a
ফাইল ছবি
ইউরোপজুড়ে একাধিক তেল পরিবহণ ও মজুদকারী প্রতিষ্ঠান সাইবার আক্রমণের মুখে পড়েছে। খবর বিবিসি জার্মানির ‘অয়েলট্যাঙ্কিং’, বেলজিয়ামে ‘এসইএ-ইনভেস্ট’ এবং নেদারল্যান্ডসের ‘ইভোস’ কোম্পানির তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থা সাইবার হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
বিবিসি জানায়, বিশ্বজুড়ে তেল মজুদকারী, পরিবহণ প্রতিষ্ঠানসহ কয়েক ডজন টার্মিনাল সাইবার হামলার শিকার হয়েছে। ভুক্তভোগী প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে—সপ্তাহ শেষে এসব হামলার ঘটনা ঘটেছে।
বিবিসি বলছে—উল্লিখিত তিনটি প্রতিষ্ঠানের তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে গেছে বা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে বলে তাদের কাছে তথ্য রয়েছে।
বেলজিয়ামের কৌঁসুলিরা বলছেন—তাঁরা ‘এসইএ-ইনভেস্ট’-এর টার্মিনালগুলোকে বাধাগ্রস্ত করা সাইবার-আক্রমণের তদন্ত করছেন।
‘এসইএ-ইনভেস্ট’-এর একজন মুখপাত্র বলেছেন, গত রোববার ইউরোপ ও আফ্রিকায় তাদের প্রতিটি পোর্ট সাইবার-হামলার শিকার হয় এবং ক্ষতিগ্রসথ হয়। প্রতিষ্ঠানটি অনলাইনে বিকল্প তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থা চালু করার চেষ্টা করে যাচ্ছে।
‘এসইএ-ইনভেস্ট’-এর মুখপাত্র আরও জানান, তাঁদের প্রতিষ্ঠান অন্যান্য কোম্পানিতেও সাইবার-আক্রমণের বিষয়ে অবহিত। তবে, সেসব হামলার সঙ্গে ‘এসইএ-ইনভেস্ট’-এ হামলার কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
অন্যদিকে, নেদারল্যান্ডসের ‘ইভোস’-এর এক মুখপাত্র বিবিসিকে জানায়—সাইবার-হামলায় টারনিউজেন, ঘেন্ট ও মাল্টার টার্মিনালগুলোতে তাঁদের তথ্যপ্রযুক্তি পরিষেবা ‘দিতে কিছুটা সময় লাগছে। সূত্র: নয়া দিগন্ত
ফাইল ছবি
ইমরান খানকে বৃহস্পতিবার নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচিয়েছেন তিরিশ বছর বয়সের এক যুবক, নাম ইবতিসাম।
ইমরানের ওপর যখন গুলি চালানো হচ্ছিল, তখন হামলাকারীর ঠিক পেছনেই ছিলেন তিনি।
ঠিক সময়ে হামলাকারী যুবকের বন্দুক ধরা হাতটি টেনে নেন তিনি। লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে ছয় রাউন্ড গুলি, যা হয়তো ইমরানের বুকে লাগতে পারত।
তবে তা না লেগে গুলি এসে লাগে ইমরানের পায়ে। জখম হলেও এ যাত্রায় প্রাণে বেঁচে যান পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। খবর জিওটিভির।
হামলা করার মুহূর্তের একটি ছবি বন্দি হয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরায়। সেখানে বন্দুক হাতে দেখা যাচ্ছে হামলাকারীকে। তবে তার বন্দুকটির নল আকাশের দিকে তাক করা।
কারণ পেছন থেকে তার বন্দুক ধরা হাতটি টেনে ধরেছেন ওই যুবক। তার পরনে লাল-সাদা-নীল একটি টি-শার্ট। তাকে জাপটে না ধরলে ইমরান খানের সঙ্গে আরও অনেকেরই প্রাণ যেতে পারত। সেই পরিণামের কথা ভেবেই ওই যুবককে নায়কের আসনে বসিয়েছেন অনেকেই। সূত্র: যুগান্তর
ফাইল ছবি
আফগানিস্তানের প্রধান তিন শহর হেরাত, লস্কর গাহ ও কান্দাহার ঘেরাও করে রেখেছে তালেবানরা। শহর তিনটি দখলে নিতে সরকারি বাহিনীর সঙ্গে ব্যাপক লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। দুই পক্ষের সংঘর্ষে প্রাণ বাঁচাতে শহর ছেড়ে পালাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। এরই মধ্যে লস্কর গাহ শহরের বেশিরভাগ এলাকা তালেবানের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে।
দুই পক্ষের তীব্র লড়াইয়ের কারণে শহর তিনটিতে তীব্র মানবিক সংকট দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছে মানবাধিকার সংগঠনগুলো। তারা বলছে দ্রুত সংঘাত বন্ধ করে এসব এলাকায় ত্রাণ সরবরাহ করা জরুরি বলেও জানানো হয়।
এদিকে লস্কর গা শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে বিমান হামলা চালিয়েছে আফগান বিমান বাহিনী। এতে একজন নিহত ও তিনজন আহত হয়েছেন। হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে আফগান সামরিক বাহিনী।
আফগান সেনাবাহিনীর দাবি, ওই হাসপাতালে আহত তালেবান সদস্যদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। তবে হাসপাতালটির মালিক এসব দাবি তা অস্বীকার করেছে। সূত্র: বিবিসি