a
ফাইল ছবি: ইরানের আইআরজিসি’র প্রধান মেজর জেনারেল হোসেইন সালামি
শত্রুরা স্বপ্নেও এখন ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের কথা ভাবে না বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি’র প্রধান মেজর জেনারেল হোসেইন সালামি।
তিনি বলেছেন, ইরানিরা যে শত্রুকে পরাজিত করতে সব দিক থেকে প্রস্তুত তারা তা ভালো করেই জানে। কারণ তারা ইরানি জাতির দৃঢ়তা প্রত্যক্ষ করেছে। মঙ্গলবার ইয়াজদ প্রদেশের শহীদদের স্মরণে আয়োজিত দ্বিতীয় জাতীয় কংগ্রেসে আইআরজিসি প্রধান এসব একথা বলেন।
সালামি বলেন, শত্রুরা ইরানি জাতি ও ইসলামী বিপ্লব ধ্বংস করতে সর্বশক্তি নিয়োগ করেছে। তারা বিভিন্নভাবে আমাদের সামরিক সংঘাতেও জড়িয়েছে কিন্তু তারা সফল হয়নি, ব্যর্থ হয়েছে। এখন তাদের কল্পনাতেও আর ইরানে হামলার বিষয়টি স্থান পায়না।
আইআরজিসি’র এই কমান্ডার আরও বলেন, সর্বোচ্চ নেতার নেতৃত্বে ইরানে উন্নয়ন-অগ্রগতি অব্যাহত রয়েছে এবং স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত হয়েছে। অপরদিকে শত্রুদের জন্য ইরান কঠিন পরিস্থিতি তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে বলে তিনি জানান।
ফাইল ছবি
ইরানের জাতীয় সংসদে সদ্য নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট সাইয়্যেদ ইব্রাহিম রায়িসি শপথ গ্রহণ করেছেন। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (৫ আগস্ট) বিকেলে তিনি এই শপথ গ্রহণ করেন। এর আগে দেশটির বিচার বিভাগের প্রধান, সংসদের স্পিকার, সামরিক ও বেসামরিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বিদেশি অতিথিরা সংসদ ভবনে আসন গ্রহণ করেন।
ইরানের সংবিধানের ১২১ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট রায়িসি দেশের জাতীয় সংসদে শপথ গ্রহণ করেন। এ অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্যদের পাশাপাশি বিশেষজ্ঞ পরিষদের সদস্যবৃন্দ ও বিচার বিভাগের প্রধান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া, বিদায়ী প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানিও রীতি অনুযায়ী রায়িসির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় সঙ্গীত বাজানো হয় এবং এরপর পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত অনুষ্ঠিত হয়। কুরআন তেলাওয়াতের পর স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংসদ স্পিকার মোহাম্মাদ বাকের কলিবফ এবং তার বক্তব্যের পর বিচার বিভাগের প্রধান গোলামহোসেইন মোহসেনি এজেয়ি বক্তব্য রাখেন। তার বক্তব্যের শেষে শপথ গ্রহণ করেন প্রেসিডেন্ট সাইয়্যেদ ইব্রাহিম রায়িসি।
এর আগে ইরানের সংসদ স্পিকার মোহাম্মাদ বাকের কলিবফ বিদেশি অতিথিদের অভ্যর্থনা জানান। বাংলাদেশ ও ভারতসহ বিশ্বের ৭৩টি দেশের অন্তত ১১৫ জন রাষ্ট্রীয় অতিথি প্রেসিডেন্ট রায়িসির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
উল্লেখ্য, এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমও অংশ গ্রহণ করেন। সূত্র: পার্সটুডে
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সাইফুল আলম, ঢাকা: ইসলামি শিক্ষা উন্নয়ন বাংলাদেশ আয়োজিত গোল টেবিল বৈঠকে আজ ২৬ এপ্রিল শনিবার সকাল ১০ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা জাতীয় করণের ঘোষণা দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি করা হয়।
এই দাবিতে, প্রতি উপজেলায় ১ টি দাখিল, ১ টি ফাযিল/কামিল ও ১ টি মহিলা মাদরাসা সরকারিকরণ এবং ৩ টি সরকারি আলীয়া মাদরাসার দূরাবস্থা নিরসনের দাবিতে অধ্যক্ষ মাওলানা ড. এ.কে এম মাহবুবুর রহমান এর সভাপতিত্বে উপাধ্যক্ষ মোঃ আবদুর রহমানের সঞ্চালনায় গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিশেষ মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ শহীদুল হক।
স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা জাতীয় করণের ঘোষণা দ্রুত বাস্তবায়নে, প্রতি উপজেলায় ১ টি দাখিল, ১ টি ফাযিল/কামিল ও ১ টি মহিলা মাদরাসা সরকারিকরনের দাবি জানান। বক্তারা ৩ টি সরকারি আলীয়া মাদরাসার দুরাবস্থা নিরসনের দাবি জানান বক্তারা। আলোচনায় অংশ গ্রহণ করেন অধ্যাপক ড. মহিউদ্দিন আহমেদ, ড. মোর্শেদ আলম ছালেহী, মুফতি বদিউল আলম সরকার, অধ্যক্ষ মাওলানা মিজানুর রহমান, হাফিজ মাওলানা আহমদ আলী, জনাব মোঃ রেজাউল হক, মোঃ রফিকুল ইসলাম, মোঃ রুহুল আমিন, জি.এম নজরুল ইসলাম, মোঃ মোজাম্মেল হক, রাকিবুল ইসলাম, উপাধ্যক্ষ আ.ন.ম মাহবুবুর রহমান, মোঃ দুরুল হুদা প্রমুখ। বক্তারা শিক্ষায় বৈষম্য নিরসনে শতভাগ উৎসব ভাতা, সরকারি নিয়মে বাড়ি ভাড়া, সর্বজনীন বদলি, অবসরের ৬ মাসের মধ্যে অবসর ও কল্যাণ ভাতা প্রদানের দাবি জানান।
ইবতেদায়ি মাদরাসা জাতীয়করণের ঘোষণা বিলম্ব হওয়ায় ৮ টি বিভাগে ৮ টি সমাবেশ করা শেষে ঢাকায় মহাসমাবেশ করার ঘোষণা করা হয়। বক্তারা অবিলম্বে জাতীয়করণের ঘোষণা দ্রুত বাস্তবায়নে দাবি জানান এবংনিম্ন লিখিত দাবিনামা পেশ করেন: ১) অনতিবিলম্বে ইবতেদায়ি নীতিমালা বাস্তবায়ন করে সমস্যা সমুহ সমাধান করার দাবি। ২) মাদ্রাসা বোর্ড থেকে মঞ্জুরী প্রাপ্ত সকল স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা এমপিও ভূক্ত করার দাবি। ৩) প্রতি উপজেলায় ১ টি দাখিল, ১ টি ফাযিল/কামিল ও ১ টি মহিলা মাদরাসা সরকারিকরনের দাবি। ৪) ৩ টি সরকারি আলীয়া মাদ্রসা বিদ্যামান সমস্যা সমূহ অতিদ্রুত সমাধান করতে হবে। ৫) দেশের মসজিদ সমুহের সম্মানিত ইমাম ও মুয়াজ্জিনের ভাতা প্রদানের জোর দাবি। ৬) শতকরা ৯২% ভাগ মুসলমানের দেশে শিক্ষার সর্বস্তরে ইসলামি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার জোর দাবি জানানো হয়।