a
ফাইল ছবি
ইউক্রেনের সেনাবাহিনী বৃহস্পতিবার বলেছে, তারা পূর্বাঞ্চলীয় শহর খারকিভের কাছে একটি রাস্তায় চারটি রাশিয়ান ট্যাঙ্ক ধ্বংস করে দিয়েছে। এছাড়া লুহানস্ক অঞ্চলের শাচিসতিয়া শহরের কাছে ৫০ রুশ সৈন্যকে তারা হত্যা করেছে। সেই সঙ্গে ষষ্ঠ রাশিয়ান বিমান ভূপাতিত করার দাবি করেছে। খবর রয়টার্স।
রাশিয়ার সেনারা ইউক্রেনের শাচিসতিয়া শহরে হামলা করেছিল। এএফপির খবরে বলা হয়েছে, ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান টুইটারে বলেছেন, ‘শাচিসতিয়া নিয়ন্ত্রণে এসেছে। দখলদার ৫০ রাশিয়ান সৈন্য নিহত হয়েছেন। ক্রামাটোরস্ক জেলায় রাশিয়ার আরও একটি বিমান ভূপাতিত করা হয়েছে। এ নিয়ে রাশিয়ার ছয়টি বিমান ভূপাতিত হলো।’
এর আগে ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে বিদ্রোহী–নিয়ন্ত্রিত এলাকার কাছে রাশিয়ার পাঁচটি বিমান ও একটি হেলিকপ্টার ভূপাতিত করার দাবি করেছিলেন ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান জেনারেল সেরহিই শাপটাললা।
এদিকে রাশিয়ার দাবি, তারা ইউক্রেনের কয়েকটি বিমানঘাঁটি অচল এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করে দিয়েছে।
ফাইল ছবি
তালেবান জনিয়েছে, যতক্ষণ না মার্কিন সেনারা আফগানিস্তান ত্যাগ করবে, ততক্ষণ দেশটিতে নতুন সরকার গঠন করবে না।
আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাকে এমনটিই জানিয়েছেন তালেবানরা। ৩১ আগস্টের মধ্যে আমেরিকার সব সেনা আফগানিস্তান ছাড়বে বলেই তালেবানের সঙ্গে সমঝোতা হয়েছিল হোয়াইট হাউসের।
গত ১৫ আগস্ট তালেবান বাহিনী কাবুল দখল নিশ্চিত করতেই রাজধানী কাবুলে বসবাসকারী আমেরিকার নাগরিকরা আফগানিস্তান ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।
ইতিমধ্যে প্রায় ১৭ হাজার নাগরিককে বাইডেন প্রশাসন দেশে ফিরিয়ে নিয়ে গেলেও এখনও প্রচুর মানুষ আটকা পড়েছেন কাবুলে। তাদের প্রত্যেককে দেশে ফেরাতে গেলে ৩১ আগস্টের বেশি সময় লেগে যাতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।
ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনও আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ওই সময়সীমা বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে জি-৭ বৈঠকেও আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।
তবে তালেবানের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলোর নাগরিকদের দেশে ফেরানোর কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই শেষ করতে হবে। সময়সীমা বাড়ানো হবে না।
ব্যতিক্রম হলে পরিণাম খারাপ হবে বলেই ব্রিটেনের সংবাদমাধ্যমে হুমকি দিয়েছেন তালেবান এক মুখপাত্র। তালেবান সূত্র এও বলেছে যে, আফগানিস্তানে একজন মার্কিন সেনা থাকলেও নতুন সরকার গঠন করবে না।
ফাইল ফটো:
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তথা স্কুল-কলেজের ছুটি ফের বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে সরকার। কারণ করোনা ভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতি দিন দিন অবনতি হচ্ছে। আগামী এক-দুই দিনের মধ্যে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।
সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে গত বছরের ৮ মার্চ দেশে করোনা সংক্রমণের পর ১৮ মার্চ থেকে। এ সময়ে অনলাইনে এবং সংসদ টিভিতে শ্রেণি কার্যক্রম চালু রেখেছে সরকার।
তবে করোনা সংক্রমণ কমে আসায় আগামী ৩০ মার্চ স্কুল-কলেজ এবং ২৪ মে বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। স্কুল-কলেজ খোলা নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একটি নির্দেশনার আলোকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর অধীন প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রস্তুতিরও নির্দেশ দিয়েছে।
অপরদিকে, চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে পবিত্র শবে বরাতের ছুটি ২৯ মার্চের পরিবর্তে ৩০ মার্চ নির্ধারণ করেছে সরকার। এছাড়া করোনা রোগী শনাক্তের হার তিন হাজার ছাড়িয়েছে মঙ্গলবার (২৩ মার্চ)।
এ পরিস্থিতিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলছে কিনা- প্রশ্নে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন বুধবার (২৪ মার্চ) সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, এ বিষয়ে দুই-এক দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত জানানো হবে। আমরা সববিষয় মাথায় রাখছি।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন যে, করোনারোগী বাড়ার কারণে সরকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। কারণ এ পরিস্থিতিতে বাচ্চাদের স্কুল-কলেজে পাঠানো ঠিক হবে না। ঈদের পর পর্যন্ত এ ছুটি আপাতত বাড়তে পারে।