। খবর রয়টার্স ও আল-জাজিরার।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে গাইদাই বলেন, ‘দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমাদের জন্য হতাশার খবর রয়েছে, শত্রুরা শহরের ভেতরে ঢুকে পড়ছে।’
গভর্নর গাইদাই বলেন, পার্শ্ববর্তী লিসিচানস্ক শহর এখনো ইউক্রেনের নিয়ন্ত্রণে। দুই শহরের মধ্যকার মূল সড়কে গোলাবর্ষণ করা হচ্ছে। তবে সড়কটি এখনো বন্ধ হয়ে যায়নি। গাইদাই আরও বলেন, সেভেরোদোনেৎস্কে গ্যাস ও পানি নেই। এই পরিষেবা চালুর কোনো সম্ভাবনাও দেখছি না। লুহানস্ক অঞ্চলের ১০ লাখ মানুষকে পানি সরবরাহ করা যাচ্ছে না।
এর আগে গাইদাই বলেছিলেন, সেভেরোদোনেৎস্কের উপকণ্ঠে প্রবেশ করা রুশ সেনাদের গোলাবর্ষণে দুই বেসামরিক নাগরিক নিহত হন, আহত হয়েছেন আরও পাঁচজন।
গাইদাই বলেন, সব ধরনের অস্ত্র ও বিমান হামলার সহায়তা নিয়ে রুশ সৈন্যরা শহরে হামলা চালাচ্ছে। শহরের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলে তাঁরা ঢুকে পড়েছে। তীব্র লড়াই চলছে। ইউক্রেনীয়দের জন্য এটা এক কঠিন পরিস্থিতি।
গাইদাই বলেন, রুশ বাহিনী একই কৌশল বারবার প্রয়োগ করছে। তারা তিন, চার, পাঁচ ঘণ্টা ধরে টানা গোলাবর্ষণ করে। এরপর হামলা চালায়। কোথাও হামলাকারীরা মারা যায়। তখন গোলাবর্ষণের পর আবারও হামলা চালায়। সাফল্য না পাওয়া পর্যন্ত এই কৌশল চালিয়ে যাচ্ছে তারা।
গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে হামলা শুরু করে রাশিয়া। কিয়েভ দখলে ব্যর্থ হয়ে তারা দনবাস অঞ্চল নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার ওপর জোর দেয়। ওই এলাকার বড় অংশ আগে থেকেই রুশ–সমর্থিত বিচ্ছিন্নতাবাদীদের দখলে ছিল।
রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ এক সাক্ষাৎকারে বলেন, দনবাসের ‘স্বাধীনতাই’ এখন তাদের ‘শর্তহীন অগ্রাধিকার’। ইউক্রেনে হামলা শুরুর আগমুহূর্তে রুশপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ঘোষিত দনবাস অঞ্চলের লুহানস্ক ও দোনেৎস্ককে ‘স্বাধীন’ রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দেয় মস্কো। সূত্র: প্রথম আলো
রিকশাচালক শামীম
ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার ভরাডোবা হাইওয়ে এলাকায় এক রিকশাচালকের কাছ থেকে ৬০০ টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ সত্যতার ভিত্তিতে তিন পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
গত শনিবার (৮মে) দুপুরে পুলিশ সদর দফতরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি-মিডিয়া) মো. সোহেল রানা গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ঘটনার পরদিন না খেয়েই রোজা রাখে ভুক্তভোগী ওই রিকশাচালক। ঘটনাটি গত ৪ মে মঙ্গলবার রাতের ঘটনা। ঘটনাটি জানার পর স্থানীয় উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কালাম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করলে বিষয়টি বাংলাদেশ পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স উইংয়ের নজরে আসে। পোস্টে উল্লেখ করা হয়, এক অটোরিকশাচালকের সারারাতের আয় ৬০০ টাকা নিয়ে নিয়েছে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য।
অভিযোগটি বেশ গুরুতর হওয়ায় মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স উইং তাৎক্ষণিকভাবে বার্তাটি সংশ্লিষ্ট ইউনিট কমান্ডারের কাছে পাঠিয়ে অভিযুক্তদের দ্রুত শনাক্ত করার অনুরোধ করেন।
এরপর অভিযোগর ভিত্তিতে তিন পুলিশ সদস্যকে চিহ্নিত করে তাৎক্ষণিক এক অফিস আদেশে সাময়িকভাবে তাদের বরখাস্ত করে হাইওয়ে পুলিশের মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দিয়ে হাইওয়ে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার (৪ মে) মধ্যরাতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে রিকশা নিয়ে উঠার কারনে দায়িত্বরত পুলিশ ১০০০ টাকার চাঁদা দাবি করে। পকেটে এত টাকা না থাকায় ৬০০ টাকা দিয়ে নিজের রিকশা নিয়ে যেতে সক্ষম হয় রিকশাচালক শামীম। এই ঘটনায় পরবর্তীতে একাধিক অনলাইন ও জাতীয় পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসে পুলিশ প্রশাসন।
মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স উইংয়ের বার্তার পরিপ্রেক্ষিতে ভালুকা হাইয়ে পুলিশের ওসি জনাব মো. মশিউর রহমান শুরুতেই আশ্বস্ত করেছিলেন অভিযোগের সত্যতা মিললে তারা ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।
রিকশাচালক শামীম ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার গাড়াজান পন্ডিতপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। জীবনজীবিকার তাগিদে পরিবারসহ ভালুকা এমসি বাজার এলাকায় ভাড়া করা খুপরি ঘরে থাকেন এই রিকশাচালক।